02/04/2026
কাস্টমারদের আস্থার মূল্য দিতে গিয়ে ঈদ এর আগে দেওয়া পার্সেলে প্রায় ৬ লক্ষ টাকারও বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে 🫡
অনলাইন ব্যবসা বাইরে থেকে যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে কিন্তু ততটা নয়—বরং প্রতিদিনই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।
প্রতিদিন অনেক অর্ডার আসে, প্রতিটা অর্ডারের সাথে থাকে একটা বিশ্বাস—কাস্টমার প্রোডাক্ট পেয়ে সন্তুষ্ট হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সব সময় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয় না।
📦 প্রায়ই যে সমস্যাগুলো দেখা যায়ঃ
✔️ অর্ডার করার পর ফোনে যোগাযোগ না থাকা
✔️ কখনো নেবো, কখনো নেবো না—এভাবে বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন
✔️ ডেলিভারির সময় ফোন বন্ধ বা ব্লক করে দেওয়া
✔️ ইচ্ছা করে পার্সেল রিটার্ন করা
এর প্রভাব কী হয়?
❌ ডেলিভারি ও রিটার্ন—দুই দিকেই কুরিয়ার খরচ
❌ প্রোডাক্ট নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা
❌ সময়, শ্রম এবং ব্যবসার ক্যাশফ্লোতে বড় ধাক্কা
একটা অর্ডার কখনোই শুধু “একটা পার্সেল” নয়—
এর সাথে জড়িয়ে থাকে প্যাকেজিং খরচ, টিমের পরিশ্রম, বিজ্ঞাপনের খরচ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—বিশ্বাস।
🙏 তাই বিনীত অনুরোধ সকল কাস্টমারের কাছে—
যদি প্রোডাক্ট নেওয়ার ইচ্ছা না থাকে, দয়া করে অর্ডার করবেন না।
আর যদি অর্ডার করেন, তাহলে অন্তত ফোন রিসিভ করে সঠিক সিদ্ধান্ত জানান।
👉 আপনার সামান্য দায়িত্বশীলতা একজন উদ্যোক্তার বড় ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করতে পারে।