Compliance referance laibiry

Compliance referance laibiry Admin HR & Compliance Organaigation

07/11/2019

:::লে-অফ:::

লে-অফ খুব ভাল ভাবে বোঝার জন্য প্রথমে জানতে হবে একজন মালিক কি কারনে প্রতিষ্ঠান লে-অফ করতে পারেন।

"লে-অফ" অর্থ কয়লা, শক্তি বা কাঁচা মালের স্বল্পতা, অথবা মাল জমিয়া থাকা অথবা যন্ত্রপাতি বা কলকব্জা বিকল বা ভাঙ্গিয়া যাওয়ার কারণে কোন শ্রমিককে কাজ দিতে মালিকের ব্যর্থতা, অস্বীকৃতি বা অক্ষমতা;

শ্রম আইনের ধারা-১৬ অনুয়ায়ী একজন মালিক বছরে অবিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্নভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ দিনের জন্য লে-অফ করতে পারেন।

তবে মালিকের সাথে যদি শ্রমিকের কোন চুক্তি থাকে,তাহলে ৪৫ দিনের অধিক সময় পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান লে-অফ করে রাখা যাবে এবং ৪৫ দিনের অধিক সময়ের জন্য কর্মী মজুরী পাইবেন।

৪৫ দিনের মজুরীর হার হবে মূল মজুরীর ৫০% এবং আবাসিক কোন ভাতা থাকিলে তাহার সর্ম্পূণ পাইবেন।

কিন্তু কর্মীর সাথে যদি মালিকের কোন চুক্তি না থাকে,তবে ৪৫ দিনের পরে অধিক সময়ের জন্য যদি প্রতিষ্ঠান লে-অফ করা হয়।

তাহলে আরও ১৫ দিনের মজুরী কর্মী প্রাপ্য হবেন এবং ইহার হার হবে মূল মজুরীর চার ভাগের এক ভাগ ও আবাসিক ভাতার সর্ম্পূণ অংশ।

লে-অফের সুবিধা প্রাপ্তির জন্য চাকুরীর বয়স এক বছর হতে হবে এবং ভিন্ন কোন চুক্তি না থাকিলে ৬০ দিনের অধিক সময় প্রতিষ্ঠান লে-অফ থাকিবার জন্য কর্মী কোন মজুরী পাইবেন না।

এছাড়াও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোর জন্য কোন মজুরী পাইবেন না।

06/11/2019

::::কত ভাবে প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্মীর সম্পর্ক ছিন্ন হতে পারে::::

একটা প্রতিষ্টানের সাথে যখন কোন কর্মীর সম্পর্ক শুরু হয় সেটা খুব সুন্দরভাবে হয় কিন্ত শেষটা কেমন হয় তা নিয়ে কেউ খুব একটা বেশি মাথা গামায় না।

অনেকে মনে করেন ৬ বা ৭ ভাবে একজন কর্মীর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠানের সাথে ছিন্ন হতে পারে কিন্ত বাস্তবিকই কি তাই দেখা যাক:

১। "ছাটাই" শ্রম আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী একজন কর্মীকে ছাটাই করে এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে।

২।"ডিসচার্জ" শ্রম আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী একজন কর্মীকে অব্যাহত শারীরিক সমস্যার কারনে চাকুরী হতে ডিসচার্জ করতে পারেন।

৩। "বরখাস্ত" শ্রম আইনের ২৩(১) ধারা অনুযায়ী অসাদচারনের কারনে যে কোন কর্মীকে বরখাস্ত যাবে।

৪। "অপসারন" শ্রম আইনের ২৩(২)(ক) ধারা অনুযায়ী অসাদচারনের কারনে কোন কর্মীকে বরখাস্ত করার পরিবর্তে অপসারন প্রদান করা যায়।

৫।"টার্মিনেশন" শ্রম আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন কর্মীকে কোন কারন ব্যাখ্যা করা ছাড়া সরাসরি চাকুরী থেকে অব্যাহতি প্রদান করা সম্ভব।

৬।"পদত্যাগ" কোন কর্মী নিজ ইচ্ছায় ২৭ ধারা অনুযায়ী চাকুরী থেকে ইস্তফা প্রদান করতে পারেন।

৭। "কর্মী নিখোঁজ থাকা" প্রায়ই দেখা যায় যে কর্মীগন কোন তথ্য প্রদান না করে দীর্ঘ দিন নিখোঁজ থাকেন ফলে মালিক পএ প্রদানের মাধ্যমে ২৭(৩)(ক) চাকুরী থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।

৮। "অবসর" একজন কর্মী ৬০ বছর পূর্ন করার পরে চাকুরী থেকে নিজ ইচ্ছায় অবসর গ্রহন করতে পারবেন।

৯। "মৃত্যু" কোন কর্মীর মৃত্যুর ফলে তার প্রতিষ্টানের সাথে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন হয়।

You can join in my group "Bangladesh Labour Act 2006 and Rules 2015" for more update.

সাপ্তাহিক ছুটির আগে ও পরে কর্মী অনুপস্থিত থাকলে সাপ্তাহিক ছুটি পাবে কি না?উত্তরটা হল ১০০% পাবে।কারনটা কি?প্রথমে বুঝতে হব...
07/08/2019

সাপ্তাহিক ছুটির আগে ও পরে কর্মী অনুপস্থিত থাকলে সাপ্তাহিক ছুটি পাবে কি না?

উত্তরটা হল ১০০% পাবে।

কারনটা কি?

প্রথমে বুঝতে হবে অনুপস্থিতি কি?

শর্ত হল প্রতিষ্ঠান খোলা থাকতে হবে,প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে অনুপস্থির প্রশ্ন কিভাবে আসে।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-১২৬ এ বলা আছে নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী কোন ব্যক্তি কাজে উপস্থিত থাকার কথা কিন্তু তিনি উক্ত সময়ে কাজে না থাকলে,

তাকে বলা হবে অনুপস্থিতি।

আপনারা যখন কোন কর্মীকে নিয়োগপএ প্রদান করেন তখন তার নিয়োগপএে লিখে দেন তার অফিস কোন সময়ে থেকে কোন সময় পর্যন্ত।

তিনি সাপ্তাহিক ছুটি কোন দিন ভোগ করবেন তাও লেখা থাকে।

এবার আসেন ধারা-১১১ তে যেখানে কোন মালিক শ্রম পরিদর্শকের কাছ থেকে কাজের সময়ের অনুমোদন নিয়ে আসেন সেখানে নিদিষ্ট ভাবে বলা থাকে কোন দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

এখন দেখেন,

যেখানে মালিক নিজে দুটি জায়গাতে ঘোষনা দিয়ে রাখছে যে কোন দিনটি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ঠিক তার আগে ও পরের দিনটি অনুপস্থিত থাকলে কিভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি অনুপস্থিত দেখান যায়।

তাহলে যে দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে,তার আগের দিন যারা অনুপস্থিত থাকবে তারা সাপ্তাহিক ছুটি পেতে হলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আফিসে এসে দারোয়ানের সাথে কোলাকুলি করে যাবে।

আর রবিবারে এসে বলবে স্যার আমি বৃহ:পতি বার আসি নাই।

শুক্রবার কোলাকুলি করেছি দারোয়ানের সাথে।

শনিবার আসি নাই।

আজকে রবিবার আসছি।

আমি সাপ্তাহিক ছুটি পাব।

এক শ্রেনির লোক আছে যারা বিধি-১০৬ এর কথা বলেন।

বিধি-১০৬ অনুযায়ী আগে ও পরে ছুটির কথা বলা আছে অনুপস্থির জন্য কিছু বলা নাই।

যে দিন একটা প্রতিষ্ঠানের কর্ম দিবস থাকে না, সেই দিনটিকে কিভাবে অনুপস্থিত হিসাবে গন্য করেন।

ভেবেছেন কখন?

আগে নিজেকে ঠিক করেন পরে অন্যের দোষ দেন।

Garments-Sector-Minimum-Wages-December-2018
07/08/2019

Garments-Sector-Minimum-Wages-December-2018

ঈদের ছুটির আগেই বেতন-বোনাস দেওয়ার আহ্বানঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ...
06/08/2019

ঈদের ছুটির আগেই বেতন-বোনাস দেওয়ার আহ্বান
ঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম।
রবিবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানের সম্মেলন কক্ষে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক কোর কমিটির ৪৪তম সভা শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী তার নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেওয়া সভাপতির বক্তৃতায় বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের পরিদর্শক, শিল্প পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা প্রশাসক সজাগ রয়েছে। তিনি সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সচিব কে এম আলী আজম জানান, বিজিএমইএ-এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক গাজীপুর এলাকায় ১১ থেকে ১৭ আগস্ট এবং আশুলিয়া, সাভার, হেমায়েতপুর, মানিকগঞ্জ এলাকায় ১১ থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি থাকবে। তিনি বলেন, সভায় আগামী ৯ ও ১০ আগস্ট শিল্প এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি জানান, সময়মতো মালিকরা বেতন-বোনাস পরিশোধ করছেন কিনা তা মনিটরিয়ে সারাদেশের শিল্পঘন এলাকায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তাদের নিয়ে ৬৪টি টিম কাজ করছে। বেতন-বোনাস নিয়ে কোনও কারখানায় কোনও ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হলে মালিক, শ্রমিক ও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে টিমের সদস্যরা বিষয়টির সমাধান করবেন বলে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে বলে সচিব জানান।
সভায় শিল্প পুলিশের মহাপরিচালক আব্দুস সালাম, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রেজাউল হক, ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর, বিজেএমসি-এর চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম, বিকেএমইএ-এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহামদ মুনসুর আহমেদ, বিজিএমইএ-এর মনসুর খালেদ, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টুসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীর জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

যে সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য শ্রম আইন প্রযোজ্য নয়।
06/08/2019

যে সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য শ্রম আইন প্রযোজ্য নয়।

27/07/2019

:::সাপ্তাহিক ছুটি:::

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১০৩ ধারাতে সাপ্তাহিক ছুটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও কারখানা শ্রমিকগন সপ্তাহে ১ (এক) দিন সাপ্তাহিক ছুটি পাইবেন।

অন্যদিকে,অন্য সকল প্রতিষ্ঠানসমূহ সপ্তাহে ১.৫ (দেড়) দিন সাপ্তাহিক ছুটি পাইবে।

তবে কোন কারনে যদি মালিক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তাহা প্রদান না করিতে পারে।

তাহা হইলে মালিক ইহা শ্রম বিধিমালার বিধি-১০১ অনুযায়ী পরবর্তী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে প্রদান করার ব্যবস্থা করিবেন।

কিন্তু ধারা-১০৪ অনুযায়ী অব্যাহতিপ্রাপ্ত শ্রমিকগনের প্রাপ্য কোন ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি প্রাপ্য হইলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে প্রদান করিতে হইবে।

প্রতিষ্ঠানের মালিক ফরম-৩৩ অনুযায়ী একটি ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবে এবং ইহা ৩ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হবে।

এছাড়াও, কোন কারনে যদি কোন শ্রমিক পাওনা ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করার পূর্বে চাকুরীর অবসান হয় তাহা হইলে পূর্ন মজুরী প্রদান করিতে হইবে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Compliance referance laibiry posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share