Abrar's mom

Abrar's mom this page is effective for 3+ child

05/05/2025

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন একবার বলেছিলেন:
"দুর্বল মানুষ প্রতিশোধ নেয়। শক্তিশালী মানুষ ক্ষমা করে। বুদ্ধিমান মানুষ উপেক্ষা করে।"

আমি তার কাছ থেকে শিখেছি ৯টি চিরন্তন পাঠ:

১. ভবিষ্যত নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না
"আমি কখনো ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করি না। এটি যথেষ্ট দ্রুত আসে।"
ভবিষ্যত অনিশ্চিত, এবং এটি নিয়ে চিন্তা করা আজকের আনন্দ কেড়ে নেয়। এখন যা আছে তার ওপর ফোকাস করুন এবং এগিয়ে যান।

২. বড় ভাবনা চিন্তা করতে সাহস করুন
"আমি বিশ্বাস করি, বড়ো ধরনের কল্পনা আমাদের সত্যিকারের তথ্য সঞ্চয়ের চেয়ে বেশি এগিয়ে নিয়ে যাবে।"
দুঃসাহসী চিন্তা নিরাপদ চিন্তার চেয়ে বেশি বিশ্বকে পরিবর্তন করেছে।

৩. এগিয়ে চলতে থাকুন
"জীবন একটি সাইকেল চালানোর মতো। ভারসাম্য রাখতে হলে আপনাকে চলতে হবে।"
থেমে থাকবেন না। কতটুকু হোক না কেন, অগ্রগতিই অগ্রগতি।

৪. রাজনীতি পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ে কঠিন
প্রশ্ন করা হলে, “যদি মানুষ পরমাণু আবিষ্কার করতে পারে, তবে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধান করতে পারে না কেন?”
আইনস্টাইন উত্তর দেন:
"কারণ রাজনীতি পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ে বেশি কঠিন।"
বুদ্ধিমান মানুষও সেখানে লড়াই করে যেখানে আবেগ, শক্তি এবং অহঙ্কার প্রভাব ফেলে।

৫. সরলতা গ্রহণ করুন
আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন "আইনস্টাইনের রেজার"-এ — অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ধরে রাখা।
সরলতাই শক্তি, যদি না এটি অতিরিক্ত সরলতায় পরিণত হয়।

৬. শিক্ষা আপনাকে চিন্তা শেখাতে হবে
"শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মনকে চিন্তা করতে শেখানো, তথ্য মুখস্থ করা নয়।"
তাই আরও পড়ুন। আরও চিন্তা করুন। আপনার কৌতূহলকে আপনার সেরা শিক্ষক হতে দিন।

৭. আমরা সবাই একটি গাছের অংশ
"সব ধর্ম, শিল্প এবং বিজ্ঞান একই গাছের শাখা।"
মানবজাতি একসঙ্গে বৃদ্ধি পেলে সমৃদ্ধ হয়, আলাদা হলে নয়। আমরা যতটা ভাবি তার চেয়ে বেশি সংযুক্ত।

৮. আপনার বিবেকের প্রতি সত্য থাকুন
"কখনো কিছু করবেন না যা আপনার বিবেকের বিরুদ্ধে, যদিও রাষ্ট্র তা চায়।"
আপনার নীতিগুলোকে আপনাকে গাইড করতে দিন — বিশেষ করে যখন এটি সহজ নয়।

৯. আপেক্ষিকতা কী?
আইনস্টাইন একবার মজা করে বলেছিলেন:
"একটি সুন্দর মেয়ের সঙ্গে দুই ঘণ্টা বসলে মনে হয় দুই মিনিট। একটি গরম চুলায় দুই মিনিট বসলে মনে হয় দুই ঘণ্টা — এটাই আপেক্ষিকতা।"
দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু পরিবর্তন করে।

Inner Soul

13/04/2025

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।

👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।

👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।

👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷

👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।

👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।

👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!

👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!

👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷

👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন!

Collected

06/05/2024

মুল্যবান কিছু কথাঃ

০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে যাবে।

০২। পরিবার দেখে বিয়ে করুন।
ভন্ড পরিবার আপনাকে তাদের পর্যায়ে নামিয়ে নেবে।

০৩। নিজের ভাই বোন ছাড়া কাউকে বড় অংকের টাকা ধার দেবেন না।
তাতে সম্পর্ক নষ্ট হবে।
ভাই বোনের কাছ থেকে টাকা ফেরৎ না পেলেও ততো দুঃখ থাকবে না কারণ সেটা আপনার আপনজনই খেয়েছে কিন্তু অন্যের কাছ থেকে ফেরৎ না পেলে দুঃখের সীমা থাকবে না।

০৪। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবে না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন।

০৫। পৃথিবীতে কেউ ব্যস্ত না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর।
কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে।

০৬। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।

০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনা কেউ সুযোগ দেবে না।

০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন।
সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে।
সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই।

০৯। নিরাশ থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং।

১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো।

১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দেবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে।

১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন।
লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম।

১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই।
ধাপে ধাপে এগোন।

১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না।
মনে রাখবেন,
মানুষ তার আশার সমান সুন্দর,
বিশ্বাসের সমান বড়।

১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না।

11/11/2022

শিশুর মিথ্যা কথা বলা সমস্যা-
স্কুলে যাওয়া নিয়ে মিথ্যা বলা।
ঘরের জিনিস নষ্ট করা নিয়ে মিথ্যা বলা।
কারো সাথে ঝগড়া মারামারি করার পরে মিথ্যা বলা।
খাবার খাওয়া নিয়ে মিথ্যা বলা।
শিক্ষকদের কাছে মিথ্যা বলা।
হোমওয়ার্ক নিয়ে মিথ্যা বলা।
কাওকে অনুকরণ করে মিথ্যা বলা।
উপরোক্ত সমস্যাগুলো বাচ্চাদের একটি অতিসাধারণ সমস্যা। মানুষের সহজাত আচরণ থেকে এই সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হয়ে থাকে। সহজভাবে মেনে নিলে এ ধরনের সমস্যা বাচ্চাদের ভবিষ্যতের জন্য ভয়ংকর সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে?
শিক্ষক এবং বাবা মায়ের সাথে মিথ্যা বলার প্রধান কারণ হলো ভয়। বন্ধুদের সাথে অনেক সময় সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য মিথ্যা বলার অভ্যাস সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাছাড়া কোন কাজ করে পরে লজ্জাজনক পরিস্থিতি সামাল দিতেও শিশুরা মিথ্যা বলে থাকে। নিজেকে আলাদাভাবে পরিচয় করাতে অথবা অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শিশুরা মিথ্যা কথা বলে।

সমস্যা সমাধানে করণীয়ঃ
শিশুদের সবসময় প্রশংসা করুন।
মিথ্যা বলার অপরাধে শাসন করার পরিবর্তে বুঝিয়ে বলুন।
বন্ধুসুলভ আচরণ করুন যাতে মনের কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারে।
শিশুদের আচরণের প্রতি খেয়াল রাখুন।
শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিন।
সত্য বলতে উৎসাহিত করুন, মাঝে মাঝে সত্য বলার জন্য পুরস্কৃত করুন।
মিথ্যা বললে শিশুদের প্রতি রেগে যাবেন না। বুঝিয়ে বলুন।
মনীষীদের জীবনী, ঈশপের নানা গল্প, নীতিকথা ইত্যাদি শোনান। (শিশুশিক্ষা ও অন্যান্য পেইজ এ এ ধরনের বইগুলো পাবেন)
শিশুর কথায় মিথ্যার আভাস থাকলে তার যুক্তি শুনুন। তার দিক থেকে সাইকোলজি বুঝে তারপরে বুঝিয়ে বলুন।
মিথ্যা বলার অপরাধে রাগ অথবা শাস্তি কখনোই সমাধান নয়। এতে সমস্যা প্রকট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
একটি শিশুকে সাহসী এবং সৎ চরিত্রের অধিকারী বানাতে নৈতিক গুণাবলীর চর্চা খুব ছোট থেকেই শুরু করতে হয়। কারণ পারিবারিক শিক্ষা একটি মানুষের চরিত্রে সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়।

𝐂𝐎𝐌𝐏𝐎𝐔𝐍𝐃 𝐖𝐎𝐑𝐃𝐒/𝐍𝐎𝐔𝐍𝐒Compound Words are two or more words that have been grouped together to create a new word that has a...
10/11/2022

𝐂𝐎𝐌𝐏𝐎𝐔𝐍𝐃 𝐖𝐎𝐑𝐃𝐒/𝐍𝐎𝐔𝐍𝐒

Compound Words are two or more words that have been grouped together to create a new word that has a different, individual meaning.

09/11/2022
09/11/2022

কখনো বাচ্চাকে গায়ে হাত তুলবেন না। শিশুটির আচরণে অনেক সমস্যা হবে। মারধোর, মানুষের মনের সরলতা কে আস্তে আস্তে নষ্ট করে। কাউকে ভবিষ্যতে পাসন্ড করে তুলে। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন। শাসন অনেক ভাবে করা যায়। মনে রাখবেন, আপনি যদি চান আপনার বাচ্চা আপনাকে বন্ধু ভাবুক সেক্ষেত্রে মারধর করলে সেই সুযোগ হারাবেন। কেননা, বন্ধুরা মারে না এটাই সত্যি।

বাচ্চাদের জন্য অনেক সময় আমরা আলাদা কিছু খাবার রান্না করি। যেমন, বাসার সাধারণ রান্না মুরগী হয়তো সবাই খাচ্ছেন কিন্তু বাচ্চার জন্য হয়তো চিকেন পাস্তা করলেন। এক্ষেত্রে যেটা হয়, খাবারের ক্ষেত্রে সে নিজেকে স্পেশাল ভাবতে শুরু করে। তখন নানা রকম মর্জি করা শেখে। সোস্যাল হয় কম। তাই অবশ্যই সবার খাবারে মতই বাচ্চাকে খাওয়া শেখান। প্রয়োজনে স্পেশাল খাবার রান্না করলে সবাই মিলে খান। এতে শিশুটি বড় হয়ে সব জায়গায় নিজেকে খাপ খাওয়াতে শিখবে। ছোট বেলায় আলাদা ভাব আর আদর শিখালে এরা বড় হয়েও সব জায়গায় স্পেশাল কিছু আশা করে, আর তাতে ব্যঘাত ঘটলে তাদের মানুসিকতায় ও আচরণে সমস্যা হয়। তাই স্পেশাল না আপনার বাচ্চাকে সাধারণ ভাবাতে শিখান।

বাচ্চাদের সামনে কারো সাথে ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকুন। তারাও শিখবে। কর্ম ক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শশুর বাড়িতে সব জায়গায় তাদের এই ঝগড়া মুড কাজ করবে। ঝগড়া করা আচরণের উপর প্রভাব ফেলে, এমনকি এদের সাইকোলজিও অন্য রকম হয়।

বিশেষ করে নবীজীর শিক্ষায় তাঁকে শিক্ষিত করুন। তাহলে আপনার সন্তান একটি আদর্শবান মানুষ ও সুসন্তান হবে।

সম্মোধন অনেক কিছু শিখায়। আপনার শিশুকে ভদ্রতা শিখান, কিন্তু বাসার লোক, ড্রাইভার, রিকশা ওয়ালা বা যেকোনো অচেনা মানুষকে আপনি সম্মোধন করা শিখান। এই সব বাচ্চারা বড় হলে অনেক বড় মর্যাদার আসনে বসতে পারে।

যাই হোক, আপনাদের শিশুকে আপনি যা শেখাবেন, সেটাই তার চরিত্র হবে। তাই আপনার শিশুকে মানুষের মত মানুষ করার লক্ষ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার শিক্ষায় শিক্ষিত করুন!

07/11/2022

- কি ব্যাপার আম্মু? জগে পানি নেই কেন?
- কি রান্না করছ এসব? ফালতু। জানো না আমি এসব খাইনা?
- আমার প্যান্ট ধোয়া নাই কেন?
- জামার এই অবস্থা কেন? ইস্ত্রি করে রাখতে পারো নাই?
- মাংস নাই কেন? খাবোই না আজকে।

এসব কথা কি খুব পরিচিত মনে হচ্ছে? সন্তানের কাছ হতে এসব কথা প্রায়ই শুনতে হয়? যদি তাই হয়, তবে জেনে রাখুন, একটি বেয়াদব, অসহনশীল সন্তান গড়ে তুলেছেন আপনি। যেই সন্তান মা কে সম্মান করেনা। মা তার কাছে চাকরের চেয়ে বেশি কিছু নয়।

তবে এই সন্তান কি একদিনেই এভাবে বেড়ে উঠেছে? না, দিনের পর দিন সে দেখেছে মায়ের সাথে খেঁকিয়ে কথা বলাই যায়। পরিবারের অন্য সদস্যেরাও হয়তো বলে বা বলেনা। কিন্তু বাচ্চাটি ছোটবেলা হতেই দেখেছে এভাবে মায়ের সাথে কথা বললে মা বকা তো দেয়ই না, উলটো তড়িঘড়ি করে সেই কাজটি করে আনে। মাকে যাই বলা হয় মা তাই করে আদরের আতিশয্যে। ভুলেই যায়, বাচ্চার কাজ করে দেয়ার চাইতে বাচ্চাকে আদব কায়দা শেখানো বেশী জরুরি। আদব কায়দা শেখানো মানে শুধু অন্যদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় তা শেখানো নয়। মায়ের সাথে, বাবার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটাও শেখানো।

মা বা বাবা বাচ্চার চাকর নয় যে বলামাত্র তার সব কাজ করতে হবে। সন্তানকে নিজের কাজ নিজে করা তো শেখাতেই হবে। সেই সাথে এটাও শেখাতে হবে মায়ের সাথে বা বাবার সাথে খেঁকিয়ে কথা বললে তার consequence ভোগ করতে হবে। যদি একান্তই মা বা বাবাকে কিছু করে দিতে বলতে হয়, politely request করতে হবে।

আমি সবসময় বাচ্চাদের মারার (শারীরিক আঘাত) বিপক্ষে লিখি, কিন্তু শাসনের বিপক্ষে নয়। বাচ্চাকে সময়মতো শাসন না করলে পস্তাতে হয় কিন্তু মা বাবাকেই।
কথায় আছে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়। সন্তানকে আদব কায়দা ছোটবেলাতেই না শেখালে সে বেয়াদব হয়েই বেড়ে উঠবে। তখন শেখাতে গিয়ে খুব একটা লাভ নাও হতে পারে।

সন্তানের হাতের লিখা একটু খারাপ হোক, ক্লাসে রোল একটু পেছনেই থাকুক, একটু নাহয় অসামাজিকই হোক, সমস্যা নেই। কিন্তু সন্তান যেন বেয়াদব না হয়।
কারন বেয়াদব সন্তান, দিনশেষে আমাদেরই চাপাকান্নার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

# কপি 👨‍👩‍👧‍👦

ক্লাস ওয়ান হচ্ছে একটা শিশুর বেসিক গড়ার মূল সময়।ক্লাস ওয়ানেই তাকে বাংলা ইংলিশ রিডিং পড়াটা শিখাতে হবে।আমাদের সরকার প্রদত্ত...
06/11/2022

ক্লাস ওয়ান হচ্ছে একটা শিশুর বেসিক গড়ার মূল সময়।ক্লাস ওয়ানেই তাকে বাংলা ইংলিশ রিডিং পড়াটা শিখাতে হবে।আমাদের সরকার প্রদত্ত প্রাইমারি স্কুলের ক্লাস ওয়ানের বই ফলো করেই তাকে রিডিং পড়া শিখানো উচিৎ।শব্দ গঠন,বাক্য গঠন,কবিতা লিখা,ছোট ছোট প্রশ্ন উত্তর লিখা এগুলো শিখাতে হবে খুব ভালো ভাবেই।সেই সাথে হাতের লিখা চালু হতে হবে।তা না হলে ১০০ মার্কস এর পরীক্ষায় প্রায় ৭০% শিশু পুরা উত্তর লিখতে পারে না।

এবার আসি অংকের বিষয়ে।যদিও ঢাকার নামীদামী স্কুল বোর্ড বই ফলো করে না খুব একটা যোগ,বিয়োগ ও বানানের ক্ষেত্রে কিন্তু প্রশ্নের অংক/কথার অংক গুলো ফলো করে।ওয়ানের বইতে যোগ বিয়োগ ছোট ছোট। বানানও ৫০ পর্যন্ত।কিন্তু ঐসব স্কুল ১০০ /100 এর পর থেকে বানান শুরু করে ওয়ানে।অর্থাৎ ওয়ানে পড়ার জন্য ১০০/100 পর্যন্ত শিখা থাকতে হবে।

যদিও ক্লাস ওয়ানের বোর্ড বইতে গুণ,ভাগ (নামতা) নেই। কিন্তু ঐসব স্কুলে ক্লাস ওয়ানে ১০ পর্যন্ত নামতা শিখানো হয় এবং ভাগ ও গুণের অংকও আসে ১০ এর নামতার মধ্যে।সেক্ষেত্রে আপনাকে নার্সারি /কেজিতেই কিছু নামতা শিখিয়ে রাখতে হয় বাচ্চাকে।

ছবির কথার/প্রশ্নের অংক গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে স্টান্ডার্ড কোয়ালিটি মেইন্টেইন করে করানো শিখাতে হবে।এমন ভাবে শিখাতে হবে যাতে পরীক্ষায় শিশু নিজে সাজিয়ে সুন্দর করে করতে পারে।সেখানেও বেশিরভাগ শিশু সেটা পারে না।ভালো ভাবে শিখানো হয় না।অনেক শিশুই এগুলোর উত্তর দিয়ে আসতে পারে না পরীক্ষায়।

তার মানে বাচ্চার ঘাটতি রয়ে যায়।এইসব ঘাটতি পরের ক্লাসের জন্য বোঝা হয়ে রূপ নেয়।যার ফলে পরের ক্লাসের পড়া চালিয়ে নিতে কষ্ট হয়।অনেকটা না বুঝিয়েই বাচ্চাকে পড়ানো হয়।যার ফলে বাচ্চা সামান্য কিছু মুখস্ত করে পার করে ক্লাস ওয়ান টু।এতে বাচ্চার বেসিক শিক্ষাটা হয় না পরিপূর্ণ ভাবে।আর এটা তাকে সারা শিক্ষাজীবন বহন করতে হয়।

আসা করি অভিভাবক যথেষ্ট সচেতন হবেন নিজের সন্তানের বেসিক শিক্ষার এই ক্লাস ও বয়স গুলোর সময়।বাচ্চার যাতে কোন ঘাটতি না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিবেন।

আরেকটা বিষয় খুব দেখতে পাচ্ছি তা হলো নতুন গজে উঠা স্কুলের প্রতি অভিভাবকদের আগ্রহ বেশি।আর সেখানে যেটা হচ্ছে সেটা খুব কম অভিভাবক ধরতে পাচ্ছেন।সেটা হল বাচ্চারা না লিখতে পারলে টিচাররা লিখে দিচ্ছেন পেন্সিল দিয়ে বাচ্চার মতো করে।আর অভিভাবকদের বলছেন আপনার বাচ্চা পারছে ভালো।রেজাল্টও দিচ্ছেন বেশ ভালো।
আর কিছু স্কুল বাচ্চার মেধা সীমিত কিছু পড়ার মধ্যে নিয়ে আসছে।সামান্য কয়েকটি অংক দিচ্ছে যেটা বাচ্চাকে না বুঝিয়ে মুখস্ত করাচ্ছে।আর সেটাই পরীক্ষায় আসছে।বাংলা ইংলিশও সেইম।বাংলা ইংলিশ তাও সারা যায় কিন্তু অংক কি করে মুখস্ত করতে শিখায়?! যেটা খুবই দুঃখজনক।

আসা করি যদি শিশুর ভালো চান অভিভাবক সচেতন হবেন এইসব স্কুলের ব্যাপারে।বাচ্চার পড়াশোনার ব্যাপারে।মনে রাখবেন "চক চক করিলেই সোনা হয় না"। এইসব স্কুল বাহিরের সৌন্দর্য ও আরাম আয়েস অফার করে শুধু মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

06/11/2022

Address

Kaderabad .
Dhaka

Telephone

+8801674664548

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar's mom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abrar's mom:

Share