Deeni Libas

Deeni Libas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deeni Libas, Clothing (Brand), HOUSE NO. #473, WEST Ashrafabad Main Road, Kamrangirchar, Dhaka.

দ্বীনি লিবাস একটি ইসলামিক ব্লগ ও অনলাইন শপ, যেখানে আপনি পাবেন ইসলামিক জীবনধারা এবং শালীন ও মানসম্পন্ন ইসলামিক ড্রেস। আমাদের ড্রেস কালেকশন আপনার বিশ্বাস ও শালীনতাকে সম্মান জানিয়ে তৈরি করা। দ্বীনি লিবাস একটি ইসলামিক ব্লগ এবং অনলাইন শপ, যা ইসলামের মূল্যবোধ, নীতি, এবং শিক্ষা প্রচার করার পাশাপাশি, মুসলিমদের জন্য শালীন, মার্জিত ও মানসম্পন্ন ইসলামিক ড্রেস সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হল ইসলামী জীবনধারা এবং

শালীনতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে এমন পোশাকের ব্যবস্থা করা, যা আপনাকে আপনার বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে সাহায্য করবে।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা যা মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে, পোশাক, আচার-ব্যবহার, খাদ্য, এবং সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেয়। ইসলামের মধ্যে শালীনতা এবং পবিত্রতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, এবং মুসলিমদের জন্য পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এই শালীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীনি লিবাসে, আমরা বিশ্বাস করি যে একজন মুসলিমের পোশাক কেবলমাত্র শালীনতার প্রতীক নয়, বরং এটি তাঁর বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের পরিচায়ক। আমাদের প্রতিটি পোশাক সংগ্রহ ইসলামী নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং আপনার আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শালীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডিজাইন করা ।

হিজাব, আবায়া, জামা, স্কার্ফ, লং ড্রেস এবং অন্যান্য পোশাক যা আপনাকে আধুনিক এবং ইসলামিক শালীনতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে সহায়তা করবে।

দ্বীনি লিবাসের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র ইসলামিক পোশাক বিক্রি করা নয়, বরং মুসলিমদের মধ্যে ইসলামিক পোশাকের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে শালীনতা ও আত্মসম্মান বাড়ানো। আমরা বিশ্বাস করি যে, যখন একজন মুসলিম সঠিকভাবে, শালীনভাবে এবং ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী পোশাক পরিধান করেন, তখন এটি শুধু তাঁর নিজের জন্য নয়, বরং তার চারপাশের সমাজের জন্যও একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই আমাদের পোশাকের মাধ্যমে আপনি ইসলামের শিক্ষা ও নীতিমালাকে আরও ভালোভাবে অনুশীলন করতে পারেন।

কেন দ্বীনি লিবাস?
>>> ভালোমানের কাপড়: আমাদের পোশাকগুলোর মান অত্যন্ত উচ্চ, যাতে আপনি আরামদায়ক অনুভব করতে পারেন।
>>> ইসলামী নীতির প্রতি শ্রদ্ধা: সব পোশাকই ইসলামী শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
>>> শালীনতা ও সৌন্দর্য: আমাদের ড্রেস কালেকশন আপনার ব্যক্তিগত শালীনতা এবং সৌন্দর্যকে সম্মান জানিয়ে ডিজাইন করা হয়।
>>> অফার ও ডিসকাউন্ট: নিয়মিত বিশেষ অফার এবং ডিসকাউন্টের সুযোগ।

দ্বীনি লিবাসে আমরা বিশ্বাস করি, পোশাক শুধুমাত্র একটি বাহ্যিক বিষয় নয়, এটি একজন মানুষের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক অবস্থান এবং বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমাদের লক্ষ্য হল, প্রতিটি মুসলিম নারী ও পুরুষের জন্য এমন পোশাক সরবরাহ করা যা তাদের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাদের জীবনধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। দ্বীনি লিবাসের পোশাক পরিধান করে আপনি যেমন শালীনতা এবং সৌন্দর্য পেতে পারেন, তেমনি ইসলামের প্রতি আপনার আনুগত্যও প্রকাশিত হয়।

যেখানে আপনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন, সেখানে চিন্তিত হওয়ার কোনো মানে হয় না। প্রার্থনা হল আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা...
25/01/2025

যেখানে আপনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন, সেখানে চিন্তিত হওয়ার কোনো মানে হয় না। প্রার্থনা হল আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাসের প্রতীক। যখন আমরা তাঁর কাছে কিছু চাই, তখন আমাদের শুধুমাত্র তাঁর সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখতে হবে। আল্লাহ জানেন আমাদের প্রয়োজন এবং তিনি আমাদের জন্য যা সেরা, তা দেন। তাই, প্রার্থনা করার পর চিন্তা করা বা উদ্বিগ্ন হওয়া একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। একমাত্র ধৈর্য প্রয়োজন—কারণ আল্লাহ কখনোই তাঁর বান্দাদের উপকার থেকে বিরত থাকেন না। আমাদের উচিত প্রার্থনা করার পর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস রাখা যে আল্লাহ আমাদের জন্য সবথেকে ভালো কিছু পরিকল্পনা করেছেন। আমাদের কাজ শুধু ধৈর্য ধারণ করা, কারণ আল্লাহর রহমত সবকিছুতে সময়মতো আসে।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "কসম কাটলে অধিক মাল বিক্রিতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু তা উপার্জনে...
20/01/2025

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "কসম কাটলে অধিক মাল বিক্রিতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু তা উপার্জনে বরকত দূর করে দেয়।" (নাসায়ী ৪৪৬১, ৪১৫৫)। এই হাদিসটি আমাদেরকে সতর্ক করে যে, কসম বা মিথ্যা শপথ দিয়ে ব্যবসা বা বাণিজ্যে লাভ অর্জন করা একদম নিষিদ্ধ। যদিও কসম কিছুক্ষণের জন্য মাল-বিক্রিতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এতে বরকত থাকে না। অর্থাৎ, ঐ উপার্জন টিকসই বা শান্তির হতে পারে না। বরং, আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা অনুচিত। ব্যবসা বা আয় উপার্জন করার ক্ষেত্রে সৎ উপায় ও হালাল রোজগার গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের শেখান যে, উপার্জন শুধু আল্লাহর হুকুম ও সম্মানের সাথে হতে হবে। তাই, সৎ পথে উপার্জন করা আমাদের জীবনে শান্তি ও বরকত নিয়ে আসবে।

18/01/2025
কবরের যে বিষয়কে সাহাবিরা বেশি ভয় করতেন....কবরজীবনের সূচনা হয় মৃত্যুর মাধ্যমে। শুরু হয় ওপারের অনন্ত জীবন। মৃত্যু যেকোনো ম...
15/01/2025

কবরের যে বিষয়কে সাহাবিরা বেশি ভয় করতেন....

কবরজীবনের সূচনা হয় মৃত্যুর মাধ্যমে। শুরু হয় ওপারের অনন্ত জীবন। মৃত্যু যেকোনো মুহূর্তেই আসতে পারে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘কেউ জানে না সে আগামীকাল কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না তার মৃত্যু কোথায় ঘটবে।

’ (সুরা : লুকমান, আয়াত : ৩৪)
আল্লামা ইবনে রজব (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘মানুষসহ প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি মুহূর্তই যেন তার মৃত্যুর মুহূর্ত।’ এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হে মানুষ! মৃত্যু আসার আগেই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও।’ (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদিস : ৮৯৪৯)

কিছু মৃত্যু জগৎ আলোড়িত করে। প্রতিটি মানুষকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে যায়।

আর কিছু মৃত্যু মানুষকে স্বস্তি দেয়। জুলুম-অত্যাচারের অবসান ঘটায়। কোনো এক কবি বলেছিলেন, ‘এমন জীবন তুমি করিবে গঠন/মরণে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভুবন।’ ভালো মৃত্যুর জন্য চাই পরিকল্পিত জীবন।
আর এ জন্য প্রয়োজন আল্লাহর রহমত বা বিশেষ দয়া। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা কোনো বান্দার মঙ্গল চাইলে তাকে যোগ্য করে তোলেন।’ সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! কিসের যোগ্য?’ রাসুল (সা.) বলেন, ‘মৃত্যুর আগে বেশি বেশি নেক আমল করার তাওফিক দিয়ে ওই ব্যক্তিকে আল্লাহ জান্নাতের যোগ্য করে তোলেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২১৪২)
মুমিনমাত্রই আল্লাহর প্রতি এই সুধারণা পোষণ করবে যে তিনি অবশ্যই মৃত্যুর সময় বান্দার কষ্ট কমিয়ে দেবেন। কারণ আল্লাহর প্রতি যে যেমন ধারণা করবে আল্লাহ তার সঙ্গে তেমন আচরণই করবেন।

এক হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন, ‘আমার সম্পর্কে আমার বান্দার ধারণা মোতাবেক আমি আচরণ করি। আমি তার সঙ্গে থাকি।’ (বুখারি, হাদিস : ৭৪০৫)
অন্য হাদিসে জাবির (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মৃত্যুর তিন দিন আগে তাঁকে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সবাই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মারা যায়।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭১২১)

মৃত্যুকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করার মাধ্যমেও ভালো মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়। বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করার বড় একটি উপকার হচ্ছে, অন্তর থেকে দুনিয়ার আসক্তি দূর হয় এবং পরকালের চিন্তা ও আমল বাড়ে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সব ভোগ-উপভোগ বিনাশকারী মৃত্যুর কথা তোমরা বেশি বেশি স্মরণ করো।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩০৭)

মৃত্যুর কথা স্মরণের আরেকটি উপায় হলো কবর জিয়ারত। কবর জিয়ারত মৃত্যু ও আখিরাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়। অন্তরে কবরের শাস্তির ভয়াবহতা সৃষ্টি করে। ফলে এর মাধ্যমে অন্যায় থেকে তাওবা এবং মৃত্যুর প্রস্তুতি গ্রহণে সাহায্য করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি তোমাদের এর আগে কবর জিয়ারতে নিষেধ করেছিলাম, এখন থেকে কবর জিয়ারত করো। কেননা তা দুনিয়াবিমুখতা এনে দেয় এবং আখিরাতের স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৫৭১)

কবর জিয়ারতের মাধ্যমে বান্দার মনে প্রথমেই কবরের চাপের কথা ভেসে ওঠে। আম্মাজান হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সবাইকেই কবর চাপ দেবে। কেউ যদি কবরের চাপ থেকে বাঁচতে পারত তাহলে আমার প্রিয় সাহাবি সাদ ইবনে মুয়াজ বাঁচতে পারত।’ (মুসনাদে আহমাদ ও বায়হাকি শরিফ)

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, ‘সাদকে কবরে রাখার পর রাসুল (সা.) কয়েকবার সুবহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়লেন। হুজুরের সঙ্গে সঙ্গে আমরাও তাসবিহ পড়লাম। রাসুল (সা.) বললেন, ‘এই নেককার সাদের কবর সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তাসবিহ পড়ার পর আল্লাহ তার কবর প্রশস্ত করে দিয়েছেন।’ (মুসনাদে আহমাদ ও তিবরানি শরিফ)

কবরের চাপের ব্যাপারে সাহাবি ও তাবেঈরা সব সময় ভীত থাকতেন। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, ‘আমরা রাসুলের যত হাদিস শুনেছি সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল কবরের চাপ দেওয়ার হাদিস, বিশেষ করে জলিলে কদর সাহাবি সাদও যখন কবরের চাপ থেকে বাঁচতে পারেননি, তখন আমাদের মতো মানুষের কী উপায় হবে—এ চিন্তায় আমরা সব সময় পেরেশান থাকতাম।’ (মুসান্নিফে আবদুর রাজ্জাক)

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ভালো মৃত্যুর প্রস্তুতি নেওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে, যখন কেউ সুদ খাবে না, তবে তার ধোঁয়া ...
13/01/2025

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে, যখন কেউ সুদ খাবে না, তবে তার ধোঁয়া (অথবা ধুলা) তাকে স্পর্শ করবে।" (ইবনু মাজাহ ২২৭৮)। এই হাদীসটি সুদের বিপদ এবং এর সামাজিক প্রভাবের উপর আলোকপাত করে। সুদ এমন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যা শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিদের উপকারে আসে, অথচ গরীবদের আরো দুর্দশায় ফেলে। ইসলামে সুদকে হারাম করা হয়েছে, কারণ এটি মানুষের মধ্যে শোষণ সৃষ্টি করে এবং আর্থিক অসমতা বাড়ায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই হাদীসের মাধ্যমে ভবিষ্যতের সমাজের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন, যেখানে সুদের পরোক্ষ প্রভাবও সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। তাই আমাদের উচিত সুদ থেকে বিরত থাকা এবং ইসলামের অর্থনৈতিক নীতিমালা অনুসরণ করা, যাতে সমাজে শান্তি ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা হয়।

বিয়ে আল্লাহর প্রিয় সুন্নত। ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ী, বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যা শুধু ব্যক্তিগত জীবনকেই সুন্দর করে ন...
12/01/2025

বিয়ে আল্লাহর প্রিয় সুন্নত। ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ী, বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যা শুধু ব্যক্তিগত জীবনকেই সুন্দর করে না, বরং সমাজের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্যও অপরিহার্য। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহযোগ্য, তাদের বিবাহ সম্পন্ন করো" (সূরা নুর, ২৪:৩২)। এটি আমাদেরকে বুঝায় যে, বিবাহ একটি নৈতিক দায়িত্ব, যা ব্যক্তির চরিত্র উন্নয়ন এবং পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করতে সহায়ক।

ইসলামে বিবাহকে একটি পবিত্র সম্পর্ক হিসেবে দেখা হয়, যা প্রেম, বিশ্বাস এবং সহানুভূতির ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। বিবাহের মাধ্যমে একজন পুরুষ এবং নারী একে অপরের সহায়ক হয়ে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একসাথে চলতে পারে। ইসলামি জীবনে বিবাহের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি এবং এটি একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর সুন্নত পালন করার অন্যতম উপায়।

ফর্সা ত্বক এবং সৌন্দর্য কখনোই একসাথে আসেনা। বাহ্যিক সৌন্দর্য, যেমন ফর্সা ত্বক, কিছু সময়ের জন্য নজর কেড়ে নিতে পারে, কিন...
11/01/2025

ফর্সা ত্বক এবং সৌন্দর্য কখনোই একসাথে আসেনা। বাহ্যিক সৌন্দর্য, যেমন ফর্সা ত্বক, কিছু সময়ের জন্য নজর কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু প্রকৃত সৌন্দর্য হল একজন মানুষের চরিত্রে এবং তার অন্তরে। সৌন্দর্য শুধু চামড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, ভালো চরিত্র এবং সৎ মনোভাবের মধ্যে ফুটে ওঠে। একজন মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার ভালো কাজ, দয়া, সহানুভূতি এবং সদাচরণের মধ্যে প্রকাশ পায়। আল্লাহর হুকুম অনুসরণ এবং মানুষের প্রতি সদয় আচরণই তাকে সত্যিকারের সুন্দর করে তোলে। তাই, বাহ্যিক রূপের পরিবর্তে, অন্তরের পরিচ্ছন্নতা এবং সৎ আচরণই একজন ব্যক্তির আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে। ফর্সা ত্বক সৌন্দর্যের একমাত্র নিদর্শন নয়, বরং চরিত্র ও আধ্যাত্মিক গুণাবলী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রাসূলুল্লাহ্ (সা:) প্রতিদিন অন্তত ৭০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, যদিও তিনি পাপমুক্ত ছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি আ...
09/01/2025

রাসূলুল্লাহ্ (সা:) প্রতিদিন অন্তত ৭০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, যদিও তিনি পাপমুক্ত ছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া কোনো নির্দিষ্ট সময় বা অবস্থার বিষয় নয়, বরং এটি একটি অভ্যাস হওয়া উচিত। আমরা যারা অহরহ ভুল ও পাপ করে থাকি, তাদের জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সা:) এর এই পরম উদাহরণ অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কতবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই? আমরা কি একটুও সময় বের করি নিজেদের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়ার? আমাদের অন্তত একবার হলেও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত, যেন আমরা নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারি এবং আল্লাহর রহমত লাভ করতে পারি। রাসূলুল্লাহ্ (সা:) এর মতো, আমাদের জীবনেও ক্ষমা চাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

05/01/2025

ইসলামের দৃষ্টিতে শুভ-অশুভ সময়.....ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী বিশেষ সময়, মাস বা দিনকে অশুভ বা অলক্ষুণে মনে করার কোনো সুযোগ ন...
01/01/2025

ইসলামের দৃষ্টিতে শুভ-অশুভ সময়.....

ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী বিশেষ সময়, মাস বা দিনকে অশুভ বা অলক্ষুণে মনে করার কোনো সুযোগ নেই। সময় বা যুগকে গালি দেওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ। এটা অনেক সময় শিরকও গণ্য হতে পারে যদি সময়কে ক্ষমতাবান বা ভালো-মন্দের মালিক মনে করে গালি দেওয়া হয়। সময় ভালো-মন্দ বা শুভ-অশুভের মালিক নয়। আল্লাহ তাআলার আদেশ ছাড়া কারও কোনো লাভ বা ক্ষতির ক্ষমতা সময়ের নেই।

আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন,

قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ يُؤْذِيْنِيْ ابْنُ آدَمَ، يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ بِيَدِيْ الْأَمْرُ أُقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ

আল্লাহ তা’আলা বলেন মানুষ আমাকে কষ্ট দেয়। তারা যুগকে গালি দেয়। অথচ আমিই যুগ নিয়ন্ত্রক। সব বিষয়ের নিয়ন্ত্রণ আমার হাতেই। আমার আদেশেই রাত-দিন সংঘটিত হয়। (সহিহ বুখারি: ৪৮২৬)

আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

لاَ يَسُبُّ أَحَدُكُمُ الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ
তোমাদের সময়কে গালি দিও না। কারণ, আল্লাহ তাআলাই সময়ের নিয়ন্ত্রক। (সহিহ মুসলিম: ৫৮২৭)

ইসলামপূর্ব জাহেলি যুগে কাফেররা সময়কে ক্ষমতাবান মনে করতো। কল্যাণ ও ধ্বংসের স্রষ্টা মনে করতো। তাদের এ ধারণা বা বিশ্বাস অজ্ঞতাপ্রসূত ও ভ্রান্ত হিসেবে বর্ণনা করে আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَقَالُوْا مَا هِيَ إِلاَّ حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوْتُ وَنَحْيَى وَمَا يُهْلِكُنَا إِلاَّ الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بِذَلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلاَّ يَظُنُّوْنَ

তারা (মুশরিকরা) বলে, একমাত্র পার্থিব জীবনই আমাদের জীবন। এখানে আমরা মরি ও বাঁচি এবং একমাত্র সময়ই আমাদের ধ্বংস সাধন করে। মূলত এ ব্যাপারে তাদের নিশ্চিত কোন জ্ঞানই নেই। তারা তো শুধু মনগড়া কথা বলে। (সুরা জাসিয়াহ: ২৪)

কোনো নির্দিষ্ট দিন বা সময়কে অলক্ষুণে বা অশুভ মনে করাকে হাদিসে শিরক বলা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,

الطِّيَرَةُ شِرْكٌ الطِّيَرَةُ شِرْكٌ ثَلاَثًا وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ

কোনো কিছুকে অলুক্ষুণে মনে করা শিরক। কোনো কিছুকে অশুভ মনে করা শিরক, কোনো কিছুকে কুলক্ষণ মনে করা শিরক। আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার মনে কুধারণা জন্মে না, তবে আল্লাহ ওপর ভরসার মাধ্যমে আল্লাহ তা দূর করে দেন। (সুনানে আবু দাউদ: ৩৯১২)

ইমরান ইবনে হোসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَطَيَّرَ وَلا تُطُيِّرَ لَهُ وَلا تَكَهَّنَ وَلا تُكُهِّنَ لَهُ أََوْ سَحَرَ أَوْ سُحِرَ لَهُ

সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি (কোন বস্তু, ব্যক্তি, কাজ বা কালকে) অশুভ বলে মানে অথবা যার জন্য অশুভ লক্ষণ পরীক্ষা করে দেখা হয়, যে ব্যক্তি ভাগ্য গণনা করে অথবা যার জন্য ভাগ্য গণনা করা হয়। যে ব্যক্তি জাদু করে অথবা যার নির্দেশে জাদু করা হয়। (তাবরানি: ১৪৭৭০)

তাই সময়কে শুভ-অশুভ মনে করা যাবে না। সময়কে ক্ষমতাবান মনে করা যাবে না এবং গালি দেওয়া বা মন্দ বলা যাবে না। সময় আল্লাহ তাআলার নেয়ামত হিসেবে আমাদের জীবনে আসে। আমরা এ নেয়ামতের সদ্ব্যবহার করে, কল্যাণকর কাজ করে সময়কে কল্যাণকর করে তুলতে পারি। তা না করে আমরা যদি সময়ের অপচয় করি, অকল্যাণকর কাজে লাগাই ওই সময়টুকু আমাদের কাজের কারণেই অশুভ ও অকল্যাণকর হয়।

Address

HOUSE NO. #473, WEST Ashrafabad Main Road, Kamrangirchar
Dhaka
1211

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deeni Libas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share