The Blue

The Blue Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Blue, Dhaka.

কাপড়ের ক্ষেত্রে GSM কি?GSM মানে হল Gram Per Square Meter. অর্থাৎ প্রতি বর্গমিটার কাপড়ের কত গ্রাম কাপড় আছে তার পরিমাণ। এট...
14/10/2024

কাপড়ের ক্ষেত্রে GSM কি?

GSM মানে হল Gram Per Square Meter. অর্থাৎ প্রতি বর্গমিটার কাপড়ের কত গ্রাম কাপড় আছে তার পরিমাণ। এটি Knit Fabric এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার। কোন কাপড় এর GSM যত বেশি হবে সেই কাপড়টি তত মোটা হবে। সমান যায়গা দখল করে এরকম দুই টুকরা কাপড়ের যার GSM বেশি তার ওজন তত বেশি।

©textile & rmg solution.

আপনার চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো ডিজাইন আর ক্যাটাগরির পোশাক খুজতে আমরা আপনাকে সর্বোচ্চ  সহযোগিতা করবো। আপনি বলুন আমরা চেষ্টা ...
13/10/2024

আপনার চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো ডিজাইন আর ক্যাটাগরির পোশাক খুজতে আমরা আপনাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো। আপনি বলুন আমরা চেষ্টা করবো আপনাকে সহযোগিতা করার।

Winter-Summer.
Men's-Ledies, Boys-Girls All item.

13/10/2024

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

02/06/2021

Hlw guyz.

27/07/2019

ও নেগেটিভ (O-) এবং বি নেগেটিভ (B-)গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন হলে নীচের তালিকায় থাকা সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ও নেগেটিভ গ্রপের রক্তদাতাদের নামের তালিকা:
১. আরিফুল (ঢাকা)- 01681863978
২. সুদেব (ঢাকা)- 01722040118
৩. রিফাত হাসান (পুরানা পল্টন)- 01719141348
৪. ওসমান - 01552398518
৫. সা'দ- 01675731577
৬. কাজী ফায়েজ- 01672043252
৭. সঙ্গীতা- 01817547056
৮. তিতিল- 01911643004
৯. শাকিল (মিরপুর)- 01838600723
১০. সাব্বির- 01676882666
১১. রাশেদ আলম- 01813315120
১২. মুমতাহিনা সারোয়ার- 01674316717
১৩. মঞ্জুর- 01811621710
১৪. তরিকুল রাজু- 01675570106
১৫. আব্দুর রাকিব- 01723306635
১৬. সারোয়ার অনিক- 01913225372
১৭. আকাশ- 01752194960
১৮. বাবুল- 01819902617
১৯. জহিরুল ইসলাম- 01716381686
২০. রাজন (ঢাকা)- 01921311171
২১. রোমান (ঢাকা)- 01911868753
২২. শাহরিয়ার কবির (ঢাকা)- 01745551961
২৩. মাইনুল ইসলাম (জয়দেবপুর, গাজীপুর)- 0167336178, 01818293942, 01865018121-5
২৪. শ্রাবন মাহামুদ (গাজীপুর)- 01869288176
২৫. ফাহিমুর রহমান বাপ্পি (ফার্মগেট/নাখালপাড়া)- 01676542313
২৬. তাসনিম রেশমা (সাভার, ঢাকা)- 01675663729
২৭. আব্দুল আলিম খান (মতিঝিল)- 01920213855
২৮. সেজান আহমেদ সোহেল (চিটাগাং)- 01842296652
২৯. অনিক আহমেদ (ঢাকা)- 01672583718
৩০. কামরুল হাসান- 01912114304
৩১. আরিদ্বিপ (কল্যাণপুর)- 01913911417
৩২. আব্দুল মোহাইমিন (ঢাকা)- 01717690003
৩৩. আব্দুল্লাহ আল মামুন (যাত্রাবাড়ি)- 01818284284
৩৪. আশফাক হোসাইন (খিলগাও)- 01913263038
৩৫. অভিষেক (মালিবাগ)- 01199425780
৩৬. দ্বিন মোঃ শিবলী (ঢাকা)- 01712889090
৩৭. নেছার উদ্দিন (ঢাকা)- 01717081580
৩৮. ফয়সাল (উত্তরা)- 01199148033
৩৯. হাবিব (মিরপুর)- 0178654695
৪০. জামি উল বশির (ঢাকা)- 01717888394
৪১. রেহমুনা (বনানী)- 01716182029
৪২. মাহমুদ উল্লাহ (ঢাকা)- 01671984303
৪৩. মামুন (ঢাকা)- 01715447114
৪৪. মাসুম বিল্লাহ শান্ত (ঢাকা)- 01672122139
৪৫. মঈন উদ্দিন হাসান (ঢাকা)- 01915903997
৪৬. আবিদ হোসাইন (মিরপুর)- 01716457108
৪৭. আশিকুর রহমান (শের-এ-বাংলানগর)- 01912575317
৪৮. শাহনেওয়াজ হায়দার (ধানমন্ডি)- 01819436079

বি নেগেটিভ গ্রপের রক্তদাতাদের নামের তালিকা:
১. জাহিদ (ঢাকা)- 01713521174
২. জাকির (ঢাকা)- 01721010509
৩. সারোয়ার জাহান (উত্তরা)- 01819855040
৪. তাবাসসুম তানজিলা সুচি (উত্তরা)- 01614000774
৫. রুপক- 01822994925
৬. রাহুল (কল্যানপুর)- 01671766329
৭. হাবিব (ঢাকা)- 01723270161, 01923270161
৮. সুশিল অধিকারী (ঢাকা) - 01712505596
৯. আরমান (ঢাকা)- 01683030541
১০. অপু দাস (ঢাকা)- 01912849011
১১. দীপক রায় (ঢাকা)- 01710986199, 01911677033
১২. ইব্রাহীম খলিল (ঢাকা)- 01622840746
১৩. কাজী মহিউদ্দিন (ঢাকা)- 01929020403
১৪. খন্দকার কামরুল (ঢাকা)- 01678007440, 01911673109
১৫. হামিদ (ঢাকা)- 01818413272
১৬. আমিনুল ইসলাম বেলাল (ঢাকা)- 01197152636
১৭. হাসান মারুফ (ঢাকা)- 01554338266, 01979995533
১৮. মাসুদুর রহমান (ঢাকা)- 01670414565
১৯. ওমর ফারুক (ঢাকা)- 01717616483
২০. লুৎফুল আলম (ঢাকা)- 01704077929
২১. সাইফুল ইসলাম খান (ঢাকা)- 01811454043
২২. মোফাসসেরুল ইসলাম (ঢাকা)- 01716124908, 01912810617
২৩. হৃদয় (ঢাকা)- 01683739128, 01675576936
২৪. হাসিবুল ইসলাম (ঢাকা)- 01712949410
২৫. সাগর (ঢাকা)- 01673603896, 01961501410
২৬. তানভীর হোসাইন তুষার (ঢাকা)- 01677681114
২৭. তোফায়েল আহম্মেদ (ঢাকা)- 01920799928
২৮. স্বাধীন মাহমুদ (ঢাকা)- 01747751734
২৯. রিমি সুলতানা (মিরপুর)- 01680394978
৩০. ফাহাদ (ঢাকা)- 01911462457
৩১. ইউসুফ (ঢাকা)- 01819132727
৩২. মামুন (মগবাজার, ওয়্যারলেস)- 01722069310
৩০. মাইদুল ইসলাম (ঢাকা)- 01815314251

27/07/2019



ডেংগু জ্বর ও করনীয়ঃ

লক্ষণঃ হঠাৎ করে প্রচন্ড জ্বর দিয়ে শুরু হয়। ১০২ থেকে ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত। সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। সাথে থাকতে পারেঃ
*মাথাব্যথা
*প্রথম দুই দিনে মুখে,গলায়, ঘাড়ে লালচে ভাব, এরপর ৩- ৪ দিনের মাথায় লালচে র‍্যাশ। জ্বর সারতে থাকার সময় হাত ও হাতের তালু, পা এবং পায়ের তলাতে হাল্কা চুলকানো সহ র‍্যাশ।
*চোখের পিছনে বা চোখ নাড়াচাড়া করলে বা প্রেসার দিলে ব্যথা
*আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা
*মেরুদণ্ড / মাংসপেশী ও হাড়ে,ব্যথা
*এছাড়া ক্ষুধামান্দ্য, পায়খানা কষা হওয়া, পেট ব্যথা হতে পারে।

# উল্লেখ্য যে এই লক্ষ্মণগুলো রোগী ভেদে যথেষ্ট ভিন্ন হতে পারে।
রোগীকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যান।
আপনার ডাক্তার আপনাকে এই পরীক্ষাগুলো করতে দিবেন জ্বর এর ৩ দিনের মধ্যেঃ
CBC, Hematocrit, NS1 antigen, SGOT, SGPT

এই পর্যায়ে আবশ্যকীয় চিকিৎসাঃ

* পূর্ণ বিশ্রাম ( bed rest)
* পর্যাপ্ত তরল খাবার যেমন দুধ/ ফলের রস / সুপ/ ডাবের পানি/ ভাতের মাড় - একজন পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের জন্য ২৫০ মিলি গ্লাসের ৬ গ্লাসের বেশি। বাচ্চাদের জন্য ৩ থেকে ৫ গ্লাস মিনিমাম। বয়স অনুযায়ী।
সতর্কতাঃ শুধু পানি অতিরিক্ত খেলে শরীরে লবন চিনির ভারসাম্য ব্যহত হবে তাই তরল খাবার খেতে হবে।
* কুসুম গরম পানিতে শরীর বারবার মুছে দিতে হবে।
* শরীরের তাপমাত্রা অবশ্যই ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইট এর নিচে রাখতে হবে। এ জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল। ( নাপা/ এইস) প্রতি ট্যাবলেট এ ৫০০ মিলিগ্রাম আর সিরাপে ৫ মিলিতে ১২০ মিলিগ্রাম থাকে)

পূর্ণবয়ষ্কঃ ১০ - ১৫ মিলিগ্রাম /কেজি/ ডোজ ৬ ঘন্টা পরপর ভরা পেটে। মানে ৫০ কেজির মানুষ খাবে এক থেকে দেড় ট্যাবলেট আর ৯০ কেজির মানুষ খাবে ২ টি ট্যাবলেট প্রতি ডোজে। দিনে ৪ বারের বেশি নয়।

১২ বৎসরের নিচে শিশুঃ
১ বছর বয়সঃ এক থেকে দেড় চা চামচ
১ থেকে ৪ বছর বয়সঃ দেড় থেকে দুই চা চামচ
৫ বছর বয়সঃ দুই থেকে আড়াই চা চামচ
এরপর ১৫ মিলিগ্রাম / কেজি / ডোজ হিসাবে দিতে হবে ৬ ঘন্টা পর পর, মোট ৪ বারের বেশি নয়।

# কোন অবস্থাতেই ক্লোফেনাক ( voltalin) / এসপিরিন/ আইবুপ্রোফেন / স্টেরয়েড জাতীয় ব্যথানাশক বা জ্বরনাশক ঔষধ দেওয়া যাবে না।

# সতর্কতার সাথে রোগীর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে কারন পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে ডেংগু রোগ দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে।রোগীর জ্বর সেরে যাওয়ার পর পরবর্তী দুই দিন খুব ভালভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

# নিচের যেকোনো লক্ষ্মণ দেখা দিলে সাথে সাথে নিকটবর্তী চিকিৎসক / হাসপাতালে নিতে হবে তা না হলে রোগীর মারাত্মক জটিলতা হতে পারেঃ

*শরীরের যেকোনো স্থান থেকে রক্তপাত যেমন চামড়ার নিচে লাল দানা ( রক্তবিন্দুর মত) অথবা তার চাইতে একটু বড় /নাক বা মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ / রক্তবমি/ কালো পায়খানা /অতিরিক্ত মাসিক বা যোনীপথ এ রক্তক্ষরণ।
* অতিরিক্ত বমি অথবা কিছু পান করতে না পারা
* প্রচন্ড পেট ব্যথা
* আচরণগত পরিবর্তন / ঝিমুনি / খিঁচুনি / অতিরিক্ত কান্না/ ঘুম ঘুম ভাব
* হাত পা এর তলা ফ্যাকাসে ঠান্ডা ভিজা ভাব
* শ্বাসকষ্ট
*বসা বা শোয়া থেকে দাঁড়ালে মাথা ঘুরানো
* ৪ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে প্রসাব না হওয়া।

Reference : National Guideline for Clinical Management of Dengue Syndrome
4th Edition 2018.

এরপর মারাত্মক ডেংগু এর চিকিৎসার দ্বায়িত্ব চিকিৎসক এর। সর্বাবস্থায় মনে রাখতে হবে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ জ্ঞান আর সেবাটুকু দিয়ে রোগীর জীবন রক্ষার চেষ্টা করব। কিন্তু আমরা রোগের চিকিৎসা করি, মৃত্যুর নয়। অধিকাংশ রোগীই সম্পুর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন আবার আমাদের সহকর্মী, তাদের সন্তানরাও ডেংগুতে মারা যাচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে আমাদেরও হাতে কিছু থাকে না। তাই পরম করুনাময় এর উপর ভরসা রেখে আমাদের নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে নিরাপদে চিকিৎসা করার পরিবেশ বজায় রাখবেন এটুকুই প্রার্থনা।

ডাক্তার শাওলী সরকার
সহকারী অধ্যাপক
ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শের- ই - বাংলা নগর, ঢাকা।

পোষ্টটি শেয়ার করে নিজেদের টাইমলাইনে রাখুন এবং অন্যদের দেখতে সাহায্য করুন।

22/07/2019

আমাদের অনেকের ধারণা রাতে জ্বর আসলেই হয়তো জ্বরঠোসা হয়। এই ধারণা আসলে কতটুকু সত্যি...? জ্বরঠোসা আসলে শুধুমাত্র জ্বরের কারণে হয়ে থাকে, তা নয়। এর একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে....

ঠোটের কোণায় কিংবা বর্ডারে একগুচ্ছ ফুসকুড়ি। সাধারণভাবে আমরা একে বলে থাকি জ্বরঠোস, জ্বর-ঠোসা বা জ্বরঠুঁটো। এটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ফিভার ব্লিস্টার বলে। প্রকাশ পাবার ২-৩ দিনের মধ্যে ব্লিস্টারে ব্যথা অনুভব হলে তখন একে বলা হয় কোল্ড সোর।

লক্ষণ: ঠোটের কোণে, বর্ডারে বা বর্ডারের আশেপাশে গুচ্ছ-বদ্ধ ফুসকুড়ি, জ্বর, ব্যথা, বমিভাব কিংবা বমি, মাথাব্যথা।

কেন হয়: সাধারণভাবে আমরা মনে করি জ্বর আসার লক্ষণ হিসেবে এই ফুসকুড়ি উঠেছে। আসলে তা নয়। ফিভার ব্লিস্টারের কারণ হচ্ছে HSV-1 ইনফেকশন। এই ইনফেকশনের কারণেই জ্বর আসে! তবে হ্যাঁ, জ্বরের কারণেও ফিভার ব্লিস্টার হতে পারে যদি সেই জ্বর অন্য কোনো ইনফেকশনের কারণে হয় যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

যাদের বেশি হয়: গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০% মানুষই HSV-1 এ আক্রান্ত থাকেন। কিন্তু বেশিরভাগই সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং দশ বছর বয়সে প্রথম প্রকাশ পায়। প্রথমবার হওয়া ফিভার ব্লিস্টার সেরে যাবার পর HSV-1 স্নায়ুকোষে লুকিয়ে থাকে এবং জীবনে বারবার এর প্রকাশ ঘটে।

যেসব কারণে ফিভার ব্লিস্টার পুনরায় প্রকাশিত হতে পারে: কোনো ইনফেকশন। মানসিক চাপ। মেয়েদের মাসিকের সময়। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি।

সাধারণভাবে ৭-১৪ দিন উপসর্গ বর্তমান থাকলেও ৮-১০ দিনের মধ্যে মধ্যে ফিভার ব্লিস্টার এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে প্রথম সপ্তাহে অ্যান্টি-ভাইরাল জেল লাগালে আরোগ্যে দ্রুত হয়।

তবে ১৪ দিনের বেশি সময় ব্যথাযুক্ত ফিভার ব্লিস্টার থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। খালি চোখে দেখেই ফিভার ব্লিস্টার সনাক্ত করা সম্ভব। তবে ব্লিস্টারের ভিতরের তরল থেকে ডিরেক্ট ইমিউনোফ্লুরোসেন্স টেস্ট বা পলিমারেজ চেইন রিএ্যাকশনের মাধ্যমে ভাইরাস সনাক্ত করা যেতে পারে।

প্রতিরোধ:
১. ব্যবহৃত পানির গ্লাস, চামচ, লিপস্টিকসহ অন্যান্য কসমেটিক্স কারো সঙ্গে শেয়ার না করা।
২. ব্লিস্টার স্পর্শ করলে ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলা।
৩. মানসিক চাপ মুক্ত থাকা।
৪. সানস্ক্রিন ক্রিম, লিপ-বাম ব্যবহার করা।
৫. পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা...😱😱

03/08/2017

#জেনে রাখা ভালো।
হাইমেন শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে। যার বাংলা অর্থ স্বতীচ্ছদ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইমেন বা স্বতীচ্ছদ অর্ধচন্দ্রাকার একপ্রকার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী যা স্ত্রী যোনিমূখ ঘিরে থাকে। এটি শরীরের অতি জরুরী অঙ্গের একটি। বয়স যত বাড়তে থাকে স্বতীচ্ছদের মুখ/ছিদ্র ক্রমশঃ বড় হতে থাকে। এটি যোনীমুখের একদম সামনের দিকে অবস্থিত। দুই পা সম্পুর্ণ ছড়িয়ে দিয়ে ছোট একটি আয়না সামনে রেখে আপনি এ পর্দটি নিজেই দেখতে পারেন

যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আংশিক আবরণকারী পর্দা এমনকি অনেক নারী এ পর্দা ছাড়াও জন্ম গ্রহন করেন অথবা সাঁতার, খেলাধুলা সহ দৈনন্দিন কাজ কর্মের ফলে এটি চিরে যায়, তারপরও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ অঙ্গ এখনো নারীর স্বতীত্বের প্রতিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় – যা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন। ভারত এবং জাপানসহ বিশ্বের অনেক দেশে স্বতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন অস্ত্রপ্রচার (প্লাষ্টিক সার্জারী) খুব জনপ্রিয়।

স্বতীচ্ছদের কাজঃ

– বাচ্চা বয়সে মেয়েদের যৌনাঙ্গকে সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করা।
– মাসিক ঋজঃচক্র শুরু হবার পর রক্তের স্বাভাবিক বহিঃর্গমন নিশ্চিত কর।।

স্বতীচ্ছদের প্রকারভেদ :

১. ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ:

সাধারণত এই প্রকার স্বতীচ্ছদ সম্পুর্ন যৌননালীকে ঢেকে রাখে। এতে কোন প্রকার ছিদ্র থাকেনা, তাই ঋজঃচক্রের রক্ত বাহিরে আসেতে পারেনা।

ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ হবার কারণ:

ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ
এটি সাধারনত কিশোরী বয়েসে পরিলক্ষিত হয়। যাইহোক, নতুন জন্মনেয়া মেয়ে শিশুর শাররীক পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে এই রোগ নির্নয় করা যায়।

এটা স্পষ্ট যে কিশোরীদের ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ একটি জন্মগত রোগ, এবং ইপিথিলিয়াল কোষের (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কার্যকারীতা নষ্ট হবার কারনেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রদাহী কারনেও এ ধরনের সমস্যার কারন হতে পারে।

ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদের লক্ষণ:

# ঋজঃচক্রের রক্তস্রাব না হওয়া।

# তলপেটে ব্যাথা অনুভব করা।

# স্বতীচ্ছদের (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কোষর অস্বাভাবিকতা; এর ফলে যৌনাঙ্গের ভিতরে রক্তপ্রবাহ উল্টোমূখী হতে পারে।

# প্রস্রাবে সমস্যা।

# যোনীমুখের বাহিরের দুটি ভাজে নীলাভ কিংবা লালছে পিন্ড দেখা যায়।

# কিছু ক্ষেত্রে কোষ্ঠবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়।

ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদের চিকিৎসা: যদি কোন নারী এ সমস্যায় ভোগেন তাহলে অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এটি থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। অস্ত্রপ্রচারে স্বতীচ্ছদে ছিদ্র

করার বদলে স্বতীচ্ছদের কোষ সম্পুর্ন অপসারন করে ফেলা হয়। অল্প বয়সে এই অস্ত্রপ্রচার উচিৎ নয়, বিশেষ করে যে বয়সে ইস্ট্রোজেন হরমনের স্তর খুব সামান্য।

যাইহোক, শিশুকালে যদি এই সমস্যা দেখা যায় তাহলে কিশোরীদের স্তন্যের আকার পরিবর্তন শুরু হলে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখতে হবে সমস্যাটি কি এখনো বিদ্যমান রয়ে গেছে কিনা। সেই বয়সে এসে অস্ত্রপ্রচার করা যেতে পারে।

২. ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ:

ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ অতি পাতলা একটি কোষ দিয়ে গঠিত, যা প্রায় যোনীমুখ পুরা ঢেকে রাখে। তবে এতে খুব ছোট একটি ছিদ্র থাকে। এই স্বতীচ্ছদ ঋজঃচক্রের রক্ত প্রবাহ সম্পুর্ন বন্ধ করে দিবেনা, তবে এটি কঠিন করে তুলবে, খুব আস্তে এবং যন্ত্রনাদায়ক ঋজঃচক্র হতে পারে।

ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদে ঞধসঢ়ড়হ (ঋজঃস্রাবের রক্ত চুষে নেবার জন্য আঙুলের মত দেখতে একপ্রকার প্যাড – যা ঋতুকালীন যৌনাঙ্গে পুরে রাখা যায়) ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়না। যদিও কেউ ঠিক মত খালি ঞধসঢ়ড়হ ঢুকাতে পারে , অতপরঃ এটি পুরে গেলে তাদের জন্য বাহির করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।
যেসকল নারীর ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ সমস্যা আছে তাদের স্বতীচ্ছদের ছিদ্র ছোট হবার কারনে রক্ত প্রবাহ খুব আস্তে আস্তে হয়। তাই তাদের দীর্ঘ সময় ঋজঃস্রাব হয়ে থাকে। অনেক সময় কিশোরী মেয়েরা অনুমানও করতে পারেনা তাদের ছোট ছিদ্র স্বতীচ্ছদ আছে। ছোট্র একটি অস্ত্রপ্রচারের সাহায্যে স্বাভাবিক আকারের ছিদ্র তৈরি করার মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া যায়।

৩. দুই ছিদ্র যুক্ত স্বতীচ্ছদ:

দুই ছিদ্র যুক্ত স্বতীচ্ছদ
যে স্বতীচ্ছদের স্বাভাবিক ছিদ্রের মাঝে অন্য একটি স্তর পরিলক্ষিত হয় তাকে দুই ছিদ্র যুক্ত স্বতীচ্ছদ বলে, যার ফলে একটির বদলে দুইটি ছোট ছোট ছিদ্র সৃষ্টি হয়। এটি স্বতীচ্ছদের উপরোল্লিখিত সমস্যার তুলনায় খুবই কাদাচিৎ (কম মাত্রায়) দেখা যায়।

এমনকি এ সমস্যা ২০০০ হাজার নারীর মধ্যে মাত্র একজনের দেখা যেতে পারে। ছিদ্রহীন(১) স্বতীচ্ছদের মত ছোট্র একটি অস্ত্রপ্রচারের মাধমে এ সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।

এই অস্ত্রপ্রচারে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মত সময় লাগে। এবং একই দিন হাসপাতাল ছেড়ে ঘরে চলে আসতে পারে। ২/১ দিনের মাথায় ওই অঞ্চল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

কীভাবে বুঝবেন আপনার স্বতীচ্ছদ ফেটে গেছে কিনা :

# একজন ডাক্তারই সঠিকভাবে বলতে পারবেন আপনার স্বতীচ্ছদ ফেটে গেছে কিনা। যাইহোক, কিছু লক্ষণ থেকে আপনি অনুমান করতে পারেন স্বতীচ্ছদ সত্যিকারেই ফেটে গেছে নাকি এখনো বিদ্যমনঃ

# দুই পা ফাঁক করে বসুন। এবার আঙুলের সাহায্যে ভগাঙ্কুরের ভাজ দুটিকে দুই দিকে সরিয়ে ধরুন এবং ছোট একটি আয়না যোনীর সামনে রেখে লক্ষ করুন রিং আকারের পাতলা একটি পর্দা দেখতে পান কিনা? যদি দেখা যায় তবে বুঝবেন আপনার স্বতীচ্ছদ এখনো ঠিক আছে।

# আপনি চাইলে আস্তে (জোরে চাপ না দিয়ে) আস্তে মধ্যমা আঙুল যোনীতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করুন। যদি আঙুল স্বাভাবিক ভাবে ১ থেকে ১.৫ ইঞ্চির বেশি না ঢুকে এবং মনে হয় কিছু একটা জিনিস আপনার আঙুলকে পিছনের দিকে ঠেলে বাহির করে দিচ্ছে, তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার স্বতীচ্ছদ বিদ্যমান আছে।

# স্বতীচ্ছদ ছিড়ে যাবার সময় রক্তপাত হয় এবং সামান্য ব্যথা-যন্ত্রনা অনুভুত হয় এবং সে থেকে জানতে পারেন আপনার স্বতীচ্ছদ কবে ফেটেছিল।

স্বতীচ্ছদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা কিংবা মেরামত করাঃ

নরীর স্বতীচ্ছদ শাররীক মিলন অথবা সাঁতার, শরীরচর্চা, খেলাধুলা ইত্যাদি থেকে ফেটে যেতে পারে। Tampon ব্যবহারের ফলেও অনেক সময় স্বতীচ্ছদ ফেটে যায়। চিরে কিংবা ফেটে যাবার পর হাইমেনোপ্লাষ্টি দ্বারা স্বতীচ্ছদ পুনরায় মেরামত বা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

হাইমেনোপ্লাষ্টি সাধারনত জাতিগত, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারনে করে থাকে যার মধ্যে “স্বতীচ্ছদ নারী স্বতীত্বের প্রমান” এমন গুরুত্বপুর্ন ধারনা কারন হিসেবে নিহিত থাকে। হাইমেনোপ্লাষ্টি দ্বারা ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদেরও অস্ত্রপ্রচার হয়ে থাকে।

স্বতীচ্ছদ সত্যিকার বিষয়গুলিঃ

# প্রতি ১০০০ হাজার মেয়ে শিশুর ১ জন স্বতীচ্ছদ ছাড়াই ভুমিষ্ঠ হয়।

# শতকরা ৪৪% নারীর-ই প্রথমবার মিলনে কোন প্রকার রক্তপাত হয়না।

# স্বতীচ্ছদ খেলাধুলা কিংবা অন্যকোন কারণে প্রাকৃতিকভাবেই ফেটে যেতে পারে।

# মাসিক ঋজঃস্রাবের সময় স্বতীচ্ছদে অবস্থিত ছিদ্র রক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে প্রাকৃতিক ভাবেই বড় হয়ে যায়।

# Tampon (টেমপুন) ব্যবহারের ফলে স্বতীচ্ছদ ছিড়ে যেতে পারে।

# অনেক নারী যাদের ছোট কিংবা ইলাষ্টিক টাইপ স্বতীচ্ছদ থাকে তাদের কখনো স্বতীচ্ছদ ফাটে না। এমনকি সন্তান জন্ম দেবার পরও স্বতীচ্ছদ অক্ষত থাকে।স্বতীচ্ছদ ফাটলেই রক্তক্ষরণ হবে – এটি ভুল ধারনা। রক্তক্ষরণ ছাড়াও স্বতীচ্ছদ চিরে যেতে পারে

20/04/2016

গরমে স্বাস্হের জন্য "পানি"র বিকল্প নাই।

প্রচুর পরিমান পানি পান করুন সুস্হ থাকুন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801789110683

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Blue posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share