Mariam

Mariam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mariam, Baby Goods/Kids Goods, Dhaka.
(10)

কিয়ামতের সময়। হাশরের ময়দানে সকলে থরথর করে কাঁপছে। অনেককে ইতোমধ্যে টেনে হিঁচড়ে ভয়ংকর জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আব...
24/08/2026

কিয়ামতের সময়। হাশরের ময়দানে সকলে থরথর করে কাঁপছে। অনেককে ইতোমধ্যে টেনে হিঁচড়ে ভয়ংকর জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আবার অনেকে প্রফুল্ল চিত্তে এগিয়েছে জান্নাতের দিকে। আপনার শিরা-উপশিরা বয়ে আতঙ্ক ছুটোছুটি করছে। হুট করে আপনার নাম ডাকা হলো। হৃদয়ে খামচি দিয়ে উঠলো। এখন আপনার হিসাব নিকাশ হবে।

আপনি দেখছেন মিজানের পাল্লা একবার ডান দিকে ভারী হচ্ছে আবার বাম দিকে ভারী হচ্ছে। ডান দিক ভারী হলে অন্তরে ক্ষীণ আশা জাগে, জান্নাতে বুঝি একটু ঠাঁই পাওয়া যাবে। আবার বাম দিক ভারী হলে ভয়ার্ত চোখে জাহান্নামের দিকে তাকান। রাগে ফেটে পড়তে থাকা জাহান্নামকে দেখে আপনার রুহ আরেকবার বেরিয়ে যেতে চায়।

শেষমেশ ভারী হলো বাম দিকের পাল্লা। আপনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। শেষ! শেষ! সবশেষ! ফেরেশতারা নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে ধরবে অমনি দয়ার নবি সাঃ ছুটে আসলেন। ফেরেশতারা থেমে গেল। নবিজি আকুতি ভরা কণ্ঠে রবের কাছে সুপারিশ করলেন, "আমার এ উম্মত আমাকে না দেখে ভালোবেসেছে, আমার উপর দরুদ পাঠ করেছে। তুমি তোমার দয়ায় তাকে ক্ষমা করে দাও।"

প্রবল তৃষ্ণার্ধ সময় একটু ঠান্ডা পানি যেমন হৃদয়ে শান্তি দেয় আপনার হৃদয়েও তেমন শান্তির ধারা বইতে লাগল। কারণ আপনি এখন জানেন আপনার রব আপনার নবিজি সাঃ এর সুপারিশ ফেরাবেন না৷ আপনাকে জান্নাতে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলো। আপনি আবারও কাঁদছেন। কিন্তু এ কান্না হচ্ছে খুশির কান্না। নবিজি আপনার দিকে মুচকি হাসি দিয়ে আবার ছুটে গেলেন হাউজে কাউসারে তৃষ্ণার্ধ উম্মতের দিকে। আর আপনি চোখ মুছতে মুছতে ধীর পায়ে যাচ্ছেন জান্নাতের দিকে।

কিয়ামতের দিন যে নবি ছাড়া আর কেউ আপন হবে না, যার সুপারিশ ছাড়া কোনো উপায় রইবে না সেই নবির উপরে দরুদ পাঠ করতে কি আলসেমি করবেন?

©️

কোরআন🌻
23/08/2026

কোরআন🌻

22/08/2026
22/08/2026

আমাদের দু‘আর তালিকায় কত কিছু আছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চাওয়াগুলো কি আছে?

আল্লাহর কাছে আমরা চাকরি চাই, ভালো ফল চাই, বিয়ে চাই, সন্তান চাই, সুস্থতা চাই, ব্যবসায় উন্নতি চাই। এগুলো চাওয়া ভুল নয়। বরং নিজের ছোট বড় প্রয়োজন নিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া একজন মুমিনের সৌভাগ্য। কিন্তু কখনো কি খেয়াল করেছেন, দুনিয়ার প্রয়োজনগুলোর ভিড়ে এমন কিছু চাওয়া আমাদের দু‘আ থেকে প্রায় হারিয়ে যায়, যেগুলো দুনিয়ার জীবন শেষ হওয়ার পরও আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে?

জান্নাতের কথা শুনলে ভালো লাগে, কিন্তু শেষ কবে সরাসরি বলেছি, “হে আল্লাহ, আমাকে জান্নাত দিন”? জাহান্নামের কথা শুনে ভয় পাই, কিন্তু কতবার আল্লাহর কাছে তার আগুন থেকে আশ্রয় চেয়েছি? কঠিন কাজ সামনে এলে মানুষের সাহায্য, নিজের preparation, নিজের ability সবকিছুর কথা মনে পড়ে, কিন্তু বুক প্রশস্ত করে কাজ সহজ করে দেওয়ার জন্য আল্লাহকে ডাকি তো?

আজ এমন ৬টি দু‘আ মনে রাখি, যেগুলোর মধ্যে একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাতের অসাধারণ কিছু চাওয়া একসঙ্গে পাওয়া যায়।

একটি কথা শুরুতেই পরিষ্কার রাখা জরুরি। এই ছয়টি দু‘আর সবগুলোকে “প্রতিদিন নির্দিষ্ট এতবার পড়তেই হবে” এমন একটি সুন্নাহর তালিকা মনে করবেন না। কিছু কুরআনের দু‘আ, কিছু হাদিসে শেখানো দু‘আ এবং কিছু দু‘আর বিশেষ প্রসঙ্গও রয়েছে। তাই বানানো কোনো সংখ্যা বা ফজিলত যোগ না করে, অর্থ বুঝে নিজের দু‘আর ভাণ্ডারে রাখুন।

১. জান্নাতকে শুধু স্বপ্ন নয়, দু‘আ বানান

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই।

জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়ার এই সহজ ভাষা নববী দু‘আয় এসেছে। আর সহিহ বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তিনবার জান্নাত চায়, জান্নাত তার জন্য আল্লাহর কাছে প্রবেশের দু‘আ করে। এখানে ফজিলতটি জান্নাত তিনবার চাওয়ার ব্যাপারে; কোনো একটি নির্দিষ্ট ছোট বাক্যকে বাধ্যতামূলক formula বানানোর প্রয়োজন নেই।

একটু ভাবুন, আমরা একটা ভালো বাড়ির জন্য কত পরিকল্পনা করি। কোন দেশে থাকব, কোন এলাকায় বাড়ি হবে, ঘর কেমন হবে—এসব নিয়েও স্বপ্ন দেখি। অথচ এমন একটা আবাস আছে যেখানে আর অসুস্থতা নেই, বিচ্ছেদ নেই, ভয় নেই, মৃত্যু নেই। সেই জান্নাতকে শুধু “আশা করি পাব” বলে দূরে রাখবেন না।

আল্লাহর কাছে চেয়ে নিন।

২. জাহান্নামকে শুধু ভয় পাওয়ার বিষয় বানাবেন না

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনান নার।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি জাহান্নামের আগুন থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

সহিহ বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি তিনবার আগুন থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায়, জাহান্নাম তার জন্য আল্লাহর কাছে নাজাতের দু‘আ করে।

কখনো কোনো গুনাহের আগে এই কথাটা মনে আনুন। যে চোখ দিয়ে হারাম কিছু দেখতে যাচ্ছি, যে জিহ্বা দিয়ে গীবত করতে যাচ্ছি, যে সম্পর্কের দিকে এগোচ্ছি, যে অন্যায় আয়কে “এতটুকু কিছু হবে না” বলে হালকা করছি—আমি তো একই সঙ্গে আল্লাহর কাছে বলছি, “আমাকে আগুন থেকে বাঁচান।”

তাহলে নিজের কাছেই প্রশ্ন আসে, যে আগুন থেকে বাঁচতে চাই, তার দিকে নিয়ে যেতে পারে এমন পথকে এত সহজে কেন বেছে নিচ্ছি?

এই realization-টাই কখনো একটি দু‘আকে শুধু মুখস্থ বাক্য থেকে জীবনের guardrail বানিয়ে দেয়।

৩. যখন মনে হয়, “আমি পারব তো?”

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي ۝ وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي

রব্বিশরাহ লি সদরি, ওয়া ইয়াসসির লি আমরি।
অর্থ: হে আমার রব, আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

এটি মূসা আলাইহিস সালামের দু‘আর অংশ। আল্লাহ তাঁকে ফিরআউনের কাছে যাওয়ার গুরুদায়িত্ব দেওয়ার পর তিনি তাঁর রবের কাছে বক্ষ প্রশস্ত ও কাজ সহজ করার আবেদন করেন। — সূরা ত্ব হা, ২০:২৫–২৬।

আমাদের পরিস্থিতি সেই পরিস্থিতির মতো নয়। কিন্তু নিজের জীবনের কঠিন মুহূর্তে এই দু‘আর ভাষাটা কত আপন মনে হয়! Interview-এর আগে বুক ধড়ফড় করছে, exam সামনে, presentation দিতে হবে, গুরুত্বপূর্ণ কারও সঙ্গে কঠিন কথা বলতে হবে, নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে যেখানে ভুল করার ভয় হচ্ছে।

Preparation করবেন। চেষ্টা করবেন। প্রয়োজন হলে মানুষের পরামর্শও নেবেন। কিন্তু সব প্রস্তুতির শেষে মনে রাখবেন, নিজের সামর্থ্যই আপনার শেষ ভরসা নয়।

বলুন, “হে আমার রব, আমার বুকটা প্রশস্ত করে দিন। আমার কাজটা সহজ করে দিন।”

৪. যখন বুঝতে পারছেন না, দুনিয়া চাইবেন নাকি আখিরাত

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা আতিনা ফিদ দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আযাবান নার।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। — সূরা আল বাকারা, ২:২০১।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, এটি নবী ﷺ-এর সবচেয়ে বেশি করা দু‘আগুলোর একটি ছিল।

এই একটি দু‘আর মধ্যে কী সুন্দর ভারসাম্য! ইসলাম আপনাকে বলে না যে ভালো চাকরি চাইবেন না, সুস্থতা চাইবেন না, শান্ত সংসার চাইবেন না, হালাল রিজিক চাইবেন না। কিন্তু শুধু দুনিয়ায় ভালো থাকলেই তো শেষ নয়।

তাই আমরা যেন শুধু বলি না, “হে আল্লাহ, আমি যেটা চাই সেটা আমাকে দিন।”

বরং চাই, “হে আল্লাহ, আমার দুনিয়াটাও কল্যাণময় করুন, আখিরাতটাও।”

কারণ কোনো কিছু পাওয়া আর সেই জিনিস আপনার জন্য সত্যিকার কল্যাণ হওয়া সবসময় এক বিষয় নয়।

৫. এমন কিছু ভুল আছে, যেগুলো মনে পড়লে নিজের কাছেই লজ্জা লাগে?

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন।

আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, লাইলাতুল কদর পেলে তিনি কী বলবেন। রাসূল ﷺ তাঁকে এই দু‘আটি শিখিয়েছিলেন। তাই হাদিসে এর বিশেষ প্রসঙ্গ লাইলাতুল কদর—এই বিষয়টি মনে রাখা উচিত।

আমাদের জীবনে এমন কিছু chapter থাকে যা আমরা চাই কেউ কখনো না জানুক। এমন কথা আছে যা বলা উচিত ছিল না। এমন screen আছে যা দেখা উচিত ছিল না। এমন হক আছে যা নষ্ট করেছি। এমন সালাত আছে যা অবহেলায় হারিয়েছি।

মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলতে পেরেছি বলে সেগুলো আল্লাহর কাছ থেকে লুকায়নি।

কিন্তু এখানেই আশার জায়গা আছে। ভুল আপনার জন্য শেষ কথা নয়। আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার দরজা এখনো খোলা থাকলে, আপনি আবার বলতে পারেন—

“আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আমাকে ক্ষমা করুন।”

৬. শুধু ভালো জীবন নয়, ঈমানের ওপর শেষ হওয়াও চান

تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ

তাওয়াফফানি মুসলিমান ওয়া আলহিকনি বিস সালিহীন।

অর্থ: আমাকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে যুক্ত করুন। এটি ইউসুফ আলাইহিস সালামের দু‘আর অংশ। — সূরা ইউসুফ, ১২:১০১।

আমরা ভালো জীবন চাই। কিন্তু কখনো কি ভালো শেষ চেয়েছি?

আজ সালাত পড়ছি। শেষ দিনেও কি ঈমানের ওপর থাকব? আজ একটা গুনাহ ছেড়েছি। কয়েক বছর পরে আবার তাতে ফিরে যাব না তো? আজ আল্লাহকে ভালোবাসি বলে কাঁদি। কিন্তু আমার জীবনের শেষ অধ্যায়টা কোন অবস্থায় লেখা হবে?

কেউ জানি না।

তাই আমাদের দুশ্চিন্তা শুধু “আমি কত বছর বাঁচব?” হওয়া উচিত নয়। বরং আরও বড় প্রশ্ন হলো, যেদিন চলে যাব, তখন আমার এবং আল্লাহর সম্পর্কটা কেমন থাকবে?

এই দু‘আ আমাদের সেই ভয় আর আশাকে একসঙ্গে আল্লাহর কাছে তুলে দিতে শেখায়।

দেখুন, ছয়টি দু‘আ খুব দীর্ঘ নয়। কিন্তু চাওয়াগুলো কত বড়—জান্নাত, জাহান্নাম থেকে নাজাত, কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ, ক্ষমা এবং ঈমানের ওপর জীবনের সমাপ্তি।

আমরা অনেক সময় দু‘আকে emergency button বানিয়ে ফেলি। পরীক্ষা এলে দু‘আ, অসুস্থ হলে দু‘আ, টাকা দরকার হলে দু‘আ, বড় কোনো সমস্যা হলে দু‘আ। সমস্যা চলে গেলে কথোপকথনটাও যেন থেমে যায়।

কিন্তু দু‘আ শুধু আল্লাহর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কিছু পাওয়ার মাধ্যম নয়। দু‘আ আমাদের নিজেদেরও বারবার মনে করিয়ে দেয়—আমি কার বান্দা, আমার শেষ গন্তব্য কোথায় এবং আমার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন আসলে কী।

তাই আজ ছয়টি একসঙ্গে মুখস্থ করার চাপ নেবেন না। একটি বেছে নিন। অর্থটা বুঝুন। মন দিয়ে আল্লাহকে বলুন। তারপর ধীরে ধীরে আরেকটি শিখুন।

একদিন হয়তো খেয়াল করবেন, আপনার চাওয়ার ভাষাই বদলে গেছে।

আগে শুধু বলতেন, “হে আল্লাহ, আমার সমস্যাটা ঠিক করে দিন।”

এখন হয়তো বলবেন—

“হে আল্লাহ, আমার দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতে কল্যাণ দিন। আমাকে ক্ষমা করুন। জাহান্নাম থেকে বাঁচান। জান্নাত দিন। আর যখন আপনার কাছে ফিরব, ঈমানের অবস্থায় ফিরিয়ে নিন।”

দুনিয়ায় আমাদের চাওয়ার তালিকা যত বড়ই হোক, শেষ পর্যন্ত এর চেয়ে বড় কয়েকটি চাওয়া হয়তো আর নেই।

আল্লাহ আমাদের দু‘আকে শুধু মুখের বাক্য না বানিয়ে অন্তরের সত্যিকারের আবেদন বানিয়ে দিন। আমাদের ক্ষমা করুন, দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দিন, জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন, জান্নাত নসিব করুন এবং ঈমানের অবস্থায় তাঁর কাছে ফিরে যাওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

🌿 বাস্তব জীবনের প্রশ্ন, চিন্তা ও সমস্যার ইসলামিক সমাধান পেতে আমাদের পেজ Follow করে রাখুন।in sha allah.

©️

বাচ্চাদের আরবি বর্ণমালা শেখানোর জন্য দারুণ একটা বই🌷
20/08/2026

বাচ্চাদের আরবি বর্ণমালা শেখানোর জন্য দারুণ একটা বই🌷

20/08/2026

দুশ্চিন্তা কমিয়ে শান্তি পেতে, প্রোডাক্টিভ হতে নিচের ১০ টা পয়েন্ট outloud পড়ুন --

বিসমিল্লাহ

১. আল্লাহ আমার সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু কখনোই আমাকে দিবেন না।

২. আমার রব সবসময় আমার সাথেই আছেন, এমনকি তিনি আমার ঘাড়ের ধমনীর চেয়েও আমার কাছে।

৩. আমি যা হারিয়ে ফেলেছি, সেটা আল্লাহর হিকমত এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়েছে

৪. আমার দুশ্চিন্তার চেয়েও আল্লাহর ক্ষমতা, রহমত অনেক বড়।

৫. প্রতিটি কঠিন সময়ের আড়ালেও আল্লাহ আমার জন্য সহজ হওয়ার পথ এবং প্রশান্তি রাখেন

৬. আমার মনটা ভেঙ্গে গেলেও আল্লাহ আমাকে আবারো সুন্দরভাবে গড়ে তুলবেন।

৭. আমি খুব শান্ত এবং সেইফ ফিল করছি, কারণ আমার জীবন আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

৮. আল্লাহর কাছে দুআ করে, আল্লাহর সাথে কথা বলে আমি যে কোনও মুহুর্তে পরম শান্তি পাই আলহামদুলিল্লাহ

৯. আমি আজকে আল্লাহর উপর ভরসা করাকেই বেছে নিচ্ছি।

১০. আমার সকল কষ্টের মধ্যেই স্বস্তি আছে।

১১. আমার জন্য যা নির্ধারিত, তা কখনোই আমাকে এড়িয়ে যাবে না।

১২. আল্লাহর স্মরণেই আমার হৃদয় ধীরে ধীরে হালকা হয়, শান্তি পায়।

১৩. আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং চূড়ান্ত ফায়সালা আল্লাহর হাতেই ছেড়ে দিই।

১৪. আজ পর্যন্ত আল্লাহই আমার দেখ-ভাল করে আসছেন দেখেই আমি চলতে পারছি আলহামদুলিল্লাহ।

১৫. আল্লাহর রহমতে একদিন অবশ্যই সব ঠিক হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আমি জান্নাতে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের চেহারা মুবারাক দেখার আশা রাখি যে দৃশ্য দেখে দুনিয়ার সব কষ্ট আমি এক সেকেন্ডেই ভুলে যাবো ইনশাআল্লাহ।

#রাইটিং_থেরাপি
শারিন

উচ্চারন ছাড়া কোরআন মাজীদ খুঁজছেন?বেশ কয়েকদিন ধরে ইনবক্সে সবাই হাফেজি কুরআন চাচ্ছিলেন, তাই আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী স্টকে চ...
18/08/2026

উচ্চারন ছাড়া কোরআন মাজীদ খুঁজছেন?

বেশ কয়েকদিন ধরে ইনবক্সে সবাই হাফেজি কুরআন চাচ্ছিলেন, তাই আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী স্টকে চলে এলো হাফেজি হলি কুরআন!
যারা শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে চান, নিয়মিত তিলাওয়াতকে অভ্যাসে পরিণত করতে চান—
তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার পছন্দ, ইনশাআল্লাহ।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
স্টক সীমিত!!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mariam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share