Hand's Beauty

Hand's Beauty আসসালামু আলাইকুম।
ঈমান মানুষকে সঠিক পথ দেখায়।

25/08/2026

ফুল কভারেজ হিজাব।

এই ফুলের মত মানুষের মন যদি হতো, তাহলে সবকিছু কতই না ভালো হতো।
25/08/2026

এই ফুলের মত মানুষের মন যদি হতো, তাহলে সবকিছু কতই না ভালো হতো।

বড় সাইজের হিজাব। সাইজ -২২০/১০০নিতে চাই ইনবক্স প্লিজ...
24/08/2026

বড় সাইজের হিজাব।
সাইজ -২২০/১০০
নিতে চাই ইনবক্স প্লিজ...

22/08/2026
03/12/2025

মানুষ গুলো এমন ক্যান? কষ্ট দিয়ে বলে কষ্ট পাইস না, তোরে কষ্ট দেওয়ার জন্য বলিনি।

03/12/2025

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
"তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়িয়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।"

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ ২৯]

29/11/2025

উম্মাহাতুল মু'মিনিনদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন যাইনাব বিনতে জাহাস (রা)। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর স্ত্রীদের বলেছিলেন, "তোমাদের মাঝে যার হাত সবচেয়ে বেশি লম্বা সে-ই সবার আগে মারা যাবে।" উনি এর দ্বারা বুঝিয়েছেন যে সবচেয়ে বেশি দানশীল। পরে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পরে তাঁর স্ত্রীদের মাঝে সবার আগে যাইনাব (রা) মারা যান।

উনি কেমন বিস্ময়কর দানশীল ছিলেন তার একটি উদাহরণ দিচ্ছি। হযরত ওমর (রা) এর শাসনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীরা সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রীয় ভাতা পেতেন। এর পরিমাণ ছিল বছরে ১২ হাজার দিরহাম! সে সময়ে এটি ছিল বিশাল অংকের অর্থ। এমন অর্থ পাওয়া ছিল রীতিমত সৌভাগ্যের ব্যাপার।

তো, যাইনাবকে ১২ হাজার দিরহাম প্রদান করা হয়। তার সামনে এগুলো ঢেলে দেওয়া হয়। স্বর্ণ মুদ্রার বিশাল এক স্তূপ! এটা দেখে তিনি বলতে লাগলেন-- "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। সুবহানাল্লাহিল আজিম। আল্লাহ আমাদের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।" এরপর তিনি সমস্ত অর্থগুলো পাড়া প্রতিবেশী সবার মাঝে বণ্টন করে দিলেন। অমুক বাড়িতে এই পরিমাণ, তমুক বাড়িতে ঐ পরিমাণ...। এভাবে শেষ পর্যন্ত আর একটি মুদ্রাও বাকি থাকলো না। ১২ হাজার মুদ্রার বিশাল এই স্তূপ নিঃশেষ হয়ে গেলো।

ওমর (রা) এটা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি যাইনাবের বাড়িতে এলেন। দরজায় নক করে বললেন, আমি শুনেছি যে আপনি সমস্ত অর্থগুলো দান করে দিয়েছেন। এই যে আমি আপনার জন্য আরও এক হাজার মুদ্রা নিয়ে এসেছি।

বলুন তো, যাইনাব এই নতুন এক হাজার মুদ্রা দিয়ে কী করলেন? তিনি এই এক হাজারও দান করে দিলেন। এরপর তিনি আল্লাহর কাছে দুয়া করেন— "ও আল্লাহ! পরের বছর আমি যেন এই মুদ্রাগুলো আর না দেখি।"

কারণ, টাকা-পয়সা একটি বড় ফিতনা। কল্পনা করুন, কেউ আপনাকে এখন এক কোটি টাকা দিলো। আপনি এই টাকা দিয়ে কী করবেন? আল্লাহর প্রশংসা করুন যে, আল্লাহ আপনাকে এমন বড় পরিমাণের টাকা দিয়ে পরীক্ষা করছেন না।

তো, পরের বছর অর্থ প্রদানের সময় হওয়ার পূর্বেই যাইনাব (রা) মৃত্যুবরণ করেন। ওমর (রা) তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান।

যাইনাব তাঁর নামাজ রোজার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। আয়েশা (রা) নিজেই বলেছেন—"আমি যাইনাবের চেয়ে বেশি মুত্তাকী আর কাউকে দেখিনি।"

—ড. ইয়াসির কাদির আলোচনা থেকে.

19/11/2025

Nice ক্যা রে?

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hand's Beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share