Sabrine

Sabrine Sabrine — patience, peace & a soft life💛

11/07/2026

ননাস বা ননদের একটা ভালো গুণ বলে যান যেটা খুব ভালো লাগে ☺️☺️

10/07/2026

একবার এক লোক বিশর ইবনে হারিস (রহ.)-কে বলল, 'আমাকে কিছু উপদেশ দিন।' তিনি বললেন, ‘তুমি প্রয়োজনে যিকর কম করো, তাও নিশ্চিত করো তোমার খাবার যেন হালাল হয়।’ (আল-ওয়ারউ, ইবনু আবিদ দুনইয়া, ১২৫)

অথচ আজকাল দপ্তরে বসে থাকা কত মানুষ হাতে তশবীহ নিয়ে ঘুষ খাচ্ছে! সুদ খাচ্ছে! দাড়ি টুপি পরা, হজ্জ করে আসা, আপাতত দৃষ্টিতে মুত্তাকী, দ্বীনদার মনে হওয়া এমন মানুষও এগুলো করে যাচ্ছে অনায়াসে! ভাবছে নফল ইবাদত তাদের এই যু*লুমের দাগ মিটিয়ে দেবে!

আসলে আমাদের অনেকেরই পেটের লাগামহীন চাহিদা হালাল রোজগারে পূরণ হয় না। তখন আমরা আরামের খোঁজে হারামের দিকে ঝুঁকি। এজন্যই বিশর ইবনু হারিস বলেছেন, প্রয়োজনে কম যিকর করো, তাও হালাল খাও। হালালের যে বরকত, তা কোনো নফল ইবাদত করে মেলে না।
শুয়াইব বিন হারব (রহ.) বলেন, 'হালাল পন্থায় উপার্জিত একটি পয়সাকেও তুচ্ছজ্ঞান করো না। কারণ, এই উপার্জনের উদ্দেশ্য শুধুও টাকাকড়িই নয়, বরং আল্লাহর দাসত্ব করাই এখানে আসল উদ্দেশ্য। এই সামান্য হালাল পয়সা দিয়ে যদি কিছু সবজিও কিনে খাও, তা বর্জ্য হয়ে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগেই হয়ত আল্লাহ তাআলা তোমাকে ক্ষমা করে দেবেন।'

[সূত্র : সিফাতুস সাফওয়া, ২/৬২২]

09/07/2026

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, “নিশ্চয় পাপকাজে লিপ্ত হলে তার কারণে:
(১) অন্তরে অন্ধকার সৃষ্টি হয়,
(২) চেহারা কালো হয়,
(৩) শরীর দূর্বল হয়,
(৪) রিযিক কমে যায় এবং
(৫) তার প্রতি মানুষের ঘৃণা তৈরী হয়”।

[মাজমূ ফাতাওয়া শায়খুল ইসলাম ১৫/২৮২]

08/07/2026

অপূর্ণ ইচ্ছাগুলো পূর্ণতা পাওয়ার পরের সকালটা চমৎকার মনে হয়। চারপাশের সমস্ত কিছুকেই তখন ভালো লাগতে শুরু করে, বারবার প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে ইচ্ছা করে। অথচ পরিস্থিতি এর ব্যতিক্রম হলেই এক ভয়ংকর অসহায়ত্ব গিলে নিতে চায় গোটা একটা মানুষকে।

07/07/2026

‎লাইফের কোনো কিছুই কখনো নিশ্চিত না। যে কোনো মুহুর্তে যে কোনো কিছু ঘটতে পারে।অনিশ্চিত এই জীবনের মোড় ঘুড়তে সেকেন্ডের ব্যাপার মাএ।অন্যের চাকচিক্যময় জীবন দেখে আপনাকে আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়েছে সেটাকে উপেক্ষা করা যাবে না।প্রতি মুহুর্তে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্ট থাকতে হবে।আর সোস্যাল মিডিয়া দেখে মানুষকে জাজ করা বন্ধ করতে হবে।এখানে একশো পারসেন্ট মানুষ রিয়েল না।যারা রিয়েল তাদের সংখ্যাটাও খুবই কম।
এই দুনিয়ায় আপনি আপনাকে যত কম ব্যস্ত রাখতে পারেন ততই মঙ্গল। যে যত রিয়েল লাইফে,রিয়েল সম্পর্কে ফোকাস করেছে তার তত শান্তি।

আর ফেইসবুকের এইসব ওভার হাইপ ভালবাসার সম্পর্ক এই সেই দেখে অসম্ভব কল্পনা করে বাস্তবতা ভুলে যাবেন না।যে গুলো সত্যিই ভালবাসার দায়িত্বের ওইগুলো খুব কম মানুষই শো আপ করে। বেঁচে থাকতে হলে আপনার ভালবাসার চেয়ে ভালরাখার মানুষের প্রয়োজন বেশি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালবাসার রোমান্টিসিজম এই পযর্ন্তই।বাস্তবে স্পষ্ট চোখে তাকালেই দেখতে পাবেন,জীবনে মানুষের কত সমস্যা, দুঃখ কষ্ট, না পাওয়া,আহাজারি আর অনিশ্চয়তা,এই গুলো দেখে নিজের মাইন্ডসেট করুন। তাহলে নিজের যা আছে তা নিয়ে শুকরিয়া আদায় করার মন মানসিকতা থাকবে।মোবাইলে কয়েক সেকেন্ডের রিলস এ দেখা বানানো গল্প দেখলে, আর আকাশ কুসুম কল্পনায় ডুবে থাকলে জীবনে সন্তুষ্টি কখনেই মিলবে না।নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্টি থাকলে,তখনই আপনি একজন প্রকৃত সুখী মানুষ হতে পারবেন।

06/07/2026

"দুঃখ লুকিয়ে রাখা গোপনীয়তা বজায় রাখার শামিল; কারণ তা প্রকাশ করলে শত্রু আনন্দিত হয়, এবং ভালবাসার মানুষ (শুভাকাঙ্ক্ষীরা) কষ্টানুভব করে।"

— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সাইদুল খাতের, ১/২৭৪]

06/07/2026

আমাদের জিহ্বা কি আমাদের ধ্বংসের কারণ?👅

আমাদের প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ (সা.) বলছেন, "আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করা আর অন্য কারো ওপর মিথ্যা বলা এক কথা নয়।"

একটু ভেবে দেখুন, আপনি আপনার বন্ধুর নামে একটা বানিয়ে কথা বললেন, সেটা একটা পাপ। কিন্তু আপনি যখন বলেন, "আল্লাহর রাসুল (সা.) এটা বলেছেন" অথচ তিনি তা বলেননি" তখন আপনি আসলে কী করছেন? আপনি দ্বীনের ভেতরে এমন কিছু ঢোকাচ্ছেন যা আল্লাহ নাজিল করেননি। আপনি মানুষের ঈমান নিয়ে খেলছেন!

রাসুল (সা.) বলছেন, যে ব্যক্তি এই কাজটা স্বেচ্ছায় করবে, সে যেন জাহান্নামে তার সিট বুকিং করে নেয়। SubhanAllah!এটা কতটা ভয়ংকর চিন্তা করে দেখেছেন?
📌♦️ধর্মীয় বিষয়ে "আমার মনে হয়" বা "আমি অমুক জায়গায় শুনেছি" বলে কোনো মনগড়া কথা শেয়ার করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই।📌

আবার স্ক্রলিং কালচার এ তাকায়-📺
-----------------------
রাসুলুল্লাহ (সা:)বলেছেন, "কোনো মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে (যাচাই ছাড়া) তাই বলে বেড়ায়।"

আমাদের প্রিয় রাসুল (সা:) কিন্তু বলেননি যে আপনাকে বসে বসে বড় বড় মিথ্যা গল্প বানাতে হবে ; তবেই আপনি মিথ্যাবাদী হবেন।
না!
🌀🌀শুধু আপনার কান আর মুখের মাঝখানের ফিল্টারটা যদি নষ্ট হয়ে যায়, আপনি তাতেই আল্লাহর দরবারে 'মিথ্যাবাদী' হিসেবে সার্টিফাইড হয়ে যাবেন।👂
আজকে আমাদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা টিকটকের দিকে তাকান। একটা চটকদার নিউজ এলো, একটা স্ক্যান্ডাল এলো, একটা ফরোয়ার্ডেড মেসেজ এলো আমরা এক সেকেন্ডও ভাবি না।

🏈আমাদের আঙুল নিশপিশ করে 'শেয়ার' বাটনে চাপ দেওয়ার জন্য। আমরা ভাবি, "আরে সবাই তো দিচ্ছে, আমিও দিলাম!" কিন্তু আপনি কি জানেন? ওই একটা শেয়ারের কারণে যদি সমাজে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, কারো সম্মান নষ্ট হয়, তবে কেয়ামতের দিন ওই পুরো পাপের একটা অংশ আপনার আমলনামায় এসে জমা হবে। কারণ আপনি যাচাই না করে ওটা ছড়িয়েছেন।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) বর্ণিত-তিনি বলেছেন, আপনি যদি একটা সত্য কথাও এমন কোনো মানুষের সামনে বলেন যার সেই কথাটি হজম করার মতো জ্ঞান বা বুদ্ধি নেই, তবে সেই সত্য কথাটাই তার জন্য 'ফিতনা' বা বিভ্রান্তি তৈরি করবে।

অনেকে মনে করে, "আমি তো সত্য কথাই বলছি, কার খারাপ লাগলো তাতে আমার কী?"
♦️♦️না, ভাইয়া! ইসলাম আপনাকে শুধু সত্য বলতে শেখায়নি, সত্যটা কখন, কার সামনে এবং কীভাবে বলতে হবে, সেই প্রজ্ঞাও শেখায়।
আপনি যদি একটা জটিল থিওলজিক্যাল বা ফিলোসফিক্যাল বিষয় নিয়ে একজন সাধারণ মানুষের সামনে তর্ক শুরু করেন, সে হয়তো দ্বীন নিয়েই সন্দেহে পড়ে যাবে। আপনার উদ্দেশ্য ভালো হতে পারে, কিন্তু আপনার পদ্ধতি ভুল। 🛑🛑

তাই আপনাকে বলছি , এরপর থেকে যখনই কোনো খবর শুনবেন, কোনো পোস্ট দেখবেন, বা কারো নামে কোনো কথা আপনার কানে আসবে
⭕থামুন। একটা গভীর শ্বাস নিন। নিজেকে প্রশ্ন করুন:
✅আমি কি এটা নিশ্চিতভাবে জানি?

✅এটা ছড়ালে কি আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের প্রিয় নবীর সুন্নাহর কোনো অপমান হবে?

✅এটা শেয়ার করে কি আমি আল্লাহর কাছে একজন 'মিথ্যাবাদী' হিসেবে দাঁড়াতে চাই?

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের আমাদের জিহ্বাকে এবং আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আঙুলগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার তৌফিক দান করুন।
আমিন

05/07/2026

কদিন আগে আমার এক বন্ধুর মায়ের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো। দুনিয়ার যাবতীয় ফ্রাস্ট্রেশন ঝেড়ে আন্টিকে বললাম "আন্টি, আমার জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য দেন"

উনি বললেন "আল্লাহর কাছে কখনো ধৈর্য চাইবা না। আল্লাহর কাছে তুমি যেটাই চাবা আল্লাহ তোমাকে সেইটাই দিবে। ধৈর্য চাইলে ধৈর্য দিবে, ধৈর্যের পরীক্ষাও নিবে। অনেক কঠিন পরিস্থিতি দিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তোমার ধৈর্য বাড়াবেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করবা আল্লাহ যেন সবকিছু তোমার জন্য সহজ করে দেন"।

আমি কথাটা শুনে খানিক্ষণ চুপ করে ছিলাম যে আসলেই তো। ধৈর্য কেন চাই আমরা আল্লাহর আছে। ধৈর্য মানেই তো কঠিন সময় এক্সেপ্ট করে নেওয়া, অথচ চাইলেই তো আল্লাহ সব সহজ করে দিতেন।

এইটা মনে হয় আমার জীবনে শোনা সুন্দরতম মোটিভেশন। আমি আর আল্লাহর কাছে ধৈর্য চাই না। আল্লাহ যেন আমাকে এমন পরিস্থিতি না দেন যেখানে ধৈর্য লাগে। আল্লাহ আমার জন্য, আমাদের জন্য যেন সবকিছু সহজ করে দেন।c

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabrine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sabrine:

Shortcuts

Share