STS & DASH

STS & DASH ��নমস্কার ��

'পদ্মজা' উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বে কাহিনীর রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। হাওলাদার বাড়িতে পদ্মজার প্রথম রাত এবং সেখানে ঘটে যাওয়া অদ্...
19/07/2026

'পদ্মজা' উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বে কাহিনীর রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। হাওলাদার বাড়িতে পদ্মজার প্রথম রাত এবং সেখানে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত ঘটনার বিবরণ দিয়ে এই পর্বটি সাজানো হলো:
​পদ্মজা — পর্ব ২

​বিয়ের পর অলকানন্দা গ্রাম ছেড়ে পদ্মজা যখন আমীর আলী হাওলাদারের বিশাল রাজপ্রাসাদসম বাড়িতে এসে পৌঁছাল, তখন চারদিকে উৎসবের আমেজ। আলো ঝলমলে বাড়ি, দামি আসবাবপত্র আর দাস-দাসীদের ব্যস্ততা দেখে পদ্মজার চোখ ধাঁধিয়ে গেল। তার মনে হলো, মায়ের সেই কড়া শাসনের বন্দী জীবন থেকে সে যেন এক রূপকথার রাজ্যে এসে পড়েছে।
​বাসর ঘরে পদ্মজা যখন ঘোমটা টেনে বসে ছিল, তখন তার বুক দুরুদুরু কাঁপছিল। আমীর ঘরে প্রবেশ করে অত্যন্ত আলতো করে তার ঘোমটা তুলে ধরল। পদ্মজার মায়াবী মুখের দিকে তাকিয়ে আমীর মুগ্ধ গলায় বলল, "আজ থেকে তুমি এই বাড়ির রানী, পদ্মজা। তোমার কোনো কষ্ট আমি সহ্য করব না।" আমীরের এই ভালোবাসা আর নরম ব্যবহার পদ্মজার সব ভয় দূর করে দিল। সে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবতী নারী মনে করল।

​কিন্তু সেই সুখের অনুভূতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। গভীর রাতে, যখন পুরো বাড়ি নিস্তব্ধ, তখন পদ্মজার ঘুম হঠাৎ ভেঙে গেল।

​সে দেখল বিছানায় তার পাশে আমীর নেই। ঘরের দরজাটা আধখোলা। পদ্মজা ভাবল, আমীর হয়তো পানি খেতে বা কোনো দরকারে বাইরে গেছে। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পার হয়ে যাওয়ার পরও যখন আমীর ফিরল না, তখন পদ্মজার মনে একটু ভয় জাগল। সে গাঢ় অন্ধকারের মধ্যে আস্তে আস্তে ঘর থেকে বের হলো।

​বিশাল হাওলাদার বাড়ির করিডোরগুলো রাতে কেমন যেন ভূতুড়ে লাগছিল। হাঁটতে হাঁটতে পদ্মজা বাড়ির পেছনের দিকের একটি পরিত্যক্ত এবং অন্ধকার অংশের সামনে এসে দাঁড়াল। ঠিক তখনই সে শুনতে পেল এক অদ্ভুত শব্দ—কারো চাপা গোঙানি আর গোঙানির সাথে ফিসফিস করে কথা বলার আওয়াজ!

​ভয়ে পদ্মজার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল। সে দেয়ালের আড়ালে লুকিয়ে উঁকি দিল। আবছা আলো-আঁধারিতে সে যা দেখল, তা বিশ্বাস করতে তার কষ্ট হলো। সে দেখল, দিনের বেলার সেই শান্ত, ভদ্র আর মার্জিত আমীর আলী হাওলাদার সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু তার চোখে-মুখে এখন এক হিংস্র ও নিষ্ঠুর অভিব্যক্তি। আমীরের সামনে একজন মানুষ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছটফট করছে আর আমীর ঠান্ডা মাথায় তাকে হুমকি দিচ্ছে।

​পদ্মজা নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। ভয়ে তার মুখ দিয়ে চিৎকার বেরিয়ে আসতে চাইল, কিন্তু সে নিজের হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরল। সে বুঝতে পারল, এই বিলাসবহুল হাওলাদার বাড়ির আড়ালে এমন এক ভয়ঙ্কর অন্ধকার জগত আছে, যার কথা বাইরের কেউ জানে না। আর যে আমীরকে সে দেবতা ভাবছিল, তার ভেতরে লুকিয়ে আছে এক রক্তপিপাসু দানব।

​ঠিক তখনই অসাবধানতাবশত পদ্মজার পায়ের ধাক্কায় পাশে থাকা একটি ফুলদানি নড়ে উঠল। শব্দ হওয়া মাত্রই আমীর তিক্ষ্ণ দৃষ্টিতে করিডোরের দিকে তাকিয়ে গর্জে উঠল, "কে ওখানে?"
​পদ্মজা ভয়ে জমে গেল। তার মনে হলো, আজ রাতেই বোধহয় তার জীবনের শেষ দিন...।
আমি পদ্মজা
Collected
​হাওলাদার বাড়ির এই প্রথম কালো অধ্যায়টি দেখার পর পদ্মজার জীবন পুরোপুরি বদলে যায়। সে কি পারবে আমীরের এই রূপের আড়ালে থাকা সত্য উন্মোচন করতে

ইলমা বেহরোজ-এর 'পদ্মজা' উপন্যাসের একেবারে শুরুর অংশ বা প্রথম পর্বটি মূলত একটি চরম রহস্য ও উত্তেজনা দিয়ে শুরু হয়। মূল বইয়...
19/07/2026

ইলমা বেহরোজ-এর 'পদ্মজা' উপন্যাসের একেবারে শুরুর অংশ বা প্রথম পর্বটি মূলত একটি চরম রহস্য ও উত্তেজনা দিয়ে শুরু হয়। মূল বইয়ের সূচনা পর্বের আদলে কাহিনীর প্রারম্ভিক প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
​পদ্মজা — পর্ব ১

​অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে একটা জেলখানা। চারদিকের দেয়ালে নোনা ধরা গন্ধ আর বন্দীদের চাপা দীর্ঘশ্বাস। সেই সেলের এক কোণে গুটিসুটি মেরে বসে আছে এক রূপবতী তরুণী। নাম তার পদ্মজা। তার পরনে কয়েদির পোশাক, চোখে এক অদ্ভুত শূন্যতা।
​হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ শব্দ করে সেলের সামনে এসে থামল। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের চৌকস অফিসার তুষার। তুষারের হাতে একটা ফাইল, যাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা—"আসামী: উম্মে পদ্মজা। অপরাধ: একই সাথে পাঁচটি নৃশংস খুন।"
​তুষার পদ্মজার ঠিক সামনে একটা চেয়ার টেনে বসলেন। পদ্মজার দিকে তাকিয়ে তার বিশ্বাসই হচ্ছে না যে, এত শান্ত, মায়াবী আর নিষ্পাপ চেহারার একটা মেয়ে এমন ভয়ঙ্কর অপরাধ করতে পারে।

​তুষার গম্ভীর গলায় বললেন, "উম্মে পদ্মজা! তোমার বিরুদ্ধে পাঁচটি খুনের অকাট্য প্রমাণ আছে। কিন্তু আমি জানি, এই নিখুঁত চেহারার আড়ালে অন্য কোনো গল্প লুকিয়ে আছে। আমি সত্যটা জানতে চাই। কেন করলে এমন?"

​পদ্মজা ধীরে ধীরে চোখ তুলে তাকাল। তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক বিষাদময়, রহস্যময় হাসি। সে ফিসফিস করে বলল, "সবাই তো শুধু লাশের সংখ্যা দেখে স্যার, সেই লাশের পেছনের নির্মম সত্যিটা কেউ দেখতে চায় না। আপনি কি সত্যিই শুনতে চান? তাহলে শুনুন..."
​পদ্মজা তার অতীতের দিনগুলোতে ফিরে গেল।

​গল্পের মোড় ঘুরে গেল অলকানন্দা গ্রামে। যেখানে পদ্মজার জন্ম আর বেড়ে ওঠা। পদ্মজা ছিল তার মা 'হেমলতা'র চোখের মণি। হেমলতা গ্রামের আর দশটা সাধারণ নারীর মতো ছিলেন না; তিনি ছিলেন ভীষণ কড়া, গম্ভীর এবং আত্মমর্যাদাশীল এক নারী। পদ্মজাকে আগলে রাখাই ছিল তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। পদ্মজার রূপ ছিল যেমন মনকাড়া, তেমনি তার স্বভাব ছিল চঞ্চল কিন্তু লাজুক।

​কিন্তু সেই শান্ত গ্রাম আর পদ্মজার সুন্দর জীবনে তখনো কেউ জানত না কী ভয়ঙ্কর ঝড় অপেক্ষা করছে। এক অদ্ভুত ও রহস্যময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পদ্মজার বিয়ে ঠিক হয় এলাকার প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য পরিবারের ছেলে আমীর আলী হাওলাদারের সাথে। আমীর দেখতে যেমন সুদর্শন, তার ব্যক্তিত্বও তেমনই আকর্ষণীয়। কিন্তু এই বিয়ের পেছনেই লুকিয়ে ছিল এমন এক অন্ধকার সত্য, যা পদ্মজার জীবনকে চিরতরে বদলে দিতে চলেছিল.......
Collected

ঐতিহ্যের রঙে রাঙানো হাত, সবুজ চুড়িতেই যেন পরিপূর্ণতা।"☘️🍀💚
22/05/2026

ঐতিহ্যের রঙে রাঙানো হাত, সবুজ চুড়িতেই যেন পরিপূর্ণতা।"☘️🍀💚

বাংলা নববর্ষ 1433🤍💝 #বাংলা #নববর্ষ  #১৪৩৩
19/04/2026

বাংলা নববর্ষ 1433🤍💝
#বাংলা
#নববর্ষ
#১৪৩৩

16/03/2026
16/03/2026
কুন্দন চুড়ি কালেকশন ❤️💙 #কুন্দন      #চুড়ি  #ঈদ  #কালেকশন  #২০২৬
27/02/2026

কুন্দন চুড়ি কালেকশন ❤️💙
#কুন্দন #চুড়ি #ঈদ #কালেকশন
#২০২৬

Baby kundon poddo set🪷🌻 #কুন্দন  #টিকলি  #পদ্ম  #কান্    #টানা
22/02/2026

Baby kundon poddo set🪷🌻
#কুন্দন #টিকলি #পদ্ম #কান্ #টানা

Address

Dhaka

Telephone

+8801601009812

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when STS & DASH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to STS & DASH:

Shortcuts

Share