19/08/2026
বিজনেসের বাইরে গিয়ে কিছু লিখতে বা পোস্ট করতে একটু কেমন যেন ফীল হয়। বাট কাল থেকে দুইটা বিষয় নিয়ে খুব লিখতে মন চাচ্ছে।
এক, রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস চালু করা হয়েছে। যেখানে ড্রাইভার থেকে হেল্পার সবাই নারী। ব্যাপারটা এপ্রিশিয়েট করার মত একটা ব্যাপার। ঝামেলা হল, একদল ধর্মান্ধ উঠে পরে লাগছে এর পিছনে। বরং তাদের খুশি হওয়ার কথা ছিল। নারীরা পর্দা মেন্টেইন করে চলা ফেরা করতে পারবে অফিস যেতে পারবে। পুরুষদের সাথে ধাক্কাধাক্কি করতে হবে না।
কিন্তু এরাই এই বাসের ব্যাপারে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন কেন করছে? করছে কারণ এই ধার্মিকদের কাছে ধর্মটা ধর্মের জায়গাতে নেই। তারা ধর্মটা পালন করার থেকে জুলুম করার অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। তারা নারীকে সাবলম্বী হিসেবে দেখতে চায়না। নারী কিছু করছে, নারী তাদের সমকক্ষ হয়ে উঠছে, এই ব্যাপারে তাদের প্রচন্ড ভয়।
আমি একটা ব্যাপার গতকাল থেকেই ভাবছি, হয়ত এই নারী ড্রাইভারদের প্রথম দিকে কিছু ভুল হবে, সেগুলো নিয়ে হা হা হি হি লেগে যাবে। কিন্তু তারা প্রথম রাস্তায় নামছে এত এত নেভেটিভ প্রচারণা মাথায় নিয়ে ড্রাইভ করছে, এই ভয়ের ব্যাপারটা কাটাই উঠলেই এই নারীরাই হবে সব চেয়ে নিরাপদ ড্রাইভার।
এরা বাস বাকা করে রাস্তা আঁটকে রাখবে না, এরা পাল্লা দিয়ে ড্রাইভ করে কোনো স্কুলের বাচ্চাকে পিষে দিবে না। এরা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় স্টিয়ারিং এ বসবে না। চোখ বন্ধ করে গ্যারান্টি দেয়া যায়।
তাদের নিয়ে ভয়ের ব্যাপার হল দাঁতাল শুয়োর টাইপ কিছু ড্রাইভার থাকবে, তারা এদের জন্য ড্রাইভিংটা কঠিন করে দিবে ইচ্ছা করে। সরকারের এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
দুই , ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে বিয়ে করতে গিয়ে বরকে আস্ত খাসি না দেয়ায় বর খুব ঝামেলা করছিল। কনের বাবা ছোটলোকটাকে উঠিয়ে পাঠাই দিছে। মেয়েকে এমন ছোটলোকের সাথে বিয়ে দেয়নি। এইটা শোনার পর থেক এই বাবার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেছে। এই ছোটলোকটা আবার জাপান প্রবাসী।
এই ইতরের বাচ্চা পরের দিন একই গ্রামে বিয়ে করছে। তো যে বাবা বিয়ে দিছে তার উপর মেজাজ খারাপ হইছে।
আমাদের পেইজে এখন অব্দি দুইটা ম্যাসেজ পাইছি, "আমাকে শুক্রবারে ডেলিভারি করবেন না। হাজবেন্ড রাগারাগি করে " আমি জাস্ট ভাবছি, আচ্ছা উনি কিভাবে বেঁচে আছে? দম আঁটকে মরে যাচ্ছে না?