09/07/2025
আমেরিকা যদি আগামী মাসে আমাদের তৈরি পোশাকে ৩৫% ট্যারিফ বসায়,তাহলে সেটি আমাদের জন্য কেবল অর্থনৈতিক চাপ নয়—এটি আমাদের আত্মসমালোচনার একটা সুযোগও বটে।কারণ বাস্তবতা হলো,আজকের গ্লোবাল মার্কেট কেবল সস্তা পোশাক খুঁজছে না,খুঁজছে দক্ষতা,ডেলিভারি ও ডাটা।
অথচ এখনো বাংলাদেশের প্রায় 50% গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি efficiency বোঝে না,70% ফ্যাক্টরিতে cut-to-ship efficiency রিপোর্টই হয় না।
লাইন ব্যালেন্সিং,DHU,SMV,Material Loss—এসব শব্দ অনেক factory-তে এখনো অপরিচিত।
অনেক ক্ষেত্রে decision-making হয় অভিজ্ঞতা ও অনুমানের ওপর কারণ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অনেকেই এখনো অর্ধশিক্ষিত—তাদের হাতে নেই আধুনিক প্রডাকশন ম্যানেজমেন্টের জ্ঞান বা ডাটা-ভিত্তিক নেতৃত্বের দক্ষতা।
এই অবস্থায় শুধু buyer-এর ওপর নির্ভর করে থাকা আমাদের জন্য আত্মঘাতী হবে।এখন দরকার factory গুলোর ভিতরে পরিবর্তন আনা।
Production-কে Data Driven করতে হবে, mid-management-কে প্রশিক্ষিত করতে হবে,IE ও Lean চিন্তা চর্চা করতে হবে আর efficiency, finishing,quality এবং material saving–এ গুরুত্ব দিতে হবে।
যারা আজো বলে “স্যার, ২০০ পিস হইছে”,তাদের বুঝাতে হবে—‘পিস’ দিয়ে নয়,‘পারফরম্যান্স’ দিয়ে ভবিষ্যত গড়া যায়।
ট্যারিফ যুদ্ধ হয়তো আমরা জিততে পারবো না কিন্তু নিজের ঘরে শৃঙ্খলা এনে ৪৫% efficiency থেকে ৬০% efficiency তে পৌঁছাতে পারলে,আমরা নিজেরাই নিজেদের বিজয়ী করে তুলতে পারি।
বিশ্ব চাহিদা বাড়ছে,পোশাক তৈরি করতে হবে—প্রশ্ন হলো,বাংলাদেশ কি তৈরি?
আমি বিশ্বাস করি—বাংলাদেশ পারবে যদি আমরা এখনই নিজের ঘরের ভিতর যুদ্ধটা জিতে নিতে পারি।