G.Family Shop

G.Family Shop Fashionable clothing, City Gold jewelry, electronics items are sold online at home delivery.

পরামর্শ আমার সিদ্বান্ত আপনার
17/09/2020

পরামর্শ আমার সিদ্বান্ত আপনার

06/09/2020
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় বন্ধু আপনার সাহায্য নিয়ে আপনার সহযোগিতায় আমার নতুন ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে চাই, চাই একজন বন্ধু হিসেব...
25/08/2020

আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় বন্ধু আপনার সাহায্য নিয়ে আপনার সহযোগিতায় আমার নতুন ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে চাই, চাই একজন বন্ধু হিসেবে আপনার সহযোগিতার হাত, তার মানে এমন সাহায্য নয়, আমি চাই আপনার মতো সু বিবেচক একজন গ্রাহক বন্ধু। আমার যাত্রায় আপনি হোন আমার প্রথম গ্রাহক।আমার প্রথম প্রডাক্ট থ্রি পিস, সম্পূর্ণ সূতি থ্রি পিস।
কটন ব্লক থ্রি-পিছ

মূল্য ডেলিভারি চার্যসহ ৬৫৫ /=( ছয় শত পঞ্চান্ন টাকা মাত্র)

*স্যালোয়ার এবং কামিজ - কটন/সুতি

*ওড়না - জরজেট

*কাপড়ের পরিমান – কামিজ-২.৫ গজ,

স্যালোয়ার-২.৫ গজ এবং ওড়না-৫ হাতের বড় ওড়না (আলাদা হাতার কাপড় দেয়া আছে)

*কামিজের লম্বা - ৪৫ ইঞ্চি

ব্লক ড্রেস ব্যবহারের কিছু নিয়মাবলীঃ

১. কাপড়টি ব্যবহারের আগে রোদে শুকিয়ে নিন।

২. ড্রেস স্ত্রী (iron) করার সময় বুকের উল্টো পিঠে স্ত্রী (iron) করবেন।

৩. প্ৰথমবার ধোয়ার সময় সামান্য স্যাম্পু ব্যবহার করবেন এতে কাপড়ের স্থায়ীত্ব বাড়ে এবং কালার সহজে নষ্ট হবে না।

Lowest & Cheapest wholesale prices

---

ডেলিভারি ম্যান চলে আসার পর কোনো অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না, কোনো প্রোডাক্ট চেঞ্জ অথবা রিটার্ন হবে না। কোনো সমস্যা থাকলে ডেলিভারি ম্যান থাকাকালীন আমাদের কল দিবেন।

---

আমাদের এক্সচেঞ্জ সুবিধাও আছে তবে তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্লেইম করতে হবে। এক্সচেঞ্জের সময় ডেলিভারি ম্যানের কাছে নিচের জিনিস গুলো অবশ্যই সঠিক ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে-

১। প্রোডাক্ট

২। প্রোডাক্টের সাথে প্রদানকৃত বক্স/প্যাকেজিং সামগ্রী

৩। বিল/ইনভয়েস

---

Disclaimer

Product color may slightly vary due to photographic lighting sources or your monitor settings.

স্বাদের মূলমন্ত্রঃ গৃহিনীর দক্ষহাতের পরশ + বাঙলা রসনা বাজারের খাঁটি মশলা।
24/07/2020

স্বাদের মূলমন্ত্রঃ গৃহিনীর দক্ষহাতের পরশ + বাঙলা রসনা বাজারের খাঁটি মশলা।

24/07/2020

আসুন জেনেনেই গরমশলা কী?
আসলে গড়+মশলা= গড়মশলা >গরমশলা>গরমমশলা
প্রকৃতপক্ষে কয়েক প্রকার মশলার সংমিশ্রণ হলো গরম মশলা।
ভারতীয় উপমহাদেশের রন্ধন প্রণালীতে ব্যবহৃত একটি অতি পরিচিত উপকরন হল গরম-মশলা। বিভিন্ন মশলার সংমিশ্রণে এটি প্রস্তুত করা হয়।সাধারনত গরম মশলার উপকরন গুলি হল –
(যা আমাদের কালেশনে পাবেন)
• ছোট এলাচ
• বড় এলাচ
• কালো এলাচ
• লবঙ্গ
• দারচিনি
• গোল মরিচ
• শাহামরিচ
• লাল লংকা
• জায়ফল
• জয়িত্রি
• জীরে
• শাহা জিরে
• ধনে
কিন্তু জায়গা বিশেষে এর অন্য রূপ দেখতে পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে এর মধ্যে অন্য আরও কিছু বিশেষ উপকরন মেশানো হয়। যেমন —
• তেজপাতা
• শুকনো লঙ্কা
• মৌরী
• সর্ষে
• স্টার অ্যানিশ
• মেথি ইত্যাদি

23/07/2020

আমার এই পেজে প্রথম পোস্টঃ
==মধু কী ? ==
সাধারণভাবে বলা যায়- মধু হলো লাখ লাখ মৌমাছির অক্লান্ত শ্রম আর সেবাব্রতী জীবনের দান। মৌমাছিরা ফুলে ফুলে বিচরণ করে ফুলের রেণু ও মিষ্টি রস সংগ্রহ করে পাকস্থলীতে রাখে। তারপর সেখানে মৌমাছির মুখ নিঃসৃত লালা মিশ্রিত হয়ে রাসায়নিক জটিল বিক্রিয়ায় মধু তৈরি হয়। এরপর মুখ হতে মৌচাকের প্রকোষ্ঠে জমা করা হয়
==রাসায়নিক উপাদান==
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ। আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
==কুরআনে মধুর কথা==
আরবি পরিভাষায় মধুপোকা বা মৌমাছিকে ‘নাহল’(نحل) বলা হয়। পবিত্র কোরআনে এই নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা বিদ্যমান আছে। সূরা নাহল এর আয়াত ৬৯-এ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন--
"তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।"
মধু হচ্ছে ওষুধ এবং খাদ্য উভয়ই। মধুকে বলা হয়- বিররে এলাহি ও তিব্বে নব্বী। অর্থাৎ খোদায়ী চিকিৎসা ও নবী করীম (সা.)- এর বিধানের অন্তর্ভুক্ত।
সূরা মুহাম্মদ- এর ১৫ আয়াতে আল্লাহ তায়ালার এরশাদ হচ্ছে- “জান্নাতে স্বচ্ছ মধুর নহর প্রবাহিত হবে।”
মধু মহান আল্লাহ তা’আলার একটি বিশেষ নেয়ামত। এই নেয়ামতে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। মধু রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধিসহ নানাপ্রকারের উপকার সাধন করে। কুরআনে এর নেয়ামতের বর্ণনা প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَأَوْحَىٰ رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ﴿٦٨﴾ ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ۚ يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ ۗ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ﴿٦٩﴾
অর্থঃ আর আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতে,গাছে ও উচু চালে গৃহ তৈরী কর। এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষন কর এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়।তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
আলোচ্য আয়াতে যে বিষয়গুলো লক্ষণীয়ঃ-
১।আল্লাহ তা’আলা মৌমাছিকে ঘর তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সে অত্যন্ত সুচারুভাবে গাছের ডালে বা ঝোপে বাসা নির্মাণ করে। আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে বিশেষ দীক্ষা ছাড়া ক্ষুদ্র মৌমাছির পক্ষে এত সুন্দর আকর্ষণীয় ও বিজ্ঞানসম্মত কারুকার্যম চাক নির্মাণ করা সম্ভবপর হতো না।
২।এরপর আল্লাহ তাআ’লা তাকে সব ফলমূল থেকে ভক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি এ আদেশও দিয়েছেন, যেন আল্লাহ তাআ’লার প্রদত্ত পথগুলো পরিভ্রমণ করে। তাই তো মৌমাছি মধু আহরণে দূর-দূরান্তে চলে গেলেও আবার তার বাসায় ঠিকই ফিরে আসে। সে পথ হারায় না।
৩।সর্বশেষ আল্লাহ তাআ’লা মহা এই নেয়ামতের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মৌমাছির উদর থেকে নির্গত হয় মানবজাতির জন্য অত্যন্ত উপকারী বিভিন্ন বর্ণের পানীয় (মধু), যাতে রয়েছে রোগমুক্তি (শিফা)। আমরা জানি, প্রাচীনকালের ন্যায় এ অত্যাধুনিক যুগের চিকিৎসা বিজ্ঞানেও মধুর গুরুত্ব ও উপকারিতা সর্বজনস্বীকৃত।
হাদিসে রাসুলুল্লাহতে মধুর উপকারিতার অনেক বর্ণনা আছে-
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
'মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।' (বুখারি : ৫২৪৮)।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন,
প্রিয়নবী (সা.) এর কাছে মধু ও মিষ্টান্ন খুব প্রিয় ছিল। (বুখারি : ৫২৫০)।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
'যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকালে মধু চেটে খাবে, তার বড় ধরনের কোনো রোগ হবে না।' (ইবনে মাজাহ : ৩৪৪১)।
রোগ নিরাময়ে মধুর গুণাগুণঃ
রোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সফলতার সঙ্গে ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম্নে কয়েকটি রোগের চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
সর্দি, কাশি ও স্বরভঙ্গে
চায়ের সঙ্গে মধু ও আদার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও শ্লেষ্মা রেগের উপশম হয়
(১ চামচ মধু + ১ চামচ আদার রস)।
দুই চা চামচের সমপরিমাণ মধু ও বাসকপাতার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশি সেরে যায়।
তুলসী পাতার এক চা চামচ রস ও সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই কাশি দূর হয়।
সৈন্ধব লবণ, আমলকী, পিপুল, মরিচ ইত্যাদির সঙ্গে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে এক চা চামচ করে খেলে কফ ও স্বরভাঙ্গা ভালো হয়।
খাঁটি মধুর সঙ্গে হরীতকী ও বচচূর্ণ মিশিয়ে লেহন করলে (চেটে খেলে) শ্বাসকষ্টের আশু উপকার পাওয়া যায়।
২ চা চামচ মধু ১ গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সকালে ও সন্ধ্যায় খেলে সর্দিকাশি দূর হয়।
হালকা গরম জলসহ মধু মিশিয়ে গড়গড়া করলে গায়কদের গলার স্বর বৃদ্ধি পায়। অনেকের মতে, এটা টনিকের মতো কাজ করে।
এক চা চামচ আদার রস এবং এক চা চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে ও সন্ধেবেলা খেলে সর্দি সেরে যায় ও খিদে বৃদ্ধিপায়।
আমাশয়ে মধু
রক্ত মিশ্রিত পায়খানা, তৈলাক্ত পায়খানা এবং সঙ্গে পেট কামড়ানি থাকলে তাকে আমাশয় বলে। মধু দিয়ে কিভাবে আমাশয় রোগ নিরাময় করা যায় তা তুলে ধরছি-
কচি বেল ও আমগাছের কচি চামড়া (বাকল) বাটার সঙ্গে গুড় ও মধু মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়ে যায়।
কুল বা বড়ই গাছের ছাল চূর্ণের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়।
৫০০ গ্রাম আতপ চাল ভেজে গুঁড়া করে এর সঙ্গে ১২৫ গ্রাম ঘি, ২৫০ গ্রাম খাটি মধু, ১২৫ গ্রাম চিনি এবং ২০টি সবরি কলা ভালোভাবে মিশিয়ে (চটকে) জ্বালাল দিয়ে খাবার উপযোগী করে ৩/৪ দিন নিয়মিত খেলে সব ধরনের আমাশয় ভালো হয়ে যায়।
অন্যান্য রোগে মধু
@ শরীরের বাইরের কোন অংশের ক্ষততে মধুর প্রলেপ লাগালে অনেক সময় মলমের চেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
@ পানিতে অল্প মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর ক্ষত সারে।
@ মৌরির পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে দূষিত বায়ু পেট থেকে বেরিয়ে যায়।
@ যারা খুব মোটা হচ্ছেন তাদের মেদ কমানোর জন্য মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে খেলে সুফল পাওয়া যায়।
@ দুর্বল শিশুকে এক ফোঁটা মধু দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার খাওয়ালে তার স্বাস্থ্য ভালো হয় ও শক্তি লাভ করে।
@ এক কাপ দুধে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রোজ সকালে খেলে শক্তি বৃদ্ধি পায়।
মধুর সঙ্গে গুড়ের রস মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।
@ চক্ষু রোগে এক ফোঁটা করে মধু দিনে ৩ বার চোখে লাগাতে হবে।
@ শিশুদের দৈহিক গড়ন, রুচি বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি ও পেট ভালো রাখার জন্য প্রত্যহ এক চা চামচ মধু গরম দুধ ও গরম পানির সঙ্গে নাশতা ও রাতের খাবারের সঙ্গে দিতে হবে।
@ আমাশয় ও পাতলা পায়খানা থাকলে গরম পানিতে আড়াই চা-চামচ মধু মিলিয়ে শরবত বানিয়ে বারবার ‘সেবন করতে হবে’।
@ যক্ষ্মা রোগে বাসক পাতার রস এক চা-চামচ পরিমাণ এক চা-চামচ মধু এবং এক চা-চামচ আদার রস মিশিয়ে কিছু দিন খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
@ যক্ষ্মা রোগ ভালো হওয়ার জন্য- আধাতোলা পেঁয়াজের রস, ২৫০ গ্রাম ঘি এবং ২৫০ গ্রাম মধু মিশিয়ে একটা পাত্রে রেখে দিয়ে প্রতিদিন সকাল বিকাল খেলে এবং প্রতি রাতে শোয়ার সময় চিনি দিয়ে অল্প পরিমাণ গরম দুধ খেলে ৪/৫ দিনের মধ্যে যক্ষ্মা ভালো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ।
@ রাসূল (সা.) বলেছেন, মধু হৃদপি-কে সতেজ করে। প্রতিদিন হাতের তালুতে অল্প পরিমাণ মধু নিয়ে চেটে খেলে হৃদরোগ থাকে না।
@ জার্মান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ই কচ বলেছেন, ‘উপযুক্ত ঘাস খেয়ে ঘোড়া যেমন তেজী হয় তেমনি নিয়মিত সকালে এক চা-চামচ করে খাঁটি মধু খেলে হৃদপি- শক্তিশালী হয়। এ ছাড়া মধু আয়ুও বৃদ্ধি করে।’
@ ডায়রিয়াতে রাসূল (সা.) মধু খাওয়ানোর কথা বলছেন।
ডায়রিয়া হলে খয়ের ও দারুচিনির গুঁড়া সমপরিমাণ সামান্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
@ পিপুল ও গোল মরিচের শুকনো গুঁড়ার সঙ্গে মধু মিশিয়ে কিছু দিন নিয়মিত খেলে পুরাতন উদরাময় ভালো হয়ে যায়।
@ কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে এক গ্লাস গরম দুধ বা গরম পানিতে ২চা-চামচ মধু মিশিয়ে কয়েকবার খেতে হবে।

Address

Boyra Main Road
Hoglabunia
9000

Telephone

+8801552634349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when G.Family Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to G.Family Shop:

Share