Classy Xui

Classy Xui Utilization of leisure,

15/09/2026
15/09/2026

Besi r vag meye ra 1 lakh jinish porto kine use Kore matro 5 ta.. chokher Khuda besi...

13/09/2026

বাচ্চাকে ভালো স্কুলে পড়ানোর গুরুত্ব অনেক অভিভাবকই বোঝেন না।

পাড়ার স্কুলে ভর্তি করিয়ে পড়াশোনা তো শেখানো যায় কিন্তু ম্যানার্স, এটিকেট শেখানো যায় না। এই বাচ্চাগুলোর সিভিক সেন্সও ডেভেলপ করে না। আজীবন এরা অভদ্রই থেকে যায়।

ডিগনিটি হোল্ড করে কি করে চলতে হয় এরা শেখে না। সবার সাথে চলেও নিজেকে আলাদা রাখতে পারে না। কারণ সে যে আলাদা অগা বগার মত না, এই বোধটাই তার ভেতর ঢোকানো হয় না।

ফলাফল এরা সহজেই স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয়। সেই স্রোত নর্দমার পানি থেকে আসা স্রোত হলেও...

যা হোক টাকা বা নিজের সুবিধার দিকে তাকিয়ে এমন স্কুলে বাচ্চাকে দেবেন না যা সবার জন্যই সহজ লভ্য।

বলতে পারেন আজে বাজে স্কুলে পড়ে বেসিক ম্যানার্স না জানা প্রচুর ভালো স্টুডেন্ট রেজাল্টের কারণে ভালো কলেজ ইউনিতে ভর্তি হতে পারে।

আমিও বলি গোবরে পদ্ম ফুল ফোটে, তবে গোবরের দুর্গন্ধটা কিন্তু রয়েই যায়। সেই দুর্গন্ধে সাফার করে এদের ক্লাস মেইটরা।

শুধু পড়াশোনায় ভালো হওয়াই জরুরী না। আখলাক ভালো হওয়া আরও জরুরী।

একটা বাচ্চার আখলাক গড়ার দায়িত্ব শুধুই পরিবারের নয়, সমাজেরও। এই দায়িত্ব সবার। টিচার সহপাঠি এমনকি সহপাঠির বাবা মারও।

ক্লাস মেইটদের ঘরের পরিবেশের প্রভাব সহপাঠীর মধ্যে পড়ে। নিজের স্ট্যান্ডার্ড মেইন্টেইন করতে এসবের দিকেও খেয়াল দেয়ার প্রয়োজন আছে।

দামী ফ্রিজ টিভি আসবাব কাপড় গহনা কিনবেন কিন্তু বাচ্চা পড়ানোর সময় সস্তা স্কুল বা সরকারী স্কুল খুঁজবেন এই মাইন্ড সেট পরিবর্তন করুন।

নিজের আয়েশ না খুঁজে একটু কষ্ট করুন। যা ভালো দাম তার একটু বেশীই। যা অনেক ভালো দাম তার অনেক বেশী।

নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো স্কুলে বাচ্চার এডুকেশানের ব্যবস্থা করুন। এটা আপনার দায়িত্ব।

বাচ্চা ভদ্রতা শিখবে, সারাজীবন কুটনামী থেকে দূরে থাকবে। ভবিষ্যতে চেনে না জানে না এমন মানুষও আপনাকে দুয়া দিবে আপনার প্যারেন্টিং, সন্তানের প্রপার আপব্রিংগিং এর কারণে।

তত্ব কথা দিয়ে চিড়ে ভেজে না। এখনকার দিনে এটাই বাস্তবতা।

11/09/2026

অফিস/কাজ শেষে একজন পুরুষ যখন বাসায় ফিরে দেখেন বাসাটা টিপটপ গোছানো, ছেলেমেয়েরা পড়ছে কিংবা টিভি দেখছে, রান্নাঘর থেকে সুন্দর খাবারের স্মেল আসছে, তার জন‍্য এই দৃশ‍্যটা একটা ওয়ার্ম বাথের মতন।
কথাটা একটা পডকাস্টে শুনেছিলাম।

সারাদিন পরিশ্রমের পর হালকা গরম পানিতে গোসল করলে যেমন শরীরের সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়, এই দৃশ‍্যটাও তেমন একটা অনুভূতি দেয় পুরুষদের!

কিন্তু যে নারী ঘরটাকে এত সুন্দর করে রাখে, সারাটাদিন খেটে যায়, বাচ্চাদের নানান টেনট্রাম সহ‍্য করে, রাতের ঘুমটাও ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনা, তার জন‍্য এমন ওয়ার্ম বাথের ব্যবস্থা কি সাধারণত থাকে???
ওয়ার্ম বাথ বাদ দিন, অন্তত ছুটির দিনে আমাদের সমাজে কয়টা পুরুষ ভাবে যে , আমার বউটা তো সারাসপ্তাহ খেটে যাচ্ছে আজকে তাকে একটু স্পেশাল ফিল করাই?? আজকে সকালের নাস্তাটা বরং আমি বানাই কিংবা তাকে কোনভাবে সাহায্য করি!

ছোটবেলায় আমার আব্বুকে দেখতাম ছুটিতে বাড়ী আসলে, সকালে বাজার করে এসে মাঝেমধ্যে নিজেই মাছ কাটতে বসে যেত! পাশের বাসার কেউ এসে দেখলে টিপ্পনি মারতো, বউরে সাহায্য করতেসো!!?
অথবা বলতো, ব‍্যাটামানুষের রান্নাঘরে কি কাম???😑
আম্মু কিন্তু তখন বসে নেই। সেও নানান কাজে ব‍্যস্ত!

গতদিন আম্মু বললো, শরীর খারাপ লাগছে খুব সেজন‍্য আব্বু রান্না করেছে। পেপে দিয়ে মাছের ঝোল!🥰
সবসময় যে করে এমন না। মাঝেমধ্যে যদি দেখে আম্মু পারছেনা কিংবা সাহায্যকারী কেউ আসেনি তখন সাহায্য করে।

আমার বাবা যেই যুগে বড় হয়েছে, তখনকার সময়ে পুরষের জন‍্য বাসার কোন কাজ করা শুধু আশ্চর্যের বিষয়ই না, অনেকটা অপ*রাধের মতন!! কিন্তু সে টুকটাক আম্মুকে সাহায্য করতো।
আমরা সেটা দেখেই বড় হয়েছি।

আমার বিশ্বাস কোন স্ত্রী ই চায়না যে তার স্বামী বেলায় বেলায় তাকে রান্না করে খাওয়াক কিংবা সব কাজে সাহায‍্য করুক। কিন্তু সংসারের এত এত কাজ থাকে, বিশেষ করে যাদের বাচ্চা আছে, নারীরা তো হাঁপিয়ে যায়! সপ্তাহে একটা দিন এক বেলা তারও ইচ্ছে হয়, কেউ একটু চা বানিয়ে দিক বা বাচ্চাটাকে সামলাক! একটা বেলায় তার রান্না করার এনার্জি নাই থাকতে পারে!

কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীর না ছুটির দিন আছে না রিটায়ারমেন্ট!! না তার কাজের কোন ভ‍্যালু করা হয়, না তাকে ওয়ার্ম বাথের মতন এত সুন্দর অনুভূতি কেউ কখনও দেয়।
হাতে গোনা যে ক’জন পায়, তাদেরকে আমি লাকি বলবনা। এটা তাদের প্রাপ‍্য!

আর আপনারা পুরুষরা যারা বাসার কাজকে কেবল মে‍য়েদের কাজ মনে করেন না, তাদেরকে আমি মন থেকে শ্রদ্ধা জানাই।

বিঃদ্রঃ ছবিতে ছেলের বাবার রান্না করা ডিম ভুনা, আলু ভর্তা আর ডাল! তিনি কদাচিৎ রান্না করেন এবং মাশাআল্লাহ রান্না মজা হয়।

মারিয়া রহমান
টোকিও, জাপান

11/09/2026

প্রসবের পর মায়ের যত্ন—দায়িত্বটা কার?
শুধু বাবার বাড়ির?

এইমাত্র আউটডোর থেকে রোগী দেখে ফিরলাম। প্রচণ্ড গরম, সুযোগ-সুবিধাও খুব সীমিত। তবু রোগী তো দেখতে হবে। আজ আমার কাছে আসা কয়েকজন প্রসূতি মায়ের কথা আমাকে আবারও ভাবাল।
একজনের বয়স মাত্র ২৬ বছর, ওজন ৩৬ কেজি । ১৯ দিন আগে দ্বিতীয় সিজার হয়েছে। শরীর এখনো অপারেশন ও সন্তান জন্মদানের ধকল সামলাচ্ছে, তার ওপর নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো, রাত জাগা
।আমি বললাম ওর ওজন অনেক কম। ওকে প্রচুর খেতে দিতে হবে। ওর ওজন বাড়াতে হবে। ওর জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থা করেন। ওর ঘুমের ব্যবস্থা করেন। ওর অন্য কোন চিকিৎসা লাগবে না। ওর প্রথম সন্তানের বয়স ১৯ মাস। সেও বুকের দুধ খায়।
স্বামী বললেন—
“ম্যাডাম, তাই তো ওকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি।”
আমি বললাম,
বাবার বাড়ি পাঠিয়েছেন ভালো কথা। কিন্তু শুধু পাঠিয়ে দিয়েই কি স্বামীর দায়িত্ব শেষ?
স্ত্রীকে সেখানে রেখে এলে তার খাবার, ওষুধ ও প্রয়োজনের জন্য কিছু টাকা হাতে দিয়ে আসুন। প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থা করুন। রাত জাগার দায়িত্বটাও ভাগ করে নিন।
কারণ মেয়ের মা রাত জাগলে সেটা তার দায়িত্ব, কিন্তু শাশুড়ি বা শ্বশুরবাড়ির কেউ রাত জাগলে সেটা শ্রম। আবার মেয়ের মা-বোন দিনের পর দিন সেবা করলে সেই শ্রমও অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে না।

আরেকজন মা—৩৫ দিন আগে সিজারে যমজ ছেলে হয়েছে।
নিজের শরীরেই ব্যথা, ঘুমাতে পারেন না, রক্তচাপও কিছুটা বেশি। দুই নবজাতকের দুধ, কান্না, ঘুম, কাপড়—সব মিলিয়ে কী পরিমাণ শারীরিক ও মানসিক চাপ, একটু ভাবুন।
তাকেও পাঠানো হয়েছে বাবার বাড়ি।

কিন্তু তার নিজের মা অসুস্থ, পক্ষাঘাতগ্রস্ত।
তখন আমার মনে হলো—
একজন সদ্যপ্রসূতি মায়ের যত্ন কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার নিজের মায়ের দায়িত্ব হয়ে যায়?

তৃতীয় একজনের গর্ভাবস্থায় প্রি-একল্যাম্পশিয়া ছিল।

ডেলিভারির পরও রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়নি। অথচ এখনই তাকে নিয়ে যাওয়ার তাড়া—বাড়িতে গিয়ে রান্নাবান্না, সংসার, বাচ্চা সামলানো—সব করতে হবে!

এখানেই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো দরকার।
আমাদের দেশে প্রেগনেন্সি কেয়ারের সচেতনতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। গর্ভবতী মাকে ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা করানো, একটু ভালো খাবার দেওয়া—এসব এখন অনেক পরিবারই বোঝে।

কিন্তু সন্তান জন্মানোর পর যেন হঠাৎ মা-টি সবার চোখের আড়ালে চলে যায়।

সন্তান জন্মেছে মানেই মায়ের শরীর সঙ্গে সঙ্গে আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।

স্বাভাবিক প্রসবের পরেও শরীরের পুনরুদ্ধারের সময় প্রয়োজন।

সিজারিয়ান হলে অপারেশনের ক্ষতও সেরে উঠতে হয়।

তার সঙ্গে আছে বুকের দুধ তৈরি, রাত জাগা, শিশুকে কোলে নেওয়া, মানসিক পরিবর্তন, ব্যথা ও ক্লান্তি।

আর যমজ সন্তান হলে সেই দায়িত্ব আরও বহুগুণ।
এ সময় মায়ের দরকার—

পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত পানি, প্রোটিন, ডিম-মাছ-মাংস/ডাল, দুধ-দই, ফল-সবজি এবং প্রয়োজনমতো ভাত-রুটি।
তার চেয়েও বেশি দরকার বিশ্রাম, ঘুম এবং পরিবারের বাস্তব সহযোগিতা।

ওজন একটু বেড়েছে বলে সদ্যপ্রসূতি মায়ের খাবার হঠাৎ কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
বিশেষ করে যে মা বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তার শরীর এখন একই সঙ্গে নিজের পুনর্গঠন করছে এবং আরেকটি শিশুর খাদ্য তৈরি করছে।
তাই সন্তান জন্মানোর পর শুধু বলবেন না—
“এবার বাবার বাড়ি গিয়ে থাকো।”
বলুন—
“তুমি বিশ্রাম নাও, আমরা সবাই মিলে তোমাকে আর বাচ্চাকে সামলাই।”
স্বামী রাতের কিছু দায়িত্ব নিন।
শ্বশুরবাড়ির মানুষ পাশে দাঁড়ান।
মায়ের বাড়ির মানুষ সাহায্য করলে তাদের শ্রম ও ত্যাগকেও সম্মান করুন।
মেয়ের মা-বাবা তাকে জন্ম দিয়েছেন, মানুষ করেছেন—তাই নাতি-নাতনি এবং সদ্যপ্রসূতি মেয়ের সমস্ত দায়িত্বও আজীবন তাঁদেরই বহন করতে হবে—এটা কোনো স্বাভাবিক অধিকার নয়।
একটি সন্তান শুধু একজন নারীর সন্তান নয়।

সে একটি পরিবারের সন্তান।
তাই প্রসবের পর মায়ের সেবাটাও দুই পরিবারের, বিশেষ করে স্বামী ও সন্তানের বাবার সমান দায়িত্ব।

আমাদের সমাজ অনেক বদলেছে।
এবার এই জায়গাটাও বদলাক।

সন্তানের জন্মের পর সবাই শিশুকে দেখতে আসে।
একবার মায়ের দিকেও তাকান।
জিজ্ঞেস করুন—
“তুমি কেমন আছো? একটু ঘুমিয়েছো? তোমার জন্য আমি কী করতে পারি?”
এই কয়েকটি কথাও একজন সদ্যপ্রসূতি মায়ের কাছে অনেক বড় আশ্রয় হতে পারে।

মাতৃত্বকে সম্মান করতে হলে শুধু শিশুকে ভালোবাসলেই হবে না—
যে নারী তাকে জন্ম দিলেন, তাঁর শরীর, বিশ্রাম, খাবার, শ্রম ও মর্যাদাকেও সম্মান করতে হবে।

10/09/2026

Kochi meye r cheye kochi cele Bea kora besi bipodjonok🤐

09/09/2026

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে দুটো কথা,

আমি একজন শিক্ষিকা।
রোজ খাতা দেখি, নম্বর বসাই, রিপোর্ট কার্ডে সই করি।
কিন্তু বিশ্বাস করুন, রিপোর্ট কার্ডের বাইরেও একটা মার্কশিট থাকে— যেটা দেখা যায় না, ছোঁয়া যায়।

আপনাদের কাছে হাতজোড় করে একটাই অনুরোধ—
পড়াশোনার পাশাপাশি ওকে একটা ‘জানালা’ খুলে দিন।
হয় নাচ, নয় গান, নয় ছবি আঁকা, নয় আবৃত্তি, নয় নাটক— যে কোনো একটা কালচারাল কিছু।

কেন বলছি জানেন?

নম্বর মানুষ বানায় না, আনন্দ বানায়।
আমার ক্লাসের ফার্স্ট বয় রাহুল। অঙ্কে ৯৮।
কিন্তু টিফিনে একা বসে থাকে। কথা বলতে গেলে ঘেমে যায়।
আর থার্ড বেঞ্চের রিয়া? অঙ্কে ৬২। কিন্তু রবীন্দ্রজয়ন্তীতে গান গেয়ে গোটা স্কুল কাঁদিয়ে দিল।
বলুন তো, আসল শিক্ষা কার হল?

বইয়ের চাপ কমাতে একটা ‘পালানোর জায়গা’ লাগে,
পরীক্ষার আগে আমার ছাত্র সুমন দরজা বন্ধ করে কাঁদত।
ওর মা ভর্তি করলেন ছবি আঁকার স্কুলে।
৬ মাস পর ছেলেটা বলল— "ম্যাম ,আমি এখন খারাপ লাগলে পাহাড় আঁকি। মন ভালো হয়ে যায়।"
ওর পাহাড় আঁকাটাই ওর থেরাপি। ওষুধ না।

যে বাচ্চা ২০০ লোকের সামনে আবৃত্তি করে— "স্বাধীনতা তুমি...",
সে কাল ইন্টারভিউ বোর্ডে ঘাবড়াবে না।
যে মেয়ে ক্লাসিক্যাল নাচে এক পা ভুল হলে আবার শুরু করে,
সে জীবনে হোঁচট খেলে উঠে দাঁড়াতে শিখে যায়।

মোবাইল থেকে বাঁচানোর সেরা অস্ত্র— তবলা, হারমোনিয়াম, রং-তুলি
আপনি বকেন— "সারাদিন ফোন!"
আমি বলি— ফোন কেড়ে নেবেন না, হাতে গিটার ধরিয়ে দিন।
স্ক্রিনের নেশা কাটবে সুরের নেশায়। রিল দেখা কমবে।

মার্কশিট পুড়ে যায়, গান পোড়ে না
২০ বছর পর আপনার ছেলে IIT, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে।
কিন্তু অফিসের চাপে যখন দম বন্ধ হবে, তখন ক্লাস সিক্সে শেখা ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ গানটাই ওকে বাঁচাবে।
ডিগ্রি পেট ভরায়, সংস্কৃতি মন ভরায়।

আমি বলছি না সবাইকে শিল্পী হতে হবে।
আমি বলছি— ওর ভেতরের ‘মানুষটা’ যেন দমবন্ধ হয়ে মরে না যায়। গান-নাচ-আঁকা হল নিঃশ্বাস।

আপনি হয়তো ভাবছেন— "সময় কোথায় ম্যাম? এমনিই সিলেবাস শেষ হয় না।"
আমি বলি— সপ্তাহে ২ ঘণ্টা। শুধু ২ ঘণ্টা।
ওই ২ ঘণ্টা ওর ২০ বছরের ডিপ্রেশন আটকাবে।
ওই ২ ঘণ্টা ওকে ‘রোবট’ নয়, মানুষ বানাবে।

তাই অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলব,
ছেলেমেয়েকে শুধু ফার্স্ট বানাবেন না, ‘ফুল’ বানান।
ফার্স্ট হওয়ার দৌড় একদিন শেষ হবে।
কিন্তু ফুল হয়ে ফুটলে, সারাজীবন গন্ধ ছড়াবে।

নম্বর কম হলে বকুন, ক্ষতি নেই।
কিন্তু হারমোনিয়ামে ধুলো জমলে, তুলিতে রং শুকিয়ে গেলে— সেদিন বুঝবেন, আপনি ওর শৈশব চুরি করেছেন।

_পড়ুক ওরা, গড়ুক ওরা।
সাথে একটু গাক, একটু নাচুক, একটু আঁকুক—
কারণ রোবটের যুগে আমাদের ‘মানুষ’ দরকার ❤️

সংগৃহীত

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Classy Xui posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share