পারুল - Parul

পারুল - Parul দারুণ সব পোশাক ও গয়না আপনার জন্য সাজিয়ে রেখেছি আমরা!

পারুল আমার মায়ের নাম। পারুল ফুলের মতোই স্নিগ্ধ মিষ্টি ছিল আমার মা।
আমার মায়ের নামেই আমার এই উদ্যোগটি এখন চলবে। জানি না কতদিন কতদূর এগিয়ে যেতে পারব কিন্তু যতদিন উদ্যোগটি থাকবে ততদিন আমার মায়ের নামটিও উজ্জ্বল হয়ে থাকবে আমার এই উদ্যোগের মাধ্যমে।
মায়ের জন্য দোয়াপ্রার্থী।
১২ মাসে ১৩ পার্বণ ছাড়াও আমাদের দেশে উৎসবের শেষ নেই। সব উৎসবে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী সাজসজ্জা নিয়ে আপনাদের সাথে থাকার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।-- পারুল

ধরুন আপনার জ্বর।আপনি কাউকে বললেন আমার জ্বর।সে সাথে সাথে বলবে নাপা খাও।রেস্ট নাও।লেবুর শরবত খাও।ডাক্তারের কাছে যাও।ধরুন আ...
10/08/2026

ধরুন আপনার জ্বর।আপনি কাউকে বললেন আমার জ্বর।সে সাথে সাথে বলবে নাপা খাও।রেস্ট নাও।লেবুর শরবত খাও।
ডাক্তারের কাছে যাও।

ধরুন আপনার পা কেটে গেছে।সাথে সাথেই কেউ বলবে ব্যান্ডেজ করো। ওষুধ লাগাও।

পৃথিবীতে আপনি যখনই যাকে যা বলবেন দেখবেন সাথে সাথে সে আপনাকে পরামর্শ দেবে।

যেখানে চ্যাটজিপিটি জিজ্ঞেস করলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পরামর্শটা সে দিতে পারে,সেখানে মানুষের এইসব বড়ই ক্লিশে লাগে।

মানুষ সবসময় তার কথাগুলো সমাধান পাবার জন্য বলেনা।বলে অন্য মানুষটার উপস্থিতি কিংবা উষ্ণতা অনুভব করবার জন্য।যে শূন্যতা তাকে ঘিরেছে তার থেকে খানিক পরিত্রাণের আশায়।

তাই কেউ যখন কাঁদছে, তাকে তখনই থামানোর দরকার নেই।
কেউ যখন ভেঙে পড়েছে, তাকে তখনই দাঁড় করানোর দরকার নেই।
কেউ যখন নিজের জীবন নিয়ে বিভ্রান্ত, তাকে জীবনের অর্থ বুঝিয়ে দেওয়ার দরকার নেই।
মানুষ নিজের অন্ধকারের মধ্য দিয়ে নিজেকেই খুঁজে নেয়।

সহমর্মিতা মানে কাউকে তার দুঃখ থেকে টেনে বের করে আনা নয়।বরং তার দুঃখের পাশে এতটা নীরবে দাঁড়ানো, যাতে সে বুঝতে পারে এই অন্ধকারে সে একা নয়।

যখন কারো দুনিয়া উজার হয়ে যাচ্ছে তখন তাকে পরামর্শ না দিয়ে বরং নিজের উপস্থিতিটুকু রাখুন।জিজ্ঞেস করুন তার কেমন লাগছে?সে কী চায়?আপনি তার জন্য কি করতে পারেন।
©

রুহের হায় বলে একটা কথা আছে। অন্তর থেকে বদদোয়া আসা যে ব্যাপারটা। এটা ভয়াবহ। ধরেন আপনার সাথে কেউ এমন ব্যবহার করলো, যার কার...
09/08/2026

রুহের হায় বলে একটা কথা আছে। অন্তর থেকে বদদোয়া আসা যে ব্যাপারটা। এটা ভয়াবহ। ধরেন আপনার সাথে কেউ এমন ব্যবহার করলো, যার কারণ আপনার রুহ কেঁপে উঠল দুঃখে। আপনি হয়তো হাসিমুখে তাকে মাফ করে দিলেন। আপনি মাফ করে দেয়ায় আল্লাহ আপনার উপর খুশি হবে।

কিন্তু সে যে আপনার রুহ কাঁপিয়ে দেয়ার মতো ব্যবহার করল, এজন্য সে ধরা খাবে। খাবেই। এটা কোনো মিস নাই। হয় সে এই দুনিয়াতেই সেইম ব্যবহারটা পাবে, তার রুহ কাঁপবে, চোখ দিয়ে পানি বের হবে। নয়তো আখিরাতে মুঙ্গুর দুইটা বেশি খাবে।

মজার বিষয় হচ্ছে দুইখানেই ধরা খাবে।
নবী এবং সাহাবীরা কখনই মানুষকে কথা দিয়ে কাউকে কষ্ট দেয় নাই। কাউকে বলে নাই, তুমি কালো, খাটো, মোটা, এতিম বা এমন ব্যবহার করে নাই যার জন্য একজন মানুষের রুহ কাঁইপা উঠে।

এই বিষয়টা থেকে আমাদের সাবধান থাকা উচিত। এগুলো ভয়াবহ ব্যাপার 🤍

--
কালেক্টেড

আজকে একটা ভীষণ সুন্দর দিবস। সেটি হলো Wear Your Mother’s Jewelry Day।অর্থাৎ মায়ের গয়না পরার দিন আজ। আমার মা আমার কাছে নাই...
08/08/2026

আজকে একটা ভীষণ সুন্দর দিবস। সেটি হলো Wear Your Mother’s Jewelry Day।
অর্থাৎ মায়ের গয়না পরার দিন আজ।

আমার মা আমার কাছে নাই। মায়ের কোনো গয়নাও আমার কাছে নাই।
আমার কাছে মায়ের কিছুই নাই শুধু আমি ছাড়া৷

তোমরা আজ মায়ের গয়না পরো।
পারলে আজই মাকে গয়না এনে দাও যাতে সেই গয়না পরে নিজেরাও পরতে পারো৷
মাকে নিয়ে এই সুন্দর দিন উদযাপন করো।

ঝড়-বৃষ্টি। প্রকৃতিতে.. জীবনেও... ঝড়-বৃষ্টিতে কি জীবন থেমে থাকে?আমরা সবকিছু নিয়েই এগিয়ে যাই। লড়াই করে যাই সব ঝড় তুফানের ব...
14/07/2026

ঝড়-বৃষ্টি। প্রকৃতিতে.. জীবনেও...
ঝড়-বৃষ্টিতে কি জীবন থেমে থাকে?
আমরা সবকিছু নিয়েই এগিয়ে যাই।
লড়াই করে যাই সব ঝড় তুফানের বিরুদ্ধে।
জীবন চলুক জীবনের গতিতে.... আর এই চলার পথে সঙ্গী হয়ে যান আমাদের। পারুল - Parul গ্রুপে যুক্ত যান সবাই।

কি সুন্দর!! ইরানের পথে পথে...
19/05/2026

কি সুন্দর!!
ইরানের পথে পথে...

মেয়েদের জীবনে একটা কঠিন সত্য আছে, যা তারা অনেক সময় খুব দেরিতে বুঝতে পারে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য কেউ আপনাকে কোনো পুর...
19/05/2026

মেয়েদের জীবনে একটা কঠিন সত্য আছে, যা তারা অনেক সময় খুব দেরিতে বুঝতে পারে। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য কেউ আপনাকে কোনো পুরস্কার দেবে না।

একটা ঝকঝকে রান্নাঘরের জন্য কেউ হাততালি দেবে না। বছরের পর বছর নীরবে সবার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার জন্য কেউ স্মৃতিস্তম্ভ বানাবে না। সবাইকে ভালো রাখতে গিয়ে নিজেকে ভুলে যাওয়ার জন্যও কোনো মেডেল নেই।

আপনাকে সবসময় নিখুঁত মা হতে হবে না। এমন স্ত্রীও হতে হবে না, যে কখনো ক্লান্ত হয় না। এমন কর্মীও হতে হবে না, যে ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লেও মুখে হাসি ধরে রাখে। আর এমন বন্ধুও হতে হবে না, যে নিজের কষ্ট চেপে রেখে শুধু অন্যের গল্প শুনে যায়।

আমরা “শক্তিশালী নারী” বলতে যে ছবিটা কল্পনা করি, দূর থেকে সেটা খুব সুন্দর লাগে। কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, সে হয়তো অনেক রাত ঠিকমতো ঘুমায়নি, নিজের জন্য অনেক দিন কিছু কেনেনি, এমনকি “আমি আসলে কী চাই?”— এই প্রশ্নটাও করা ছেড়ে দিয়েছে।

কারণ তার জীবনে সবকিছুই যেন এক একটা দায়িত্ব। রান্না করতে হবে।
ঘর গুছাতে হবে। সবার খোঁজ রাখতে হবে। সবকিছু সহ্য করতেই হবে।

তারপর একদিন শরীর আর মন একসাথে বলে ওঠে, “আর না।”

আর তখন থামতে চাইলেও সহজে থামা যায় না। তাই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার আগেই একটু থামুন। সবকিছু ভেঙে পড়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না।

একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকেই চিনতে না পারার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

সিন্কে থালা পড়ে থাকুক কিছুক্ষণ। জামাকাপড় পরে ভাঁজ করলেও পৃথিবী থেমে যাবে না। একদিন নিজের জন্য সময় বের করুন।
এক কাপ কফি খান একা একা। নিজের জন্য ফুল কিনুন, কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই। যে পোশাকটা “ভালো দিনের” জন্য তুলে রেখেছেন, আজই পরে ফেলুন। কারণ আপনি আজ বেঁচে আছেন, এর চেয়ে বড় বিশেষ দিন আর কী হতে পারে?

কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে যান নিজের কাছেই। ঘুমান। কোনো অপরাধবোধ ছাড়া শান্তিতে ঘুমান।

কারণ একদিন সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের জীবনে ব্যস্ত হয়ে যাবে। মানুষ আসবে, আবার চলে যাবে। বন্ধুত্ব বদলে যাবে। অফিসও খুব দ্রুত আপনার জায়গায় অন্য কাউকে বসিয়ে দেবে।

কিন্তু এই জীবনে আপনি নিজেকে একবারই পাবেন।

তাই বছরের পর বছর অন্যের কাপে ভালোবাসা ঢেলে দেওয়ার পর, এবার নিজের কাপেও একটু ভালোবাসা ঢালুন।

কোনো একদিন নয়। সব দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরে নয়। সময় “ভালো” হলে নয়।

আজই। এখনই।

কারণ আপনি কোনো মেশিন নন। কোনো রোবট নন। আপনি একজন মানুষ, যার ক্লান্ত হওয়ার অধিকার আছে, বিশ্রামের প্রয়োজন আছে, ভালোবাসা পাওয়ার প্রয়োজন আছে।

নিজেকে আবার খুঁজে পাওয়ার অধিকারও আপনার আছে।



pic: kaium

শাড়িতে নারী... এর চেয়ে সুন্দর কিছু মনে হয় নাই..এমন কিছু শাড়ি নিয়ে আসছি যেগুলো যারা শাড়ি পছন্দ করেন তাদের কালেকশনে থাকা ম...
13/05/2026

শাড়িতে নারী...
এর চেয়ে সুন্দর কিছু মনে হয় নাই..
এমন কিছু শাড়ি নিয়ে আসছি যেগুলো যারা শাড়ি পছন্দ করেন তাদের কালেকশনে থাকা মাস্ট..
জলদি জলদি নিয়ে নেন.. নাইলে কিন্তু বিশাল মিস!!

কোন ছেলেকে বিয়ে করতে গেলে তার মায়ের লাইফস্টাইল দেখুন। সুখী, প্রফুল্ল মায়ের ছেলেকে বিয়ে করুন। সারাজীবন দুঃখী, ভিক্টিম রোল...
09/05/2026

কোন ছেলেকে বিয়ে করতে গেলে তার মায়ের লাইফস্টাইল দেখুন।

সুখী, প্রফুল্ল মায়ের ছেলেকে বিয়ে করুন।

সারাজীবন দুঃখী, ভিক্টিম রোল প্লে করা, কান্না করতে থাকা, অপমান সহ্য করে ছেলে মেয়েকে অভিযোগ করতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করা মানে নিজের জন্য ঠিক তেমন জীবনই ডেকে আনা।

"মেয়েদের জীবনটাই এমন, মেয়ে মানুষের আর কিসের শখ আহ্লাদ" বলতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করবেন না।

সুখী,আহ্লাদী, সাজুনি, প্রতিবাদি, স্বামী সোহাগি... মায়ের ছেলে বিয়ে করুন...নিজেও এমন লাইফ পাবেন।

পুরুষ জীবনের প্রথম নারীজীবনের স্বকীয়তা উপলব্ধি করে নিজের মাকে দিয়ে। মায়ের বৈশিষ্টকেই নারীর বৈশিষ্ট ধরে বেড়ে উঠে।

মাকে ভিক্টিম হতে দেখে বড় হওয়া ছেলে ধরেই নেয় নারী জীবন মানেই ভিক্টিম হওয়া! মেয়েদের লাইফই অপমানিত, লাঞ্চিত, বঞ্চিত হওয়া!

তার মায়ের জন্য ছোটবেলায় কষ্ট হলেও বড় হতে হতে এটাই তার কাছেও স্বাভাবিক হয়ে যায় যে মেয়েদের জীবনই এমন!!
নারী মানেই মমতাময়ী। মমতা যে নারীকেও প্রভাইড করতে হয় সেটা সে শেখে না!

তার চেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো ওই ছেলেটা ধরেই নেই যৌবনে, সংসার জীবনে কষ্ট, অপমান, লাঞ্চনা পেতে হয়। এইসব সহ্য করে ছেলে সন্তানের জন্ম দিতে হয়। তারপর এই ছেলে সন্তান বড় হয়ে তার জনমদুখিনী মাকে সুখী অনুভব করাতে মাকে সাথে নিয়ে আবার আরেকটা মেয়েকে ঠিক তেমন কষ্টেই রাখতে হবে যেমনটা তার মাকে সারাজীবন পেতে দেখে এসেছে!!

তার মা ছোটবেলা থেকেই তাকে বলে এবং বুঝিয়ে এসেছে সব সহ্য করছি তোদের জন্য। তোরা বড় হয়ে আমাকে উজাড় করে দিবি সব সেই স্বপ্নে!

ছেলের ডেস্টিনেশনই হয় মায়ের সারাজীবনের দুঃখ কষ্টকে যে কোন মূল্যে বার্ধক্যে এসে পুষিয়ে দেয়া। তাকে যে মা সন্তানের বাইরেও আরও অনেকগুলো সম্পর্কের দায়িত্ব নিতে হবে, আরও কিছু সম্পর্কও মেইনটেইন করতে হবে, আরও কিছু মানুষের সাথেও সুখ আর ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী করতে হবে সেটা সে বোঝেই না কখনও।

প্রতিটি সম্পর্কের যা আলাদা অবস্থান থাকে সেটা সে শেখে বড় হয় না।

সারাজীবন দুঃখী মাকে দেখে বড় হয়ে সুখী,খুশি, আহ্লাদী,প্রতিবাদী স্ত্রীকে সে নারীসুলভ মনে করে না। কল্পনায় নারী বলতে যেমন বোঝে তেমনটার সাথে স্ত্রীর মিল না পেলেই স্ত্রী হয়ে যাবে অসভ্য!!!

যে ছেলে মাকে সারাজীবন খুশী, প্রফুল্ল, প্রতিবাদী, স্বামী আহ্লাদী, সংসারে মূল্যবান দেখে বড় হয়েছে সে তার কল্পনায় নারী, স্ত্রী বলতে এমনটাই ভেবে বড় হবে। সে তার স্ত্রীকেও সেভাবেই ট্রিট করবে। নিজের স্ত্রীকেও সুখী, খুশি আর প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবে। "মেয়েদের জীবনটাই এমন" টাইপ মানসিকতা তার থাকবে না।

যে ছেলের মায়ের লাইফস্টাইল যত উন্নত সে ছেলের মানসিকতা তত উন্নত। রানী টাইপ মায়ের ছেলে তার বউকেও রানী করেই রাখে। মা যদি স্বভাবগত কারনে ছেলের সংসারে বেশি রাজত্ব করতেও আসে... স্মার্ট ছেলে মা আর বউকে ব্যালেন্স করতে সক্ষম হয়! কারন স্মার্ট মায়ের ছেলেও স্মার্টই হয় 🙂

‘আপা, মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে, আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?’---আমার...
09/05/2026

‘আপা, মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে, আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?’
---
আমার বাসায় যে সাহায্যকারী আপা কাজ করতেন উনি আমার থেকে হয়তো বয়সে সামান্য বড়। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে করে ১৪/১৫ বছরের মেয়ের মা। মহিলা বেশ শৌখিন,কখনোই ময়লা অগোছালো জামা কাপড় পড়ে আসতেন না। কাজও অনেক পরিপাটি।

প্রায়ই বলতেন, মেয়েদের পড়াশোনার খরচের জন্য বেশি কাজ করেন। মেয়েগুলো যেন পড়াশোনা করে তারজন্য বেশ কষ্ট করতেন। মেয়েদের সাধ্যের মধ্যে সুন্দর করে রাখতেন। সব সময় বলতেন আপা আমার মাইয়াগো কেউ বুয়ার মাইয়া বলতে পারে না।

যাই হোক সংগদোষ,পরিবেশ বলে একটা কথা আছে। একদিন শুনি সেই মেয়ে হুট করে এক হেল্পারের সাথে পালিয়ে গিয়েছে। বাসায় ফিরে দেখি আপা কাজ না করে চুপ করে বসে আছে।

জিজ্ঞেস করলে নরমালিই বললো যে মেয়ে পালিয়েছে। কোন আফসোস করলো না,কান্নাকাটি করলো না,শাপ শাপান্ত করলো না। জাস্ট চোখের পানি মুছে এইটুক বললো- আপা মাইয়ারে চাইসি ম্যাডাম বানাইতে,আমার মাইয়া চাইছে বান্দি হইতে। কেউ বান্দি হইতে চাইলে আপনি কি ঠেকাইতে পারবেন?

অশিক্ষিত একটা মহিলা,বাসাবাড়িতে কাজ করে কিন্তু কি গভীর একটা উপলব্ধি! কেউ নিজে শখ করে বান্দি হতে চাইলে তাকে কোনদিন সিংহাসনে তোলা যায় না। যতই তাকে ভালো কিছু দিতে চাওয়া হোক,সেই মানুষ নর্দমাতেই মুখ দিবে।

ইদানীং কিছু মেয়েদের দেখলে আমার এই কথাটা মনে হয়। এরা কেন যেন যেচে বান্দি হতে চায়!

বিদ্র: এখানে বান্দি বলতে ঘরের কাজ বোঝাই নাই,কোয়ালিটি অফ লাইফ বুঝিয়েছি। ঢাল তলোয়ার নিয়ে আসার দরকার নাই।

© Renew Me

একবার একজন আপু বলছিলেন, উনার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর ছেলের পরিবার আর ছেলের সাথে উনি বিয়ের গয়না কিনতে গিয়েছিলেন। ওখানে গয়না দেখ...
08/05/2026

একবার একজন আপু বলছিলেন, উনার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর ছেলের পরিবার আর ছেলের সাথে উনি বিয়ের গয়না কিনতে গিয়েছিলেন।

ওখানে গয়না দেখতে দেখতে হবু জামাই দোকানদারের সাথে কথা বলতে বলতে একটা জোক্স করেছিলো। খুব সম্ভব "পকেট ভর্তি টাকা থাকলে আর বউকে শরীর ভর্তি গয়না দিতে পারলে কোন মেয়েকে লাথি দিলেও সংসার ছেড়ে যাবে না" - এই টাইপের কিছু একটা, আমার এক্স্যাক্ট জোক্সটা মনে নাই।

সেই আপু বাসায় ফিরে দরজা দিয়ে ঢুকেই বলেছিলেন উনি এই বিয়ে করবেন না।

এত 'ভালো' (মানে সম্পদশালী!) ছেলে আর পাওয়া যাবে না, কী না কী বলেছে দোকানদারকে ফাইজলামি করতে গিয়ে - তা এত সিরিয়াসলি নেয়ার কী আছে, মেয়েদের এত দেমাগ থাকা ভালো না - এই সেই দুনিয়ার এমন কোন ধমকা ধমকি নাই যা ঐ আপুকে উনার পরিবার করেনি।

উনার বাবা এমনকি হার্ট এটাক্‌ হওয়ার ভান করেছিলেন!

কিন্তু ঐ আপু ঐ বিয়ে করবেন না তো নাইই। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো- ঐ আপুর বড়ভাই ঐ সময় উনার সাথে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বড়ভাই ঢাল হয়ে থাকাতে সেই বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন ঐ আপু।

মেয়েরা, যদি চান পুরুষদের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে না যাক, যদি ব্যক্তি জীবনে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চান, তাহলে শুধুমাত্র এমন পুরুষদেরকেই আপনার লাইফে থাকার অনুমতি আর স্কোপ দিন যারা মেয়েদের ডিগনিটিকে শ্রদ্ধা করে।

কোনো পুরুষ মানুষ আসলে কেমন, তা বুঝতে খেয়াল করুন সে তার আশেপাশের নারীদের সাথে কী ধরণের ব্যবহার করে, কীভাবে কথা বলে।

মেয়েদেরকে নিয়ে সে কী ধরণের জোক্স করে।

বিশেষ করে কারো সাথে বিয়ে ঠিক হলে খুব খুব ভালো করে খেয়াল করুন - পরিচিত বা অপরিচিত মেয়েদের সাথে তার কথাবার্তা কেমন। ব্যবহার কেমন।

তার নিজের মা- বোনকে সে শ্রদ্ধা করে কিনা। যে ছেলে নিজের আশেপাশের মেয়েদেরকে শ্রদ্ধা করে না, সে ছেলে আপনার জন্য যদি ভালবেসে দিওয়ানাও হয়ে যায়, সোওওওওজা উল্টা দিকে দৌঁড় দিন! ভুলেও সে ছেলের দিকে ফিরে তাকাবেন না।

মেয়েদেরকে নিয়ে যে ছেলে অশ্রদ্ধামূলক জোক্স করে, সেক্সিষ্ট জোক্স করে, সেই ছেলে কোনোদিন আপনাকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে পারবে না।

শুরুতে যে আপুর কথা বললাম, উনার ঘটনা এখনো শেষ হয়নি। বাকীটুকু বলি।

তো সে আপুর অন্য জায়গায় বিয়ে হয়েছে। কয়েক বছর পর উনারা মালয়েশিয়া গিয়েছেন ঘুরতে। ওখানে গিয়ে সেই লোকটার সাথে দেখা, যার সাথে আপু বিয়ে করতে অস্বীকার করেছিলেন!

আপুর জামাইয়ের সামনেই সেই লোক এসে জিজ্ঞেস করলো আপু কেনো উনাকে বিয়ে করতে মানা করেছিলেন!

আপু যখন সেই গয়নার দোকানের সেলসম্যানের সাথে উনার ঐ জোক্সের কথা বললেন, তখন লোকটা ভীষণ অবাক হয়ে বললো - ঐ জোক্সে উনি খারাপ কী বলেছেন?!
আপুর জামাই এতক্ষণ চুপ ছিলো।
কিন্তু লোকটা যখন উল্টা জেরা করা শুরু করলো ঐ জোক্সে ভুল কী বলেছে, তখন আপুর জামাই আপুর সামনে এসে আপুকে আড়াল করে লোকটাকে বলেছে- "ভাই, আপনি এই যে বুঝতে পারছেন না আপনার ঐ কথায় ভুল কী আছে, এটাই আপনাকে বিয়ে না করার জন্য যথেষ্ঠ!"

তো, যে কথা বলতে এত কথা বলা- যখন ধর্মের কথা আসবে, একটা বেইস লাইন মনে রাখবেন প্লীজ - আল্লাহ'র সামনে ছেলে হোক বা মেয়ে, মানুষ হিসেবে আপনার মর্যাদা সমান। আপনার ডিগনিটিও সমান।

এবার পৃথিবীর যত বড় ধর্মীয় স্কলার আসুক, দায়ী আসুক, ওয়ায়েজ আসুক, যেইই আসুক, যখনই দেখবেন ঐ লোক বা মহিলা ধর্মের নাম দিয়ে এমন কথা বলছে যা আপনার ডিগনিটিতে আঘাত করছে-
সোওওওওওজা উল্টা দিকে দৌঁড়ান!
এমনভাবে দৌঁড়াবেন যেন আপনি উল্কা!
ভুলেও পিছন ফিরে তাকাবেন না।
উর্ধ্বশ্বাসে উল্টাদিকে জানপ্রান বাজি রেখে দৌঁড় দিবেন।

আল্লাহ্‌ আপনাকে মানুষ হিসেবে যে সম্মান আর মর্যাদা দিয়েছে, পৃথিবীর কাউকে সে সম্মান আর মর্যাদার সাথে কম্প্রোমাইজ করার সুযোগ দিবেন না। কাউকে না।
©

Address

Dhaka

Telephone

01676984188

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পারুল - Parul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to পারুল - Parul:

Shortcuts

Share

Category