09/08/2021
আসসালামু আলাইকুম
নতুন হিসেবে কি লিখবো....
শাড়ি.... তাহলে শুরুই করে দি...
শাড়ির মতো ফেমিনিন ড্রেস পৃথিবীতে আর নেই। বাঙালি নারী বললে চোখে ভাসে শাড়ির আচ্ছাদনে আবৃত শরৎ চন্দ্রের মেজদিদি। চালর্স ডিকেল বলেছেন, কোনো লোক ভালো পোশাক পরিহিত অবস্থায় ভালো মেজাজেই থাকেন, যদিও এর জন্য তার গর্বিত হওয়ার কিছু নেই। পোশাক-পরিচ্ছদ মানুষকে মানবিক করে না। কিন্তু যখন কেউ মানবিক হয়, তখন পোশাক তার মূল্য বাড়ায়। বিশিষ্ট লেখক শেক্সপিয়ার এই বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেছেন, অনেক সময় পোশাক মানুষকে প্রকাশ করে এই কথায় সূত্র ধরে দেখলে দেখা যায় হয়তো অনেক দেশের প্রতিনিধি কিংবা অনেক দেশের সময়ে কোনো অনুষ্ঠানে একজন বাঙালি নারীকে সহজেই তার শাড়ির পোশাক বলে দেয় তিনি বাঙালি। তাই যতই আধুনিকতায় গা ভাসাই না কেন নিজের সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে নয়। এপিকটেটাস তার লিখনিতে বলেছেন, প্রথমে জানো তুমি কে, তারপর সেভাবেই নিজেকে আচ্ছাদিত করো। কাজেই আমরা বাঙালি নারী যে যাই পরি না কেন, এমন কোনো বাঙালি খুঁজে পাবেন না যে বাঙালি নারী জীবনে কখনো শাড়ি পরেনি। শুধু যে শাড়ি বাঙালি নারীর পোশাক তা কিন্তু নয়। সকল বাঙালি নারী যে কিশোরী, যুবতী কিংবা প্রৌঢ়ের কাছে তার নিজের শাড়ি খুব প্রিয় সম্পদ।
আমি তানিহা
কাজ করছি
শাড়ি, পাঞ্জাবি,থ্রিপিস, গয়না নিয়ে।