মুন্-নী - MUNNY

মুন্-নী - MUNNY ​"Alhamdulillah for new beginnings. Praying for barakah, growth, and the strength to serve you with the very best."

অফিসে আজ সারাদিন কারেন্ট নাই আর জেনারেটর ও  চলে না 🥲 But I have a plan😆😆😆😆😆😆
26/07/2026

অফিসে আজ সারাদিন কারেন্ট নাই আর জেনারেটর ও চলে না 🥲 But I have a plan😆😆😆😆😆😆

এখানেও💙🤍💙🤍💙🌏
20/06/2026

এখানেও💙🤍💙🤍💙🌏

27/05/2026

আমি রামিসার ছবি এভাবে ডাইরেক্ট প্রকাশ করার পক্ষপাতি না।
বরং যেখানে খুনি তার ছবি বেশি বেশি প্রকাশ করার পক্ষপাতী আমি।

আসেন একটা ঘটনা বলি,

শিশু ধর্ষন ও ধর্ষনকারীদের নিয়ে ২০১৫ তে মুক্তি পাওয়া একটা অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে- ‘The Disappearance of Willie Bingham’.

১২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটি যারা দেখেননি তাদের জন্য কাহিনীটা বলছি।

সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম, একজন অপরাধী, যে একটি নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খু*ন করে। কিন্তু আদালত তাকে মৃত‍্যুদন্ড দেয় না কারণ ঐ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ডের শাস্তি তুলে নেওয়া হয়েছে। সে জেলেই থাকবে এবং ভালোই থাকবে। তাই হয়তো আদালতে সে নির্বিকার, অপরাধবোধহীণ ছিল। কিন্তু আদালত এবং আইন চাইছিলো না এমন এক অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তি না দিয়ে শুধু জেলে রাখতে।

তখন সেদেশের আইন নতুন এক শাস্তি প্রনয়ন করলো। যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে কখনো হয়নি। এবং এই শাস্তির ফলাফল অপরাধীদের মধ্যে কি হয় তা দেখতে চাইলো।
নতুন আইন অনুযায়ী, তার শাস্তি হলো— ‘এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ', তবে ব্যাথাহীনভাবে, সার্জারীর মাধ্যমে।
ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হলো অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে! মেয়েটির পরিবার এই আইনে রাজি হলো। সেখান থেকেই সিনেমার শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।
এবার শাস্তি শুনে উইলির মুখে সেই নির্বিকার ভাব আর থাকলো না। নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।কারণ মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর কেটে বাদ দেওয়া হলো তার বাম হাত। অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো ধর্ষিত ও মৃত বাচ্চাটির পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।
তবে উইলি বিংহামের সাহস তখনো অবশিষ্ট ছিলো। সে জোর দিয়ে কথা বলতো, হাসতো, জেদ দেখাতো। কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!
আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পঙ্গু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা। শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো, সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে কাচের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

৫ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।
কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।
​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না। সে শুধু মনে মনে চাইছিল মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা। এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে। উইলির মৃত্যু ঘটবে, শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না, বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য অনুমতি দিলেন না। তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট, এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান। তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।
সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।
​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিং এর দিকে। জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে। তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়। মাথায় চিরদিনের মতো গেঁথে যায় শিশু ধর্ষন ও হত্যার শাস্তি ।

[ধর্ষনের এরকম কোনো একটা শাস্তি বাংলাদেশে প্রনয়ন করা যায় না?]



অপ্রিয় ও অশ্রদ্ধেয় অভিনেত্রী  ডলি জহুর... আপনি আল্লাহ কে চেনেন নি।আপনার অনেক বয়স হয়েছে, কিন্তু আপনি এখনো শেখেননি যে আল্ল...
15/04/2026

অপ্রিয় ও অশ্রদ্ধেয় অভিনেত্রী ডলি জহুর...
আপনি আল্লাহ কে চেনেন নি।
আপনার অনেক বয়স হয়েছে,
কিন্তু আপনি এখনো শেখেননি যে আল্লাহ কে!

নাটক সিনেমার অভিনেতা অভিনেত্রী নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক মাতামাতি হলেও
তাদের প্রতি বিরক্তি ছাড়া আমার কোনো ফিলিংস আসেনা।

নাটক সিনেমা এমন জিনিস,
যা হলো কুশিক্ষার সবচেয়ে বড় সোর্স।
নাটক সিনেমা জিনা ব্যভিচার কে বানাইছে স্বর্গীয়
অশ্লীলতা কে বানাইছে স্মার্টনেস,
আর হারাম কে বানাইছে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম

তাই এই জগতের মানুষ নিয়ে কথা বলার খুব একটা প্রয়োজন বোধ করিনা, তারা কি বললো কি করলো এগুলোতেও ইন্টেরেস্ট ফিল করিনা।
কিন্তু কথা হচ্ছে, আপনার যদি একটা বিষয়ে ন্যুনতম জ্ঞান না থাকে,
সেটা নিয়ে পাবলিকলি কথা বলা উচিৎ না।

এই বয়স্কা অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলতেছে
তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অভিনয় করতে চান।
এই কথা বলার সময় তার মুখের প্রশান্তির এক ছাপ।
ভালো কথা...

সাথে আবার এটাও বললেন,
অনেকেই তাকে বলে-
বয়স তো অনেক হয়েছে, এসব ছেড়ে আল্লাহর নাম নিতে।
এই কথা বলতে গিয়ে মুখে এই ছবির মতো বিরক্তি নিয়ে
তিনি বললেন- তিনি নামাজ পড়েন, কুরআন খতম দেন, রমজানে রোজা রাখেন
এরপর আর কতো!
এরপর সারাদিন যদি ঘরে বসে তিনি আল্লাহ আল্লাহ ই করেন তাহলে উনি আআল্লাহর উপর বিরক্ত হয়ে যাবে (আস্তাগফিরুল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ)

এরপর আরো বললেন
আমাকে তো খেতে হবে,
প্রাত্যহিক কাজ করতে হবে,
সারাদিন আল্লাহ আল্লাহ করলে তো জীবন চলবে না।

উনি এড করলেন যে আমি মুসলিম,
এখানেই আমার কষ্ট।
একজন মুসলিম এতো মূর্খ হতে পারে না।

আপনি জানেন না, বা শেখেন নি,
সেটার জন্য ভুরু কুচকে আপনি আল্লাহ'র উপর বিরক্তি দেখাতে পারেন না।

Yes!
আল্লাহ বলেছেন "আমি মানুষ ও জ্বিন জাতি কে সৃষ্টি করেছি, শুধু আমার ইবাদত করার জন্য"

কিন্তু ইবাদত মানে শুধুই নামাজ, রোজা আর কুরআন পড়া না।

-নামাজের পরেই আল্লাহ হালাল রিজিকের সন্ধানে দুনিয়াতে বেরিয়ে পরতে বলেছেন।
তো আপনি যখন হালাল কাজ খোঁজেন, সেটাও ইবাদত।

-আল্লাহ এতো সুন্দর জীবন বিধান দিয়েছেন
যেখানে পরিবারের জন্য খরচ করা সবচেয়ে উত্তম সাদকাহ হিসেবে গণ্য করেছেন।
তো আপনি আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য পরিবারের জন্য ভালো শপিং করলেও সেটা ইবাদত।

-ইসলাম এতো সুন্দর জীবন বিধান যে, স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেও সওয়াব।

-আল্লাহ আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে বলেছে এই চিন্তা মাথায় নিয়ে আত্বীয় কে একটা ফোন দিলেও সেটা ইবাদত।

-আল্লাহ আপনার সন্তান কে সঠিকভাবে লালন পালন করতে বলেছে, এই কথা মাথায় রেখে সন্তানের সঠিক প্যারেন্টিং ও একটা ইবাদত।

-স্বামীর হক আদায় করতে বলেছেন, এই চিন্তা মাথায় নিয়ে স্বামীর পছন্দের খাবার বানানোটাও ইবাদত।

-আল্লাহ স্ত্রীকে খুশি রাখতে বলেছেন, এই নিয়তে স্ত্রীকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া ও ইবাদত।

-মানুষের সাথে একটা ভালো বলাও ইবাদত।

এভাবে একজন মুমিন দিনের প্রত্যেকটা কাজে আল্লাহর কথা স্মরণ করে আল্লাহ যেভাবে করতে বলেছেন সেভাবে করলে, সে সারাদিন আল্লাহ'র ইবাদত করলো। মানে আল্লাহ-আল্লাহ করলো।

আপনি যেখানে বিরক্ত হলেন, সেখানে একজন মুমিন প্রতিটা কাজকে ইবাদত বানিয়ে নিল।
প্রতিটা কাজের বিনিময়ে সওয়াব পেলো।
দুনিয়া আর আখিরাতে সম্মানিত হলো।

সারাদিন আল্লাহ-আল্লাহ করা বলতে একজন মুসলিম এটাই বোঝে।
আর আপনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ, রোজা আর কুরআনের বাইরে আল্লাহর ইবাদত মানে বিরক্ত হওয়া বুঝতেছেন। এবং সেই বিরক্তি বিশ্রী ভাবে মুখভংগী তে প্রকাশ ও করছেন।

কোনো মানুষের সম্পর্কেই যদি না জেনে কেউ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে,
সে মেনে নিবে?

আর আপনি কার প্রতি এই বিরক্তি দেখালেন আপনি জানেন?
🙂

মাফ করবেন, কিছু মানুষের হেদায়েতের জন্য মন থেকে দু'আ আসে না।
Collected

10/03/2026

🌙 লাইলাতুল কদরের রাতে আমলের একটি সহজ গাইডলাইন
লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম একটি রাত। তাই এই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত যেন ইবাদতে কাটে, সেজন্য একটু পরিকল্পনা করে নেয়া ভালো।
প্রস্তুতি:
সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাতে জেগে ইবাদত করার শক্তি পাওয়া যায়, ইনশাআল্লাহ। গোসলসহ প্রয়োজনীয় বড় কাজগুলো আগেই সেরে রাখুন, যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময়ও নষ্ট না হয়।
🌙 ১। মাগরিবের পর
মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা, টিভি দেখা থেকে বিরত থাকুন।
হাতে কোনো কাজ থাকলেও মুখে দোয়া ও জিকির করতে থাকুন।
🌙 ২। কথাবার্তায় সতর্ক থাকুন
মাগরিবের পর থেকেই কদরের রাতের শুরু হতে পারে।
তাই খেয়াল রাখবেন—
গীবত, পরনিন্দা বা অপ্রয়োজনীয় কথা যেন না হয়।
এইসব গুনাহের কারণে যেন আপনার কদরের রাত নষ্ট না হয়ে যায়।
🌙 ৩। মাগরিবের নামাজের পর
মাগরিবের নামাজ শেষে সন্ধ্যার দোয়া ও জিকিরগুলো বই দেখে ভালোভাবে পড়ে নিন।
এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে, ইনশাআল্লাহ।
🌙 ৪। এশার নামাজ
ভাইরা মসজিদে গিয়ে এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করবেন।
বোনেরা ঘরে একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন, যেন পূর্ণ এনার্জি নিয়ে দীর্ঘ সময় ইবাদত করতে পারেন।
🌙 ৫। নফল নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াত
এশার নামাজের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কদরের নিয়তে ২ রাকাত করে নফল নামাজ পড়তে পারেন।
নামাজ শেষে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন।
🌙 ৬। রাত ১টা – ২টা : জিকির ও দোয়া
🔹 কদরের রাতের সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া:
"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।"
🔹 জান্নাতে গাছ লাগানোর জিকির:
"সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহি"
🔹 আরো পড়তে পারেন —
সুবহানাল্লাহ (১০০+ বার)
আলহামদুলিল্লাহ (১০০+ বার)
আল্লাহু আকবার (১০০+ বার)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১০০+ বার)
আস্তাগফিরুল্লাহ (১০০+ বার বা যত বেশি সম্ভব)
বেশি বেশি দুরুদ শরীফ
🔹 অন্যান্য জিকির:
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদীর (১০০ বার)
দোয়া ইউনুস:
"লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জালিমীন"
সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আ'যিম
🔹 এছাড়াও পড়তে পারেন:
লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
সূরা ইখলাস
সায়্যিদুল ইস্তিগফার
সূরা মুলক
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
কুরআনে উল্লেখিত বিভিন্ন দোয়া
🔹 জান্নাত প্রার্থনা ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা:
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস।
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার।"
🌙 ৭। রাত ২টা – ৩টা : তাহাজ্জুদ নামাজ
এই সময় ধীরে ধীরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ুন।
রুকু ও বিশেষ করে সিজদায় বেশি সময় নিয়ে দোয়া করুন।
সিজদায় নিজের সব প্রয়োজন আল্লাহর কাছে খুলে বলুন।
🌙 ৮। সালাতুল হাজত
মনের বৈধ কোনো প্রয়োজন থাকলে সালাতুল হাজত নামাজ পড়তে পারেন।
এটিও ২ রাকাত করে নফল নামাজ।
🌙 ৯। শেষ রাতের দোয়া
শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলে আল্লাহর কাছে কাঁদুন।
নিজের সব দুঃখ, কষ্ট ও প্রয়োজন খুলে বলুন।
বলুন—
"হে আমার মালিক, আমি আপনারই ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই সাহায্য চাই..."
🌙 ১০। সাহরি ও ফজর
সাহরি খান এবং ফজরের নামাজ আদায় করুন।
✨ গুরুত্বপূর্ণ কথা:
রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯)-এর যেকোনো একটি রাতই লাইলাতুল কদর হতে পারে।
তাই এই রাতগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করুন।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদর পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।



👇 ৭দিনে চুল পড়া বন্ধের রুকইয়াহ চ্যালেঞ্জ 🟢 ৭ দিনের প্রতিরাতে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন ১০ মিনিট। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে আলতু ক...
09/02/2026

👇 ৭দিনে চুল পড়া বন্ধের রুকইয়াহ চ্যালেঞ্জ

🟢 ৭ দিনের প্রতিরাতে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন ১০ মিনিট। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে আলতু করে তালুতে ম্যাসাজ দিন এবং সূরা ফাতিহা পড়তে থাকুন। একবার সূরা ফাতিহা পড়া হলে হাতের আঙুলে ফুঁক দিন। ওই আঙুল দিয়েই ম্যাসাজ করতে থাকুন। এভাবে ১০ মিনিট যতবার সম্ভব সূরা ফাতিহা পড়বেন। (বিজোড় সংখ্যায় পড়লে ভালো)

🟢 প্রতিদিন সকালের নাশতার পর ১ চিমটি কালোজিরা চিবিয়ে খাবেন। কালোজিরাতে শেফাহ আছে।

🟢 যারা চুলে তেল ব্যবহার করেন,চেষ্টা করবেন যায়তুনের তেল দিতে। এটা বরকতময় তেল৷ আর যদি অন্য তেল দেন,তবে বিজোড় সংখ্যক সূরা ফাতিহা তিলওয়াত করে তেলে ফুঁক দিবেন।

বিশেষ টিপসঃ যাদের যামযাম পানি আছে, তারা চুলের গোড়ায় অল্প করে যামযাম নিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। চুল পড়া বন্ধের নিয়তে খেতে পারেন।

সাতদিন পর আল্লাহর ইচ্ছেতে নিজের চুলে পরিবর্তন দেখবেন। সম্ভব হলে নিয়মিত এই আমল করে যাবেন ইন শা আল্লাহ। সেই সাথে পুষ্টিকর খাবার খাবেন। দুঃশ্চিন্তামুক্ত থাকবেন।

পোস্টটি উপকারের নিয়তে শেয়ার করুন 🌸
#ফালাহفلاح

03/02/2026

শবে বরাতের রাত যেভাবে কাটাবেন, মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আপনার ফায়দার জন্য।

আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে" শবে বরাত" এই শবে বরাত হতে পারে আমাদের জীবনের শেষ শবে বরাত। এই রাত মুক্তির রাত, সুতরাং অবহেলা না করে অতিতের গুনাহের কথা স্মরণ করে তাওবা করি তারপর ধারাবাহিক শবে বরাতের রাতে আল্লাহ জন্য ইবাদাত করি। এমনভাবে ইবাদত করতে হবে যাতে একটি ছোট আমল যেন এই রাতে মিস না হয়। যেভাবে সারারাত ইবাতদ করবো-

খুব মনোযোগ দিয়ে অজু করবেন অজু শেষে কালেমা শাহাদাত পড়বেন। সারারাত অজুর সাথে থাকার চেষ্টা করবেন, এতে অনেক সাওয়াব আছে। মাগরিবের আযান হলে মনোযোগ দিয়ে আযানের জবাব দিবো তার পর দুরুদ পড়বো, এর পর আযানের দোয়া পড়বো খাস দিলে।

তাহার পর খুব বিনয়ও নম্রতার সাথে মাগরিবের নামাজ পড়বো, ২ রাকাত করে ৬ রাকাত আওয়াবিন নামাজ পড়বো। মাগরিবের ও আওয়াবিনের নামাজের ফাঁকে বা পরে সন্ধ্যার যিকিরও আমগুলো করবো ১৫ মিনিট। তার পর সূরা ওয়াকিয়া পড়বেন।

তার পর ইসলামি বই পড়বেন এশার আগ পর্যন্ত যাতে ইবাদতের প্রতি আগ্রহ আসে, বিশেষ করে তাওবা সম্পর্কে বই পড়বেন যাতে খাঁটি তাওবা নসিব হয়। জান্নাতের নিয়ামত সম্পর্কে পড়বেন যাতে জান্নাত পাওয়ার আশায় আমল করতে পারেন, এবং জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে পড়বেন যাতে জাহান্নামে কঠিন আযাবের কথা স্মরণ করে ইবাদতও তাওবা করা যায়।

তার পর অনুরূপ এশার নামাজ পড়বেন। এশার নামাজের পর হাদিসে বর্ণিত আমল করবেন, সূরা মুলক পড়বেন তারপর খুব বিনয়ের সাথে খাঁটি তাওবা করবেন। এই রাতে বারবার তাওবা করবেন। কারণ তাওবাকারী ব্যক্তি পাপহীন ব্যক্তির ন্যায়। সামান্য খাবেন, বেশি খেলে ইবাদত করতে অলসতা আসবে। খাওয়াতে সময় কম নিবেন, ঐ রাতের জন্য গল্প করা বাদ একটি রাত অবহেলা করে সময় পাস করবেন না।

শবে বরাত নামে আলাদা কোন নামাজ নাই। তবে কিছু কিতাবে ১০০ রাকাত সর্বনিম্ন ১৪ রাকাত পরার কথা রয়েছে।

২ রাকাত করে নফলের নিয়তে যত রাকাত ইচ্ছে নফল নামাজ পড়বেন ইখলাসের সাথে।২ রাকাতের মাঝখানে তাওবাও দোয়া করবেন।

কুরআন তেলাওয়াত করবেন যত বেশি পড়বেন ভালো।

সালাতুত তাসবিহের নামাজ পড়বেন।

কমপক্ষে ১ হাজার বার করে দুরুদ ও ইস্তেগফার করবেন।

সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ১০০ বার করে পড়বেন।

সুবহানাল্লাহি ওয়া-বিহামদিহি ১০০ বার পড়বেন। সুবহানা রাব্বি ওয়া-বিহামদিহি ১০০ বার।

হাসবুনাল্লাহু ওয়া-নি'মাল ওয়াকিল, নি'মাল মাউলা ওয়া-নি'মান নাসির যতবার ইচ্ছে পড়বেন।

লা-ইলাহা ইল্লাহ ১০০ বার।

বিঃদ্রঃ এই আমলগুলো ২ রাকাত করে যে নফল নামাজ পড়বেন তার ফাঁকে ফাঁকে করবেন।

দান সদকা করবেন সামর্থ্য অনুযায়ী। এতিম, গরিব, বিধবা হলে দান করলে ভালো।

পুরুষ কবরে গিয়ে জিয়ারত করবেন এবং আপনার পাশের আউলিয়া কেরামের মাজার জিয়ারত করবেন। মহিলা বাড়ি থেকে বা দূর থেকে জিয়ারত করবেন। কেননা রাসুল এই রাতে জান্নাতুল বাকীতে জিয়ারত করেছেন।

তারপর ৩ টার দিকে ২ রাকাত করে সর্বোচ্চ ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বেন, সাহরি খাবেন।

দোয়া ও তাওবা করবেন বেশি করে।

বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়বেন।

পরিশেষে ফজরের সময় হলে, ফজরের নামাজ পড়ে, যিকির করে শেষ মুনাজাত দিয়ে ঘুমাবেন।

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিবেন সবার কাছে।

©️

Alor Eshara

#শবে_বরাত

02/02/2026

যারা দোয়া করছেন, কিন্তু কবুল হচ্ছে না—
যারা আমল করেও ফল পান না, তারা পুরো লেখাটা অবশ্যই পড়বেন।

সেদিন হাদিস পড়ছিলাম মধু নিয়ে। যেহেতু নিয়মিত মধু খাওয়া শুরু করেছি, মনে হয়েছে মধু নিয়ে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কি বলেছেন, তা জানা উচিত।

বুখারীর একটা হাদিস পড়েছিলাম, মধু নিয়েই। হাদিস নাম্বার মনে নেই। সরাসরি হাদিসটা বর্ণনা না করে আমি আমার মতো বলি!

একবার একজন লোক এসে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললেন যে, তাঁর ভাইয়ের পেটব্যথা। সম্ভবত ডায়রিয়া হয়েছিলো, এক্সাক্ট মনে নেই। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ওই লোককে মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন। কারণ, মধুতে শেফা আছে। তো ওই লোক চলে গেলেন। আবার ফিরে এসে জানালেন যে, তাঁর ভাইয়ের অসুস্থতা ভালো হয়নি। তিনি (ﷺ) আবারও মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন।

এভাবে কয়েকবার লোকটার ফিরে আসার পর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ দিলেন এবং বললেন যে, “আল্লাহ সত্য বলেছেন, আর তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যা বলছে।” অতঃপর লোকটা ফিরে গিয়ে তাঁর ভাইকে মধু খাওয়ালেন এবং অবশেষে সে (লোকটার ভাই) সুস্থ হলো।

হাদিসটা পড়তে পড়তে আমার চিন্তা মধু থেকে সরে গিয়ে অন্য জায়গায় গেলো।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি, দু’আ করে অভিযোগ করি যে, আল্লাহ দু’আ কবুল করেন না। দুরুদ-ইস্তেগফার করে বলি, পেরেশানি দূর হয় না; বিপদ কাটে না। সদকাহ্ করেও সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেখি না। হাদিসে উল্লেখিত ঋণমুক্তির দু’আগুলো পড়েও ঋণ থেকে মুক্ত হতে পারি না।

আচ্ছা, আল্লাহ কি কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন?
তাঁর বাণী তো মহাসত্য! তাঁর রাসূলের (ﷺ) হাদিস কি মিথ্যা হতে পারে? কখনোই নয়!

আপনি কুরআন খুলুন। সূরা বাকারাহতে রমাদানের আয়াতগুলোতে দেখুন। আল্লাহ বলেছেন, তিনি বান্দাদের ডাকে সাড়া দিবেন। তিনি বলেছেন, বান্দার দু’আ তিনি কবুল করবেনই। সূরা বাকারাহ’র শেষ দিকে সদকাহ্-র আয়াতগুলো দেখুন! সম্ভবত ২৬১ থেকে শুরু। আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, তিনি দানকারীর দান ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিবেন কিংবা তারচেয়ে বেশি। তিনি দানকারীকে অভয় দিয়েছেন, যারা গোপনে-প্রকাশ্যে দিনে/রাতে সদকাহ্ করে, তাদের ভয় নেই, দুঃশ্চিন্তা নেই।

আপনি সূরা নূহ এ ইস্তেগফারের আয়াতগুলো পড়ুন। আল্লাহ বলেছেন, বান্দা যদি ক্ষমা চায়, তিনি বান্দাকে ক্ষমা তো করবেনই, সাথে দিবেন অঢেল রিজিক; সন্তান, বাগান, ফলফলাদি। এবং বান্দা যতক্ষণ ইস্তেগফারে থাকবে, ততক্ষণ তাকে আযাব স্পর্শ করবে না।

হাদিসে এসেছে, দুরুদ পড়লে হাজত পূর্ণ হয়৷ পেরেশানি দূর হয়। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) যখন বলেছেন, তারমানে এটা যে সত্য, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঋণমুক্তির দু’আ আছে। ওই দু’আগুলো পড়লে পাহাড়সম ঋণও আল্লাহর পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে, এমনটাই হাদিসে এসেছে।

আমাদের প্রতিটা দু’আ আল্লাহ কবুল করেন। কারণ, আরশের মালিক ওয়াদা দিয়েছেন। আমাদের সদকাহ্ বিফলে যায় না। তা বেড়ে যায় বহুগুণ। দুরুদ পড়লে সত্যিই হাজত পূর্ণ হয়। ইস্তেগফারে রিজিকে বারাকাহ্ আসে। হাদিসে বর্ণিত ঋণমুক্তির আমলে, ঋণ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। প্রতিটি আমলই সত্য এবং কার্যকরী। যদি কাজ না হয়, বুঝতে হবে– হয় আমাদের আমলের মাঝে ত্রুটি আছে, না হয় রব্ব সবরের পরীক্ষা নিচ্ছেন।

মধুতে শেফা থাকা সত্ত্বেও একবারে তা কাজ করেনি। লোকটা কয়েকবার ফিরে এসেছিলেন। তবুও আল্লাহর রাসূল (সঃ) মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ বহাল রেখেছিলেন। কারণ আল্লাহ সত্য বলেছেন।

আমাদের আমলগুলোকেও এই হাদিসের সাথে রিলেট করতে পারি। আল্লাহর জন্য করা সবকিছুই লাভজনক। আমরা সেটা বুঝতে পারি, আর না পারি; আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বাণী অবশ্যই সত্য, মহা সত্য। এবং কাবার মালিক আমাদের প্রত্যেকের আমলের প্রতিদান দিবেন ইংশাআল্লাহ্।

— তাহিয়া ইসলাম copy

Address

Gulshan/2
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুন্-নী - MUNNY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share