Kolly'S Collections

Kolly'S Collections আধুনিক ও রুচিশীল আপুদের হাতে সূলভ মূল?

12/08/2016

এখনো আমাদের মস্তিষ্ক লিটনের ফ্লাট আর পাট খেতেই সীমাবদ্ধ

04/07/2016

যখন আমরা ছোট
ছিলাম,
* হাতগুলো জামার
মধ্যে ঢুকিয়ে
নিয়ে
বলতাম, আমার হাত
নেই।
*একটা কলম ছিল,
যার চার রকম
কালি, আর
আমরা তার চারটে
বোতাম
একসাথে
টেপার
চেস্টা করতাম।
*দরজার পিছনে
লুকিয়ে থাকতাম
কেউ এলে
চমকে দেব বলে, সে
আসতে
দেরি
করছে বলে অধৈর্য
হয়ে বেরিয়ে
আসতাম।
*ভাবতাম আমি
যেখানে যাচ্ছি,
চাঁদটা ও আমার
সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে।
* সুইচের দুদিকে আঙুল
চেপে অন-
অফ
এর মাঝামাঝি
ব্যালেন্স করার
চেষ্টা করতাম।
* দু -ফোটা জল ফেলে
রেস
করাতাম,
কোনটা গড়িয়ে আগে
নীচে
পড়ে।
* বৃষ্টি হলে ছাতা না
নিয়ে কচু
বা
কলাপাতা মাথায়
দিয়ে বলতাম, দ্যাখ
জল গায়ে
লাগছে না।
*তখন আমাদের শুধু
একটা
জিনিসের
খেয়াল
রাখার দায়িত্ব ছিল,
সেটা হল
স্কুলব্যাগ।
* ফলের বিচি খেয়ে
ফেললে
দুশ্চিন্তা
করতাম, পেটের মধ্যে
এবার গাছ
হবে।
*ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর
কি
দরকার ভুলে যেতাম৷
ঘর থেকে
বেরিয়ে
আসার পর মনে পড়ত।
যখন আমরা ছোট
ছিলাম তখন
ধৈর্য্য
সহ্য
হতনা
যে কবে বড় হব,
আর এখন মনে করি,
কেন যে বড় হলাম,
ছোট থাকাই ভালো
ছিল,
মাঝে মাঝে একা একা
ভাবি,
যদি আবার ছোট হয়ে
যেতাম।
আর ইচ্ছেমত কাদা
নিয়ে খেলতে
পারতাম।

কষ্ট করে হলে পড়বেন, plz
01/07/2016

কষ্ট করে হলে পড়বেন, plz

মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান (অব): আমি এখানে পশু রাজ সিংহকে সিম্বলিক অর্থে এনেছি শক্তির প্রতিক হিসেবে। এই শক্তি পশু শক্তি। এই শক্তি জাগ্রত হলে সবকিছু লন্ডভন্ড করে দেয়। হিতাহিত জ্ঞানশুণ্য হয়ে পড়ে শক্তির ধারক ও বাহকরা। এই

26/06/2016

******* সভ্যতা কোথায় নিয়ে যাচ্চে আমাদের ******

সম্প্রতিক সময়ে ব্রিটেনের এক আদালতে পিতৃপরিচয় জানতে এক কিশোর মামলা করেছিল। আদালত তার মাকে তার পিতৃপরিচয় ঠিক করে দিতে নির্দেশ দেন। তার মা যথারীতি জনৈক পুরুষকে তার পিতা বলে পরিচয় করিয়ে দিলে সে কিশোর তা মানতে রাজি হয়নি। আদালত তাদের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দিলে তা ল্যাবরেটরি টেস্টে মিল খুঁজে না পেলে তার মাকে আবারো আদালতে হাজির করা হয় এবং তার পিতার সঠিক পরিচয় দিতে বললে তার মা অন্য একজন পুরুষকে সে কিশোরের পিতা বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। সে কিশোর তাও মানতে রাজি না হলে আবারো আদালত তাদের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। এবারো সে পরীক্ষায় গরমিল দেখা দিলে আবারো তার মাকে তার পিতার পরিচয় কী হবে জানতে চাইলে তার মা অপর এক পুরুষের কথা বলে এভাবে বেশ কয়েকজন পুরুষের ডিএনএ পরীক্ষার পর সে কিশোর তার পিতার আসল পরিচয় পায়। তখন সে কিশোর আদালতেই বলে উঠে, পিতৃপরিচয় জানার জন্য যেখানে আদালতে আসতে হয়, ডিএনএ পরীক্ষা করতে হয়, সে পিতা আর সে মা দিয়ে আমার কী হবে?
(collected)

12/05/2016

একটা সময় ছিলো যখন একটা নির্দিষ্ট ফোন নাম্বার সবসময়ই কল লিস্টের প্রথমেই থাকতো।
নাম্বারটা খুজতে কন্টাক্ট লিস্টে বা ফোন বুকে যাওয়ার প্রয়োজন হতো না।

সেই একই নাম্বার একটা সময় চলে যায় ইয়েস্টার ডে তে। তারপর চলে যায় আরো পেছনের তারিখে।
এভাবে একটা সময় আর ডায়াল, রিসিভ বা মিসকল লিস্টেও নাম্বারটা থাকে না।
নাম্বার টা কন্টাক্ট বা ফোন বুকে ঘুমিয়ে থাকে।

হঠাৎ হঠাৎ নাম্বারটাতে কল দিতে ইচ্ছে করে। খুঁজে বের করে কল দিবো-কি দিবো না, এই নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে কিছুক্ষণ সময় পার করে "না থাক " এটা বলে আর কল দেওয়া হয় না।
তারপর একটা সময় আসে যখন হঠাৎ আর কল দিতেও ইচ্ছে করে না।

স্মৃতিতে ধুলো জমে,,,
ঝাপসা হয়েযায় সব অতীত। তারও অনেক পরে একটা সময় আসে যখন দেখা যায় সেই নাম্বারটা খুঁজেই পাওয়া যায় না,
যে নাম্বারটা এত ভালো করে মুখস্ত ছিলো, সেই নাম্বারটার শেষের বা মাঝের এক-দুইটা সংখ্যা মনেই পড়ছে না !

কোন এক সন্ধ্যায় হঠাৎ মন খারাপ হয়ে যায়। হয়তোবা সেদিন একটু একটু বৃষ্টি পড়ে। একঘেয়েমি ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি ।

বুকের মধ্যে হঠাৎ মোচড় দিয়ে উঠে,
একটা হাহাকার জেগে উঠে।
নাম্বারটা যে মানুষটার তার ছবি মনে ভেসে উঠে।
আচ্ছা,,
মানুষটা এখন কোথায় আছে..?
কেমন আছে.?
হাত বাড়ালেই যাকে ছোঁয়া যেত,
চোখ মেললেই যাকে দেখা যেত,
সে এখন যোজন যোজন দূরে।

জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতে বাস্তবতাকে আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। তবুও শত অধিকারের অভিমান বুকে চেপে আমরা বেঁচে থাকি।
এভাবেই....
একদিন সব লেনদেন শেষ করে
হারিয়ে যাই বিষন্ন মেঘমালার ভীড়ে......
ভালো থাকুক হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষ গুলো।

21/04/2016

এক ম্যাডাম ছাত্রকে
কিছু প্রশ্ন করছে ।

ম্যাডাম :- বল, তোর
পেন্টের ভিতর কী আছে
যা আমার শারির ভেতর
নাই?
|
ছাত্র :- পকেট ।
|
ম্যাডাম:- বল, গাভীর
4টা আর আমার দুইটা
কী ?
|
ছাত্র :- পা
|
ম্যাডাম:- বল, কোন
কাজটা খাটে শুয়ে মজাও
আরাম ?
|
ছাত্র:- ঘুম ।
|
ম্যাডাম:- বল, কোন
জিনিষ যার আছে সে
হাত দিয়ে নারে চারে
যার নাই সে আঙ্গুল
দিয়ে করে ?
|
ছাত্র:- ট্রুথব্রাশ ।
|
ম্যাডাম :- বল, কোন
জিনিষ কারো ভিতর ডুকে
শক্ত হয় আর বের হয়
নরমও আঠালো হয়ে ?
|
ছাত্র:- চুইংগাম ।
|
ম্যাডাম:- বল, ছেলেরা
উত্তেযিত হলে তাদের
শরিরের কোন অঙ্গ ছোট
থেকে বড় হয় ?
|
ছাত্র:- হৃদপিন্ড ।
|
ম্যাডাম:- বল, মেয়েরা
জুরে শ্বাস নিলে কি
ফুলে যায় ?
|
ছাত্র:- ফুশফুশ ।
~~
ম্যাডাম তো বে হুশ ।

10/04/2016

কাজী নজরুল যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে তিনি বর্তমান-
সমাজের অবস্থা দেখে কবিতাটি এমন ভাবেই লিখতেন...!!
!!কুল.........!!
চল চল চল উর্দ্ধ মহলে চোরের দল....!!
খাটিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বল দেশের ১২টা বাজিয়ে চল-
চলরে চলরে চল চল চল চল...!!
দেশের কপালে হানি আঘাত জনতা খাবে পান্তা ভাত আখের গোছায় নেতার হাত দেশ সেবাতে ছল...!!
চলরে চলরে চল, চল চল চল...!!
গরিবের লাগি গাহিয়া গান দেশ বানাবো মহা শশ্বান- দেশ করিব দুর্বল...!!
চলরে চলরে চল চল চল চল...!!
বুবুরা এখন বিড়াল পোষেন যাকে খুশি তাকেই দোষেন...!!
থলের বিড়াল বেড়িয়ে গেলে উপায় কি আর বল...!!
চলরে চলরে চল চল চল চল...!!
সুর্যের চেয়ে বালি গরম ইহাই সত্য ইহাই পরম...!!
খালি পায়ে বালির উপর আম জনতার ঢল...!!
চলরে চলরে চল চল চল চল....!!

28/03/2016

মুখ খুল্ল তনুর বান্ধবী সাদ
ওইদিন আসলে কিভাবে কি
হয়েছিল বিস্তারিত পড়ুন
আপনিও অবাক হবেন!!!!!

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর জিওসি ছিল মেজর
জেনারেল হাফিজ। সেদিন ঘুম থেকে উঠে
শুনলাম খুব সকালে জিওসির বোন হাটতে
বেরিয়েছিল,স্থানীয় কিছু লোক নাকি তাকে
উত্যক্ত করেছে। এর মাঝে একজন নাকি তার
বোনের ওড়না ধরে টান ও দিয়েছে।আপু কি
করলো বাসায় গিয়ে ভাইয়ের কাছে সেই
বিচার।
বিপরীতে ভাই কয়েক প্লাটুন সেনা সদস্য
পাঠিয়ে দিল।মুহুর্তেই তাকে ধরে ফেলল।
তার নাম ছিল কালু। এমন ভাবে মারল স্পট ডেড।
৫-৬ ঘন্টার মাঝেই সঠিক সাজা।কোন গণমাধ্যম
সেদিন নিউজ কাভার করেনি। সামান্য ইভটিজিং এই
জিওসি নিজের বোন এর জন্য এমন করল।
তাহলে আজ সেনানিবাস এলাকার ভিতরে এত বড়
ঘটনা,যেখানে কিনা একটি মেয়েকে জীবন
দিতে হলো, এর বিচার হচ্ছে না কেন??
কারণ, সেদিনের ইভটিজার ছিল সাধারণ
লোক,যাকে শাস্তি দিলে কাউকে জবাবদিহিতা
করতে হবেনা।ইভটিজিং এর শাস্তি কিন্তু মৃত্যদন্ড
হতে পারেনা।
যাই হোক,আপনি জানেন কি আজকের খুনি সয়ং
ক্যান্টনমেন্ট এর সেনা সদস্য। কেন আঙুল
তুলে তাদের দেখালাম,চাইলে এক দিনেই তারা
খুনিকে বের করে শাস্তি দিতে পারে,কিন্তু
দিচ্ছেনা হয়তো নিজেদের নামটা প্রকাশ
পেয়ে যাবে তাই।
জানতে চান সেদিন কি হয়েছিল→তাহলে শুনুন
সোহাগী থিয়েটার করতো, মাঝে মাঝে
ফিরতে রাত ও হতো।
পরিবারের সদস্য এর পক্ষ থেকে শুনলাম
সেদিন সোহাগী থিয়েটার করে বাসায়
ফিরছিল।ক্যান্টনমেন্ট এর ২য় গেইট দিয়ে
প্রবেশ এর সময় থেকেই হয়তোবা তার
বিপদ শুরু। কেননা সেদিন সন্ধ্যা ৭.৩০ এর পর
কাউকেই নাকি ওই রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করতে
দেয়া হয়নি, কিন্তু কেন??? উত্তর কেউই
দিবেনা….
যেই কালভার্ট নিয়ে এতো কথা সন্ধ্যা
থেকেই সেখানে ছিলেন সোহাগীর মা।
কই তখন তো সেদিকে কেউই ছিল না। রাত
প্রায় ১০টা,সোহাগীর বাবা ফিরলেন বাসায়,এসে
শুনলেন মেয়ে বাড়ি ফেরেনি,ফোন ও
বন্ধ।বের হয়ে গেলেন খুঁজতে। কালভার্ট
এলাকায় আসতেই প্রথমে চোখে পড়ে
সোহাগীর একটি জুতা। তার কিছুদূর যাওয়ার পর
কিছু চুল। আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে
পারলেন না সোহাগীর বাবা,কেঁদে
ফেললেন। মুহূর্তেই এমপি এসে
হাজির,সেনানিবাস এলাকার বাসিন্দা হিসেবে তার
কাছে সাহায্য চাইলেন তার মেয়েকে খুঁজে
দিতে। কিন্তু এমপি নাকি চুপ করেই ছিলেন।
♦ জানতে চাই এই চুপ করে থাকার মানে কি???
যেখানে আমাদের কথা বলার চান্সই তারা
কখনো দেয়না…
যখন মেরে ফেলা হল,তখন এমপি
আসেনি,কিন্তু এখন খোজার সময় এত জলদি
কোথা থেকে উদয় হলেন???কিছুদূরে
সোহাগীর ফোনটি বাজছিল যা এতক্ষন অফ
ছিল।
পরিশেষে পাশের একটি ঝোপের মাঝে
উপুড় হয়ে থাকা সোহাগীর লাশ পাওয়া গেল।
★ খেয়াল করুন-
সেদিন হঠাৎ ক্যান্টনমেন্ট এর ২য় গেট বন্ধ
কেন?
কালভার্ট থেকে কেন কিছুদূর পর পর এই
আলামত রাখা হল?
এমপি চুপ করে থাকার রহস্য?
♣ বিশেষত – যে এলাকায় লাশ পাওয়া গেছে
সেখানে সোহাগী মারার তেমন আলামত
পাওয়া যায়নি।কিন্তু কেন??
কারন সোহাগীকে এখানে ধর্ষনে করাও
হয়নি, এখানে মারাও হয়নি। অন্যকোথা থেকে
লাশ এখানে এনে রাখা হয়েছে।যেখানে ২-৩
মিনিট পর পর এমপি, এফআই গাড়ী টহলে থাকে
সেখানে সোহাগী কে ধর্ষন করে
কতক্ষণে??
একটু ভেবে দেখুন ধর্ষনে কিন্তু কেউ মারা
যায়না। যেমনি হোক বাঁচবে,কিন্তু ও মারা গেল
কি করে,যা শুনেছেন সবই সাজানো কাহিনী।
সোহাগীর পুরো শরীরে নরপিশাচরা এতটাই
আঘাত করেছে অতিরিক্ত মারের দাগ ছিল।
নরপিশাচরা মাথার চুলে এতটাই টান দিয়েছে চামড়া
সহ উঠে গেছে। যার ফলে কান নাক দিয়ে
প্রচুর ব্লেডিং হয়েছে। →কোন গলা কাটা ছিল
না… না এবং না, সবকিছুর বিপরীতে সোহাগী
আর নেই।
একটু ভেবে দেখুন হাফিজ সাহেবের
বিচার,আর বর্তমান অবস্থা।
কেন এমন জানেন। আশা করি আর বলতে
হবেনা,কেচো খুড়তে গিয়ে যে পরে সাপ
বের হবে। সেনা এরিয়ায় একটা মশা ঢুকতেও
অনুমতি লাগে,আর এত বড় ঘটনা হবে কেউই
দেখবে না এটা বিশ্বাস করতে পারছিনা।
সেনা সদস্য কেউ করেছে
কাজটা,সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যদি দোষ
শিকার করা হয় মানুষ আর তাদের বিশ্বাস করবে না
তাই এমন নাটক সাজানো।বিচার হবে হয়তো
তাদের আইনে কোর্ট মার্শাল হবে,যা আমরা
কখনই জানবোনা।
আরও কি কুমিল্লা মেডিকেল থেকে লাশ
নিয়ে আসার সময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ র্যাপ
রির্পোট দিতে চায়নি। মামলা করার পর থেকে
সোহাগীর বাবা কে হুমকি দেয়া হয়ে
গেছে বেশ করেকবার।
→পরিশেষে-এদেশে আন্দোলন করে
লাভ নাই বিচার পাবনা।যেখানে সয়ং সেনাবাহিনী
জড়িত সেখানে কিসের বিচার??
যেখানে নিজের বোনের ইভটিজিং এর বিচার
মৃত্যদন্ড,আর আমার বোনকে মারার পরেও
চুপ করে বসেই থাকবে এই
সেনানিবাস,সেখানে কাকে কি বলবেন।উচিত
নিজে মরে যাওয়া।
তারা আমার চেয়ে অনেক দক্ষ,তাই বলে
দিতে চাইনা কি করে শয়তান গুলোকে বের
করবে।মনে রাখবেন- সিসিটিভি তে ঘেরা
পুরো কুমিল্লা সেনানিবাস।
মনে রাখবেন- গণমাধ্যম প্রবেশ নিষেধ,তারা
যে কিছু বের করবে সেও চান্স তারা দিবেই
না।
তাহলে কে করবে এই বিচার???

Address

Feni
3920

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kolly'S Collections posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share