Tazwar Collection's

Tazwar Collection's Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tazwar Collection's, Clothing (Brand), House/12, Road/04, Shiyalbari, Mirpur/2, Dhaka.

17/12/2025

আমার পক্ষ থেকে তার জন্য ছোট্ট গিফট🫣🫣

10/12/2025

আজ থেকে ৬ বছর আগে সবার বিরুদ্ধে গিয়ে একা একাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম,যাই হয়ে যাক তোমাকেই আমার লাগবে😍..এখন বুঝতে পারছি সবচেয়ে বেস্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছি..দুই ফ্যামিলি কেউ রাজি ছিলো না বাট এখন দেখো সবাই কতো হ্যাপি..
৬ টা বছর হয়ে গেল তাই না..আমি তোমার সাথে শুধু বছর কাটাতে চাইনা🫣 আমি তোমার সাথে সারাটা জীবন কাটাতে চাই। তুমি আমার জীবনে এমন একটা মানুষ যাকে আমি নিজের চাইতেও অনেক বেশি ভালোবাসি। যাকে আমি কোনো কিছুর বিনিময় হারাতে চাই না😭 সারাটা জীবন আমার কাছে রেখে দিতে চাই। শুধু তুমি আমার পাশে থেকে যেও❤️🧡💛 আর আমার পাগলামি এবং রাগটা কষ্ট করে সহ্য করে নিও প্লিজ🙏..এতোদিন যেইভাবে সহ্য করেছো😁..তাহলে দেখবা তোমার ম্যারেড লাইফ আরো হ্যাপি হবে😁😁
Happy Anniversary jamai

04/09/2025
04/09/2025

ছেলের বউ একদিন মুখের উপরে কিছু বলে ফেললে শ্বশুরবাড়ির লোক বলে বেয়াদব, বাবা-মা শিক্ষা দেয় নাই কিন্তু ঘরের মেয়ে মুখের উপরে কিছু বললে বলে মনের ভিতরটা একদম ফ্রেশ তাই মুখের উপরে সব কিছু বলে ফেলে😂

21/08/2025

দোয়া কবুলের গল্প ~•••🌻
আমার ব্রেস্ট কেন্সার আমার বুক রক্ত পুজে ভরা। ৩ মাস পর আমার মৃত্যুর ডেট । আমার স্বামীর কাছে শেস আবদার আমি হজে যাব। নিয়ে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। আমি তাওয়াফ করছিলাম আর চাইতেছিলাম আল্লাহ আমাকে শেফা দান করুন। আর আমি আমার স্বামী মুখে আল্লাহর ধনী উচ্চারণ করতেছিলাম। আমি কোথায় শুনেছি জমজম কূপের পানি যেকোনো উদ্দেশ্য নিয়ে খেলে উদ্দেশ্য পুরন হয়।আমার সাথি বোনেরা আমায় বল্য তুমি জমজম কূপের পানি দিয়ে তোমার বুক ধৌত কর। আমি ভয়ে আমার বুক কখনোই ধৌতো করতাম না কারণ আমি ভয় পেতাম এজন্য আমার সাথি বোনেরা মিলে প্রত্যেকদিন আমার বুক ধৌতো করে দিত। সৌদি আরবের এক মুফতি সাহেব আমাকে এবং আমার স্বামীকে একটি আমল দিল নিয়মিত নামাজ পড়া বেশি বেশি দুরু দে ইব্রাহিম পড়া বেশি বেশি ইস্তেগফার জমজম কূপের পানি দ্বারা আমি আর আমার স্বামী প্রত্যেকদিন এই আমল চালিয়ে যাচ্ছিলাম আর আমার সাথী বোনেরা আমার বুক জমজম কূপের পানি দ্বারা ধৌত করে দিতেছিল একদিন হঠাৎ দেখলাম আমার বুকে কোন রক্ত পুজ নেই। এই অবাক কাণ্ড দেখে আমার সাথী বোনেরা আল্লাহর তাকবীর দিয়ে সিজদাতে পড়ে গেল আর মহান রবের শুকরিয়া আদায় করল আমি দৌড়ে আমার স্বামীর কাছে হোটেলে গেলাম। আমার স্বামীকে বললাম ওগো দেখো আমার বুক থেকে কোন রক্তপুজ বেরোচ্ছে না । আমার স্বামী দেখে বলল ওগো তুমি কি আমার সেই স্ত্রী যাকে তিন মাস জীবিত থাকার কথা বলেছিল ডাক্তার। যে ব্যক্তি তিন মাস পর মারা যাবে সে এখন পুরোপুরি ক্যান্সার মুক্ত। এই বলে আমার স্বামী ও আল্লাহর তাকবীর দিয়ে কাদতে কাদতে সিজদায় লুটিয়ে পড়লো। সেদিনের পর থেকে আমি এক জাহিলিয়াতের যুগ থেকে দিনি পথে আসতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।

আমি এখন আল্লাহর প্রিও হতে পেরেছি। আল্লাহ সবাচাইতে বেশি খুশি হয় আফয়াতের সাথে সুস্থতার জন্য দোয়া করা।

আল্লাহু আকবার।

🟡গল্প মরোক্ক থেকে মদিনা

গল্পটা দোয়া কবুলের গল্প বই থেকে নেয়া

সংগ্রহীত

এই জিনিসগুলো গোপন রাখুন — নাহলে জীবন বরবাদ হতে বাধ্য।১. নিজের পরিকল্পনা গোপন রাখুনসবাই চায় না আপনি সফল হোন। অনেকেই মুখে ...
20/08/2025

এই জিনিসগুলো গোপন রাখুন — নাহলে জীবন বরবাদ হতে বাধ্য।

১. নিজের পরিকল্পনা গোপন রাখুন
সবাই চায় না আপনি সফল হোন। অনেকেই মুখে হাসে, মনে পুড়ে।

২. ভ্রমণের খবর না জানিয়ে ঘুরুন
আপনার চলাফেরার উপর নজর রাখে এমন অনেকে আছে, যারা আপনার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত।

৩. জীবনসঙ্গী বেছে নিন চুপচাপে
জানালেই হস্তক্ষেপ, হিংসা আর বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।

৪. আয় রোজগার গোপন রাখুন
অন্যথায় মানুষ আপনাকে ব্যবহার করবে — সাহায্য নয়, সুযোগ খুঁজবে।

৫. নিজের সুখ গোপন রাখুন
সবাই আপনার হাসিমুখ দেখলেও, মন থেকে আনন্দ দেখে না — বরং নজর দেয় খারাপটা।

৬. স্বপ্ন পূরণের আগে তা প্রচার করবেন না
যতো বেশি বলবেন, তত বেশি বাধা আসবে। নীরব থেকে কাজ করলেই হবেন বিস্ময়ের মানুষ।

৭. নিজেকে নিয়ে বিশ্বাস রাখুন, শান্ত থাকুন
সবাইকে বোঝানোর দরকার নেই, সময়ই একদিন প্রমাণ দেবে আপনি কে।

৮. যে কোনো শারীরিক সমস্যায় প্রাকৃতিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন,যার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই ।

- সংগৃহীত

মৃ*ত বাড়িতে কান্নাকাটি থাকবে এটাই খুব স্বাভাবিক। আমি, আমার স্ত্রী তিশা আর আম্মা তিনজন মিলে মিতু মানে আমার বোনের বাড়িতে...
17/08/2025

মৃ*ত বাড়িতে কান্নাকাটি থাকবে এটাই খুব স্বাভাবিক। আমি, আমার স্ত্রী তিশা আর আম্মা তিনজন মিলে মিতু মানে আমার বোনের বাড়িতে এসেছি। রাতে ঘুমের মাঝেই ওর শাশুড়ি স্ট্রোক করে মা*রা গেছে। আত্মীয় স্বজন এসে ভরে গেছে। এদের মধ্যে আবার অনেকগুলো মাতব্বর গজিয়ে উঠেছে। কেউ এই ব্যবস্থা করছে ,কেউ ওই ব্যবস্থা করছে যা হয় আর কি। মিতুকে দেখলাম সাদা একটা ওড়না মাথায় দিয়ে এক কোণে বসে আছে । মিতুর হাজবেন্ড রাহাত হাউমাউ করে কেঁদে চলেছে, ওর ননদ রা সবাই চলে এসেছে। দাফন শেষ করে তারপর তিশা আর আম্মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। পরের দিন আম্মা আর তিশা আবার খাবারদাবার নিয়ে ওই বাড়িতে গেল।

প্রায় মাসখানেক পরে এক ছুটির দিনে গেলাম মিতুর ওখানে। রাহাত বাসায় ছিল না। মিতু বসে টিভি দেখছিল। আমি একটু অবাক হলাম। সোফার কাভারগুলো কি এরকম ছিল নাকি অন্যরকম? মনে করতে পারছি না। তাছাড়া দেয়ালে সুন্দর একটা অয়েল পেইন্টিং ঝুলছে,দেখতে ভালো লাগছে।

আমাকে দেখে মিতু খুব খুশি হলো।
- ভাইয়া বস , কি খাবি বল? এবার সত্যিই আমার অবাক হওয়ার পালা কারণ এই বাড়িতে এসে আমি কখনোই আমার বোনের মুখে এই কথা শুনিনি।
- আরে কিছু খাব না, শুধু তোকে দেখতে এলাম।
- তা কি করে হয়? আচ্ছা শোন তুই তো লাচ্ছি খেতে পছন্দ করিস । ফ্রিজে দই আছে, আমি এখনই বানিয়ে দিচ্ছি আর তুই কিন্তু রাতে খাওয়া দাওয়া করে তারপর যাবি। তোর পছন্দ মত রান্না করবো আমি ।
-না রে রাতে খেতে পারবো না তবে তোর হাতের লাচ্ছি খাইনা অনেকদিন সেটা বানিয়ে খাওয়া।

মিতু প্রায় দৌড়ে উঠে চলে গেল আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে এলো। আমি ঠান্ডা লাচ্ছির গ্লাস হাতে নিলাম।

-এই পেইন্টিং টা কি নতুন কিনেছিস নাকি? খুব সুন্দর তো। -তোর পছন্দ হয়েছে ভাইয়া? আমি অনেকদিন ধরে কিনতে চাইছিলাম এরকম কিছু একটা কিন্তু..
-কিন্তু কি?
-আমার শাশুড়ি পছন্দ করত না তাই কেনা হয়নি। ভাইয়া তুই আমার বেডরুমে আয়, তোকে একটা জিনিস দেখাবো।

আমাকে লাচ্ছির গ্লাস হাতে নিয়েই উঠে দাঁড়াতে হলো কারণ ও আমার হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে। রুমটা ও খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে। বাড়তি আসবাবপত্র সরিয়ে ফেলেছে, তাই ঘরটা বেশ বড় লাগছে। বেডশীট, পর্দা সব ম্যাচিং করা। নিচে ছোট ছোট কার্পেটের মতো কি যেন বলে ওগুলো ফ্লোরে বিছানো। এক কথায় ঘরটা দেখেই মন ভালো হয়ে যাওয়ার মত।
-তুই এত সুন্দর সাজাতে পারিস! আগে সাজাস নি কেন?
-তোর পছন্দ হয়েছে?
- কেন হবেনা? এত সুন্দর! মনে হচ্ছে কোন স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে গেছি।
-ভাবী এলে দেখাতাম আমি রান্না ঘরটা খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়েছি। তুই ভাবীকে নিয়ে আসবি, একদিন আমি রান্না করে খাওয়াবো । আমার যাযা ইচ্ছে সব খাওয়াবো ।
-এমনভাবে বলছিস যেন তুই কোনদিন আমাদেরকে খাওয়াস নি !
-হ্যাঁ খাইয়েছি কিন্তু আমার ইচ্ছে মতো কখনো খাওয়াতে পারিনি। এইবার আমার ইচ্ছা মতো রান্না করে খাওয়াবো।
-তোর কি হয়েছে মিতু আমাকে বলতো?

ও আমাকে আশ্চর্য করে দিয়ে সে বললো,
- আমার একটা সংসার হয়েছে যে ভাইয়া এত বছর পর।
-মানে! আমি আকাশ থেকে পরলাম।
- আমার বিয়ে হয়েছে সাড়ে আট বছর অথচ আমি আমার পছন্দে কোনদিন রান্না করতে পারিনি। আমার ঘর কি করে সাজাবো সেই সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আমার শাশুড়ির ছিল । হ্যাঁ অবশ্যই এটা ওনার সংসার কিন্তু অন্তত আমার বেডরুম আর কিচেনের দায়িত্ব যেহেতু আমার এই দুটো অংশ আমার জন্য ছাড় দেয়া তার উচিত ছিল। এখন আমি মুক্ত, যা ইচ্ছে করতে পারি। রাহাত এসব খেয়াল করে না।
- তোর শাশুড়ি মারা গেছে তোর কষ্ট লাগে না?
- ভাইয়া তোর কাছে কিছু লুকাবো না। বিশ্বাস কর উনি মারা যাওয়াতে আমি একটুও কষ্ট পাইনি তবে যে আনন্দ পেয়েছি তাও না। কারণ রাহাত ভীষণ কষ্ট পেয়েছে আর কোন স্বামীর কষ্টে তার স্ত্রী আনন্দিত হতে পারে না। তবে একটা পাখিকে দীর্ঘদিন খাঁচায় আটকে রাখার পর যদি তাকে ছাড়া হয় তাহলে সেই আনন্দ অনেক গুণ বেড়ে যায় । আমি হয়তো খারাপ মেয়ে তাই মাঝে মাঝে চিন্তা করতাম বুড়িটা ম*রবে কবে? তাছাড়াও কথায় কথায় খোঁটা দেয়া, গালমন্দ করা এসব তো ছিলই। তোরা তো জানিসই, মা নিজেও জানে সবসময় বলেছে মানিয়ে নিতে, আমি মানিয়ে নিয়েছি কিন্তু এখন আর মানিয়ে নেয়ার কিছু নেই। আমার ছেলেটা যখন বড় হবে তখন এই দোতলা বাড়ির একটা ফ্লোর ওদের জন্য ছেড়ে দেব ওর বউ এসে নিজের মত করে সংসার করবে আর যদি এখানে থাকতে না চায় তাহলেও কোন সমস্যা নেই। দূরে থেকে যদি সম্পর্ক ভালো থাকে তাহলে ক্ষতি কি? আমি যেই কষ্ট করেছি অন্য কোন মেয়েকে সেই কষ্ট করতে দেবো না। সংসারের নেশা বড্ড কঠিন রে ভাইয়া। মেয়েরা এই নেশায় পাগল থাকে কিন্তু বেশিরভাগ মেয়ের কপালে এটা জোটে না। কিছুক্ষণ ঝিম মেরে বসে থেকে বাসায় ফিরে এলাম।

-কিরে মিতু কেমন আছে ?এখন বাসায় ফিরতে ফিরতে মায়ের প্রশ্ন
-ভালো আছে
-এই তিশা সাগরকে পানি দাও পরে দ্রুত চা বানাও, স্বামী ঘরে এসেছে, কোন খেয়াল নেই। দিব্যি রান্নাঘরে অন্য কাজ করছে। মা ড্রইংরুমে বসে বসে বস্তা পচা হিন্দি সিরিয়াল দেখছে। আমার বিরক্ত লাগছে, সারাদিন একটা মানুষ এই জিনিসগুলো কিভাবে দেখে?

তিশা আগে পানি দিয়ে গেল কিছুক্ষণ পর দুজনের জন্যই চা নিয়ে এলো। মা চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই মুখ বিকৃত করে বললেন আরও একটু চিনি দিতে। তিশা আবার দৌড়ে গেল। একটু পর বললেন চা ঠান্ডা হয়ে গেছে, এটা যেন গরম না করা হয়। নতুন করে আরেক কাপ বানাতে হবে। তিশা রোবটের মত আবার বানিয়ে নিয়ে আসলো।

আমি বসে বসে টিভির সিরিয়ালের চেয়ে ঘরের সিরিয়ালটাই দেখছিলাম।

-শোনো রাতের জন্য ভারী রান্নার প্রয়োজন নেই। একটা ভাজি করো, দুপুরের ডাল তো আছেই আর আলু বেগুন দিয়ে রুই মাছের তরকারি রান্না করো।
তিশা মাথা নাড়িয়ে চলে গেল।

রাতের খাবার শেষ করে আমি শুয়ে পড়েছি। আমি জানি তিশার আসতে দেরি হবে। সে সবকিছু গোছাবে, থালাবাসন মাজবে তারপর আসবে। আমাদের দুই বছরের বিবাহিত জীবনে প্রতিদিন এই হয়ে আসছে। ও এই বাড়িতে বউ হয়ে আসার পরেই কোন এক অজ্ঞাত কারণে আমাদের কাজের মেয়েটি আসা বন্ধ করে দেয়। আমি আগে লক্ষ্য করিনি অথবা গুরুত্ব দেইনি। বিয়ের আগে আমাদের দেড় বছরের সম্পর্ক ছিল। সেই সময়ে যে উচ্ছল প্রাণবন্ত তিশাকে আমি দেখতাম মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে সেই তিশাকে এখন আর মেলানো যাবে না। তার মধ্যে কেমন একটা রোবট রোবট ভাব চলে এসেছে। শারীরিকভাবেও এখন আর সে খুব একটা আকর্ষণ বোধ করে না আমার প্রতি তা আমি বুঝি। বিয়ের প্রথম প্রথম কিছুদিন আগ্রহ ছিল কিন্তু এখন আর নেই।

-ঘুমাওনি তুমি এখনো, কি হয়েছে, কোন সমস্যা? মিতু কেমন আছে ওর কোন সমস্যা হচ্ছে কি?
আমি সবগুলো প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম,
-আচ্ছা তিশা তোমার কখনো ইচ্ছা হয় না নিজের একটা সংসার হোক?

তিশা গভীর চোখে আমার দিকে তাকালো।

-তোমার মনে আছে গত মাসে আমার বোন আর দুলাভাই এসেছিল , তুমি তখন অফিসের কাজে চিটাগাং, ফোনে তোমাকে তাদের আসার কথা জানিয়েছিলাম।খাবারের পর ডেজার্ট হিসেবে আমি কাস্টার্ড বানিয়েছিলাম মায়ের অনুমতি ছাড়া। তাদের সামনে মা আমাকে কিছু বলেননি কিন্তু তারা চলে যাবার পরে এই বাড়িতে এক সপ্তাহ দুধ চা বানানো হয়নি। মা তো রং চা খান কিন্তু আমি তো দুধ চা ছাড়া খেতে পারি না আর জানোই তো দিনে দুবার চা না খেলে আমার মাথা খুব ব্যথা করে।

আমি একটু চমকে উঠলাম।

- কই তুমি তো আমাকে কখনো কিছু বলোনি ?
-মনে করে দেখাতো কখনোই কি আমি কিছু বলিনি?

আমি স্মৃতির পাতা হাতরাতে থাকলাম। বিয়ের প্রথম প্রথম তিশা অভিযোগ করতো। ও কাপড় আয়রন করতো বলে ইলেকট্রিসিটি বিল বেশি আসে এই নিয়ে মা ওকে কথা শুনিয়েছিল। ও একবার মাছের ঝোল রান্না করার বদলে দোপেঁয়াজে করেছিল মা সেটা মুখেও দেননি। কাজের মেয়েটিকে কাজ ছাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল কারণ পার্মানেন্ট কাজের মেয়ে তো পাওয়া গেছে সেটা আমার বউ তিশা। আমার দিকে যত আত্মীয়-স্বজন আছে যে কারো বাড়িতে গেলে ওকে শাড়ি পরে যেতে হয়। আমি বিয়ের আগে থেকেই জানি ও শাড়িতে একেবারে কমফোর্টেবল না। অনুষ্ঠান বাড়ি হলে ভিন্ন কথা ছিল কিন্তু তাও না। তিশা এইসব হিন্দি সিরিয়াল একেবারে পছন্দ করত না হয়তো এখনো করে না কারণ ওকে আমি কখনোই টিভির সামনে দেখি না।

আমি তিশার মাথায় হাত রাখলাম। ততক্ষণে সারা দিনের ক্লান্তিতে ও পাশ ফিরে ঘুমিয়ে গেছে। প্রথম প্রথম আমি জড়িয়ে না ধরলে ওর ঘুম আসতো না আর এখন আমার ছোঁয়ায় যেন ওর ঘুম আসে না। নিজেকে খুব অপরাধী লাগছে। আচ্ছা তিশা নিজেও কি মনে মনে আমার মায়ের মৃ*ত্যু কামনা করছে, হয়তো করছে তা না হলে সে নিজের একটা সংসার পাবে না। মনে পড়ে গেল মিতুর কথাগুলো "সংসার পাবার নেশা মেয়েদের জন্য বড্ড কঠিন রে ভাইয়া" । আমি প্রায় শিউরে উঠলাম। কেউ একজন আমার মায়ের মৃ*ত্যু কামনা করছে, যত তাড়াতাড়ি মৃ*ত্যু হবে সে তত খুশি হবে, হয়তো বহিঃপ্রকাশ করবে না, আমার বোন যেমন করেনি। আমার গা কেমন গুলিয়ে উঠলো, আচ্ছা এখন আমি এখন কি করবো? বুঝতে পারছি না সব গুলিয়ে যাচ্ছে।

#আশংকা
কলমে:সুবর্না শারমিন নিশী
#লিখালিখি

আপনার সন্তানের জেদ সামলানোর ১০টি সহজ উপায়! ❤️বাচ্চাদের জেদ সামলানো বেশ কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু সহজ কৌশল প্রয়োগ কর...
14/08/2025

আপনার সন্তানের জেদ সামলানোর ১০টি সহজ উপায়! ❤️

বাচ্চাদের জেদ সামলানো বেশ কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু সহজ কৌশল প্রয়োগ করে আপনি এই পরিস্থিতি সামলে নিতে পারেন এবং আপনার সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পারেন।

১. শান্ত থাকুন: আপনার সন্তান যখন জেদ করবে, আপনি শান্ত থাকুন। চিৎকার না করে বলুন, "আমি তোমার কথা শুনতে চাই, কিন্তু তার আগে একটু শান্ত হয়ে বসো।" এতে আপনার সন্তানও শান্ত হতে শিখবে।

২. মনোযোগ দিয়ে শুনুন: তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। এতে সে বুঝবে তার অনুভূতির প্রতি আপনি শ্রদ্ধাশীল।

৩. বিকল্প অফার করুন: "আইসক্রিম দেবো না" বলার বদলে বলুন, "আইসক্রিম এখন নয়, কিন্তু তুমি কি ফল না কি দই খাবে?" এতে সে নিজেকে সিদ্ধান্তের অংশ মনে করবে।

৪. নিয়ম তৈরি করুন: আগে থেকেই কিছু নিয়ম তৈরি করে রাখুন, যেমন—"টিভি দেখার সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, এরপর নয়।" এতে সে জানবে কখন কী করা উচিত।

৫. কারণ খুঁজুন: আপনার সন্তান কেন জেদ করছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। হতে পারে সে ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত অথবা তার ঘুম পাচ্ছে।

৬. প্রশংসা করুন: যখন সে ভালো আচরণ করবে, তখন তার প্রশংসা করুন। বলুন, "তুমি আজ খুব শান্তভাবে খেলছো, এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগছে।" এতে সে ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হবে।

৭. ধৈর্য ধরুন: জেদ করলে তাকে কিছুটা সময় একা থাকতে দিন। এতে সে নিজে থেকেই শান্ত হতে শিখবে।

৮. ভালোবাসা দিয়ে বোঝান: বকা না দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরুন। তারপর বলুন, "আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, কিন্তু এভাবে চিৎকার করা ঠিক না।"

৯. খেলার ছলে শেখান:বিপুতুল বা খেলনার মাধ্যমে তাকে বুঝিয়ে বলুন, কীভাবে শান্ত থাকতে হয়। শিশুরা খেলার মাধ্যমে সবচেয়ে ভালো শেখে।

১০. ভালো উদাহরণ হন: আপনার সন্তান আপনাকে দেখেই শেখে। আপনি যদি ধৈর্য ধরেন, তাহলে সেও ধৈর্যের শিক্ষা পাবে।

এই কৌশলগুলো মেনে চললে আপনার সন্তানের জেদ কমানো সহজ হবে এবং আপনারা একে অপরের আরও কাছাকাছি আসতে পারবেন। আপনার সন্তানের জেদ সামলাতে আপনি কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেন?

🌸✨ নতুন কালেকশন এসে গেছে ✨🌸❤️ রেড এম্ব্রয়ডারি সেট – সাথে ফ্লোরাল প্রিন্ট ওড়না💃 একবার পরলেই মন জয় করে নেবে🪡 ফাইন কোয়া...
11/08/2025

🌸✨ নতুন কালেকশন এসে গেছে ✨🌸

❤️ রেড এম্ব্রয়ডারি সেট – সাথে ফ্লোরাল প্রিন্ট ওড়না
💃 একবার পরলেই মন জয় করে নেবে
🪡 ফাইন কোয়ালিটি ফেব্রিক + গর্জিয়াস হ্যান্ড এম্ব্রয়ডারি
📦 হোম ডেলিভারি সুবিধা

🔥 স্পেশাল প্রাইস – মাত্র ৳700 🔥

📲 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন এখনই!
স্টক শেষ হওয়ার আগে অর্ডার কনফার্ম করুন 💌

আড়ং এর নতুন  শপিং ব্যাগ। এখন শপিং করলে এই শপিং ব্যাগ টাকা দিয়ে ক্রয় করে নিতে হবে।  মানে এতো টাকা দিয়ে কি করবেন আপনারা? ব...
08/08/2025

আড়ং এর নতুন শপিং ব্যাগ। এখন শপিং করলে এই শপিং ব্যাগ টাকা দিয়ে ক্রয় করে নিতে হবে। মানে এতো টাকা দিয়ে কি করবেন আপনারা? ব্যাগ পরিবর্তন করেছেন ভাল কথা, কিন্তূ সেটা টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে কেন??😒

Address

House/12, Road/04, Shiyalbari, Mirpur/2
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tazwar Collection's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share