We are don't like Chit. Honesty is the best policy in our business অনলাইনে কেনাকাটা এখন অনেক সহজ একটি বিষয়। অনেকে কাজের জামেলার কারনে কেনাকাটার সময় বের করতে পারেন না। আবার অনেকে অফিসে বসে এখন এই কাজটি সেরে ফেলছেন অনলাইনের মাধ্যমে। কিন্তু অনলাইনে কেনাকাটা অনেকের অভিজ্ঞতা তেমন সুখ খর নয়। আমাদের দেশে সবার কাছে সবছেয়ে কেনা কাটার পপুলার মাধ্যম হল দারাজ, ইভ্যালি এবং চালডাল এর মত সাইটগুলো। কিন্তু অনেকেই এদের বিশ্বাস করেন না। আমার ছোট ভাই সেদিন একটি মানিব্যাক অর্ডার করেছিল দারাজ থেকে। মানিবেকের প্রাইস ছিল ১২০ টাকা আর শিপিং চার্জ সহ ওটার প্রাইজ পড়ে ২০০ কি তার উপরে। মানিব্যাক টি হাতে নিয়ে আমার ছোট ভাই যা বলল তা হল এই রকম এই মানিব্যাক্ টি তো রেক্সিনে করা ওটা নিউ মার্কেটের মোড়ে ৩০ টাকা দিয়ে পাওয়া যায়। তাহলে এত টাকা নষ্ট করে কেন কিনলাম? ওখানে তো লিখা ছিল লেদার। আমার বড় ভাই সোদিতে থাকেন ওনি অখাকার জনপ্রিয় অনলাইন শপিং সাইট চোখ ডট কম থেকে ২টি মোবাইল অর্ডার করেন। মোবাইল গুলো তাদের স্টোরে লিখা ছিল স্যামসাং ৫৩০ মডেল। যখন বড় ভাই টাকা পরিষোধ করল দেখল ওই গুলো খুব সাধারন মানের চাইনিজ সেট। তো বলেন তো তার বিশ্বাস ভংগ হল কি হল না। বড় ভাই যা দাম পরিষোধ করেছিল তা বাংলায় ১০ হাজার টাকা। লোকাল মার্কেটে এই মোবাইল গুলোর প্রাইস ছিল ১৩ হাজার টাকার সমান। এখন যে মোবাইল গুলো ওরা কাস্টমারের হাতে দিয়েছে তার দাম বেশি জোর হবে ৩০০০ হাজার টাকা। এভাবেই অনেকেই অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারিত হছছেন। দারাজ থেকে যে মানিব্যাক কিনে নিল আমার ছোট ভাই, ধরেন ওটা এখন ওদের ফেরত দিবে ওদের প্রাইবেসি পলিসিতে সেটা আছে। কিন্তু আবার যদি মানিব্যাক টা দারাজের কাছে পাঠাতে চাই তাহলে তো আবার ১০০ টাকা খরচ হবে তাই আমার ছোট ভাই কাজ টা না করে এক জায়গায় ফেলে দিল।
আমাজনের মতো অনলাইন শপিং সাইট এর কথা সবাই জানেন। ওদের প্রাইভেসি পলিসিটি আমি একবার পড়েছিলাম। আমার জানা নেই আমাজন থে্কে কেউ কিছু কিনে ঠকেছেন কিনা। ওদের পলিসি হল এই রকম ওরা নিজেরা ঠকতে রাজি কিন্তু কাস্টমার কে কখনো ঠকাতে রাজি নন। এদের সাইটে কোন অভিযোগ জমা হলে তারাতারি তা নিজ খরচে এর প্রতিকার করেন। হয়ত এই জন্যই সারা দুনিয়ার সবছেয়ে জনপ্রিয় কেনাকাটার মাধ্যম হল এমাজন। আমরাও এরকম সেবা দিয়ে কথা রেখে কাস্টমারের মন জয় করতে পারব না? অবশ্য পারব। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের যাত্রা। কেবিল আস্তে আস্তে সব কিছুই পাবেন। আর প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটিকে আমরা সব সময় অগ্রাদিকার দিব। একটা দেখিয়ে অন্যটা করার বা প্রতারনা করার মত দুঃসাহস কখনো করব না। আর কোন কারনে যদি গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন মনে হয় তাহলে তার ক্ষতি পুষিয়ে নেবার জন্য যা কিছু করার তাই করব। প্রয়োজনে কুরিয়ার খরচ আমরাই বহন চেস্টা করব। যেকোনো কিছু নেওয়ার আগে অবশ্য ট্রাই করবেন আমাদের প্রডাক্ট ডিস্ক্রিশনে কি লিখেছি আর কি দিয়েছি। যদি আমাদের এতে আপনি ও জানলেন প্রতারিত হওয়ার ভয় ও নাই। খুব শীগ্রই আমাদের ওয়েব সাইট এপ্স আমরা লান্স করব। সাইট লান্স না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রোডাক্ট এই ফেজের মাধ্যমে সেল দিব।
বিদেশে থাকা অবস্তায় আমার এক বন্ধু এসে জিজ্ঞাসা করছিল মোবাইলের দোকান দিচ্ছি কাপড় দোকান বদলিয়ে। আমি ওকে বললাম কেন? বলতেছে আমার পাশের দোকান দার তো লাল হয়ে যাছছে টাকা কামিয়ে। আমি ওই দোকানটায় গেলাম অনাকে জিজ্ঞাসা করলাম স্যামসাইং নোট৮ এর দাম কত অনি বললেন দাম মাত্র ১৫০০ রিয়াল (আমি একটু আমার বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি কি এর মত করে দোকান করতে চাও? বলল হা। মোবাইল টার দাম ছিল মাত্র ৫০০ সোদি রিয়াল আর আমি এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কারনে জানি আসল মোবাইল টা কিনতে এখন আমাদের হোলসেল রেট ২৬০০ রিয়াল এর মত। ওনি নকল মোবাইল দিয়ে ১০০০ রিয়াল লাভ করছে। আমি আমার বন্ধুকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম তুই কি লং টাইম ব্যবসা করতে চাস নাকি কিছু দিন ব্যবসা করে লাল হয়ে দেশে চলে যাবি? ওর সোজা উত্তর আমি লং টাইম ব্যবসা করতে চাই। তাহলে এই ভন্ডামি বন্ধ কর। আর আসল মোবাইল ছাড়া একটা ও নকল মোবাইল দোকানে তুলবিনা। আমার কথা মেনে সে শুরু থেকেই অরিজিনাল মোবাইল দিয়ে ব্যবসা শুরু করল। আজ ১০ বছরের উপর হয় তার ব্যবসা চলছে ঢাকাতে জায়গা বিল্ডিং সব হয়েছে। কিন্ত এর পাশের দোকান দার তার কি হয়েছিল জানেন মাত্র ৩ মাসে ব্যবসা গুটিয়ে পালাতে হয়েছে।
আমার জীবনে এই পলিসিকে প্রতি মুহুর্তে কাজে লাগিয়েছি। আমি ব্যবসা করব কিন্তু কাউকে ঠকিয়ে নয়। ব্যবসা করে কাউকে ভাল কিছু দিতে পারলে নিজের মধ্যেই একটা ভাল লাগা কাজ করে। যা মানুষ কে ঠকিয়ে কখনো পাওয়া যায় না।