31/08/2026
গা ছম ছম.. কি হয় কি হয়...!
হিহি.. যাদের আগে কখনো বাবু হয় নি, এবারই প্রথম - বাবুটা হবে কিভাবে - ভাবলেই ভয়ে গা শিউরে উঠে, তাই না?
লেবার পেইন আসলে কেমন, চলুন ধারণা নেই - যদিও এটা নিজে ফিল করার আগ পর্যন্ত বোঝা সম্ভব না, এমনকি ব্যথা চলে যাওয়ার পর একই মানুষ সেটা আবার কোনভাবেই ফিল করতেও পারবেনা, তাও আজকে একটু উঁকি মারি জিনিসটা কেমন হতে পারে...
হুট করে কি একদিন প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হবে, আর তারপরই বাচ্চা হয়ে যাবে?
না!
পুরো লেবারটুকু আসলে একটা অদ্ভুত জার্নির মতো।
লেবার পেইন শুরু হওয়ার পর প্রথম দিকে ব্যথাটা অনেক সময় একদম period-এর ব্যথার মতো মনে হতে পারে। তলপেটটা একটু একটু করে টান ধরছে, cramp করছে—এরকম। তবে পার্থক্য হলো, ব্যথাটা একবার হয়ে চলে যাবে না। কিছুক্ষণ পর আবার আসবে। আবার কমবে। আবার আসবে।
শুরুতে এই ব্যথার মাঝেও আপনি মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারবেন। হাঁটাহাঁটি করতে পারবেন, গোসল করতে পারবেন, হালকা কিছু খেতে পারবেন, এমনকি আশেপাশের মানুষের সঙ্গে গল্পও করতে পারবেন।
কিন্তু ধীরে ধীরে ব্যথার intensity আর frequency দুটোই বাড়তে থাকবে। অর্থাৎ পিরিয়ডের ব্যথায় যদি আরও তীব্র, আরো বেশি wavy হয় - তেমন...
তারপর তীব্র থেকে তীব্রতম ক্র্যাম্প...
একটা সময় এসে শুরুর দিকের মতো pain tolerate করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এই অবস্থায় হয়তো আর আগের মতো কথা বলতে পারবেন না। কথা বলতে গেলেও মাঝপথে থেমে যেতে হবে। চোখ বন্ধ করে শুধু contraction-টা পার হওয়ার অপেক্ষা করবেন। ব্যথাটা কমে গেলে আবার একটু স্বাভাবিক লাগবে।
এই সময় কেউ হাঁটতে থাকেন, কেউ সামনে ঝুঁকে থাকেন, কেউ দেয়ালে হাত রেখে হালকা pressure দেন, আবার কেউ একটু জোরে দেয়াল push করেও কিছুটা আরাম পাওয়ার চেষ্টা করেন। শরীর তখন নিজেই এমন একটা position খুঁজতে থাকে, যেটাতে ব্যথাটা একটু হলেও manageable লাগে।
------
এরপর আসে লেবারের সবচেয়ে tough একটা পার্ট,Transition Phase!
এতক্ষণ যে একটা মোটামুটি predictable pattern-এ ব্যথা আসছিল, এবার সেটা অনেক বেশি intense হয়ে উঠতে পারে। হুট করে মনে হবে, body-তে কিছু একটা হচ্ছে। বড় একটা change হচ্ছে কোথাও।
এই feeling-টা আপনার কাছে একদম অপরিচিত লাগতে পারে। আর তাই অনেক মা এই সময় একটু প্যানিক করতে পারেন। কারণ এই অনুভূতিটা একদম অন্যরকম.. মৃত্যু চিন্তার কথাও আসতে পারে মনে।
একেকটা contraction-এ মনে হতে পারে, আপনি সহ্যক্ষমতার একেবারে শেষ সীমায় চলে এসেছেন।
তলপেট থেকে শুরু করে পুরো পেট, কোমর আর পিঠজুড়ে এমন তীব্র ব্যথা ও চাপ হতে পারে যে তখন আশেপাশে কী হচ্ছে সেটা অনুভব করারও পরিস্থিতি থাকেনা৷
শুনে ভয় লাগছে?
ভয় পাবেন না কারণ,
ভালো খবর হল—এই stage-টা সাধারণত খুবই অল্প সময়ের। বরং আপনি transition-এ পৌঁছেছেন মানে, এই journey-র শেষের দিকেই চলে এসেছেন।
“এক্ষুণি সিজার করে ফেলেন!”
“Epidural দেন, আমি আর পারছি না!”
এই কথাগুলো মায়েরা এই স্টেইজেই বেশি বলে থাকেন।
একেকজন এই সময় একেকভাবে react করেন।
--------
যাহোক, এই তীব্র pain আর pressure-এর মধ্য দিয়েই cervix পুরোপুরি dilated হয়ে যাবে। এরপর শুরু হবে pushing urge. শরীরের ভেতর থেকে এমন একটা প্রবল চাপ আসতে পারে যে মনে হবে, “আমাকে এখন push করতেই হবে।”
তবে এর সবচেয়ে কঠিন দিক হলো, প্রতিটা push-এর সাথেই থাকবে তীব্র contraction-এর unbearable pain.
এই pain একেকজন একেকভাবে handle করেন।
বইয়ে পড়া প্রসব বেদনার বিবরণ কিংবা হঠাৎ দেখা childbirth-এর ভিডিওতে screaming-এর যে সিনগুলো আপনারা দেখেন, মূলত এই transition আর pushing stage-এই সেটা ঘটে।
অবশেষে সবকটা কঠিন ধাপ পার করে যখন ছোট্ট মানুষটার প্রথম কান্নার শব্দ ভেসে আসবে—একটা অবিশ্বাস্য miracle এর মতো সব কষ্ট আর যন্ত্রণা যেন নিমিষেই হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ !🤍