12/04/2026
সালাতুন্নারিয়া
اللَّهُمَّ صَلِّ صَلَاةً كَامِلَةً وَسَلِّمْ سَلَامًا تَامًّا عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي تَنْحَلُّ بِهِ الْعُقَدُ، وَتَنْفَرِجُ بِهِ الْكُرَبُ، وَتُقْضَى بِهِ الْحَوَائِجُ، وَتُنَالُ بِهِ الرَّغَائِبُ وَحُسْنُ الْخَوَاتِمِ، وَيُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ فِي كُلِّ لَمْحَةٍ وَنَفَسٍ بِعَدَدِ كُلِّ مَعْلُومٍ لَكَ
বাংলা অর্থ:
"হে আল্লাহ! আমাদের নেতা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পূর্ণাঙ্গ রহমত ও পূর্ণ শান্তি বর্ষণ করুন; যাঁর উছিলায় সকল জটিল সমস্যার সমাধান হয়, যাঁর উছিলায় বিপদ-আপদ দূর হয়, যাঁর উছিলায় মানুষের প্রয়োজনগুলো পূরণ হয়, যাঁর উছিলায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয় এবং সুন্দর সমাপ্তি (ঈমানের সাথে মৃত্যু) লাভ হয়; আর যাঁর সম্মানিত চেহারার উছিলায় মেঘমালা থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হয়। আরও রহমত বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর—প্রতিটি পলকে ও প্রতিটি নিঃশ্বাসে, আপনার জানা প্রতিটি জিনিসের সংখ্যা পরিমাণে।"
ফজিলত ও গুরুত্ব:
এই দোয়াটি 'সালাতুন্নারিয়া' (অগ্নি সদৃশ দরুদ) নামে পরিচিত হওয়ার কারণ হলো, কোনো কঠিন সমস্যা সমাধানে এটি আগুনের মতো দ্রুত কাজ করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এর উল্লেখযোগ্য কিছু ফজিলত হলো:
১. বিপদ থেকে মুক্তি: বড় কোনো বিপদ বা দুশ্চিন্তায় পড়লে এই দোয়াটি পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা দ্রুত পথ খুলে দেন।
২. হাজত পূরণ: কোনো বিশেষ নেক মকসুদ বা প্রয়োজন থাকলে এই দরুদ শরিফটি নিয়মিত পাঠ করা অত্যন্ত কার্যকর।
৩. কাজে বরকত: এটি পাঠ করলে রিজিকে বরকত হয় এবং অভাব-অনটন দূর হয়।
৪. সুন্দর মৃত্যু: দোয়াটির ভেতরেই 'হুসনুল খাতিমাহ' বা সুন্দর সমাপ্তির কথা আছে, যা পরকালীন মুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৫. জটিলতা নিরসন: পারিবারিক বা ব্যক্তিগত জীবনে কোনো জটিল গেরো বা বাধা থাকলে তা দূর করতে এটি নিয়মিত পড়ার পরামর্শ দেন ওলামায়ে কেরাম।
পাঠ করার নিয়ম:
সাধারণত যেকোনো বিপদে বা প্রয়োজনে এটি যতবার সম্ভব পড়া যায়। অনেক আলেম নির্দিষ্ট সংখ্যার কথা বলেন, তবে ভক্তি ও শুদ্ধ উচ্চারণের সাথে নিয়মিত পাঠ করাই মূল বিষয়।