31/10/2022
মুসলমানদের জীবনে প্রতিটি অধ্যায়ে নবীজি (সাঃ) এর সুন্নাত বিদ্যমান রয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, আন্তর্জাতিক জীবন, অর্থনৈতিক জীবন এবং সাংস্কৃতিক জীবনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী (সাঃ) এর সুন্নাত তথা উত্তম আদর্শ রয়েছে। সুন্নাতে নববীতে রয়েছে উম্মতের জন্য হেদায়ত, হেফাজত, রহমত, বরকত, তথা উন্নতি ও অগ্রগতির ভান্ডার। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, আমরা আজ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের মনোনীত এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রদর্শিত সুন্নাত হতে বহু দূরে। আমাদের দায়িত্ব ছিল সর্বাবস্থায় নবীজী (সাঃ) এর আদর্শ কে আঁকড়ে ধরা এবং পরিপন্থী সব কিছু বর্জন করা। যেমন আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, (হে ঈমানদারগণ) রাসুল (সাঃ) তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন তা আঁকড়ে ধরো এবং যা কিছু তিনি নিষেধ করেছেন তা বর্জন ও পরিহার করো”। (সূরা হাশর, আয়াতঃ ৭) অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, হে নবী! আপনি বলে দিন যদি তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভালোবাসতে চাও, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। তাহলে আল্লাহ তোমাদের কে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ মাফ করে দিবেন। (সূরা আল ইমরান, আয়াতঃ ৩১) অর্থাৎ সুন্নাত তরিকা আনুসরণ করলে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভালোবাসবেন।
আর আল্লাহকে ভালোবাসলে তার সৃষ্টি চিরস্থায়ী সুখ-শান্তির আবাসস্থল জান্নাত আমাদের হবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি ফিতনা-ফাসাদের যামানায় সুন্নাতের ওপর অর্বিচল থাকবে, সে শত শহীদের নেকি লাভ করবে। (বায়হাকী) অন্যত্র বলেন, যে আমার সুন্নাত কে ভালোবাসে সে যেন আমাকে ভালোবাসলো। আর যে আমাকে ভালোবাসলো সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।