23/05/2026
বাংলাদেশে হঠাৎ এত "সাইকো কিলার" কেন❓
একটু কি ভেবে দেখেছেন এই বিষয়ে⁉️
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে এমন কিছু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে যা দেখে মানুষ থমকে গেছে।
নিষ্ঠুরতার ধরন দেখে মনে হয়েছে — এটা কোনো "স্বাভাবিক মানুষ" করতে পারে না।
কিন্তু প্রশ্ন হলো — এই মানুষগুলো কি জন্ম থেকেই এমন ছিল?
না। গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।
মস্তিষ্কে কী হয়?
পর্নোগ্রাফি দেখলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয় — ঠিক যেভাবে মাদকে হয়।
বারবার দেখলে মস্তিষ্ক "আরও বেশি উত্তেজনা" খুঁজতে থাকে।
এক পর্যায়ে সাধারণ কন্টেন্টে আর কাজ হয় না।
তখন শুরু হয় হিংসাত্মক, নিষ্ঠুর কন্টেন্টের দিকে ঝোঁক।
***অনুভূতি মরে যায়
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পর্নোগ্রাফি দেখলে —
*অন্যের কষ্টে সহানুভূতি কমে যায়
*মানুষকে "বস্তু" মনে হতে শুরু করে
*বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য ঘুচে যায়
এই তিনটি জিনিস যখন একসাথে হয় —
তখন একজন মানুষ "কিলার মাইন্ডসেট"-এ প্রবেশ করতে পারে।
***বিশ্বের গবেষণা কী বলছে?
FBI-র সিরিয়াল কিলার স্টাডিতে দেখা গেছে — ধরা পড়া অধিকাংশ সিরিয়াল কিলার হার্ডকোর পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ছিল
***টেড বান্ডি (বিখ্যাত সিরিয়াল কিলার) মৃত্যুর আগে স্বীকার করেছিল — পর্নোগ্রাফিই তাকে এই পথে নিয়েছে
হিংসাত্মক পর্নোগ্রাফি দেখা ব্যক্তিদের মধ্যে যৌন সহিংসতার প্রবণতা ৩১% বেশি
(Journal of Communication গবেষণা)
বাংলাদেশের বাস্তবতাঃ
স্মার্টফোন সস্তা হয়েছে,ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়েছে।
কিন্তু ডিজিটাল সাক্ষরতা ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেভাবে বাড়েনি এবং অনেক পরিবারেই ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদের বড়ো করার ব্যাপারে অনীহা দেখা যায়;অথচ একমাত্র আল্লাহ ভীতি ছাড়া পৃথিবীর কোন শক্তি নেই যা একজন মানুষকে এরকম নৃশংস কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে⁉️
ফলে কিশোর থেকে তরুণ — অনেকেই না বুঝেই এক অন্ধকার পথে হাঁটছে।
By Dr.Nobel
MBBS,BCS