23/08/2026
আমি কখনো কাউকে দেখিনি হিংসা করে কেউ কখনো সুখী হয়েছে।দেখি নি বাবা মা কে অবহেলা করা সন্তান কখনো সুখী হয়েছে।দেখি নি আত্মীয়র সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারি সুখি হয়েছে।
এখানে সুখ বলতে আর্থিক অবস্থাকে বুঝাই নি।আর্থিক অবস্থা ভালো হওয়ার চেয়ে মানসিক শান্তি বেশি জরুরী। হিংসা করে,বাবা মাকে অবহেলা করে বিশাল অট্টালিকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন করেও কোনো না কোন কারণে মানসিক শান্তি টা আপনার হারাবেই।কারণ ওই একটাই হিংসা।
আপনি হয়তো ভাবছেন ওর চেয়ে আমাকে এগিয়ে যেতে হবে, ওর চেয়ে আমাকে ভালো করতে হবে,ওর চেয়ে আমাকে সেরা হতে হবে, এই যে সারাক্ষণ এর, ওর সাথে নিজেকে অদৃশ্য প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে রাখেন,
সারাক্ষণ এই প্রতিযোগিতাই আপনাকে মানসিক অশান্তিতে রাখবে,অস্থির রাখবে।
যদি আপনি ভেবে থাকেন বাবা মা বয়স্ক মানুষ, খরচ বেশি,অসুস্থ হয়ে পড়ে দু দিন পরপর ধূর এই ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পারলেই ভালো।তাদের পিছনে ব্যয় না করে সেই অর্থ অন্য কাজে ব্যবহার করি এতে কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।
বিশ্বাস করেন কোন উন্নতি হবে না।
বয়স্ক বাবা মা সংসারে থাকলে আপনার যতটুকু না খরচ বাড়বে এর চেয়ে হাজার গুণ খরচ আল্লাহ বাড়িয়ে দিবে শুধু মাত্র তাদেরকে অবহেলা,বা এড়িয়ে চলার কারণে। ইনকাম করবেন কিন্তু সঞ্চয় করতে পারবেন না, আপনি দুশ্চিন্তায় থাকবেন,অস্থির থাকবেন।
সেইম ভাবে আত্মীয় স্বজন এর ক্ষেত্রেও।
তাই বলবো হিংসা না করে,প্রতিযোগিতা না করে কিংবা বাবা, মা, আত্মীয়দের বাড়তি ঝামেলা ভেবে এড়িয়ে না চলে নিয়মের মধ্যে থাকুন।দরকার হয় অল্প খাবেন,অল্প পড়বেন তবুও দেখবেন মানসিক শান্তিতে আছেন।মাথায় উপর বাড়তি বোঝা নেই,বুকের ভীতর পাথরের মতো চাপ নেই,দীর্ঘশ্বাস নেই।আছে শুধু শান্তি।
শারমিন আক্তার