Riat gameing

Riat gameing Welcome my page

31/10/2023

পটুয়াখালী জনকল্যাণ সংগঠন

11/08/2023

মনোবিজ্ঞানের মতে একটা মানুষ জীবনে সত্যিকারের প্রেমে ছয় বার
পরে....

আমি মাত্র দুই বার পড়ছি
এখনো চারবার বাকি....

23/07/2023

বাসে উঠে বসতে না বসতেই পাশের সীটের একটা সুন্দরী মেয়ে বলে উঠলো,"ও মাই গড! আপনি এতো সুন্দর কেনো?"
আমার গায়ে হাত দিয়ে বলল আপনার বডি এতো সুন্দর কেনো??
নিশ্চয়ই জিম করেন?
জীবনে আব্বা-আম্মা আমাকে কালাচাঁদ ছাড়া ডাকে নাই।
গার্লফ্রেন্ড আদর করে কালু ডাকে।
কিন্তু আজ এই বাসে এই মেয়ে আমার মধ্যে এমন কি দেখে সুন্দর বলল বুঝতে পারলাম না। মনে মনে লজ্জা পাচ্ছিলাম।
একটু পর মেয়েটা আমার পাশে বসা ছেলেটাকে বলল,"এই যে ভাই আপনি উঠুন, আমি এই ভাইয়ের পাশে বসতে চাই।আপনি আমার সীটে বসুন।"
দেখলাম ছেলেটা সুড়সুড় করে পাশের সারির মেয়েটার সীটে গিয়ে বসল।
মেয়েটা বসল আমার পাশে। খেয়াল করে দেখলাম মেয়েটা বেশ সুন্দর।
কয়েকদিন আগে টিভির বিজ্ঞাপন দেখে একটা ফেসওয়াশ কিনেছিলাম।
বিজ্ঞাপনে বলা ছিল এই ফেসওয়াশ চার সপ্তাহ মাখলে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও চকচকে। কিন্তু দুই সপ্তাহেই যে কাজে দিবে এটা ভাবিনি।
মেয়েটা এবার বলল,"আপনার গার্লফ্রেন্ড আছে??"
লোকাল বাসে সুন্দরী মেয়ে পাশে বসলে সব ছেলেরাই সিঙ্গেল হয়ে যায়।
তাহলে আমি কি দোষ করছি?
তাই মেয়েটাকে বললাম,"জ্বী না আমি সিঙ্গেল।"
মেয়েটা এবার সরাসরি বলল,"প্রেম করবেন আমার সাথে?"
মেয়েটার কথা শুনেই মনের মধ্যে জেমস ভাইয়ের "ঝাকানাকা দেহ দোলানা" গানটা বেজে উঠলো।
সারাজীবন গার্লস স্কুলের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়ে পটাতে পারিনি। যে মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছি সেই মেয়েই বলেছে,"আয়নায় নিজের চেহারা দেখতে। এক মেয়ে তো বলেই দিয়েছে কয়লা আর আমার চেহারার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই, দুইটাই কালা।
ইসস যদি পাশে বসা সুন্দরী মেয়েটার কথাটা ভিডিও করে ওদের দেখাতে পারতাম!!
মেয়েটাকে উত্তর দিতে যাবো এর মধ্যে আরেকটা মেয়ে পাশে এসে দাঁড়ালো।
দাঁড়িয়ে আমার পাশে বসা মেয়েটিকে বলল,"বাসে বসা সুন্দর ছেলেদের দেখলেই প্রেম করতে ইচ্ছে করে, না??"
এই ছেলেকে আমার পছন্দ হয়েছে। তুই অন্য কাউকে দেখ।"
দেখলাম আমার পাশে বসা মেয়েটা উঠে চলে গেলো।
এবার যে মেয়েটা এলো সে আরো সুন্দরী দেখতে। আমি তাড়াতাড়ি ফোন বের করে সামনের ক্যামেরায়
নিজের চেহারা দেখে নিলাম। সত্যি এটা আমি নাকি অন্য কেউ। নিজেকে "রেস থ্রির সালমান খান" মনে
হচ্ছিল, শুধু চশমাটাই নাই। বাসায় ভুলে সানগ্লাস ফেলে এসেছি বলে নিজের উপর রাগ হচ্ছিল। নতুন মেয়াটা এবার
বলল,"ওয়াও, আপনি আমার দেখা সেরা পুরুষ। প্রেম করবেন আমার সাথে??"
মেয়েটার কথা শুনে বুকের মধ্যে ধপাস ধপাস শুরু হয়ে গেলো। গর্বে বুক ফুলে উঠলো। মনে মনে সেই ফেসওয়াশ
কোম্পানি কে অনেক ধন্যবাদ দিলাম।
মেয়েটাকে উত্তর দিতে যাবো এমন সময় দেখি আরো তিনটা মেয়ে এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
ওরা তিনজন একসাথে বলে উঠলো,"এই
ছেলে প্রেম করবে আমার সাথে??"
এবার আমার পাশের বসা মেয়েটা উঠে ওদের সাথে মারামারি শুরু করলো।
চারজন মেয়ে আমার চার হাত পা ধরে বাসের মধ্যে টানাটানি শুরু করলো।
একজন বলে এই ছেলে আমার, আরেকজন বলে,"না না এই ছেলে আমার।"
ওদের টানাটানি তে আমার গুলিস্তান থেকে কেনা নতুন শার্ট ছিঁড়ে গেছে। প্যান্ট ছিঁড়া ছিঁড়া অবস্থা।
নিজেকে সালমান খান ভাবা ছেড়ে টম ক্রুজ ভাবতে শুরু করলাম।
আহা!!সুন্দরী মেয়েরা আমাকে পাবার জন্য আজ
মারামারি করে। এই দিন যে আসবে কল্পনাও করিনি।
এর মধ্যে বাসের হেল্পার এক লাঠি নিয়ে দৌড়ে এসে
বলল,"ঐ তোরা সবাই বস, নাহলে কারেন্ট শখ দিবো।"
সাথে সাথে চারটা মেয়ে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি গাড়ির মধ্যে ধপাস করে পড়ে গেলাম।
হেলপার কাছে এসে বলল,"ঐ মিয়া, আপনি কখন উঠলেন বাসে??
ও বুঝছি, সিগারেট কিনতে নামছিলাম তখনি উঠছেন তাইনা???
তাড়াতাড়ি নামেন ভাই, এই বাস পাবনা যাবে। বাসের
মধ্যে যারা আছে তারা সবাই পাগল। ওদের সবাইকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।
হেল্পারের কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি পাবনার মানসিক হাসপাতালে।
,,,,,,বুজলি গোপাল আমার কপালে আর প্রেম হবে না রে.,,,,,,,,,

(সংগৃহীত)

যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন 📕-সাহিত্য কুটির-📗

15/07/2023

রাত জেগে হরোর মুভি দেখার আমার খুব নেশা। প্রতিদিনই প্রায় হরোর মুভি দেখে ঘুমাই। আজকেও তার ব্যাতিক্রম করবো না ভাবতেছি । যেই ভাবা সেই কাজ । রাত 12.50, বাসার লাইট অফ । কারণ এই সময় সবাই ঘুমিয়ে যায় । আমার রুমেই শুধু লাইট অন ছিলো । লাইট অফ করে মুভি দেখার জন্য বিছানায় চলে আসলাম । মুভি টা এক ঘণ্টা পনেরো মিনিটের । উল্টো হয়ে বুকের নিচে বালিশ দিয়ে বিশ মিনিট ধরে দেখতেছি । বাইরে জম জম করে বৃষ্টি পড়তেছে । কিছুক্ষন ধরেই বৃষ্টি নেমেছে ।
হটাৎ পাশের রুম থেকে কি যেনো একটা পড়ার শব্দ পেলাম । কিন্তু আমি পাত্তা দিলাম না । কারণ করো বাথরুমের চাপ আসতে পারে এর জন্য উঠেছে হয়তো । লাইট অন করতে গিয়ে কিছু পরে গিয়েছে হয়তো । তাই মুভি দেখায় মন দিলাম । 40 মিনিট চলে গেছে, ভুত মানুষ মেরে ফেলতেছে আধ্যাতিক ভাবে । একটু ভয় ভয় করতেছে, কেনো করতেছে জানি না । এই প্রথম হরোর মুভি দেখতে গিয়ে ভয় লাগতেছে ।
আবার কিছু একটা পরে যাওয়ার শব্দ পেলাম । শব্দ টা কিছুটা হার চিবানোর মতোই । তাই কিছুটা ভরকে গেলাম । মুভি অফ করলাম । এখন একটাই উদ্দেশ্য শব্দ টা কিসের সেটা খুজে বের করা । হাতে ফোন নিয়ে আস্তে করে দরজা খুলে বাইরে ড্রয়িং রুমে বের হয়ে আসলাম । বাসার ফ্ল্যাট টা পুরো অন্ধকার । এই সময় কেও বাথরুমে গেলে তো আপাদত বাথরুমের লাইট অন থাকবে । কিন্তু বাসায় কোনো লাইট অন নেই । পুরো ভূতের বাড়ির মত মনে হচ্ছে । মনে হতেই আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেলো । বুকে থু থু দিয়ে, শব্দটা কোথায় থেকে আসতেছে ওইটা আন্দাজ করার চেষ্টা করলাম । আন্দাজ করে বুঝতে পারলাম হার চিবানোর শব্দটা রান্নাঘর থেকে আসতেছে । ঢোক গিলে আত্তা হাতে নিয়ে রান্না ঘরের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম । যা দেখলাম তার জন্য আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না । দেখলাম আমার ছোট বোন টুলে বসে পায়ের উপর পা তুলে মুড়ি চিবিয়ে আয়েস করে খাইতেছে ।🙂

#ভয়টা_কোথায়
#লেখনীতে_ইসরা
#রম্যগল্প

15/07/2023

-মেয়ের বিয়ে নিয়ে ভাবছ শুনলাম? তা কেমন পাত্র চাও?
-তুমি তো জানই, একটা ধার্মিক ছেলে পেলেই সম্বন্ধ করে ফেলব! অবশ্য গতকাল একটা প্রস্তাব এসেছিল।
-ছেলে কেমন? কী করে?
-ছেলে অত্যন্ত ধার্মিক। কিন্তু খুবই গরীব! তাই প্রস্তাবটা আমরা গ্রহণ করতে পারিনি! ভদ্রভাবে পাশ কাটিয়ে গেছি!
-আজ আরেক পক্ষকে দেখলাম?
-হাঁ, ঘটক একটা সম্বন্ধ নিয়ে এসেছিল!
-পাত্র?
-বেশ মোটা বেতনে চাকুরি করে। বিদেশী এক সংস্থায়। সবাই এককথায় পছন্দ করে ফেলল। তবে আম্মার পছন্দ হয়নি! তার পছন্দ ছিল প্রথম প্রস্তাবটা!
-কেন?
-তিনি চাচ্ছিলেন তার নাতনী একজন ধার্মিক মানুষের ঘরনী হোক!
-তাহলে এটাকেও ফিরিয়ে দিলে?
-নাহ! ফিরিয়ে দেবো কেন! সবাই মিলে দু‘আ করে দিলাম:

আল্লাহ যেন পাত্রকে ধার্মিক বানিয়ে দেন!

-এত সহজেই সমাধান করে ফেললে? ধার্মিক পাত্রই যদি চাইবে, তাহলে প্রথম জনের প্রস্তাব গ্রহণ করে কেন দু‘আ করলে না:

'আল্লাহ তাকে রিযিক বাড়িয়ে দিন?'

-------------
লিখেছেন - শায়খ আতিকুল্লাহ

12/07/2023

বাসরঘরে ঢুকতেই বউ আমাকে সালাম করে জিজ্ঞেস করল, " কেমন আছেন ভাইয়া? "
ভাইয়া শব্দটা শুনে অবাক না হয়ে পারলাম না, ইচ্ছে করছিল দেয়ালে মাথা ঠুকে সুইসাইড খাই।

বিয়েটা করেছি পারিবারিকভাবে। বর্তমান যুগে বিয়ে করতে গেলে সবাই অল্পবয়সী মেয়ে খুঁজে, আমার বেলায়ও অন্যটা হয়নি। পারিবারিক মতামতে বিয়ে করলাম ক্লাস নাইনে পড়ুয়া এক সুন্দরী মেয়েকে। বাসর রাতে বউ আমাকে ভাই বলাতে একদম থ হয়ে গেলাম৷ প্রশ্ন করলাম, " আমাকে ভাই বলছো কেন? "
সে স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিল, " আপনার আম্মু আমাকে বলেছে, আজ থেকে উনাকে 'মা' বলে ডাকতে। "
" হ্যাঁ, এটাই তো স্বাভাবিক। মা'ই তো ডাকবে! "
বউ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, " তো আপনার মা যদি আমারও মা হয়, তাহলে তো আমরা ভাই-বোন তাইনা? "
বউয়ের যুক্তি দেখে দু-চোখ থেকে আবেগে আধা ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল৷ অধিক শোকে পাথর হয়ে খাটের এক কোণে বসে রইলাম।

" এই যে ভাইয়া, শোনেন! "
'ভাইয়া' ডাকটা শুনে দুঃখে আমার কলিজা ফেটে কিডনিতে গিয়ে লাগল। জন্ম থেকে এই পর্যন্ত যতটা মেয়ের প্রতি ক্রাশ খেয়েছি, সবগুলো মেয়েই আমাকে 'ভাইয়' ডেকে আমার প্রপোজ করাতে পানি ঢেলে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমার বউও ভাইয়া ডাকাটা বাদ দিলো না৷ এ জীবন রেখে কী লাভ! ইচ্ছে হচ্ছে মেয়েটাকে বিষ খাইয়ে আমি সুইসাইড করি৷ নিজেকে সামলে সাড়া দিয়ে বললাম, " হ্যাঁ, বলো বইনা৷ "
" একটা বিড়াল এনে দিবেন? "
বউয়ের মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে ওর দিকে মুখ ঘুরিয়ে বসে বললাম, " বিড়াল দিয়ে কী করবে শুনি? "
" ভাবী বলেছিল বাসর রাতে বিড়াল মারতে যেন ভুল না করি। "
একটা মানুষ কী করে এতোটা গাধীরাম হতে পারে চিন্তা করতে লাগলাম। চিন্তায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে আমার হাতে একটা ধাক্কা দিয়ে মাইশা বলল, " এনে দিন না একটা বিড়াল৷ "
ছলছল নয়নে ওর দিকে তাকালাম৷ মেয়েটার চেহারা বেশ মনোমুগ্ধকর, মায়া-মায়া ভাব আছে৷ কিন্তু মাথায় যে ঘিলু বলতে কিছু নেই সেটা আমার আর বুঝার বাকি রইল না। বললাম, " আচ্ছা ঠিক আছে, কালকে বাজার থেকে একটা বিড়ালের বাচ্চা এনে দিব তোমাকে। "
" কিন্তু ভাবি তো বলল, প্রথম রাতে বিড়াল মারতে৷ "
রেগে গিয়ে বললাম, " তো ভাবির বাড়ী থেকে একটা বিড়াল নিয়ে আসলেই পারতা, আমার মতো সাদাসিধে ছেলেটার সাথে কেন এমন করছো? "
বউ চুপচাপ শুয়ে পড়ল বিছানায়৷ বউয়ের কার্যকলাপ দেখে মনে হচ্ছে আজও আমাকে ব্যাচেলারদের মতো রাত কাটাতে হবে। সব ইচ্ছে মনের মধ্যে ধামাচাপা দিয়ে মাঝখানে একটা কোলবালিশ দিয়ে আমিও শুয়ে পড়লাম৷
মাঝরাতে বউ আমাদের মাঝের কোলবালিশটা সরিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, " ভাইয়া, আমার না খুব ভয় লাগছে। "
আমি কথা না বাড়িয়ে ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম, " মাঝরাতে এখানে ভূত আসে, আলাদা কাউকে দেখলেই ঝাপটে ধরে৷ ভালো করে জড়িয়ে ধরো আমাকে। "
আহ, কী রোমান্টিক অনুভূতি! মনে হচ্ছে এই বুঝি ব্যাচেলর লাইফটা কেটে গেল আমার।

বউয়ের মুখে ভাইয়া ডাক শুনতে শুনতে কান আমার ঝালাপালা। ছুটি থাকা সত্ত্বেও বেরিয়ে গেলাম অফিসের উদ্দেশ্যে। কিছুক্ষণ পরপর মাইশা আমাকে কল দিচ্ছে। রিসিভ করতেই বলছে, " বাসায় কখন আসবেন ভাইয়া? বাসার ফেরার পথে বিড়াল আনতে ভুলবেন না কিন্তু! আজকে যে করেই হোক বিড়াল মারতে হবে। "
কথায় কথায় ভাইয়া বলাটা বোধহয় মাইশার একটা বদ অভ্যাস৷ কিছু বলার সাহস হচ্ছিলো না কোনোবারই। শুধুমাত্র "হ্যাঁ" বলেই কল কেটে দিচ্ছি প্রতিবার।
বিকেলে যখন ক্যান্টিনে খাওয়াদাওয়া করে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম তখন আম্মুর কল। রিসিভ করতেই বললেন, " বাবা, মাইশা আমাকে শুধুশুধু প্রশ্ন করছে, ভাইয়া আসবে কখন? আসার পথে মাইশার ভাইয়াকে কল দিয়ে নিয়ে আসিস তো। "
আবেগে দুচোখ বেয়ে আঁড়াই ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল। " ঠিক আছে৷ " বলে কল কেটে দিলাম।

একটা খাঁচাতে বিড়ালের বাচ্চা নিয়ে বাসার কলিংবেলে হাত চাপলাম৷ দেখলাম মাইশা দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই মাইশা জোরে বলতে লাগল, " আম্মু, দেখো ভাইয়া এসেছে৷ "
হাত থেকে বিড়ালের খাঁচাটা রেখে ওর মুখ চেপে ধরলাম। সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে চোখগুলো এদিক-সেদিক ঘুরাছে৷ কিছু বলার চেষ্টাও করছে। মুখ চেপে ধরে টেনেহিঁচড়ে আমার রুমে নিয়ে গেলাম৷ বললাম, " তুমি আম্মুর সামনে আমাকে ভাইয়া ডাকবে না। "
" কেন! কী হয়েছে? আজ সারাদিন তো 'ভাইয়া' বলে আপনার কথাই বললাম৷ "
আবারও বললাম, " ঠিক আছে, কারোর সামনে আমাকে ভাইয়া ডাকবে না বুঝেছো? "
" আচ্ছা ঠিক আছে। "
শান্তভাবে আমার পাশে মাইশা বসে বিড়ালটা নিয়ে খেলা করছে। কিছুক্ষণ পর মাইশা বলল, " বিড়ালটা খুব কিউট, এটাকে আমি আর মারবো না। আদর করবো। "
আমি আর কিছু বললাম না।

প্রথমবার যখন শশুরবাড়িতে গেলাম। লক্ষ্য করলাম ভাবির সাথে বসে মাইশা কী যেন গুঁজুর-গুঁজুর করছে। আঁড়ি পেতে শোনার চেষ্টা করলাম। ভাবি বলছে, " কিরে! বিড়াল মারলি? "
মাইশা উত্তর দিলো, " উনি বিড়াল কিনে এনে দিয়েছিলেন, কিন্তু বিড়ালের বাচ্চাটা দেখে খুব মায়া হলো তাই এটাকে বাসাতেই রেখে দিয়েছি। "
দুঃখে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হলো। লক্ষ্য করলাম ভাবি মিটিমিটি হাসছে।
অল্প কিছুদিনের মধ্যে আমাদের সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠতায় পৌঁছালো৷ কিন্তু মাইশার মুখের ভাইয়া ডাকটা সরাতে পারলাম না আর৷ যাইহোক, ব্যাচেলর লাইফ থেকে তো মুক্তি পেলাম। তবে মেয়েটা আমাকে ছাড়া কিছু বুঝেনা কিন্তু, সবসময় পিঁছু পড়েই থাকে।

বিয়ের পাঁচ মাস যেতেই লক্ষ্য করলাম মাইশা ঘনঘন বমি করছে৷ আম্মুও কেমন জানি দুষ্টূমির নজরে আমার দিকে তাকায়৷ বেশ হাসিখুশি পরিবারের সবাই, কিন্তু কেমন জানি সবাই এড়িয়ে চলছে আমাকে৷ রাত হতে মাইশাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করলাম, " আচ্ছা, সবাই আমাকে এভাবে এড়িয়ে চলছে কেন? "
বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই, এরপর যা শুনলাম আমি তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। মাইশা মিটিমিটি হাসলো, আমার বুকে মুখ লোকালো। আস্তে করে বলল, " আপনি মামা হতে চলেছেন।🤭🧐
|
____ ❤️____

গল্পটি সেয়ার করতে পারেন।
আরও সুন্দর গল্প পেতে পেইজে ফলো দিয়ে সাথে।❤️ থাকুন।❤️

আজকে আমার গার্লফ্রেন্ডের বুকে হাত দিয়ে দেখছি ওর মনটা খুব নরম
22/06/2023

আজকে আমার গার্লফ্রেন্ডের বুকে হাত দিয়ে দেখছি ওর মনটা খুব নরম

21/06/2023

Address

Patuakhali
Barishal
8650

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Riat gameing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share