Hey 247 Guyz

Hey 247 Guyz আসসালামু আলাইকুম,
সুলভমূল্যে আরামদায়ক পোশাক কিনতে ইনবক্সে মেসেজ করুন,

28/04/2026

আপনি যদি শুধু page-এর ওপর business চালান, তাহলে একটা বড় সমস্যা থেকেই যায়।

কারণ Facebook post-এ একসাথে সবকিছু সুন্দরভাবে দেখানো যায় না।
অনেক সময় product-এর সব ছবি, exact price, discount, details, order system — সব clear করে দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

ফলে কী হয়?

কাস্টমারকে বারবার একই প্রশ্ন করতে হয়:

- দাম কত?
- discount আছে?
- কোন কোন product available?
- order কীভাবে করবো?
- delivery কোথায় কোথায়?
- আরেকটা ছবি আছে?

এতে customer বিরক্ত হয়,
seller-এরও সময় নষ্ট হয়।

কিন্তু একটি professional website থাকলে এই ঝামেলা অনেকটাই কমে যায়।

কারণ website-এ আপনি একসাথে দেখাতে পারেন:

- product images
- price
- discount offer
- order option
- details
- contact info
- policy
- brand identity

সবচেয়ে বড় কথা, একটি website আপনার business-কে আরও professional, trusted, and branded করে তোলে।

page গুরুত্বপূর্ণ,
কিন্তু long-term business growth, trust, branding, এবং 24/7 selling-এর জন্য website অনেক বেশি effective।

একটি website মানে:

- আপনার business ২৪ ঘণ্টা খোলা
- customer নিজের মতো তথ্য দেখে নিতে পারে
- trust বাড়ে
- brand value বাড়ে
- repeated প্রশ্ন কমে যায়

যারা business-কে next level-এ নিতে চান,
তাদের জন্য website এখন আর luxury না — এটা necessity।

Insaf Web Solution
🌐 insafwebsolution.com
📩 Inbox us to build your business website
01345412116 whatsapp

13/04/2026

ওয়েবসাইট বানানো মানেই অনেক টাকা আর মাসের পর মাস অপেক্ষা!" — আপনিও কি এমনটা ভাবেন?
​বর্তমানে যেকোনো ছোট বা মাঝারি ব্যবসার মালিকদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—তারা ব্যবসাকে অনলাইনে বড় করতে চান, কিন্তু ওয়েবসাইটের বাজেটের কথা ভেবে পিছিয়ে আসেন। অনেকেই ভাবেন একটা প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানাতে লাখ টাকা আর কয়েক মাস সময় লাগে।
​Insaf Web Solution ঠিক এই ভুল ধারণাটাই ভেঙে দিচ্ছে! 🚀
​আমরা আধুনিক টেকনোলজি এবং অটোমেশনের সাহায্যে খুব দ্রুত, সাশ্রয়ী মূল্যে এবং একদম প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করে দিচ্ছি।
​✅ কোনো হিডেন চার্জ নেই।
✅ মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না।
✅ আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কাস্টম ডিজাইন।
​আপনার ব্যবসার জন্য কেমন ওয়েবসাইট দরকার? আপনার আইডিয়া আমাদের জানান, আর বাকি দায়িত্ব আমাদের!
​👉 বিস্তারিত জানতে আজই ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ভিজিট করুন: insafwebsolution.com

12/04/2026

আপনার ব্যবসা কি এখনো শুধু অফলাইনেই সীমাবদ্ধ? 🛑বর্তমান যুগে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট মানে শুধু একটি অনলাইন ঠিকানা নয়, এটি আপনার ব্যবসার ২৪/৭ খোলা থাকা একটি ডিজিটাল শোরুম! 🏢✨insafwebsolution.com এর প্রিমিয়াম ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসায় যে ভ্যালু যোগ করবে:✅ বিশ্বাসযোগ্যতা: একটি সুন্দর ওয়েবসাইট কাস্টমারের মনে আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা তৈরি করে।
✅ সার্বক্ষণিক বিক্রয়: আপনি যখন ঘুমান, আপনার ওয়েবসাইট তখন অর্ডার গ্রহণ করে।
✅ গ্লোবাল রিচ: আপনার পণ্য বা সেবা পৌঁছে যাবে দেশের যেকোনো প্রান্তে।
✅ অটোমেশন: কাস্টমারের সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেবে আপনার ওয়েবসাইটই, বাঁচাবে আপনার মূল্যবান সময়।আপনার ব্যবসার জন্য একটি আধুনিক, ফাস্ট এবং এসইও ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 🚀🌐 ভিজিট করুন: insafwebsolution.com
📞 কল করুন: +8801345412116
💬 সরাসরি মেসেজ দিন আমাদের ইনবক্সে!

11/04/2026

01345412116

199 Tk Only
06/09/2024

199 Tk Only

এম্ন দেশটি কোথাও খুজে পাবেনাকো তুমি, সকল চোরের ক্ষনি সেজে আমার জন্মভুমি😔
06/03/2024

এম্ন দেশটি কোথাও খুজে পাবেনাকো তুমি,
সকল চোরের ক্ষনি সেজে আমার জন্মভুমি😔

সবার কাছে অনুরোধ রইলো পড়ার জন্যখুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখনী ⚠️সময় নিয়ে পুরোটাই পড়া উচিৎ। Depopulation Agenda  খাদ্যের না...
07/10/2023

সবার কাছে অনুরোধ রইলো পড়ার জন্য

খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখনী ⚠️

সময় নিয়ে পুরোটাই পড়া উচিৎ।

Depopulation Agenda

খাদ্যের নামে বিষ!

টাকা দিয়ে নিজের জন্য বিষ কিনছেন?

সুপার শপে গেলেন। আপনার প্রয়োজনীয় খাদ্য কিনবেন৷ চাল, ডাল, আটা। নিলেন সবজি, বেগুন, টমেটো। ফলের সিজন। নিলেন আম, আপেল। নাস্তার জন্য কিনলেন ব্রেড বা ফাস্ট ফুড আইটেম। সাথে নিলেন কোমল পানীয়। বাসায় বাচ্চা আছে। নিলেন ক্যান্ডি৷ এখন আমি যদি বলি আপনি যা কিনলেন তা সবই বিষাক্ত। আপনি টাকা দিয়ে আপনার পরিবারের জন্য বিষ কিনে নিয়ে গেলেন।

কিছুটা অবাক হবেন হয়তো কিন্তু সত্য এইটাই।

আপনি যাই খাচ্ছেন তাতেই বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছে। আপনার বাচ্চার ক্যান্ডি বা কোমল পানীয়তে আছে এসপার্টেম সহ আরো অনেক কেমিক্যাল যা আপনার দেহের প্রায় প্রতিটা অঙ্গে প্রভাব ফেলছে। আপনার ফাস্ট ফুডে আছে প্লাস্টিকসহ নানান উপাদান যা আপনি সানন্দে খাচ্ছেন। চিজি বা অন্য ফ্লেভার, স্যুপ, নুডলসে ব্যাবহার হচ্ছে মনসোডিয়াম গ্লুকোমেট।

দুধে প্রোটিনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য ম্যালামাইন মেশানো হচ্ছে, এক লিটার দুধে ৪ লিটার পানি মিশিয়ে দুধের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে, দুধকে গাঢ় করার জন্য মেক্সিমাম লিমিটের (100mg দুধে 70mg ইউরিয়া) ডাবল পরিমাণে (200mg) ইউরিয়া মেশানো হচ্ছে যেই ইউরিয়া ফসলের জমিতেও ব্যাবহার করা উচিৎ না, দুধকে সফ্ট টেক্সচার দেওয়ার জন্য কস্টিক সোডা মেশানো হচ্ছে (ডিটারজেন্ট) যা টয়লেট আর কাপড় পরিষ্কারে ব্যাবহিত হয়, দুধকে লম্বা সময় ধরে প্রিজার্ভ করার জন্য ফরমালিন মেশানো হচ্ছে যে ফরমালিন মৃত লাশ সংরক্ষণে ব্যাবহার করা হয়৷

আপনি গরুর মাংস খাচ্ছেন, পোল্ট্রি মুরগী খাচ্ছেন, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ও অতিরিক্ত মোটা-তাঁজা করার জন্য তার শরীরে ইনজেক্ট করা হয়েছে বিভিন্ন টক্সিক উপাদান ও Colistin নামক antibiotic। একটা স্বাভাবিক মুরগীর ছানার বড় হতে কমপক্ষে ৩-৪ মাস সময় লাগে৷ কিন্তু কলিস্টিন নামক এন্টিবায়োটিক ইনজেক্ট করার ফলে মুরগীর ছানাগুলো মাত্র ৪৮ দিনেই বড় ও মোটা-তাঁজা হয়ে যায়, এসব abnormal growth এর মুরগী খাওয়ার ফলে মেয়েদের period cycle irreguler হয়, uteras cancer হয়, পুরুষের hormonal imbalance, বন্ধাত্ব হয়৷ আপেলে চকচকে রঙ ও উজ্জলতা দিতে তাতে পেইন্টিং এর রঙ ও wax polish করা হয়৷

কুকুর আর শিয়ালের মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রি করা হচ্ছে৷ সাধারণ চায়ের পাতায় খাটি রঙ, ফ্লেভার আর টেস্ট আসতে ১০-১২ বছর সময় লাগে৷ কিন্তু এতো বছর অপেক্ষা করার সময় কই? যতো তাড়াতাড়ি পাতা ছিড়ে সাপ্লাই দিবে ততো বেশী ব্যাবসায় লাভ৷ তাই ২-৩ বছরের মধ্যে তুলে ফেলা স্বাদবিহীন চায়ের ক্রেতা ধরে রাখার জন্য চায়ের পাতায় এমন নেশাজাতক দ্রব্য (আফিম) মেশানো হচ্ছে যে একবার চা পান করলে জীবনেও সে চা পান করা ছাড়তে পারবেন না৷ Refined cooking oil এর নামে বিক্রি করা হচ্ছে recycled oil যা ১০০ বার use করার পরেও এর রঙ বদলায় না, সবসময় brand new মনে হয় কারণ এতে Tar মিশানো হয়৷

দাঁত মাজার টুথপ্যাস্ট ও খাবার পানিতে মেশানো হচ্ছে সোডিয়াম ফ্লোরাইড৷ এরকম আরো অজস্র জিনিস আছে৷ এখন বলবেন এইসব করছে বিভিন্ন কোম্পানী। এর সাথে ইলুমিনাতির সম্পর্ক কি? এই যে বিভিন্ন প্রিমেড-প্রসেসড খাবার খাচ্ছেন, ম্যাকডোনাল্ড বা কে.এফ.সি এদের অরিজিন কোথায়? নানান ক্যান্ডি বা কোমল পানীয়, এদের অরিজিন কোথায়? গরু-ছাগলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য যেসব ওষুধ আবিষ্কার হয় তার অরিজিন কোথায়? আমি শুধু ক্লু দিয়ে যাচ্ছি। যারা জানতে চান খুঁজতে পারেন।

কীটনাশককে প্রিজারভেটিভের নাম দিয়ে এরা খুব স্লো কিন্তু বড় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। আর এইসব বিষের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যাবহার হচ্ছে মানুষকে প্রজনন অক্ষম করে তুলতে। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেড়ে দূর্বল করে তুলতে এবং তারা অনেকটা সফল৷ আমাদের মা-দাদীরা গর্ভবতী অবস্থাকে প্রায় কিছুই মনে করতোনা। আর এখন একটা বাচ্চা নিতে গেলে এমন একটা অবস্থা হচ্ছে যেনো পায়ে হেটে চাঁদে যাচ্ছে। আমি জানি বাচ্চা জন্মদান খুবই জটিল আর কষ্টদায়ক প্রক্রিয়া কিন্তু আপনি ২০ বছর আগের আর এখনকার পরিস্থিতি তুলনা করে দেখুন। গর্ভবতী মায়ের জটিলতা কতোগুনে বেড়েছে। আর বাচ্চা হওয়া তো পরের কথা। সন্তান জন্মদানে অক্ষম নারী-পুরুষের সংখ্যা তুলনা করুন। আর তার উত্তর খুঁজুন প্রতিদিনের খাবারে।

৯৮% ক্ষেত্রে উত্তর একাই পেয়ে যাবেন বলেই আমার বিশ্বাস। বর্তমানে আপনার দেহের প্রায় সব সমস্যার কারন খুঁজে পাবেন আপনার খাবারে৷ ভাবছেন ওসব ছাইপাশ খাবেন না। ফলমূল আর ডাল-ভাত খাবেন তবে জেনে নিন "জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ফুড" সম্পর্কে৷ আপনার আব্বুকে আজ জিজ্ঞেস করবেন দেশী টমেটো লাস্ট কবে খেয়েছেন সে। অথবা দেশী বেগুন। আমি ছোটবেলায় দেশী টমেটো খেয়েছি। খোসা ছিলো পাতলা। তারপর আস্তে আস্তে হাইব্রীড টমেটো আসলো। খোসা পুরু টমেটো৷ খেতে ভালো লাগেনা। আগে সবজি বা ফসল ফলাতে অনেক ঝামেলা ছিলো। কীতপতঙ্গ ফসলের ক্ষতি করতো আর ফলনও কম ছিলো।

কিন্তু হাইব্রিডে এই সমস্যা সমাধান হলো। ফলন হলো বেশি। কীটনাশক লাগে কম। আমেরিকার বিজ্ঞানীরা একটা নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করলো। যার সাহায্যে ফসলের জিনে পরিবর্তন করা গেলো। জিন হলো কোনো জীবের ভিত্তি। তার গায়ের রঙ, স্বভাব, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবই আল্লাহ জিনে লিখে দিয়েছেন। এখন কোনো ফসলের জিন বিজ্ঞানীরা ভেঙে তাতে অন্য কোনো প্রানীর জিন লাগিয়ে ফসলকে এমন শক্তিশালী করে দিয়েছে যে তার ধারের কাছে কীটপতঙ্গ আসেনা৷ আমেরিকার কোম্পানী মোনসান্টো (Monsanto) এই জেনেটিক পরিবর্তন করে সেই বীজ বাজারে ছাড়লো খুব অল্প দামে।

ফলে সেই বীজ ব্যাবহার করতে লাগলো কৃষক এটা না জেনে যে তারা ফসল না আসলে বীষ ফলাচ্ছে। এই হাইব্রিড ফসল এমনভাবে বাজার দখল করেছে যেকোনো ফসলের সেই আদি দেশি বীজ এখন আর পাওয়াই যায়না। টমেটোতে মাছের জিন, বেগুনে শূকরের জিন, চালে ইঁদুরের জিন দিয়ে উচ্চফলনশীল এই সবজি, ফল আর উদ্ভিদ কতোটা ভয়ংকর তার ওপর গবেষনা হয়েছে অনেক। ফ্রান্সের কিছু গবেষক কিছু ইঁদুরের ওপর এই খাদ্যের প্রভাব লক্ষ্য করে। তারা দেখে ৫০ ভাগ পুরুষ আর ৭০ ভাগ মেয়ে ইঁদুর অকাল মৃত্যুবরন করে। তাদের শরীরে বড় বড় টিউমার দেখা দেয়, লিভার কিডনিসহ অনেক অর্গান নষ্ট হয়ে যায়৷ এর প্রভাব পড়ে সন্তান জন্ম দেবার ক্ষমতার ওপর। ৩০ বছর ধরে এই বিষ আমাদের দেহে পুশ করা হয়েছে আর হচ্ছে।

যদিও অনেক দেশ এই জিএম ফুড বা জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ফুড নিষিদ্ধ করেছে কিন্তু বাংলাদেশের মতো জনবহুল অনেক দেশেই এই জিনিসের এখনো কার্যক্রম জারি আছে৷ আর মজার ব্যাপার হচ্ছে বহুদেশ এই বীজ ব্যাবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও আমদানী বন্ধ করেনি৷ তাহলে বোঝাই যায় কতোটা বন্ধ হয়েছে৷ এখন আবার এসেছে ল্যাবে তৈরী কৃত্তিম 3D Printed মাংস যাতে কোনো পুষ্টিগুন তো নাই, আছে শুধু রোগবালাই তৈরীর কারখানা৷

রোগ ও ভ্যাকসিনেশন:
নিত্য নতুন রোগ আজকাল দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগ ভাইরাসঘটিত। বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ডেংগু, চিকুনগুনিয়া, মোটাগুনিয়া, পাতলাগুনিয়া, জিকা, চিকা, ইনা, মিনা, ডিকা, করোনা, মাঙ্কিপক্স, হ্যান, ত্যান আরো কতো কি। হঠাৎ আসে আবার হঠাৎ কোথায় যেনো মিলিয়ে যায়। এইসব ভাইরাসঘটিত রোগের লক্ষনগুলো লক্ষ্য করেছেন? সবই প্রায় একই৷ জ্বর, শরীরব্যাথা এই সেই। কিন্তু সবই প্রায় সেম। কখনো প্রশ্ন জেগেছে আসলে সব রোগের লক্ষন একই কিভাবে হয়! শুনে অবাক হবেন এইসব রোগের উৎপত্তিস্থল একই। সেটা হচ্ছে আমেরিকার "Center for Disease Control" বা CDC। আসলে এগুলোর প্রায় সবই একই ভাইরাসের বিভিন্ন ভার্সন। এর কারন কি! কি স্বার্থে এইসব রোগ বানায়? মানুষ যে খুব বেশি মরে তাওতো না। তাহলে বানায় কেনো? এর আসল উদ্দেশ্যটাই ইলুমিনাতির অন্যতম বড় লক্ষ্য "ভ্যাকসিনেশন" আর কোটি কোটি টাকার business৷ বিল গেটসের নাম তো সবাই জানেন। বিল গেটস আর তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের একটা প্রতিষ্ঠান আছে যার নাম "বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন"। এটা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৪ সালে। এর প্রধান লক্ষ্য ছিলো ভ্যাকসিনেশন। বিল গেটসের আরো কিছু মহান কীর্তির কথা লিখি।

গেটস ফাউন্ডেশন আফ্রিকার দূর্দশা নিরসনে জেনেটিক্যালি মোডিফাইড বীজ সরবরাহের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছিলো। তার ফাউন্ডেশন রকফেলার ফাউন্ডেশনের সাথে মনোসানটো কর্পোরেশন এবং সিনজেনটা কর্পোরেশনের সাথে বীজ সংরক্ষনে কাজ করে। এই বীজ সেই সময়ে কাজে লাগবে যখন পৃথিবীতে স্বাভাবিকভাবে বীজবপন সম্ভব হবে না। হতে পারে পারমানবিক যুদ্ধের পর। শোনা যায় এর জন্য বাংকার নির্মান করার কাজ চলছে। বিল গেটস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম জমির মালিক (Bill Gates is the largest land owner of the USA)৷ বিল এবং মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন "দি নিউ গ্রুপ অফ ওয়ার্ল্ড সার্ভিস" এর অর্থ দানকারী সংস্থা হিসেবে ঘোষিত যা "লুসিস ট্রাস্ট" নামের একটা সংস্থার অন্তর্গত সংস্থা। এই লুসিস ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা হয় ১৯২২ সালে আর প্রতিষ্ঠা করেন এলেস বেইলি। কিন্তু শুরুতে এর নাম ছিলো "লুসিফারস পাবলিশিং কোম্পানী"।

কিন্তু এক বছরের মাথায় এর নাম বদলে লুসিস ট্রাস্ট করা হয়। এই এলেস বেইলি "থিওসোফিক্যাল সোসাইটির" প্রধান ছিলো৷ এই সোসাইটি মানতো লুসিফার বা শয়তানই ঈশ্বর৷ এখন আসি মূল কথায়। বিল গেটস বলছে ২১ শতক হবে ভ্যাকসিনেশনের শতক। আর ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমে মানুষ মারার প্রকল্প বেশ পুরানো। ২০১১ সালে গেটসের পোলিও ভ্যাকসিনের কারনে ৪৭০০০ বাচ্চা হয় মারা গেছে নয় পঙ্গুত্ব বরন করেছে ভারতে। আমাদের দেশেও কিন্তু মরেছিলো৷ মনে আছে কিনা জানিনা। এটাই হচ্ছে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামের আসল সত্য। কিন্তু এটা ছিলো একটা টেস্টিং সেশন।

জানেন মনে হয় ৩য় বিশ্বের দেশের মানুষ উন্নত বিশ্বের মেডিকেল গিনিপিগ হিসাবে ব্যাবহার হয়। যেমন আফ্রিকা বা ভারত৷ যতো নতুন ভাইরাসজনিত রোগ ততো ভ্যাকসিন। এইসব ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমে যে মানব শরীরে বিষ ঢোকানো হয় তা ইতিহাস ঘাটলেই দেখতে পাবেন। হয় স্লো পয়জনিং নয়তো মৃত্যু। জিকা, ফিকা, সিকা জাতীয় রোগ আসবে। ভ্যাকসিনেশন করা হবে। মানে ডিপপুলেশনের লক্ষ্য পূরন হবে। প্রথম চিত্র- জেনেটিক্যালি মোডিফাইড অর্গানিক ফুড বা GMO Food কোন দেশে কতোটা আছে। লাল রঙের দেশ মানে দেদারছে চলছে।

দ্বিতীয় চিত্র- মাত্র ১০টি কোম্পানি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় খাদ্য ও পানীয় ব্র্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো হলো নেসলে, পেপসিকো, কোকাকোলা, ইউনিলিভার, ড্যানোন, জেনারেল মিল্স, কেলোগ্স, মার্স, অ্যাসোসিয়েটেড ব্রিটিশ ফুড্স এবং মন্ডেলেজ।
সোর্স:- 👇

লেখক সোলো ইবদুল ভাই,
সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন💝💖

10/08/2022

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hey 247 Guyz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hey 247 Guyz:

Share