TripleC

TripleC We are working on new concepts in styling and content of the Knitwear is a continuous activity in Creative Corporate Clothing

Brand: OVSExport Item. Kids Full Sleeve T-Shirt SetSize: 9 months to 3 Years available.Qty: 350 set
04/03/2026

Brand: OVS
Export Item. Kids Full Sleeve T-Shirt Set
Size: 9 months to 3 Years available.
Qty: 350 set

12/07/2021

"টিকিট প্লিজ" - বলে টিটি আমার কাছে এসে দাঁড়াতে আমি একটু অবাকই হলাম। বললাম - "এইমাত্র টিকিট দেখালাম যে!" টিটি বলল - "আপনার নয়, আপনার সিটের নিচে আরেকজনকে দেখতে পাচ্ছি যে।"
"বেরিয়ে এসো" - বলতেই দেখি একটা বছর তেরো-চোদ্দর মেয়ে অস্বাভাবিক কান্নাকাটি করছে। টিকিট তো নেইই। তার উপর শীর্ণ, অভুক্ত, মলিন একটা মুখ। টিটি বলল - "ভাগো ইঁহা সে।"

আমি জিজ্ঞেস করলাম - "কোথায় নামবে তুমি?"
কোন উত্তর নেই, শুধু কান্নাকাটি। বাধ্য হয়ে টিটিকে বললাম - "ওর ভাড়া আমি দিয়ে দিচ্ছি, একদম শেষ স্টেশন ব্যাঙ্গালোর অবধি টিকিট দিন।" টিটি বলল - "কেন ফালতু এতগুলো টাকা নষ্ট করবেন ম্যাডাম?" তবুও কি ভেবে বললাম - "না, আপনি টিকিটই দিয়ে দিন। শুধুই কাঁদছে। শেষ অবধি কাটা থাকুক। মধ্যিখানে কোথাও নেমে যাবে হয়তো।"

আমায় অবাক করে মেয়েটি কোথাওই নামল না। নাম জানলাম চিত্রা। নিজের বাবা মা কেউই নেই দুনিয়ায়। সৎ মা খুব খাটায় এবং মারে। সে তাও সহ্য করে নিয়েছিল, কিন্তু খেতে দিত না যে। খিদের জ্বালায় পালিয়ে এসেছে। শুধু এটুকু ভেবেছে যে, ওই নরকের চেয়ে অন্ততঃ ভালো থাকবে।

ব্যাঙ্গালোরে নামলাম। শুধু একবার পিছন ঘুরেছি, দেখি চিত্রা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। টিকিট কাটার সময় একবারও ভাবিনি এই মেয়েটার দায়িত্ব নিতে হতে পারে। আমার পক্ষে এ গুরু দায়িত্ব নেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব নয়, আমার ট্যুরে যাওয়া আছে দুদিন বাদেই। তবুও বললাম - "এসো আমার গাড়িতে এসো।" ড্রাইভার অবাক হয়ে বারবার দেখছে।

আমার এক বন্ধু আছে রাম। সে মেয়েদের শেলটার দেয় ও আরো সমাজসেবা মূলক কাজ করে। ওর ওখানে চিত্রাকে দিই। আর বলি, আমাদের ইনফোসিস ফাউন্ডেশন ওর সমস্ত দায়িত্ব নেবে। থাকতে চাইলে থাকবে, নয়তো আবার পালাবে মেয়েটা।

ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ মনে পড়তে দেখতে গেলাম। কি হাসিখুশি হয়েছে এখন চিত্রা আর পড়াশোনায় ভারী আগ্রহ। ও স্কুলে আবার ভর্তি হতে চায়। এভাবে চলতে লাগল।

ওকে একদিন গিয়ে বলেও এলাম, তুমি যতদূর পড়তে চাও পড়তে পারো। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।
আমায় অবাক করে বলল, "না আকা (দিদি), আমি তাড়াতাড়ি একটা চাকরি পেতে চাই। তাই কম্পিউটার সায়েন্স এ ডিপ্লোমা করব।"

তারপর প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম ওর কথা। হঠাৎ একদিন বিদেশ থেকে ইমেল পেলাম চিত্রার। ও বিদেশে চাকরিতে খুব উন্নতি করেছে আর এখন খুব হাসিখুশি সুন্দর জীবন ওর। মেল পড়ে ভগবানকে বললাম, ওর মুখের হাসি যেন এমনিই থাকে।

এবারে সানফ্রান্সিসকোতে একটা লেকচার দিতে গিয়েছি। যখন হোটেল থেকে চেক আউট করব , গিয়ে দেখি রিসেপশনিস্ট বলছে, "ম্যাম, আপনার সমস্ত বিল ফুললি পেড। ওই লেডি নিশ্চয়ই আপনাকে খুব ভালো করে চেনে।"

খুব অবাক হয়ে চারিদিকে দেখলাম, দেখি একজন ভদ্রমহিলা সুন্দর একটা শাড়ি পরা, একটু দূরে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছে। পাশে ফরেনার বর। কি সুন্দর দেখাচ্ছিল ওকে ছোট ছোট চুলে। সেই চিত্রা। এসে আমায় জড়িয়ে ধরল।

"চিত্রা তুমি আমার সমস্ত বিল কেন পে করবে?"
আরো শক্ত করে জড়িয়ে নিয়ে বলল - "কারণ তুমি একদিন আমার সমস্ত বিল পে করেছিলে। আমার সমস্ত জীবনটাই যে ওই পেমেন্টের ওপর দাঁড়িয়ে। সেই বম্বে টু ব্যাঙ্গালোর।"

এই ঘটনা ইনফোসিসের কো-ফাউন্ডার সুধা মূর্তি তাঁর ব্লগে লিখেছিলেন। এই ঘটনা থেকেই যেন তাঁকে খানিকটা চেনা যায়। তিনি বিয়ের আগে ছিলেন সুধা কুলকার্নি। সেই সুধা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলেন বাড়ির সবাই বলেছিলেন আমাদের কমিউনিটিতে কিন্তু ছেলে পাওয়া যাবে না। তোমার বিয়ে হবে কি করে? প্রসঙ্গত সুধাদেবীর বাবা ডাক্তার ছিলেন। নামী সার্জেন। কিন্তু তবুও তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংই বেছে নেন।

ক্লাসে 599 টা ছেলে আর একটিই মেয়ে। সে আমলে মেয়েরা তেমন কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ত না যে। সুধা জোর করে ভর্তি হয়েছিলেন। কর্ণাটকের হুবলির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। তিনি সে শহরের প্রথম ছাত্রী। কলেজের প্রিন্সিপাল সুধাকে ডেকে বলেছিলেন, তিনটি শর্ত মানতে হবে।

১) রোজ শাড়ি পরে আসতে হবে ।
২ ) কলেজ ক্যান্টিনে ছেলেদের ভিড়, ওদিকে যাওয়া চলবে না।
৩ ) কোন ছেলের সঙ্গে ক্লাসে কথা বলা যাবে না।

তিনি অক্ষরে অক্ষরে তিনটিই মেনে চলতেন। কিন্তু কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে তিন নম্বর শর্তটি আর মানা সম্ভব হয়নি। কারণ ছেলেরা তাঁর দিকে পূর্ণ দৃষ্টি নিয়ে ফিরল এবং এসে কথা বলল। ওই 600 স্টুডেন্টের মধ্যে ফার্স্ট হয়েছিলেন যে সুধা।

তিনি তারপরে আর কোথাওই দ্বিতীয় হননি। BE তে ফার্স্ট। রেকর্ড নাম্বার। গোল্ড মেডালিস্ট। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেই মেডেল নেন। আরো পড়তে ইচ্ছে হল তাঁর। এবারে ME। সেখানেও গোল্ড মেডেল। সেই মেডেল এবারে দিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সরা।

কিন্তু পাশ করে বেরোনোর পর অদ্ভুত ব্যাপার। তাঁর জন্য কোথাও কোন চাকরির দরজা খুলল না। সমস্ত কোম্পানিই মেল ডমিনেটিং। মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরজা বন্ধ। কি আশ্চর্য! তাই না? খুব বেশিদিন আগেও না। 1970 - 72 এর ঘটনা ।

এইসময় একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে সুধা কুলকার্নির। ইঞ্জিনিয়ার চাই। যোগ্যতা অমুক তমুক। কিন্তু নিচে বড় হরফে লেখা মহিলাদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। টেলকো কোম্পানির বিজ্ঞাপন।

তিনি খুব রেগে টাটা কোম্পানিতে স্বয়ং জে আর ডি টাটাকে একটা চিঠি লিখলেন। এরকম কেন হবে? যোগ্যতাই কি একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না? টাটা কর্তারা নড়েচড়ে বসলেন। ডাক পেলেন স্পেশাল ইন্টারভিউতে। এবং বাকিটা ইতিহাস। তিনিই টাটার টেলকো কোম্পানির প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দিলেন। কাউকে না কাউকে তো অসম লড়াই চালাতে হয়। তার সুফল ভোগ করে পরবর্তী প্রজন্ম।

এরপর ওই টেলকোতেই নারায়ণ মূর্তির সঙ্গে আলাপ। তারপর বিয়ে। সুধা 400 টাকা আর নারায়ণ 400 টাকা দিয়েছিলেন নিজেদের বাড়িতে। সেই টাকাতেই সাদামাটা আড়ম্বরহীন বিবাহ হয়েছিল। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুজনেই এখন প্রতিষ্ঠিত ।

ইনফোসিস খোলার কথা মাথায় আসে নারায়ণের।
নিশ্চিত জীবন ছেড়ে এক অনিশ্চিত সম্ভাবনা। সুধা তখনও চাকরি করতেন এবং নিজের সমস্ত জমা পুঁজি দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরেও খানিক দিন সুধার চাকরির আয়ে চারজনের সংসার চলত। এই হল গোড়ার কথা।

তারপর দেশের নানা প্রান্তে 70000 লাইব্রেরি, 10000 টয়লেট, 2600 গৃহহীনকে গৃহ, দেশের খরা, বন্যা সবেতে নীরবে কাজ করে চলে ইনফোসিস।
তিনি একদিকে শিক্ষিকা, লেখিকা, আবার অত বড় কোম্পানির চেয়ারপার্সন। বহু সম্মান, বহু পুরস্কার পেয়েছেন।

টাটা কোম্পানি ছাড়ার সময়ে JRD TATA তাঁকে অমূল্য উপদেশ দিয়েছিলেন, "সবসময় একটা কথা মনে রাখবে, তোমার সমস্ত টাকা পয়সার তুমি অছিমাত্র (ট্রাস্টি)। টাকার সবসময় হাতবদল হয়। হাতে রেখে লাভ নেই। টাকা বড় ক্ষণস্থায়ী। যদি সাফল্য আসে সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেবে। সেটাই কিন্তু চিরস্থায়ী।

তিনি আজো ভোলেননি। এবং সবাইকে চমকে দিয়ে তিনি বলেন - "বিগত একুশ বছর আমি কোনো শাড়ি কিনিনি। যা পরি সবই পাওয়া, আমি শুধু বই কিনি।"

একবার এমনও হয়েছিল তিনি প্লেনের বিজনেস ক্লাস লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এক ভদ্রলোক তাঁর সাজপোশাক দেখে তাঁকে "Cattle Class" বলেছিলেন! তিনি জানতেন না সুধা মূর্তি ভারতের Richest Person দের মধ্যে অন্যতম। পদ্মশ্রী সুধা মূর্তি বলেন - "Simplicity is the best jewellery I wear."

সৌজন্য:অরিজিৎ ভৌমিক।

13/05/2021
30/04/2021

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কোভিড যোদ্ধার ডায়েরি থেকে:

আমাদের COVID ICU তে একজন ডাক্তার ভর্তি। বয়স ৩৮ বছর।

খুবই ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে। বাংলাদেশের বেস্ট পসিবল কোভিডের চিকিৎসা উনি পেয়ে গেছেন। উনি আমাদের মতই কোভিড রুগী দেখতেন সেই শুরু থেকেই । কিন্তু আজ তিনি নিজেই কোভিড-19 এর ভয়াল থাবায় কাবু। তারপর হঠাৎ শ্বাস কষ্ট, তারপর ভর্তি আমাদের হাসপাতালের কেবিনে। তার অক্সিজেন ক্রমাগত কমতে থাকায় তাকে ICU তে শিফট করা হয়। আমরা প্রথমে ১৫ লিটার অক্সিজেন দিয়ে চেষ্টা করলাম। হলো না। শুরু করলাম High flow nasal cannula (HFNC) দিয়ে ৫০ লিটার দেয়া,কাজ হলো না। ৬০ লিটার দিলাম, হলো না। দিন কে দিন খারাপ হতে লাগলেন উনি। করোনায় ব্যাবহৃত সবচেয়ে দামী ওষুধ গুলো যার কোনো কোনোটার একটি ভায়াল এর দাম ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৮২ হাজার টাকা। হলো না কাজ। অক্সিজেন কমতেই থাকলো Day by day.। উনার স্ত্রী সবই বুঝতেছেন। ডাক্তারের বউ, স্বাভাবিকভাবেই একটু শক্ত হয় মানসিক দিক দিয়ে। আমরা অক্সিজেন বাড়িয়ে ৭৫ লিটার করলাম। হলো না। লাইফ সাপোর্ট মেশিন দিয়ে গত পরশু রাত ৩ টায় আমি শুরু করে গেলাম NIV (Non Invasive ventilation)। অক্সিজেন ৯৫% পর্যন্ত উঠলো সেদিন। আজ এসে দেখি NIV তেও হচ্ছে না। অক্সিজেন লেভেল ৮০% এর নিচে নেমে যাচ্ছে। ডাক্তার সাহেব যথেষ্ট শক্ত মানুষ। আমি গিয়ে হাত ধরলাম। বললাম শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কি আপনার দাদা? NIV থাকায় কথা তো বলতে পারছেন না।মাথা নেড়ে কষ্ট চেপে একটু হাসলেন।বুঝালেন না হচ্ছে না। খেয়াল করে দেখছি শুরু থেকেই এই মানুষটা কাছে গেলেই হাসি দেয়। অক্সিজেন লেভেল ৭০ এ নামলেও উনার কষ্ট হয় না। হাসি মুখে লেগেই আছে। আজ সব রিপোর্ট রিপিট করলাম। বুকের এক্সরে আবার করলাম। মাত্র একদিন আগের বুকের এক্সরে যথেষ্ট খারাপ ছিলো। আজকের এক্সরে তাকেও ছাড়িয়ে গেল।বাকি রিপোর্ট গুলো ভয়াবহ খারাপ। বুকের এত বিভৎস এক্সরে খুব কম ই দেখেছি। বাতাস ধরে রাখবে এমন কোনো জায়গা তার বুকে নেই।আমরা তো আমরা, ছোট ডাক্তার।আমাদের বড় বড় কনসাল্টেন্ট স্যারেরা সবাই দিশেহারা। বোর্ড মিটিং একের পর এক। কোভিড নিয়ে চিকিৎসা শাস্ত্রের সব বিদ্যা প্রয়োগ শেষ। কিন্তু উন্নতি নেই। উনি যেহেতু ডাক্তার, উনার কাছ থেকে তাই দূরে গিয়ে এক্সরে ফিল্ম দেখতে হয় যেন উনি ফিল্মটা না দেখতে পান। উনি আমাকে মাথা নেড়ে NIV থেকেই ইশারায় জিজ্ঞাসা করলেন ভাই, আমার এক্সরের কি অবস্থা।আমি হাসি দিয়ে মিথ্যা বললাম ভালো আছে। উনার স্ত্রীকে ডেকে পাশাপাশি আগের এক্সরে আর আজকের টা দেখালাম। স্ত্রীর বয়স মনে হয় ৩২/৩৫ এর বেশি না। শিক্ষিত উচ্চ বংশীয় মানুষ। কথাবার্তায় বেশ বোঝা যায়। উনি কিছুক্ষণ চুপ করে আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকলেন।। তারপর হুট করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। পুরো ডাক্তার রুমে আমরা সবাই নিস্তব্ধ। উনি কাঁদছেন। কিছুক্ষণ পর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন। আর কি কিছুই করার নেই দাদা?আমরা চুপ। কারন আমাদের হাতে আর একটাই অপশন ডাক্তার সাহেবকে ফুল লাইফ সাপর্টে দিয়ে দেয়া। কিন্তু তাতে আশা বাড়বে না। কারণ কোভিড রুগী লাইফ সাপোর্টে গেলে ফেরার সম্ভবনা ০.১%। বলতে বলতেই আবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন।কান্না সামলিয়ে বললেন। আমি আর কি করতে পারি ডক্টর? বলে দিন। আমার উত্তর ছিলো, you did your last of the last Madam. keep praying to god Lets hope for the best. 😔At last The Doctor,the hero died. Died serving the people of Bangladesh.😢

বাইরে শপিংয়ে যাচ্ছেন?
আড্ডাতে যাচ্ছেন?
ডেটিং এ যাচ্ছেন?
দাওয়াত খেতে যাচ্ছেন?

শপিং মল এর দোকান গুলোতে হয়তো অনেক জামাকাপড় আছে, আপনার পকেটেও অনেক টাকা আছে। কিন্তু সেই টাকা কি আপনাকে বাঁচাতে
পারবে❓

25/04/2021

করোনা ভাইরাসের মহামারীতে দিল্লী যেন এক সাক্ষাৎ মৃত্যুপুরী।

একটু অক্সিজেনের জন্য একটু নিশ্বাসের জন্য যন্ত্রণায় কাতর প্রিয় মানুষের তীব্র হাহাকার বেঁচে থাকা মানুষগুলোকে দিশেহারা করে তুলছে।

সবকিছুর বিনিময়ে হলে ও প্রত্যেকেই তার প্রিয় স্বজনকে বাঁচাতে চায়।

কেউ জানেনা এর শেষ কোথায়? কখন কিভাবে এর থেকে পরিত্রাণ আসবে ??

সৃষ্টিকর্তা আমাদের এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুন।

বাহিরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যাবহার করুন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।


Busy schedule at SR Knit Fashion
22/01/2021

Busy schedule at SR Knit Fashion

06/01/2021

Address

East Mouchak, Kaliakoir
Gazipur

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801713368610

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TripleC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TripleC:

Share