20/03/2025
আসসালামু আলাইকুম।
আমার নাম আব্দুর রহমান (শাকিল)। আমি ২০২২ সালে আমি জাপানে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করতে আসি। বর্তমানে তিন বছর চলমান, এদেশে আসার পরে আল্লাহ তায়ালা আমাকে অনেক কিছু দেখার, বোঝার ও শোনার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে আমি অসংখ্য শুকরিয়া জানাই আমি জানি বাংলাদেশের হাজারো ছাত্র-ছাত্রীদের স্বপ্ন দেশের বাইরে পড়াশোনা করার।
অনেকের ইচ্ছা থাকলেও সে সুযোগ হয়ে ওঠে না। কারো তথ্যের অভাবে, কেউ আবার দেশের বাইরে কিভাবে যাবে কোন সাপোর্ট না থাকার কারণে আরো অনেক ধরনের বাধা-বিপত্তি থাকার কারণে, উন্নত দেশে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও আর পড়া হয়ে উঠে না। তাই, আমার দেশের ভাই বোনদের আমার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব তথ্য দিয়ে প্রয়োজনে নিজে সময় দিয়ে তাদেরকে সাহায্য করব ইনশাল্লাহ।
এখন আসি মূল কথায়, এদেশে আসার পরে দেখেছে বিশেষ করে নেপাল, ভিয়েতনাম, ফিলিফাইন, চায়না ও রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশের মানুষরা এসে পড়াশোনা শেষ করে নিজেদের একটা সুন্দর লাইফ স্টাইল তৈরি করেছে। এবং আমাদের বাংলাদেশীরা চেষ্টা করতেছে একটা মুসলিম কমিউনিটি তৈরি করতে। আমি মনে করি এটাই সুযোগ দেশের যে ছেলেমেয়েরা বিদেশে পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন।
তারা জাপানকে চয়েস করাটা ভুল হবেনা প্রথমত এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ইনশাল্লাহ অচিরে জাপানে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে। তাই এই ইসলাম সূচনাতেই যদি আমরা থাকতে পারি তাহলে সেটা মহান রাব্বুল আলামিনের দয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। দুনিয়াতে আপনি আপনার পড়াশোনা করার জন্য বা নিজের ভরণ পোষণ বহন করার জন্য অনেক কিছু করতে পারেন।
এবং বিদেশে পড়াশোনা করে আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যার সব টাকা আপনি খরচ করতেও পারবেন না। কিন্তু, যদি ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আপনার সুযোগ হয় তাহলে কতই না শান্তি পাওয়া যায়। এর জন্য প্রথম দরকার ধৈর্য আর সংকল্প। আর তা যদি থাকে তাহলে ইনশাল্লাহ আমরা একসাথে অনেক বড় একটা কমিউনিটি তৈরি করতে পারবো।
সেই চিন্তাভাবনায় আপনাকে সকল ধরনের ইনফরমেশন কিংবা গাইডলাইনস দিতে আমি প্রস্তুত আছি। আপনি কি আপনার ধৈর্য এবং সংকল্প নিয়ে প্রস্তুত আছেন?