BabyBliss

Website

BabyBliss Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BabyBliss, 903 CDA Avenue (beside sundarban courier, 2 no gate), Chittagong.

𝐁𝐚𝐛𝐲𝐁𝐥𝐢𝐬𝐬: প্রিয় মা ❤️, আপনার সোনামণির নিরাপদ বেড়ে ওঠার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

🩺 বিশেষজ্ঞ গাইডলাইন ও সেরা যত্ন।
🕒 সকাল ১০টা – বিকেল ৫টা (শুক্রবার বন্ধ)
🔗 babyblissbd.com
📲 WhatsApp: wa.me/8801811204539

প্রিয় মা ❤️  ৮ মাস বয়সী শিশুকে মুরগির কলিজা খাওয়ানো যায়, তবে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। কলিজা আয়রন ও ভিটামিন–এ সমৃদ্ধ, য...
30/10/2026

প্রিয় মা ❤️

৮ মাস বয়সী শিশুকে মুরগির কলিজা খাওয়ানো যায়, তবে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। কলিজা আয়রন ও ভিটামিন–এ সমৃদ্ধ, যা রক্ত ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে শিশুর হজমের সুবিধার জন্য সঠিকভাবে রান্না ও পরিবেশন করতে হবে।

🌱 কীভাবে খাওয়াবেন
- ভালোভাবে সেদ্ধ বা রান্না করুন: কলিজা অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করতে হবে, কাঁচা বা আধা–সেদ্ধ নয়।

- ছোট টুকরো করে দিন: রান্না শেষে কলিজা চটকে বা ব্লেন্ড করে নরম পেস্ট তৈরি করুন।

- খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে দিন: ডাল–চাল–সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে তাতে সামান্য কলিজা মিশিয়ে দিন। এতে স্বাদও বাড়বে, শিশুর জন্য হজমও সহজ হবে।

- পরিমাণে কম দিন: প্রথমে ১–২ চামচ দিয়ে শুরু করুন। শিশুর প্রতিক্রিয়া দেখুন। যদি কোনো অ্যালার্জি বা হজম সমস্যা না হয়, ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

- সপ্তাহে ১–২ বার: কলিজা সপ্তাহে ১–২ বার দেওয়া যথেষ্ট। প্রতিদিন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

🌱 সতর্কতা
- শিশুর যদি ডায়রিয়া, বমি বা অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হয়, তবে কলিজা দেওয়া বন্ধ করুন।

- অতিরিক্ত পরিমাণে কলিজা দিলে ভিটামিন–এ অতিরিক্ত হয়ে যেতে পারে, তাই সীমিত পরিমাণে দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ৮ মাস বয়সে মুরগির কলিজা দেওয়া যায়, তবে ভালোভাবে রান্না করে খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে অল্প পরিমাণে শুরু করুন। ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হলে সপ্তাহে ১–২ বার দিতে পারেন। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

27/10/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করেছেন। এককথায় উত্তর হলো—ফর্মুলা দুধ কখনো সুজি বা সাগুর সাথে একত্রে চুলায় জ্বাল দেওয়া ঠিক নয়। এটি শিশুর জন্য নিরাপদ নয় এবং পুষ্টিগুণ নষ্ট করে দেয়।

🌱 কেন ফর্মুলা দুধ চুলায় জ্বাল দেওয়া যাবে না

- পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়: ফর্মুলা দুধে থাকা ভিটামিন ও প্রোটিন অতিরিক্ত তাপে নষ্ট হয়ে যায়।

- হজমে সমস্যা হয়: অতিরিক্ত তাপে দুধের গঠন বদলে গিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাস হতে পারে।

- ঘনত্ব নষ্ট হয়: ফর্মুলা দুধ নির্দিষ্ট অনুপাতে কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাওয়াতে হয়। চুলায় দিলে সেই ভারসাম্য নষ্ট হয়।

🌱 সঠিক নিয়ম কীভাবে তৈরি করবেন

- ধাপ ১: প্রথমে পানি দিয়ে সুজি বা সাগু ভালোভাবে সেদ্ধ করুন।

- ধাপ ২: রান্না শেষে পাত্র নামিয়ে কুসুম গরম হতে দিন।

- ধাপ ৩: আলাদাভাবে তৈরি করা ফর্মুলা দুধ কুসুম গরম সুজি/সাগুর সাথে মিশিয়ে দিন।

🚨 সতর্কতা
- কখনোই ফুটন্ত বা চুলায় থাকা গরম খাবারের মধ্যে সরাসরি ফর্মুলা পাউডার দেবেন না।
- মেশানোর পর আবার চুলায় জ্বাল দেবেন না।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ফর্মুলা দুধ সবসময় আলাদাভাবে তৈরি করে কুসুম গরম অবস্থায় শিশুর খাবারের সাথে মিশিয়ে দিন। এতে পুষ্টি ঠিক থাকবে এবং শিশুর হজমেও সমস্যা হবে না। 🌸

~ BabyBliss Parenting & BabyCare Community💞
Cherish Every Touch!

প্রিয় মা ❤️  আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করেছেন। এককথায় উত্তর হলো—ফর্মুলা দুধ কখনো সুজি বা সাগুর সাথে একত্রে চুল...
27/10/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করেছেন। এককথায় উত্তর হলো—ফর্মুলা দুধ কখনো সুজি বা সাগুর সাথে একত্রে চুলায় জ্বাল দেওয়া ঠিক নয়। এটি শিশুর জন্য নিরাপদ নয় এবং পুষ্টিগুণ নষ্ট করে দেয়।

🌱 কেন ফর্মুলা দুধ চুলায় জ্বাল দেওয়া যাবে না

- পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়: ফর্মুলা দুধে থাকা ভিটামিন ও প্রোটিন অতিরিক্ত তাপে নষ্ট হয়ে যায়।

- হজমে সমস্যা হয়: অতিরিক্ত তাপে দুধের গঠন বদলে গিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাস হতে পারে।

- ঘনত্ব নষ্ট হয়: ফর্মুলা দুধ নির্দিষ্ট অনুপাতে কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাওয়াতে হয়। চুলায় দিলে সেই ভারসাম্য নষ্ট হয়।

🌱 সঠিক নিয়ম কীভাবে তৈরি করবেন

- ধাপ ১: প্রথমে পানি দিয়ে সুজি বা সাগু ভালোভাবে সেদ্ধ করুন।

- ধাপ ২: রান্না শেষে পাত্র নামিয়ে কুসুম গরম হতে দিন।

- ধাপ ৩: আলাদাভাবে তৈরি করা ফর্মুলা দুধ কুসুম গরম সুজি/সাগুর সাথে মিশিয়ে দিন।

🚨 সতর্কতা
- কখনোই ফুটন্ত বা চুলায় থাকা গরম খাবারের মধ্যে সরাসরি ফর্মুলা পাউডার দেবেন না।
- মেশানোর পর আবার চুলায় জ্বাল দেবেন না।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ফর্মুলা দুধ সবসময় আলাদাভাবে তৈরি করে কুসুম গরম অবস্থায় শিশুর খাবারের সাথে মিশিয়ে দিন। এতে পুষ্টি ঠিক থাকবে এবং শিশুর হজমেও সমস্যা হবে না। 🌸

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

💖 ২০,০০০ ভালোবাসার পরিবার! 🎉আজ BabyBliss পরিবারের সদস্য সংখ্যা ২০,০০০ ( ) স্পর্শ করলো! 🌸আপনাদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা, বি...
24/10/2026

💖 ২০,০০০ ভালোবাসার পরিবার! 🎉

আজ BabyBliss পরিবারের সদস্য সংখ্যা ২০,০০০ ( ) স্পর্শ করলো! 🌸

আপনাদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং আস্থা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা যোগায়। আপনাদের সোনামণিদের নিরাপদ বেড়ে ওঠার সুন্দর যাত্রায় পাশে থাকতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

আমাদের ওপর ভরসা রাখার জন্য এবং প্রতিনিয়ত পাশে থেকে সাপোর্ট করার জন্য আপনাদের সবাইকে BabyBliss-এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা! ❤️🥰

আপনাদের সোনামণিদের জন্য সেরা ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। এই বন্ধন যেন এভাবেই চিরকাল অটুট থাকে!

~ BabyBliss 💞
Cherish Every Touch!

21/10/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার টুইন বাবুরা এখন ১৫ মাস বয়সে পৌঁছেছে। এই বয়সে তাদের প্রধান পুষ্টি আসা উচিত পরিবারের সাধারণ খাবার থেকে। ওজনও ভালো আছে (মেয়ে ৯ কেজি, ছেলে ৯.৫ কেজি), জন্মের সময়ের তুলনায় সুন্দরভাবে বেড়েছে। এখন তাদের জন্য একটি সুষম ও আদর্শ খাবার চার্ট সাজানো দরকার।

🌱 দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
- প্রতিদিন ২৫০–৫০০ মি.লি. গরুর দুধ দিন (ফুটিয়ে ঠান্ডা করা)।
- দই বা ছানা দিন → এতে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

🌱 প্রধান খাবার (দিনে ৩ বার)
- ভাত/খিচুড়ি: ডাল, চাল, সবজি, মাছ বা মুরগি দিয়ে নরম খিচুড়ি।
- ডিম: প্রতিদিন একটি সিদ্ধ ডিম বা অমলেট।
- সবজি: গাজর, কুমড়া, পেঁপে, ব্রকলি সিদ্ধ করে চটকে দিন।
- মাংস/মাছ: নরম করে কিমা বা ছোট টুকরো করে দিন।

🌱 নাস্তা (দিনে ২ বার)
- সুজি, ওটস বা সেমাই → দুধ ও ঘি দিয়ে রান্না করুন।
- ফলমূল → কলা, পাকা পেঁপে, আম, নাশপাতি।
- দই বা পনির।

🌱 হেলদি ফ্যাট
- দিনে ১–১.৫ চা-চামচ ঘি বা মাখন খাবারে মিশিয়ে দিন।

🌱 পানি ও তরল খাবার
- দিনে কয়েকবার অল্প অল্প করে পানি দিন।
- ফলের রস বা স্যুপ দিতে পারেন।

🚨 বিশেষ টিপস
- খাবার যেন ঘন ও নরম হয়, পাতলা নয়।
- নতুন খাবার প্রথমে অল্প পরিমাণে দিন, তারপর ধীরে ধীরে বাড়ান।
- জোর করে খাওয়াবেন না → অল্প অল্প করে দিনে বারবার দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, আপনার টুইন বাবুরা এখন পরিবারের খাবারেই অভ্যস্ত হতে হবে। দিনে ৩ বার প্রধান খাবার, ২ বার নাস্তা, ২–৩ কাপ দুধ এবং পর্যাপ্ত পানি দিলে তাদের বৃদ্ধি ও শক্তি ঠিক থাকবে। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

21/10/2026

প্রিয় মা ❤️

১৪ মাস বয়সে অনেক সময় শিশুরা খাবার খেতে অনীহা দেখায়। তবে সঠিক খাবার নির্বাচন ও নিয়মিত চেষ্টা করলে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।

🌱 শিশুর সঠিক ওজন
- ছেলে শিশু: গড়ে ৯.৪–১০.৮ কেজি
- মেয়ে শিশু: গড়ে ৮.৭–১০.২ কেজি

🌱 উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন খাবার
- ডিম: প্রতিদিন একটি সিদ্ধ ডিমের কুসুম।
- ঘি বা মাখন: খিচুড়ি, সুজি বা পায়েসে মিশিয়ে দিন।
- বাদাম গুড়া: সুজি বা সেমাইতে মিশিয়ে দিন।
- ফল: কলা, পাকা পেঁপে।
- দই বা পনির: ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের জন্য।
- স্যুপ: মুরগি, মাছ, সবজি দিয়ে ঘন স্যুপ।

🌱 দৈনিক খাবারের সময়সূচি
- সকাল: ডিমের কুসুম + সুজি/ওটস (ঘি ও বাদাম গুড়া সহ)।
- মিড-মর্নিং: কলা/পেঁপে বা মিষ্টি দই।
- দুপুর: খিচুড়ি (ডাল, চাল, সবজি, মাংস/মাছ + ঘি)।
- বিকেল: সাগু/সেমাই বা ডিমের পুডিং।
- রাত: নরম ভাত/খিচুড়ি বা সবজি-মাংস চটকে দেওয়া।

🌱 ঘি দেওয়ার নিয়ম
- দিনে সর্বোচ্চ ১–১.৫ চা-চামচ যথেষ্ট।
- একবারে না দিয়ে ভাগ করে দিন।

🌱 গরুর দুধ দিয়ে ডিমের পুডিং
- ১ বছর বয়সের পর নিরাপদ।
- প্রোটিন, ফ্যাট ও ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ।
- অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে খেজুর বা ফল দিয়ে মিষ্টি করুন।

🚨 অতিরিক্ত পরামর্শ
- আয়রন বা জিঙ্কের ঘাটতি থাকলে খিদে কমতে পারে → ডাক্তারকে দেখিয়ে আয়রন/মাল্টিভিটামিন সিরাপের পরামর্শ নিন।
- জোর করে খাওয়াবেন না → অল্প অল্প করে দিনে বারবার দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১৪ মাস বয়সে শিশুকে দিনে ৩ বার প্রধান খাবার ও ২ বার নাস্তা দিন। খাবার যেন ঘন ও পুষ্টিকর হয়। ঘি, ডিম, মাছ, মাংস, ফল ও দই নিয়মিত দিলে শিশুর বৃদ্ধি ঠিক থাকবে। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

21/10/2026

প্রিয় মা ❤️

১৪ মাস বয়সে শিশুকে গরুর দুধ দেওয়া যায়, তবে এটি অবশ্যই পাস্তুরাইজড, ভিটামিন ডি–ফর্টিফায়েড, সম্পূর্ণ ফ্যাটযুক্ত (Whole Milk) হতে হবে।

গরুর দুধ শিশুর খাবারের অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি যেন খাবারের বিকল্প না হয় এবং পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

🌱 কখন থেকে গরুর দুধ দেওয়া যায়
- ১২ মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে গরুর দুধ দেওয়া নিরাপদ।
- এর আগে দিলে অন্ত্রের ক্ষতি, কিডনির চাপ এবং আয়রন ঘাটতির ঝুঁকি থাকে।

🌱 কতটা দেওয়া যাবে
- দিনে ১৬–২৪ আউন্স (প্রায় ৪৭৫–৭০০ মি.লি.) গরুর দুধ যথেষ্ট।
- অতিরিক্ত দুধ খেলে শিশুর ক্ষুধা কমে যায় এবং আয়রন শোষণে সমস্যা হয়।

🌱 গরুর দুধ দিয়ে তৈরি খাবার
- দই, পায়েস, খিচুড়ি বা স্যুপে দুধ মিশিয়ে দেওয়া যায়।
- চিনি বা ফ্লেভারযুক্ত দুধ এড়িয়ে চলুন → এতে অপ্রয়োজনীয় চিনি থাকে।
- শিশুকে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত করুন → প্রথমে অল্প পরিমাণে দিন, তারপর বাড়ান।

🚨 সতর্কতা
- যদি শিশুর অ্যালার্জি লক্ষণ দেখা দেয় (চুলকানি, ফুসকুড়ি, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট), তবে দুধ বন্ধ করুন এবং দ্রুত ডাক্তার দেখান।
- আয়রন ঘাটতি থাকলে দুধের পরিমাণ সীমিত রাখুন এবং আয়রনসমৃদ্ধ খাবার দিন।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১৪ মাস বয়সে শিশুকে গরুর দুধ ও গরুর দুধ দিয়ে তৈরি খাবার দেওয়া যায়। তবে এটি যেন খাবারের বিকল্প না হয়, বরং সুষম খাদ্যের অংশ হয়। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং আয়রনসমৃদ্ধ খাবারও নিয়মিত দিন। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

21/10/2026

প্রিয় মা ❤️

স্পঞ্জ বাথ ছোট্ট শিশুর জন্য শীতকালে সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর উপায়। ২ মাস বয়সী শিশুর জন্য এটি কিভাবে করবেন এবং গোসলের নিয়ম কী হবে, তা সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি:

🌱 স্পঞ্জ বাথ দেওয়ার প্রস্তুতি
- ঘরের দরজা–জানালা বন্ধ রাখুন, যেন ঠান্ডা বাতাস না আসে।
- একটি পাত্রে কুসুম গরম পানি নিন (কনুই ডুবিয়ে পরীক্ষা করুন—না বেশি গরম, না বেশি ঠান্ডা)।
- নরম সুতি কাপড় বা তোয়ালে, পরিষ্কার জামাকাপড় ও নতুন ডায়াপার কাছে রাখুন।

🌱 স্পঞ্জ বাথের ধাপ
1. শিশুকে পুরোপুরি খোলা অবস্থায় রাখবেন না, একটি তোয়ালে দিয়ে শরীর ঢেকে রাখুন।
2. কাপড় কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে নিংড়ে নিন।
3. প্রথমে চোখ ও মুখ আলতো করে মুছুন।
4. এরপর গলা, বুক, পিঠ, হাত ও পা একে একে মুছুন।
5. প্রতিটি অংশ মুছার পর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে দিন।
6. শেষে ডায়াপারের জায়গা পরিষ্কার করুন এবং দ্রুত শুকনো জামাকাপড়, টুপি ও মোজা পরিয়ে দিন।

🌱 শীতকালে গোসলের নিয়ম
- প্রতিদিন পুরো শরীরে পানি ঢেলে গোসল করানো দরকার নেই।
- সপ্তাহে ২–৩ দিন কুসুম গরম পানিতে দ্রুত গোসল করান।
- বাকি দিনগুলোতে স্পঞ্জ বাথ দিন।
- দুপুরে রোদ ওঠার পর গোসল করানো সবচেয়ে ভালো।
- গোসল বা স্পঞ্জ বাথ ৫–৭ মিনিটের মধ্যে শেষ করুন।

🌱 ত্বকের যত্ন
- গোসল বা স্পঞ্জ বাথ শেষে শিশুর ত্বকে বেবি লোশন বা তেল হালকা করে মালিশ করুন।
- এতে শীতে ত্বক শুষ্ক বা ফাটার ঝুঁকি কমে।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, শীতকালে ২ মাস বয়সী শিশুর জন্য স্পঞ্জ বাথ সবচেয়ে নিরাপদ। সপ্তাহে কয়েকদিন দ্রুত গোসল করান, আর বাকি দিনগুলোতে স্পঞ্জ বাথ দিন। এতে শিশুর পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকবে এবং ঠান্ডা লাগার ভয়ও কমবে। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

20/10/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাবু এখন ২ মাস বয়সী এবং শীতকালে তার যত্ন নিয়ে চিন্তিত হওয়া একদমই স্বাভাবিক। এই বয়সে শিশুর ওজন ৩.৩ কেজি এবং সে শুধু বুকের দুধ খাচ্ছে—এটি তার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও উপকারী। শীতকালে ছোট্ট শিশুর যত্নের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:

🌱 পোশাক ও উষ্ণতা
- শিশুকে নরম সুতি কাপড়ের ওপর হালকা উলের বা গরম পোশাক পরান।
- লেয়ার করে পোশাক দিন, যাতে গরম লাগলে একটি খুলে ফেলা যায়।
- মাথা, কান, হাত ও পা সবসময় ঢেকে রাখুন (টুপি, মোজা, হাতমোজা)।

🌱 খাবার (বুকের দুধ)
- প্রতি ২–৩ ঘণ্টা পর পর বা শিশুর চাহিদা অনুযায়ী বুকের দুধ দিন।
- মায়ের দুধ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শীতে শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।

🌱 ত্বকের যত্ন
- শীতে শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
- গোসলের পর বা দিনে দুবার শিশুর উপযোগী ময়েশ্চারাইজার বা তেল ব্যবহার করুন।
- প্রতিদিন গোসল না করিয়ে কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় দিয়ে স্পঞ্জ বাথ দিন।

🌱 ঘর ও পরিবেশ
- ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক রাখুন।
- ঠান্ডা হাওয়া যেন সরাসরি শিশুর গায়ে না লাগে।
- সর্দি–কাশি আছে এমন লোকজনের থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

🚨 বিশেষ সতর্কবার্তা
নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখান:
- ঠান্ডা লেগে জ্বর আসা।
- অতিরিক্ত কান্নাকাটি বা নিস্তেজ হয়ে পড়া।
- শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
- দুধ খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়া।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, শীতকালে ছোট্ট শিশুর যত্নে পোশাক, উষ্ণতা, বুকের দুধ ও ত্বকের যত্ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন এবং কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখান। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

19/10/2026

প্রিয় মা ❤️

আপনার বাবুর বয়স এখন ১ বছর হয়েছে এবং দিনে ডায়াপার পরে থাকে। আপনি জানতে চাইছেন—কখন থেকে টয়লেট ট্রেনিং শুরু করা উচিত। বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি:

🌱 টয়লেট ট্রেনিং শুরু করার উপযুক্ত বয়স
- সাধারণত ১৮ মাস থেকে ২৪ মাস বয়সে শিশুরা টয়লেট ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুত হতে শুরু করে।
- তবে অনেক শিশুর ক্ষেত্রে এটি ২–৩ বছর বয়সে পুরোপুরি শেখানো যায়।

🌱 প্রস্তুতির লক্ষণ
শিশু টয়লেট ট্রেনিংয়ের জন্য প্রস্তুত কিনা তা বোঝার কিছু লক্ষণ:
- দিনে কয়েক ঘণ্টা ডায়াপার শুকনো থাকে।
- প্রস্রাব বা পায়খানা করার আগে অস্বস্তি প্রকাশ করে।
- টয়লেট বা পটি সিটে বসতে আগ্রহ দেখায়।

🌱 করণীয়
- শুরুতে খেলার ছলে পটি সিটে বসানো অভ্যাস করুন।
- জোর করবেন না, বরং প্রশংসা ও উৎসাহ দিন।
- দিনে নির্দিষ্ট সময়ে (ঘুম থেকে ওঠার পর, খাবারের পর) পটি সিটে বসান।

🧡 শেষ কথা
প্রিয় মা, ১ বছর বয়সে টয়লেট ট্রেনিং শুরু করার দরকার নেই। সাধারণত ১৮ মাসের পর থেকে ধীরে ধীরে অভ্যাস করানো যায়। ধৈর্য ও নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে শিশুটি সহজেই শিখে যাবে। 🌸

~ BabyBliss💞
Cherish Every Touch!

Address

903 CDA Avenue (beside Sundarban Courier, 2 No Gate)
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BabyBliss posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Nearby clothing stores