Wafrah

Wafrah Wafrah is your go-to online destination for quality and convenience. From daily essentials to unique

শিক্ষার্থীকে শাসনের জেরে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ, মোটরসাইকেলে আগুননওগাঁর মান্দা উপজেলার বিলবয়রা গয়েশিয়া উচ্চ বিদ্যালয...
04/08/2026

শিক্ষার্থীকে শাসনের জেরে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ, মোটরসাইকেলে আগুন

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিলবয়রা গয়েশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিয়ে সামান্য শাসন করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, বর্তমানে শিক্ষকদের ওপর দায়িত্ব ও চাপ বাড়লেও তাঁদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। একইভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমামদের অবস্থান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকে। তাঁদের ভাষ্য, সত্য কথা বললে চাকরি হারানোর আশঙ্কা, আর সত্য গোপন করলে নৈতিক সংকট—এ দুইয়ের মাঝখানে শিক্ষক ও ইমাম উভয় পেশাই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের ফলাফল জানা গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে

04/08/2026
চোখ দুটো দেখেই বোঝা যায় বাঁচার জন্য কেমন আর্তনাদ করেছিল
22/05/2026

চোখ দুটো দেখেই বোঝা যায় বাঁচার জন্য কেমন আর্তনাদ করেছিল

29/11/2025

মফস্বলের এক ছোট গ্রামে বাস করত রহিম। মানুষ তাকে চিনত “গরিব রহিম” নামে। সে এই নামটা শুনে হাসিই দিত—কারণ অভাব তার জীবনে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু মানুষ যতই তাকে গরিব বলুক, রহিম নিজের কাছে সবসময় পরিচয় দিত অন্যরকমভাবে—
“আমি পরিশ্রমী।”

তার পরিবার ছিল ছোট—স্ত্রী ও এক মেয়ে। সংসারে সুখ না থাকলেও ভালোবাসার অভাব ছিল না।

স্বপ্নের শুরু

একদিন রহিম সিদ্ধান্ত নিল—যা-ই হোক, সে একটা ছোট ব্যবসা করবে। গ্রামের বাজারে একটা পুরোনো ছোট ঘর ভাড়া নিল। সব সঞ্চয় মিলে ৬৫০০ টাকার মতো ছিল। সেই টাকায় কয়েক কেজি ডাল, তেল, চিনি, সাবান—এই সামান্য জিনিসপত্র কিনে দোকান সাজিয়ে বসে গেল সে।

প্রথমেই সমস্যা শুরু হলো।
• কেউ চিনত না তাকে ব্যবসায়ী হিসেবে
• কেউ বিশ্বাস করত না তার দোকান টিকবে
• আবার কেউ কেউ মজা করে বলত,
“রহিম, তোর ভাগ্যে ব্যবসা নেই! দু’দিনেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

কিন্তু রহিম থামল না।

দোকানে বসে দীর্ঘ অপেক্ষা

প্রথম দিন দোকানের সামনে বসে সারাদিন বাতাস গুনল সে। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হল, কিন্তু মাত্র এক কেজি চিনি বিক্রি হলো। বাসায় ফিরলো লজ্জা আর দুঃখ নিয়ে। স্ত্রী হালকা হেসে বলল—

“চিন্তা কইরো না, আজ কম হয়েছে, কাল বেশি হবে। আল্লাহ সব দেখে।”

এই কথাগুলোই তাকে আবার শক্তি দিল।

অভিমান আর সংগ্রাম

দিন কেটে যাচ্ছিল। বিক্রি হচ্ছিল তুচ্ছ পরিমাণে—১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা। কিন্তু ভাড়া, বাজার, সংসারের খরচ—সবই একসঙ্গে চেপে আসছিল। কখনও কখনও দোকান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার সময় কাঁদত রহিম। কিন্তু ঘরে ঢুকেই চোখ মুছে হাসত—কারণ তার মেয়েটা সবসময় দৌড়ে এসে বলত—

“আব্বা, দোকান কেমন গেল?”

তার সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রহিমের হৃদয়ের ভিতরটা কুঁচকে যেত।

ঝড়ের দিন

একদিন প্রবল ঝড় হলো। দোকান তার ক্ষয়ে যাওয়া টিনের চাল ফুটো করে পানি ঢুকল। অনেক মাল নষ্ট হয়ে গেল। লোকজন এসে বলল—

“দোকান ছেড়ে দে রহিম! এই ব্যবসা তোর জন্য না।”

রহিম কিছু বলল না। শুধু চুপচাপ ভেজা মাটির ওপর বসে রইল। মনে হলো—স্বপ্নটা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে।

আশার আলো

পরের দিন সকালে বাজার পরিষ্কার করতে গিয়ে রহিম দেখল কয়েকজন লোক তার ভেজা দোকানে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা তাকে জিজ্ঞাসা করল—

“কাল রাতে তোর দোকান ভিজে গেছে, শুনলাম। তুই কিছু বললি না। তুই চাইলেও তো প্রতিবাদ করতে পারতি!”

রহিম শান্তভাবে বলল—

“ধরতে পারলে পানি থামানো যায়, কিন্তু ঝড় থামানো যায় না।”

লোকজন তার ধৈর্য দেখে অবাক হলো। তারা তাকে সাহায্য করতে লাগল। নিজেরাই দোকানের টিন বাঁধল, নষ্ট মাল ফেলে পরিষ্কার করল। তারপর এক বৃদ্ধ লোক বলল—

“রহিম, তোর ইমান আর ধৈর্য আছে। আল্লাহ তোকে একদিন উঠিয়ে নেবেন।”

সেই দিন রহিমের দোকানে প্রথমবার ভালো বিক্রি হলো। নতুন লোকজন এল, পুরোনোরা ফিরে এল।

পরিশ্রমের ফল

এক বছর পর রহিমের ছোট দোকান এখন বড় হয়ে গেছে। সে এখন গ্রামের সবচেয়ে বিশ্বস্ত দোকানদারদের একজন। মানুষ এখন বলেন—

“রহিম পরিশ্রমী, রহিম সৎ।”

কেউ আর তাকে “গরিব রহিম” বলে না।

তার ছোট মেয়ে একদিন দোকানে এসে বলল—

“আব্বা, তুমি হেরো নাই। তাই জয় পাইছো।”

রহিম চোখ ভিজে গিয়ে মৃদু হাসল।

আমি স্ট্রাকচারাল উইথ সাইস্মিক ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার নই । নিচের লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি একজন ক্যালিফোর্নিয়ার  (আমেরিকার সব...
23/11/2025

আমি স্ট্রাকচারাল উইথ সাইস্মিক ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার নই । নিচের লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি একজন ক্যালিফোর্নিয়ার (আমেরিকার সবচেয়ে বড় সাইস্মিক জোন) লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার (PE)। যেই লাইসেন্স পেতে ওনাকে সাইসমিক ডিজাইনের উপর দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় পাশ করতে হয়েছে। বাংলাদেশে এই নির্দিষ্ট সাইসমিক যোগ্যতাসম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ার খুব বেশি নাই।

গতকাল ঢাকার ভূমিকম্পের পর উনি ওনার ফেসবুকে বিল্ডিংয়ের উপর ভূমিকম্পের প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছেন। ওনার লেখাটি খুব ইম্পোর্ট্যান্ট, নিচে দিলাম:

আধুনিক ভবনগুলো মূলত দুই প্রধান ধরনের:

• কঠিন ভবন → বেশিরভাগ রিইনফোর্সড কংক্রিট (RC), ভারী এবং শক্ত
• নমনীয় ভবন → সাধারণত স্টিল-ফ্রেমড, হালকা এবং আরও নমনীয়

ভূমিকম্পের সময়, স্টিল ভবনগুলো অনেক দুলে (বিভিন্ন ভাইব্রেশন মোডে), যেখানে বিশাল রিইনফোর্সড কংক্রিট ভবনগুলো অনেক কম দুলে।

এখন, আমাদের উত্তরার ভবনকে উদাহরণ হিসেবে নেয়া যাক।

এটি একটি রিইনফোর্সড কংক্রিট স্ট্রাকচার যার ভিন্ন ভিন্ন দুটি অংশ:
১) সিঁড়ির কোর – সরু, ভারী রিইনফোর্সড, অত্যন্ত শক্তিশালী এবং শক্ত
২) প্রধান আবাসিক অংশ – অনেক বড়, নরম, এবং তুলনামূলকভাবে দুর্বল

ভূমিকম্প যখন ভবনটিকে নাড়ায়, এই দুটি অংশ ভিন্নভাবে নড়তে চায়।

এটি যেন দুই ভাই একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে: শক্তিশালীটা (সিঁড়ির কোর) প্রায় নড়ে না, কিন্তু দুর্বলটা (প্রধান ভবন) আরও দুলতে চেষ্টা করে।

যেহেতু তারা সংযুক্ত, তাদের সংযোগস্থলে বিশাল বল তৈরি হয়, এবং ফাটল দেখা যায় – প্রায় সবসময় দুর্বল পাশে (আবাসিক অংশে)। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত।

সাধারণভাবে ফাটল সম্পর্কে কিছু কথা:

- আন-রিইনফোর্সড ম্যাসনরি (ইট বা CMU) ভবনে → ফাটল (বিশেষ করে উল্লম্ব বা তির্যক) খুব বিপজ্জনক হতে পারে।

- সঠিকভাবে ডিজাইন করা রিইনফোর্সড কংক্রিট ভবনে → শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ফাটল হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তা সবসময় বিপজ্জনক নয়।

কেন?

কারণ রিইনফোর্সড কংক্রিট একটি কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল (স্টিল+কংক্রিট) :
• স্টিল নমনীয় – এটি ভাঙার আগে অনেক প্রসারিত এবং বাঁকানো যায়।
• কংক্রিট ভঙ্গুর – এটি স্ট্রেইনের অধীনে সহজে ফাটল পড়ে, ঠিক কাচের মতো।

আধুনিক সিসমিক ডিজাইনে, আমরা আসলে ধরে নিই যে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় রিইনফোর্স্ড কংক্রিটে ফাটল পড়বে এবং আমরা সেভাবেই স্টিল রিইনফোর্সমেন্টকে ডিজাইন করি যাতে এটি দায়িত্ব নেয় এবং স্ট্রাকচারকে নিরাপদ রাখে।

যেহেতু ভূমিকম্পের পর ফাটল পড়া কংক্রিট স্বাভাবিক তাই আমরা ভূমিকম্পের মতন চরম ঘটনায় এটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে “ফাটলযুক্ত সেকশন” হিসেবে ডিজাইন করি।

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো এই ফিলোসফির একটি ভালো বাস্তব উদাহরণ।

তাই দয়া করে RC (রিইনফোর্স্ড কংক্রিট) ভবনে ফাটল দেখলে আতঙ্কিত হবেন না – বিশেষ করে সিঁড়ির কোর বা লিফট কোর এলাকায়। উদাহরণ হিসাবে ধরা আমাদের উত্তরার ভবনটি একদম ঠিক আছে এবং প্রত্যাশিতভাবে আচরণ করছে। সেক্ষেত্রে, যা করা যেতে পারে: (অবশ্যই প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার সরেজমিন তদন্তের পর) - ফাটলগুলো সঠিক তরল (নন-শ্রিঙ্ক) মর্টার বা ইপক্সি ইনজেকশন দিয়ে ভরাট করুন যাতে স্টিল রিইনফোর্সমেন্টকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করা যায়। পরে ভবনটি রং করুন। যেহেতু আমাদের উত্তরার ভবনটি গভীর পাইল গ্রুপের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং পানির স্তর বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমের কারণে খুব নিচে, তাই লিকুইফেকশনের কোনো ঝুঁকি নেই। কোনো সেটেলমেন্ট আমাদের ভবনের ক্ষেত্রে সমস্যা প্রত্যাশিত নয়।

তবে, ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভবনের বিপদের লক্ষণগুলো পরীক্ষা করা জরুরি। সতর্কতার সাথে এই লক্ষণগুলো দেখুন:

১) প্রশস্ত ফাটল, বিশেষ করে কলাম, বিম বা লোড-বেয়ারিং দেয়ালের মধ্য দিয়ে যাওয়া ফাটল।

২) দেয়ালে তির্যক বা ডায়াগোনাল ফাটল , যা স্ট্রাকচারাল দুর্বলতা নির্দেশ করতে পারে।

৩) ভবনের হেলে পড়া বা টিল্টিং, যা ফাউন্ডেশনের সমস্যা ইঙ্গিত করে।

৪) ফ্লোর বা স্ল্যাবে বড় ফাটল বা স্প্যালিং (কংক্রিটের খসে পড়া), যাতে রিবার উন্মুক্ত হয়ে যায়।

৫) দেয়াল এবং ফ্লোরের মধ্যে বিচ্ছেদ বা গ্যাপ।

৬) দরজা বা জানালা ঠিকমতো খোলা-বন্ধ না হওয়া, যা ভবনের ডিফর্মেশন নির্দেশ করে।

যদি উপরের লক্ষণগুলো দেখা যায়, তাহলে অবিলম্বে ভবনটি খালি করুন এবং কর্তৃপক্ষকে জানান।

এছাড়া, লোকজনকে আরও পরীক্ষার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এমনকি ছোট ফাটল দেখলেও, ভূমিকম্পের পর অবশ্যই একজন প্রফেশনাল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ভবনের পরিদর্শন করান। নিজেরাই ধরে নেবেন না যে সবকিছু ঠিক আছে – পেশাদার মূল্যায়ন ছাড়া ঝুঁকি নেবেন না।

চূড়ান্ত নোট: শুধুমাত্র খুব বড়, দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকম্পগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করা আধুনিক RC ভবনগুলোকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা (হাসপাতাল, ফায়ার স্টেশন ইত্যাদি) অনেক উচ্চতর নিরাপত্তা ফ্যাক্টর দিয়ে ডিজাইন করা হয় এবং অনেক বেশি ব্যয়বহুল। সাধারণ আবাসিক ভবনগুলো বিশ্বের কোথাও সেই মানদণ্ডে নির্মিত হয় না।

এই পোস্টটি ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে কপি করে শেয়ার করতে নির্দ্বিধায় অনুমতি আছে যাতে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারকে আশ্বস্ত করা যায়!
নিরাপদ থাকুন।

— নেসার আহমেদ, পিএইচডি, পিই । সিমেন্সের প্রিন্সিপাল স্ট্রাচারাল ইঞ্জিনিয়ার।

ধন্যবাদ তাজুল স্যার
17/11/2025

ধন্যবাদ তাজুল স্যার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নিলেন বৃদ্ধাশ্রমে। তিন সন্তানের মধ্যে মে...
14/11/2025

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নিলেন বৃদ্ধাশ্রমে।
তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী।

বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান।
ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও তার দু'চোখে অন্ধকার।

থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে।

২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)।

অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেন এরপর শিক্ষকতা।

জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি।

২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। এরপর ছেলে-মেয়েরা

আমার খোঁজ খবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।
কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের।

এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন?

বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না।

একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গা*লি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি।

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। ◆ সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা

অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি।
কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অনেক গরিব, মূর্খ আছে যারা বাবা মাকে নিয়েই একসাথে থাকে।

তাহলে তারা কি RSH কি আমাদের যাদের মতো মুখোশধারী শিক্ষিতের চেয়ে ভালো নয়?

তাই উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মনুষ্যত্ববোধটাও সবার শিক্ষাগ্রহন করা উচিৎ।

#অমানুষ

10/10/2025

ঘুরাঘুরি ওড়াওড়ি

নিরবতা
10/10/2025

নিরবতা

10/10/2025

ইসলামী বইমেলা

Address

House # 70, East Rampura, Dhaka-1219
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wafrah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share