03/04/2022
রমাজান মাস আল্লাহ তা‘আলা এক বিশেষ নিয়ামাত ও রহমতের মাস। এই মাহে রমজান সাওয়াব অর্জন করার মৌসুম। এ মাসেই কুরআন শরীফ অবতীর্ণ হয়েছে, রহমাত, বরকত ও নাজাতের মাস রোজার সময়।আল্লাহ্ (সূবঃ) বলেছেন, রমাদান মাস, যার মধ্যে কোরআন শরীফ নাযিল করা হয়েছে লোকদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে ।
রমজানের ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিভিন্ন হাদিস শরীফ এ বলেছেন, রমাদান- বরকতময় মাস তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে। পুরো মাস রোযা পালন আল্লাহ তোমাদের জন্য ফরয করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, বন্ধ করে দেয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। দুষ্ট শয়তানদের এ মাসে শৃংখলাবদ্ধ করে দেয়া হয়। এ মাসে আল্লাহ কর্তৃক একটি রাত প্রদত্ত হয়েছে, যা হাজার মাস থেকে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল, সে বঞ্চিত হল (মহা কল্যাণ হতে)’ [সুনান আত-তিরমিযি: ৬৮৩]
এ মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে, যেগুলো পালন করার মাধ্যমে আমরা জান্নাতে যেতে পারি, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে পারি।
**পবিত্র রমজানুল মোবারক মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, يايها الذين آمنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم لعلكم تتقون অর্থাৎ হে মুমিনগণ তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে যেমনি ভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর।যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো।(সূরা বাকারা ১৮৩ নং আয়াত) *
সকলকে পবিত্র মাহে রমাদান এর শুভেচ্ছা