গঁল্পেঁর হাঁড়ি

গঁল্পেঁর হাঁড়ি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গঁল্পেঁর হাঁড়ি, Baby & children's clothing store, Narsingdi Belab Ujilab, Dhaka.

★...."কেউ একজন বলেছিলেন, পেটে খিদে নিয়ে ঘুমানো যায়, কিন্তু মন খারাপ নিয়ে ঘুমানো যায় না..." কথাটা শুনেছিলাম একসময়, হেসেছি...
02/10/2025

★...."কেউ একজন বলেছিলেন, পেটে খিদে নিয়ে ঘুমানো যায়, কিন্তু মন খারাপ নিয়ে ঘুমানো যায় না..." কথাটা শুনেছিলাম একসময়, হেসেছিলাম-ভাবলাম, 'মন খারাপ' এমন কী ব্যাপার, যা ঘুম কেড়ে নেয়? কিন্তু এখন বুঝি, মন খারাপ মানে শুধু কষ্ট নয়... এটা এক ধরনের অজানা ভার, বুকের মধ্যে জমে থাকা না বলা কথা, অসমাপ্ত অনুভব, একা হয়ে যাওয়ার চাপ। পেটের ক্ষুধা এক সময় ঘুমিয়ে পড়ে, কিন্তু মনের ক্ষুধা? সেটা সারারাত জেগে থাকে, চোখের পাপড়ির ফাঁকে ফাঁকে স্রোতের মতো বয়ে যায়। মানুষ ভাবতে পারে, 'ভালো আছি' কথাটার মানে সত্যিই ভালো থাকা-কিন্তু কেউ জানে না, আমি সেই মানুষ, যে রাতে ঘুমানোর আগে শুধু একটা মেসেজের অপেক্ষায় তাকিয়ে থাকি। যে অপেক্ষা করে কোনো উত্তরহীন কথার, কোনো অসমাপ্ত অনুভূতির শেষ চিঠির। মন খারাপের দিনগুলোতে পৃথিবীটা খুব দূরে লাগে। কাছের মানুষগুলোও অচেনা হয়ে যায়। মনে হয়, কেউ বুঝে না, কেউ শোনে না-শুধু নিজের ছায়াটা পাশে থাকে, আর নিজের প্রশ্নগুলো বারবার ফিরে আসে... "আমি এমন কষ্টে কেন পড়লাম? আমি তো শুধু ভালোবাসতেই চেয়েছিলাম..." তাই আজকাল রাতে ঘুম আসে না ঠিকঠাক। ঘুমাতে গেলেও মনের ভেতরে যুদ্ধ শুরু হয়-নিজেকে বোঝানোর, নিজেকে শক্ত রাখার, আর বারবার ভেঙে পড়েও দাঁড়িয়ে থাকার। তুমি যদি কখনো কষ্ট পাও, বিশ্বাস করো-পেটের খিদে সহ্য করা সহজ, কিন্তু মন ভাঙলে? পুরো পৃথিবীটাই কেমন যেন নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে।....★(SR)★

📙  গল্প: বাবার অভিমান মা’ রে...শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না!যেদিন তুই তর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে পৃথিবীতে এসেছিল...
19/08/2025

📙 গল্প: বাবার অভিমান

মা’ রে...

শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না!
যেদিন তুই তর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে পৃথিবীতে এসেছিলি, সেদিন থেকেই তোকে “মা” বলে ডাকতে শুরু করেছিলাম।
তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতেই নিজের মা হারানোর ব্যথাটুকু ভুলতে পেরেছিলাম।

তোকে কখনো নাম ধরে ডাকি নাই, তোর মা-ও না।
মনে আছে, বিদ্যালয়ে প্রথম দিন যখন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন—আমি থমকে গিয়েছিলাম।
তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতেই তো তোর আসল নামটাই ভুলে গিয়েছিলাম!
তখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছিল।
তাই চিঠির পাতায় নামের জায়গায় লিখেছি শুধু একটাই শব্দ— “মা”।

কিন্তু হঠাৎ করেই তুই এমনভাবে চলে যাবি, তা আমি ভাবতেও পারিনি।
ছেলেটা যেদিন বাইরে দাঁড়িয়ে, হাতে ব্যাগ নিয়ে, তোর জন্য অপেক্ষা করছিল—আমি তখন ঘরের ভেতর বসে আল্লাহর কাছে শুধু একটাই প্রার্থনা করছিলাম—
"আল্লাহ, কতটা ভালোবাসলে মেয়ে বাবাকে ছেড়ে চলে যায় না?"

তুই ঘরে বসে হয়তো ভাবছিলি—আজ না গেলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি!
আর আমি ভেবেছিলাম—তুই চলে গেলে আমি সব বাবাদের কাছে ছোট হয়ে যাবো!

জানিস মা, তুই তোর তিন বছরের ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছিস,
কিন্তু আমি হারিয়েছি আমার জীবনের বিশ বছরের ভালোবাসা।
প্রত্যেকটা বাবা জানে—রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে।
তবুও বাবারা কৃপণ হয় না, বরং বুক ভেঙে যায়, তবু মুখে কিছু বলে না।

বাবাদের ভালোবাসা শামুকের খোলসের মতো মা—
বাইরে শক্ত, ভেতরে ভীষণ নরম।
বাবারা কখনো মুখে প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু ভেতরে ভালোবাসা সমুদ্রের মতো।

জানিস মা,
তোর মতো ছেলেমেয়েরা প্রেম করে, রঙ দেখে, রূপ দেখে, যোগ্যতা দেখে।
কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করছিস—সেদিন আমি কিছুই দেখি নাই।
তুই ফর্সা হবি না কালো—সেটারও অপেক্ষা করিনি।
কোনো শর্ত ছাড়াই তখনই তোকে ভালোবেসেছিলাম।

তোরা হয়তো ভাবিস বাবারা মেয়ের ভালোবাসাকে কেন সহজে মেনে নিতে পারে না।
উত্তরটা বুঝবি যেদিন তুই নিজেও মা হবি।

তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস—
তোদের কাছে তখন ওই এক ছেলেই পৃথিবী।
কিন্তু একটা বাবা বোঝে—তার মেয়ে ছাড়া তার পৃথিবীটা ফাঁকা হয়ে যায়।

যেদিন তোর নানুর কাছ থেকে তোর মাকে ঘরে তুলেছিলাম—
সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যদি মেয়ে হয়, তবে একদিন সুপাত্রের হাতে তুলে দিয়ে কন্যাদানের দায়িত্ব পালন করবো।
কিন্তু মা, তুই তো কন্যাদানের সেই সুযোগটাই দিলি না!

তোর প্রতি অভিমান আছে, রাগও আছে, তবুও দরজা সবসময় খোলা।
যদি মন কাঁদে, ফিরে আয়—
বুক পেতে দেবো, আশ্রয় দেবো।

হয়তো আমি তোর মায়ের মতো পেটে ধরিনি,
কিন্তু আজীবন বুকে বয়ে বেড়িয়েছি।
তোর চলে যাওয়ার এই যন্ত্রণাটা আর সহ্য করতে পারছি না মা...

ইতি—
তোর জন্মদাতা পিতা # #@ #

🖋️ গল্প: সমাজ একটা ছোট্ট গ্রামে বাস করত একটা সাধারণ পরিবার।পরিবারে সদস্য ছিলো পাঁচজন—দুই ছেলে, এক মেয়ে, আর তাদের বাবা-মা...
08/08/2025

🖋️ গল্প: সমাজ

একটা ছোট্ট গ্রামে বাস করত একটা সাধারণ পরিবার।
পরিবারে সদস্য ছিলো পাঁচজন—
দুই ছেলে, এক মেয়ে, আর তাদের বাবা-মা।

সংসারটা ছিলো শান্তিময়, সোনালি সকাল দিয়ে শুরু,
আলোর মতোই ঝলমলে দিন কাটত তাদের।

কিন্তু হঠাৎ করেই ঝড় নামে সেই শান্ত সংসারে—
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শুরু হয় কলহ,
আর একসময় তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে।
এক সময়কার স্বপ্নের সংসার হয়ে যায় এলোমেলো।

বড় মেয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসে, বড় ছেলেও নিজের মতো ঘর বাঁধে।
থেকে যায় শুধু ছোট ছেলেটা...
যে ছিল একা, অবহেলিত, ভুলে যাওয়া কেউ।

কেউ আর খোঁজ নিত না তার,
কেউ জিজ্ঞেস করত না—
"আজকে কী খেয়েছো?" বা "কেমন আছো?"

কিছুদিন পর, সেই ছেলে আর স্কুলেও যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
জড়িয়ে পড়ে বখাটে ছেলেদের সঙ্গে—
যাদের জীবনে নিয়ম নেই, ভবিষ্যৎ নেই।

ধীরে ধীরে শিখে নেয় জুয়া খেলা।
দিনে খেটে যা আয় করতো,
রাতে সব হারিয়ে ফেলত জুয়ায়।

একসময় কাজ করাও বন্ধ করে দেয়।
জুয়ার নেশা আর লোভ তাকে গ্রাস করে ফেলে।

যখন আর কিছুই থাকে না, তখন মাথায় আসে নতুন বুদ্ধি—
সুদে টাকা নেয়া!

সে গেলো কাকার কাছে—কাকা বল,
কতো টাকা তখন ঐ ছেলে “২০ হাজার টাকা
কাকা বললেন দিতে পারি,
কিন্তু প্রতি সপ্তাহে ৪০০ টাকা লাভ দিতে হবে।”

ছেলেটি রাজি হয়ে গেলো।
তারপর শুরু হয় আরও গভীর পতন।

টাকা শেষ, হাত খালি।
জুয়া তো তাকে আর ফেরায় না।

এভাবেই একদিন সে আরেক কাকার কাছ থেকেও ৫ হাজার টাকা নেয়,
আর সেই কাকা প্রতি সপ্তাহে ৫০০ টাকা লাভ চায়!

ভাবা যায়? ৫ হাজার টাকায় ৫০০ লাভ?

সেই সময় সমাজের কিছু লোক তাকে শুধু টাকার হিসেব দেয়,
কিন্তু একটা মানুষের জীবনের হিসেব দেয় না।

তারপর একদিন তাদের গ্রামে চুরির অভিযোগে
তাকে ধরে নিয়ে যায় গ্রামের লোক ।

গ্রামের সকলের সামনে দাঁড় করিয়ে তাকে মার দর করে—
সে বারবার বলে, "আমি চুরি করিনি!"
কিন্তু সমাজ কি কখনও শোনে এমন কারও কথা?

তার পরিবার তখন কোথায় ছিলো?
বাবা-মা তো আগেই নিজেদের আলাদা করে নিয়েছে।
কেউ ছিল না পাশে দাঁড়াবার মতো।

শেষমেশ চাচা-চাচি এসে ছেলেটাকে ছাড়িয়ে নেয়,
কিন্তু ততক্ষণে সে হয়ে গেছে "চোর"—
একটা সমাজ-স্বীকৃত বদনাম।

অভিযোগ প্রমাণ হয়নি,
কিন্তু অভিযোগের চেহারাটা তার চেহারায় লেগে যায়।

---

🔚 শেষ কথা:

এই ছেলেটা নিজেকে নষ্ট করেনি,
তাকে নষ্ট করেছে সমাজ—
যে সমাজ শুধুই কথা বলে,
কিন্তু কাউকে আগলে রাখে না।

একজন অবহেলিত ছেলের গল্প এটা,
যার ভবিষ্যৎটা সমাজ কেরে নিয়েছে...

---

✍️ লিখেছেন: তরিকুল ইসলাম...! #@@@ # #@

Address

Narsingdi Belab Ujilab
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গঁল্পেঁর হাঁড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share