GARGI

GARGI Reflections of Life

সবাইকে স্বাগতম "গার্গী" তে। গার্গী লিখতে ভালোবাসে, গান গাইতে আর কথা বলতে ও ভালোবাসে । তার ব্যক্তিগত ভাবনা, ভালো লাগা, নিজস্ব লেখনি, তথ্য বহুল কন্টেন্ট কিংবা ভিডিও এর পাশাপাশি কখনো বা সংগৃহীত দারুণ সব গল্প ও সমান তালে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে ও ভালো লাগবে গার্গীর।

আশা রাখছি গার্গীর কাজ পছন্দ করে সবাই পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ।

অনেক আগে এক ছোট গ্রাম ছিল। সেই গ্রামে দুই বোন বাস করত। দুজনেই অপূর্ব সুন্দরী, এতই রূপবতী যে গ্রামবাসী গর্ব করত যে এমন কন...
21/04/2026

অনেক আগে এক ছোট গ্রাম ছিল। সেই গ্রামে দুই বোন বাস করত। দুজনেই অপূর্ব সুন্দরী, এতই রূপবতী যে গ্রামবাসী গর্ব করত যে এমন কন্যারা তাদের গ্রামে থাকে। এক বোনের নাম ছিল সত্য আর অন্যজনের নাম গল্প। দুজনে খুব মিলেমিশে হাসিখুশিভাবে সেই গ্রামে থাকত।

একদিন সেই গ্রামে এক ফকির এল। দুই বোন সেই ফকিরের এত সেবা-যত্ন করল যে খুশি হয়ে যাওয়ার সময় তিনি তাদের একটি আয়না উপহার দিয়ে গেলেন। সেই প্রথমবার দুই বোন আয়না দেখল।

সবার আগে সত্য আয়নাটা হাতে নিল, নিজেকে দেখল আর অহংকারের সাথে বলল, "আরে, আমি কত সুন্দর! আমার চেয়ে বেশি সুন্দর আর কেউ হতেই পারে না।"

ওর মনে জেদ আর গর্ব চেপে বসল।

এরপর গল্পের পালা। গল্প আয়নাটা নিয়ে নিজেকে দেখল আর বলল, "না, আমিই বেশি সুন্দরী।" এই নিয়ে দুই বোনের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে গেল। শেষমেশ একটা বাজি ধরল তারা। ঠিক হলো, দুজনে একে একে গ্রামের মাঝখানের চৌরাস্তা পর্যন্ত হেঁটে যাবে। যাকে দেখে গ্রামের মানুষ বেশি হাততালি দেবে, বাহবা দেবে আর শিস বাজাবে, সেই বোনই জিতে যাবে।

প্রথমেই সত্য বের হলো। মনে ভীষণ গর্ব তার রূপ দেখে তো মানুষ পাগল হয়ে যাবে! কিন্তু যেই সে গ্রামের রাস্তায় পা রাখল, ঠিক উল্টোটা ঘটল। সত্যকে দেখে মানুষ ভয় পেয়ে গেল! যে যার মতো দৌড়ে ঘরে ঢুকে পড়ল, দরজা-জানলা বন্ধ করে খিল তুলে দিল। সত্য খুব অবাক হলো। সে ভাবল এভাবে তো আমি হেরে যাব। হাঁটতে হাঁটতে সে যখন চৌরাস্তায় পৌঁছাল, দেখল পুরো গ্রাম যেন জনশূন্য হয়ে গেছে।

তখন সত্য মানুষকে আকর্ষণ করার জন্য এক অদ্ভুত ফন্দি আঁটলো। সে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজের সব পোশাক খুলে ফেলল। সে ভাবল সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় তাকে দেখলে বোধহয় মানুষ ঘর থেকে বাইরে আসবে। কিন্তু হলো তার ঠিক বিপরীত।
দু-একজন যারা আশেপাশে ছিল, তারাও ভয়ে কুঁকড়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। সত্য একা দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগল।

দূর থেকে গল্প এসব দেখছিল। এবার গল্প সাজগোজ শুরু করল। সে রেশমি লহেঙ্গা পরল, মাথায় লাল ওড়না নিল, চোখে কাজল আর পায়ে নূপুর পরল।

এবার গল্পের পালা।

গল্প যেই গ্রামে প্রথম পা রাখল, তার পায়ের নূপুরের রিনরিন শব্দ বাতাসে ছড়াতে থাকলো।আর সেই শব্দের সাথে সাথে ঘরের বন্ধ খিলগুলো খোলার আওয়াজ আসতে লাগল। গল্প যেখান দিয়ে যাচ্ছিল, মানুষ মুগ্ধ হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসছিল। সবাই তার পেছনে নাচতে, গাইতে আর বাহবা দিতে শুরু করল।

হাঁটতে হাঁটতে গল্প সেখানে পৌঁছাল যেখানে সত্য নগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে কাঁদছিল। গল্প সবার আগে সত্যের পোশাকগুলো তুলে তাকে পরিয়ে দিল।

তারপর বলল, সত্য, আজ একটা কথা মনে গেঁথে রাখো-মানুষ সত্যি দেখতে একদম পছন্দ করে না, আর নগ্ন সত্য তো একেবারেই নয়।

গল্প সত্যের হাত ধরে পুরো গ্রাম ঘুরল। গ্রামের প্রতিটি শিশু, বৃদ্ধ, এমনকি পশুরাও তাদের পেছনে নাচতে গাইতে লাগল। যেন গ্রামে উৎসব চলছে কোনো।

তখন গল্প সত্যকে বলল, সত্য, যখনই মানুষকে সত্যি দেখানোর প্রয়োজন হবে, তোমাকে গল্পের সৌন্দর্যের আশ্রয় নিতেই হবে। গল্পের অলংকার আর রূপ ছাড়া মানুষ সত্যকে গ্রহণ করতে পারে না।

তাই সত্যকে লোকে গল্পেই ভালোবাসে শুনতে।চাছাছোলা সত্য শোনার চেয়ে তাই ঈশপের গল্প শুনতে ভালোলাগে,ভালোলাগে জেন গল্প শুনতে।

আপন জনেরাই সবচেয়ে গভীর ক্ষত হয় ,নিয়তির বলি হয়ে কত কি যে ঘটে বলার জন্যেই মহাভারতের অবতারণা হয়।
জগৎ আসলে গল্পময়ই।

আমি একটা গল্প,আপনি একটা গল্প,সমস্তই একটা গল্প।

আর জীবনে ভুল তারাই করে যারা কাজ করে। ভুল থেকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ সেই ভুলগুলোই একদিন অভিজ্ঞতার গল্প হয়ে আমাদের সত্যকে আরও সুন্দর করে তোলে।

#ঈশপের #গল্প #শিক্ষনীয় #জীবনের #গল্পো #সত্য

অক্ষয় তৃতীয়ায় পূর্ণ লগ্নে অসাধারণ সুন্দর বাণীসকল শুদ্ধ জীবের জীবনে মঙ্গল বয়ে আনুক 🙏অর্জুন (বিষণ্ণ বদনে, মাটির দিকে তাকিয়...
20/04/2026

অক্ষয় তৃতীয়ায় পূর্ণ লগ্নে অসাধারণ সুন্দর বাণী
সকল শুদ্ধ জীবের জীবনে মঙ্গল বয়ে আনুক 🙏

অর্জুন (বিষণ্ণ বদনে, মাটির দিকে তাকিয়ে): হে মাধব, মানুষ যখন তার জীবনের সমস্ত চেষ্টা, সমস্ত স্বপ্ন চোখের সামনে ভেঙে পড়তে দেখে, তখন সে কী করবে? বছরের পর বছর ধরে বিন্দু বিন্দু ঘাম আর রক্ত দিয়ে যে জীবন সে সাজায়, নিয়তির এক ঝড়ে যখন তা ধুলোয় মিশে যায়, তখন মনে হয় বেঁচে থাকাটাই যেন এক চরম অর্থহীনতা। হেরে যাওয়ার এই তীব্র গ্লানি, সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার এই ভয়ের থেকে কি কোনো পরিত্রাণ নেই সখা? শূন্য থেকে আবার শুরু করার মতো মনের জোর মানুষ কোথা থেকে পাবে?

শ্রীকৃষ্ণ (স্নিগ্ধ হেসে, অর্জুনের কাঁধে হাত রেখে): পার্থ, তুমি আজ এমন এক যন্ত্রণার কথা বললে, যা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জীবনে কোনো না কোনো দিন আসেই। মানুষ তার তৈরি করা সম্পদ, সম্পর্ক বা সাফল্যের ওপর নিজের পরিচয় দাঁড় করায়। সে ভাবে, তার সৃষ্টিই সে নিজে। তাই যখন সেগুলো ভেঙে যায়, মানুষ ভাবে সে নিজেই ভেঙে গেল। কিন্তু পার্থ, একটা কথা শোনো গাছের পাতা যখন শুকিয়ে ঝরে যায়, গাছ কি তখন কেঁদে বলে যে তার জীবন শেষ? না। সে নীরবে নিজের শিকড়ে শক্তি সঞ্চয় করে নতুন বসন্তের অপেক্ষায় থাকে। হারানো আর ভেঙে পড়ার এই সত্য বুঝতে হলে তোমাকে এক ভাস্করের গল্প শুনতে হবে।

অবন্তী নগরে বাস করতেন সুদাস নামের এক অসাধারণ ভাস্কর। পাথর কেটে মূর্তি বানাতে তার জুড়ি মেলা ভার ছিল।

জীবনের শেষ বয়সে এসে সুদাস ঠিক করলেন, তিনি তার জীবনের শ্রেষ্ঠ মূর্তিটি গড়বেন। টানা পাঁচ বছর ধরে দিন রাত এক করে তিনি শ্বেতপাথর কেটে দেবী অন্নপূর্ণার এক অপূর্ব মূর্তি গড়লেন। মূর্তির মুখে এমন এক মায়া ছিল যে, যে কেউ দেখলে মনে করত দেবী যেন এখনই কথা বলে উঠবেন। রাজা খবর পেয়ে জানালেন, আগামী পূর্ণিমায় তিনি নিজে এসে মূর্তিটি নিয়ে যাবেন এবং রাজমন্দিরে প্রতিষ্ঠা করবেন। সুদাস আনন্দে আত্মহারা হলেন।

কিন্তু পূর্ণিমার আগের রাতে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প হলো। সুদাসের ঘরের ছাদ ভেঙে পড়ল। সকালে জ্ঞান ফেরার পর সুদাস দেখলেন, তার পাঁচ বছরের সাধনার সেই শ্বেতপাথরের মূর্তিটি ভেঙে তিন টুকরো হয়ে পড়ে আছে।

অর্জুন (উদ্বিগ্ন হয়ে): তারপর? সুদাস কি এই আঘাত সহ্য করতে পারলেন?

শ্রীকৃষ্ণ: সুদাস পাথরের মতো নিথর হয়ে বসে রইলেন। তিনি কাঁদলেন না, খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলেন। তিন দিন পর তার খোঁজ নিতে এলো তার এক পুরোনো বন্ধু, তিনি একজন প্রবীণ ভাস্কর । তিনি সব দেখে সুদাসের পাশে বসলেন।

সুদাস শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন, "আমার সব শেষ হয়ে গেল বন্ধু। আমার পাঁচ বছরের সাধনা, আমার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, আমার স্বপ্ন সব এক রাতেই ধুলোয় মিশে গেল। আমার আর বেঁচে থেকে কী লাভ? ঈশ্বর এত নিষ্ঠুর কেন?"

বন্ধু মৃদু হেসে বললেন, "সুদাস, ভূমিকম্প তোমার গড়া পাথরের মূর্তি ভেঙেছে, কিন্তু তোমার হাতের ওই জাদুকরী বিদ্যাটা কি ভাঙতে পেরেছে? তোমার আঙুলের ওই শিল্পের কি কোনো ক্ষতি হয়েছে? তুমি মূর্তির জন্য কাঁদছ, কারণ তুমি ভুলে গেছ যে মূর্তিটা বড় নয়, বড় হলো সেই মানুষটা যে ওই মূর্তিটা গড়েছিল। তোমার হাতের দক্ষতা তো কেউ কেড়ে নেয়নি। তুমি চাইলে আরও সুন্দর মূর্তি গড়তে পারো।"

সুদাস চমকে উঠলেন। তিনি নিজের দুই হাতের দিকে তাকালেন।

বন্ধু বললেন, "যে সৃষ্টি করতে জানে, সে কখনো নিঃস্ব হয় না। একবার যা ভেঙেছে, তার জন্য শোক করে সময় নষ্ট কোরো না। ওঠো, ছেনি হাতুড়ি তুলে নাও। আগের মূর্তিটা তোমার শ্রেষ্ঠ ছিল, কারণ তুমি সেটা পাঁচ বছর আগে শুরু করেছিলে। আজ তুমি আরও পাঁচ বছরের বেশি অভিজ্ঞ। এবার তুমি যা গড়বে, তা আগেরটার চেয়েও নিখুঁত হবে।"

অর্জুন (চোখে বিস্ময় নিয়ে): কী আশ্চর্য কথা মাধব! আমরা সত্যিই আমাদের গড়া জিনিসের সাথেই নিজেদের মূল্য বিচার করি। কিন্তু সখা, একবার হেরে গেলে মনের ভেতর যে ভয় ঢুকে যায় "আবার যদি হেরে যাই? আবার যদি সব ভেঙে যায়?" সেই ভয় কাটাব কীভাবে?

শ্রীকৃষ্ণ (অত্যন্ত কোমল কণ্ঠে): পার্থ, ভয় আসে যখন তুমি ফলের ওপর নিজের অধিকার ফলাতে চাও। তুমি ভাবো, "আমি কষ্ট করেছি, তাই আমাকে জিততেই হবে।" কিন্তু জগত তো তোমার ইচ্ছায় চলে না।

যে মানুষ ভয় পায়, সে ভাবে তার হারানোর মতো অনেক কিছু আছে। কিন্তু বাস্তবে, মানুষ পৃথিবীতে খালি হাতে আসে আর খালি হাতেই ফিরে যায়। মাঝখানের সময়টুকু শুধু অভিজ্ঞতার। তুমি যখন হারো, তখন তুমি আসলে কিছুই হারো না, তুমি কেবল একটা উপায় শেখো যা দিয়ে জেতা যায় না। ব্যর্থতা কোনো অভিশাপ নয় পার্থ, ব্যর্থতা হলো ঈশ্বরের দেওয়া এক নতুন মানচিত্র, যা তোমাকে ঠিক রাস্তার দিকে ঘুরিয়ে দেয়।

ভয়কে জয় করার একটাই পথ ফলাফলের মায়া ত্যাগ করা। তুমি যখন শুধু কাজকে ভালোবেসে কাজ করবে, তখন হার জিত তোমার মনের প্রশান্তি কাড়তে পারবে না।

অর্জুন: কিন্তু কেশব, অতীত জীবনে করা নিজের ভুলের জন্য যে অনুশোচনা হয়, তার থেকে মুক্তি পাব কীভাবে? মনে হয়, আমি যদি ওই ভুলটা না করতাম, তবে আজ হয়তো আমাকে এই দিন দেখতে হতো না।

শ্রীকৃষ্ণ: পার্থ, অনুশোচনা হলো মনের এক উইপোকা, যা তোমার বর্তমানের শক্তিকে কুরে কুরে খায়। তুমি যদি সারাজীবন অতীতের দিকে তাকিয়ে হাঁটো, তবে সামনের রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়াই তোমার নিয়তি।

ভুল কে না করে পার্থ? ভুল করা মানুষের স্বভাব। কিন্তু সেই ভুলকে আঁকড়ে ধরে বসে থাকাটা মূর্খতা। অতীতের ভুলগুলো হলো পুড়িয়ে ফেলা কাঠের ছাইয়ের মতো। সেই ছাই নিয়ে তুমি ঘর বানাতে পারবে না ঠিকই, কিন্তু সেই ছাই তুমি যদি জমিতে ছড়িয়ে দাও, তবে তা তোমার ভবিষ্যতের ফসলের জন্য সার হয়ে কাজ করবে।

তুমি যা করেছ, তার জন্য তুমি সেই মুহূর্তে যতটুকু জানো, ততটুকুই করতে পারতে। আজকের বুদ্ধি দিয়ে গতকালের বিচার কোরো না। নিজেকে ক্ষমা করতে শেখো পার্থ।

অর্জুন (গভীর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে): হে জনার্দন, তোমার প্রতিটি শব্দ যেন আমার মনের ওপর জমে থাকা কালচে মেঘগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে। মনে হচ্ছে, আমি আবার নতুন করে শ্বাস নিতে পারছি।

শ্রীকৃষ্ণ (মায়াবী হেসে): পার্থ, জীবন হলো নদীর মতো। পাথর বাধা দিলে নদী যেমন থেমে থাকে না, পাশ দিয়ে নতুন পথ তৈরি করে এগিয়ে যায়, মানুষও ঠিক তাই।

যখন তোমার মনে হবে তুমি সব হারিয়ে ফেলেছ, জীবনটা শূন্য হয়ে গেছে, তখন বুঝবে, ঈশ্বর তোমার জীবনের পুরনো জঞ্জাল সরিয়ে দিলেন, যাতে নতুন এবং আরও সুন্দর কিছু তোমার জীবনে আসতে পারে। শূন্য কলসিতেই নতুন জল ভরা যায়।

কখনো ভয় পেয়ো না। যখন চারদিক অন্ধকার মনে হবে, যখন মনে হবে আর কোনো পথ নেই, তখন নিজের রথের রাশ আমার হাতে ছেড়ে দিও। আমি তোমার সারথি। তুমি শুধু নিজের ধর্ম পালন করো, নিজের কাজ করে যাও। আমি কথা দিচ্ছি, তোমার কোনো লড়াই বৃথা যাবে না। যে পাতাটি ঝরে গেছে, তার জন্য শোক কোরো না, আমি তোমার জন্য এক নতুন বসন্তের আয়োজন করছি। ওঠো পার্থ, ধুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়াও। তোমার শ্রেষ্ঠ সময় এখনো আসা বাকি!

অপারেশন থিয়েটারে এনেস্থিসিয়া দেবার পরে ডাক্তার নার্স বারবার জিজ্ঞেস করছিল কাঁদছি কেন?ব্যাথা পাচ্ছি কিনা কোন অসুবিধা হচ্ছ...
20/04/2026

অপারেশন থিয়েটারে এনেস্থিসিয়া দেবার পরে
ডাক্তার নার্স বারবার জিজ্ঞেস করছিল কাঁদছি কেন?
ব্যাথা পাচ্ছি কিনা কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা....
আমার ব্যাথা শরীরে না, মনে জেঁকে বসেছে!
সেকথা যায় না বলা! ভাবা ও যায় কি?

#শ্রাবণ #ধারা

এই মেয়েকে বিয়ে করবে কে?এই প্রশ্নটা যারা করে, তারা আসলে প্রশ্ন করে না, নিজেদের লেভেলটাই প্রকাশ করে।পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায়...
19/04/2026

এই মেয়েকে বিয়ে করবে কে?
এই প্রশ্নটা যারা করে,
তারা আসলে প্রশ্ন করে না,
নিজেদের লেভেলটাই প্রকাশ করে।

পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় ৮৩০ কোটি।
এই ৮৩০ কোটির ভিড়ে এমন মানুষও আছে যারা পাহাড়ে একা থাকে, আবার এমনও আছে যারা সমুদ্রের তলায় ডুব দিয়ে জীবন কাটায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, চিন্তাভাবনা-সব মিলিয়ে পৃথিবীটা এক বিশাল বৈচিত্র্যের জায়গা।
কেউ নিজের স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত, কেউ নিজের শান্তি নিয়ে, কেউ পৃথিবী বদলাতে চায়, কেউ মহাকাশ নিয়ে ভাবে।

মানে পৃথিবীটা বিশাল।
অপশনও বিশাল।
সম্ভাবনাও বিশাল।

কিন্তু এই বঙ্গে, কিছু “লিমিটেড এডিশন” ব্যাঙ আছে।
যাদের কাছে পৃথিবী মানে তাদের পুকুর, আর জ্ঞান মানে কুয়ার দেওয়ালে ধাক্কা খাওয়া ইকো।

ওরা খুব সিরিয়াসলি বসে হিসাব করে,
এই মেয়েটা বেশি কথা বলে, বিয়ে হবে না।
এই মেয়েটা নাচে, বিয়ে হবে না।
এই মেয়েটা ঘুরে বেড়ায়, বিয়ে হবে না।

মেয়ে মানুষ কি করবে, কি পরবে, কিভাবে হাসবে, কাকে বিয়ে করবে। এমনকি কিভাবে নিঃশ্বাস নেবে- সবই এদের “লাইফ ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট”।

সাল ২০২৬,
মানুষ মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার প্ল্যান করছে,
আর এরা এখনো “মেয়ে মানুষ আর বিয়া” এই টপিকেই থিসিস লিখে যাচ্ছে।

ওদের সবচেয়ে বড় ট্যালেন্ট, নিজেদের লেভেলকে ইউনিভার্সাল স্ট্যান্ডার্ড ধরে নেওয়া।
তাদের পুকুরে যে ফিট হবে না,
সে “সমস্যা”।
তাদের মাথায় যে ঢুকবে না,
সে “অযোগ্য”।

সমুদ্রের তিমি দেখলে বলবে
“এত বড় হয়ে লাভ কী? আমাদের পুকুরে নামতেই পারবে না!”
ডলফিন দেখলে বলবে,
“এইটা বেশি লাফায়, সংসার টিকবে না!”

আপনি রংপুরের রফিক হয়ে যদি ভাবেন, নোরা ফাতেহীকে বিয়ে করবে কে?
তাহলে দুঃখিত, এই চিন্তায় নোরা ফাতেহীর জীবনে ০.০০% ইমপ্যাক্ট পড়ে। কারণ আপনার চিন্তা তার লাইফের লেভেলে পৌঁছানোর আগেই আউটডেটেড হয়ে যায়।

পৃথিবীতে কেউ বিয়ের অভাবে পড়ে থাকে না। ঘিলুর অভাবে পড়ে, যখন তাদের চিন্তা শুধু কারো জীবনকেন্দ্রিক আটকে যায়।

তাই এখনো যদি কাউকে দেখে মনে হয়,
“এই মেয়েকে বিয়ে করবে কে?”

তাহলে একটু আপডেট হয়ে নেন-

আপনার পুকুরের হিসাব দিয়ে সমুদ্র মাপতে যাইয়েন না।
আপনি যাকে ‘অযোগ্য’ ভাবছেন,
সে আপনার জন্য না, বরং
আপনার দুনিয়াটাই তার জন্য ছোট আর শ্যাওলাময়,
যেখানে সে ভুলেও আছাড় খাবেনা।
©


Who is the next!?Why next!  Girls?Be yourself, love yourself girls...You have so many things to do in your life.Life is ...
19/04/2026

Who is the next!?
Why next! Girls?

Be yourself, love yourself girls...
You have so many things to do in your life.

Life is not about maintaining a so-called conjugal life! No need to form a family of your own if the marriage becomes fatal...

If your marriage is doomed, walk out of it with honor. You always deserve a wonderful life dear.

ছোটবেলার সবচেয়ে প্রিয় ফুল মাধবীলতা ❤️চট্টগ্রামে পোর্টকলোনীর যে একতলা বাসায় বেড়ে ওঠা তার গেট আগলিয়ে বেড়ে ওঠা এই মাধবীলতা ...
18/04/2026

ছোটবেলার সবচেয়ে প্রিয় ফুল মাধবীলতা ❤️

চট্টগ্রামে পোর্টকলোনীর যে একতলা বাসায় বেড়ে ওঠা তার গেট আগলিয়ে বেড়ে ওঠা এই মাধবীলতা ফুল দিয়ে খেলা ছিল নিত্যকার আনন্দ। আংটি, কানের দুল গলার হার বানিয়ে পড়তাম আরও কত কিছু বানাতাম ফুল দিয়ে।

সেই ছোটবেলার রোমাঞ্চকর স্মৃতি মনে পড়ছে বেশ কিছু দিন ধরে। অফিস থেকে ফেরার পথের বাঁকে এক গৃহস্থবাড়ীতে প্রতিদিন মাধবীলতা উঁকি দেয়। প্রতিদিন মায়ায় বাঁধে আমায়, কিন্তু ছুঁই না, দেখেই চলে যাই। গতদিন ইচ্ছে হলো ছুঁয়ে দেখার, তুলে নিলাম একটি তারা..... মুহূর্তেই ফিরে এলো ছোট্টবেলা, পরে নিলাম হাতে ❤️

#মাধবীলতা

15/04/2026

“নিজেরে করিতে গৌরব দান, নিজেরে কেবলি করি অপমান, আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া ঘুরে মরি পলে পলে...
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে””

প্রেসক্রিপশন্টা আমার না হলে ও ঔষধ এই প্রথম পছন্দ হয়েছে!
14/04/2026

প্রেসক্রিপশন্টা আমার না হলে ও ঔষধ এই প্রথম পছন্দ হয়েছে!

জলছবিতে ফুটে ওঠা এক করুণ আর্তনাদ, অবলা প্রাণীর বেঁচে থাকার অসহায় চিৎকার ও মানুষের মৃত্যু  🐕পশুদের সুরক্ষা দেওয়া কেবল নীত...
11/04/2026

জলছবিতে ফুটে ওঠা এক করুণ আর্তনাদ, অবলা প্রাণীর বেঁচে থাকার অসহায় চিৎকার ও মানুষের মৃত্যু 🐕

পশুদের সুরক্ষা দেওয়া কেবল নীতিতে নয় বাস্তবে বেশি প্রয়োজন। আপনি কি পাশে দাঁড়াবেন এই অসহায় প্রাণগুলোর?

তুমি কি এমন মানুষ… যে বাইরে থেকে শক্ত, কিন্তু ভিতরে সমুদ্রের মতো গভীর?যদি তুমি এমন হও—যে সবার যত্ন নাও, কিন্তু নিজের কষ্...
11/04/2026

তুমি কি এমন মানুষ… যে বাইরে থেকে শক্ত, কিন্তু ভিতরে সমুদ্রের মতো গভীর?

যদি তুমি এমন হও—যে সবার যত্ন নাও, কিন্তু নিজের কষ্ট কাউকে সহজে দেখাও না…

যদি ছোট ছোট স্মৃতি, সম্পর্ক, মানুষ—এসব তোমার কাছে খুব মূল্যবান হয়…তাহলে খুব সম্ভবত তোমার ভিতরে কাজ করছে কর্কট (Cancer) রাশির সেই গভীর, জলের মতো অনুভূতির জগৎ।

আজ আমরা কর্কট রাশিকে শুধু “emotional” বলে থামাবো না, আমরা বুঝবো—এই রাশি কীভাবে তোমার মন, পরিবার, ভালোবাসা, নিরাপত্তা এবং স্মৃতির সাথে জড়িয়ে আছে।

*********

🌊 কর্কট রাশি: অনুভূতির সমুদ্র

কর্কট হলো একটি Water sign (জল তত্ত্ব)।

জল যেমন—

▪️আকার বদলায়
▪️গভীর হয়
▪️সবকিছুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে

কর্কটের মনও ঠিক তেমনই।

▪️বাইরে শান্ত, ভিতরে ঢেউ
▪️বাইরে হাসি, ভিতরে হাজার অনুভূতি

*********

🔶 কর্কটের মানসিক গঠন: চাঁদের ছায়ায়

কর্কটের অধিপতি হলো চাঁদ (Moon)।

চাঁদ মানে—

▪️অনুভূতি
▪️স্মৃতি
▪️মনের ওঠা-নামা

তাই কর্কট রাশির মানুষের mood অনেক সময় change করে—

▪️কখনো খুব ভালো,
▪️কখনো হঠাৎ চুপচাপ।

ধরো, হঠাৎ একটা পুরোনো গান শুনে তোমার চোখে জল এসে গেল— এটাই কর্কটের sensitivity।

*********

🔶 বাস্তব জীবনে কর্কট: একদম চেনা কিছু দৃশ্য

🛑 “আমি তোমার পাশে আছি”—এই অনুভূতি

কর্কট রাশির মানুষ care করতে জানে। ধরো, তুমি অসুস্থ—

▪️কর্কট তোমার পাশে বসে থাকবে
▪️খেয়াল রাখবে তুমি খেয়েছো কিনা
▪️ছোট ছোট জিনিসে ভালোবাসা দেখাবে

🛑 স্মৃতি ধরে রাখা

▪️তুমি পুরোনো message delete করতে পারো না
▪️পুরোনো ছবি, জায়গা—সব তোমার কাছে important

কারণ— তুমি শুধু মানুষকে না, মুহূর্তকেও ভালোবাসো।

🛑 নিরাপত্তার খোঁজ

তুমি এমন জায়গা, এমন মানুষ চাও—যেখানে তুমি নিজেকে safe feel করো।

ধরো, অনেক লোকের মধ্যে থেকেও তুমি uncomfortable—
কিন্তু নিজের ঘরে, নিজের মানুষদের সাথে তুমি শান্ত।

*********

❤️ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কর্কট

কর্কট relationship-এ কী খোঁজে?

▪️Emotional security
▪️Loyalty
▪️গভীর connection

💞 যখন ভালোবাসে:

▪️নিজের সবটুকু দিয়ে দেয়
▪️Partner-এর জন্য emotionally available থাকে
▪️ছোট ছোট জিনিসে ভালোবাসা প্রকাশ করে

উদাহরণ:

▪️তোমার পছন্দের খাবার বানানো
▪️তোমার mood বুঝে নেওয়া
▪️ না বললেও তোমার কষ্ট অনুভব করা

⚠️ সমস্যা কোথায়?

▪️Over-sensitive হয়ে যাওয়া
▪️Hurt হলে ভিতরে ঢুকে যাওয়া

ধরো, কেউ তোমাকে কিছু বললো—

▪️বাইরে তুমি হাসলে
▪️কিন্তু ভিতরে সেটা অনেকক্ষণ ধরে থেকে গেল

*********

💼 কাজ ও জীবনে কর্কট

কর্কট সেই জায়গায় ভালো করে যেখানে—

▪️Care করা লাগে
▪️মানুষের সাথে connection দরকার

যেমন—

▪️Counselling
▪️Teaching
▪️Hospitality
▪️Healthcare

🔹 উদাহরণ:

তুমি শুধু কাজ করো না—তুমি মানুষের সাথে একটা emotional bond তৈরি করো।

*********

🌀 কর্কটের Shadow Side

❌ অতিরিক্ত attachment

তুমি অনেক সময় এমন জিনিসও ধরে রাখো— যা ছেড়ে দেওয়া দরকার।

❌ mood swings

চাঁদের মতোই তোমার mood ওঠা-নামা করে।

❌ self-protection

তুমি কষ্ট পেলে—

▪️নিজেকে গুটিয়ে নাও
▪️কাউকে ঢুকতে দাও না

*********

🔶 কর্কটের আসল শিক্ষা

🔴 Love + Boundaries = Healthy life

তুমি ভালোবাসতে জানো—

▪️কিন্তু তোমাকে শিখতে হবে
▪️কোথায় limit টানতে হয়

🧘‍♂️ Practical shift

▪️নিজের feelings express করতে শেখা
▪️সবকিছু নিজের ভিতরে না রাখা
▪️অতীতকে সম্মান করে, কিন্তু তাতে আটকে না থাকা

*********

🔶 শেষ কথা

কর্কট রাশি মানে শুধু emotion না—এটা সেই ingredient, যা জীবন তৈরি করে 🌊

কিন্তু সেই flow যদি থেমে যায়— তাহলে সেটাই কষ্টের কারণ হয়।

তাই প্রশ্নটা হলো—

তুমি কি শুধু অনুভব করছো…
নাকি তুমি অন্যের অনুভূতিকে বুঝে, তাকে heal করছো?

আসলেই!
10/04/2026

আসলেই!

ইতিমধ্যে জানা গেছে, এবছর ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে অর্থাৎ বছরের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। এখন প্...
07/04/2026

ইতিমধ্যে জানা গেছে, এবছর ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে অর্থাৎ বছরের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। এখন প্রশ্ন কারা অংশগ্রহণ করতে পারবে?

প্রথম সমাবর্তনে ২০১২ সাল পর্যন্ত পাস করা ডিগ্রি/অনার্স/মাস্টার্স সবাই রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ পেয়েছিল। এখন পরীক্ষাবর্ষ ২০২২ সাল শেষ হলো। অর্থাৎ, ২য় সমাবর্তনে ২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অনার্স,ডিগ্রি,মাস্টার্স পাসকৃতরা রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ পাবেন।

✅এবার ২য় সমাবর্তনে কি কি নিয়ম থাকবে,
তারিখ ঘোষনার পর জানা যাবে বিস্তারিত ❤️

Address

Chittagong

Telephone

+8801765059873

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GARGI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GARGI:

Share