মজার গল্পো

মজার গল্পো মজার গল্পো পড়তে চাইলে পেজ টা ফলো দিন

পর্ব২:হিমু রুমে ঢুকে বেডের উপরে বসলো। হুদাই ফোন চাপতে লাগলো। কারন সে কি করবে নিজেও বুঝতে পারছে না। একটু পর কংকা কান্না ধ...
19/05/2025

পর্ব২:
হিমু রুমে ঢুকে বেডের উপরে বসলো। হুদাই ফোন চাপতে লাগলো। কারন সে কি করবে নিজেও বুঝতে পারছে না। একটু পর কংকা কান্না ধরানো কন্ঠে বলল-
"মা কখন আসবে?" আমায় মা*র কাছে নিয়ে যেতে পারবে?"
হিমু কিছুটা হাসি হাসি ভাব করে বলল-
"আজকেই আসবে।"
"কখন আসবে?"

হিমু তো জানেনা কখন আসবে। আর আজকেই যে ওর মা আসবে এটাও সে না জেনেই বলেছে। ওকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য। সে এবারো মিথ্যা সাজিয়ে বলল-
"রাতে আসবে"

কংকা আর কিছু জিজ্ঞেস না করে সোজা ওর রুমে চলে গেলো। হিমু হাফ ছে*ড়ে বাঁ*চলো। একটুপর সে শীলাকে কল করলো। শীলা হিমুর গার্লফ্রেন্ড।
"হ্যালো শীলা?"
"এই তুমি গতকাল থেকে কি করছিলে বলোতো? আমায় একবারো নক করনি কেনো? আর আমি যে তোমায় এতোবার করে কল মেসেজ করলাম তার কি কোন উত্তর দিতে হয়না?"
"সরি আমি খুব বিজি ছিলাম।"
"কিসের বিজি ছিলে শুনি?"

হিমু এবার কি উত্তর দিবে বুঝতে পারলো না। কারন সে যদি কংকার ঐ ঘটনা গুলো বলে তাহলে নির্ঘাত ব্রেকাপ হয়ে যাবে। সে একটু ভেবে আমতা আমতা করে বলল-
"বাসার সবাই বিয়ে খেতে গেছে। কাজের মেয়েটাও নাই। একাই রান্না করে খেতে হচ্ছে। এতোবড় বাড়ির সব কিছু আমায় সামলাতে হচ্ছে, তুমিই বলো সময় পাবো কেমনে?"

মনে মনে হিমু নিজেকে গালি দিতে লাগলো। কারন সে খুব জরুরী দরকার ছাড়া মিথ্যা কথা বলে না। যদি সে ওর মা কে জোর করতো কংকাকে সাথে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাহলে কি এই দিন দেখতে হতো?

হিমুকে চুপ থাকতে দেখে শিলা বলল-
"মেসেজ দিয়ে একবার জানাতে পারতে!"
"হ্যা তা পারতাম। কিন্তু আমি ভাবছিলাম যে একদম ফ্রী হয়ে তোমায় নক দিবো।"
"হুম ভালোই করেছো। তাহলে এখন কথা বলো"
"ওহ্, আই এম এক্সট্রেমলী সরি ইয়ার। আমি লাঞ্চ টা সেরে নিয়েই তোমায় কল করছি কেমন?"
"ওকে"

হিমু লাইন কেটে কিচেনে গেলো। সে সকালে উঠেই রান্না করে নিয়েছিল। এখন জাস্ট খাওয়ার পালা। আপনারা ভাবছেন কংকা রান্না করলেই তো পারতো তাইনা?
আসলে কংকাকে হিমুর মা নিজের হাতটাও ধুইতে দেন না। তার কাছ থেকে কোন কাজের আশা করা কি ঠিক? তার উপরে আবার তার মাথায় গন্ডগোল।
হিমু খাবার প্লেটে বেড়ে কয়েকবার কংকাকে ডাকলো। কিন্তু ওর কোন সারা শব্দ পেলো না। হিমু ভাবলো হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে। তাই ও ওর রুমে সোফায় বসে ভাত খাচ্ছিল আর ল্যাপটপে মুভি দেখছিলো। এমন সময় কংকা দ্রুত গতিতে ওর পাশে এসে বসলো। তারপর কোন কথা না বলেই হিমুর প্লেট থেকে খেতে লাগলো। এমন কান্ড দেখে হিমু পুরাই হতভম্ব হয়ে গেল। সে খাওয়া বাদ দিয়ে চুপচাপ কংকার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে লাগলো।
"তুমি খাচ্ছো না কেনো?"
"আমার খাওয়া হয়ে গেছে তাই!"
"না....তাহলে আমিও আর খাবোনা!"
হিমু একটু ভেবে বলল-
"তুমি বুঝি মা*র সাথে এমন করেও খাও?"
"হু"

হিমু কিছুক্ষণ পর আবার খাওয়া শুরু করলো। জীবনে প্রথমবার এমন করে খেতে ভালোই লাগছে তার।

খাওয়া শেষে হিমু মুভি দেখছে। আর কংকা ওর পাশে বসে কিছুক্ষণ ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে থাকছে আর কিছুক্ষণ হিমুর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকছে। হিমু পুরাই অস্বস্তিতে পড়ে গেছে। সে বুঝতে পারছেনা কংকা কেনো ওর রুমে চলে যাচ্ছেনা, আর ওকেও কিছু বলছেনা।

একটু পর হিমুই নিজ থেকে জিজ্ঞেস করলো-
"কংকোনা? তুমি কিছু বলবে?"
কংকার পুরো নাম কংকোনা। সবাই আ*দর করে কংকা বলে ডাকে। কিন্ত হিমু কংকোনা বলেই ডাকে।
"আমি মার সাথে একটু কথা বলবো!"
হিমু কংকার কথা শুনে মৃদু হেসে বলল-
"এইটাই তুমি আমায় বলতে পারছোনা? এইটা বলার জন্য সেই তখন থেকে বসে আছো?"
কংকা কোন কথা বলল না। লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল। হিমু ওর মায়ের কাছে কয়েক বার কল করলো। কিন্তু ওর মা একবারো রিসিভ করলো না। মনে হয় বিয়ে বাড়িতে খুব ব্যস্ত।

ওর মা ফোন রিসিভ করছেনা দেখে কংকা রাগে হির হির করে চলে যেতে লাগলো। ও মাথায় শাড়ির আঁচল দিয়ে রেখেছিলো। আর অমনি মাথা থেকে আঁচল টা পরে গেলো। হিমু দেখলো ওর চুলগুলো প্রায় সবই ভেজা। ভালোভাবে মাথা মুছেনি। চুল থেকে টপ টপ করে পানিও পরছে। হিমু কিছু বলার আগেই কংকা রুমে থেকে চলে গেলো।

রাত তখন নয়টার কাছাকাছি। হিমু শিলার সাথে কথা বলা শেষে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য কিচেনে গেলো। বিকেল থেকে এই পর্যন্ত একবারো কংকা রুম থেকে বের হয়নি। হিমু ভাবলো কংকা হয়তো রাগ করে আছে। তাই সে ওর খাবার প্লেট হাতে করে নিয়ে ওর রুমে গেলো। গিয়ে দেখে কংকা ঘুমে বিভোর।

হিমু প্লেট টা রেখে ওর পাশে গিয়ে বসলো। ওর চুল গুলো এখনো ভেজাই আছে। চুল থেকে টপ টপ করে ফ্লোরে পানি পরছে। হিমু কপালে হাত দিয়ে দেখলো জ্বরে ওর শরীর পুরে যাচ্ছে । হিমু ওর কপালে হাত রাখতেই কংকা ওর হাতটা আ*লতো করে চেপে ধরলো। সাথে সাথে হিমুর শরীর একবার কেঁ*পে উঠল। এ কেমন স্পর্শ!!! হিমুর মনে হলো এমন স্প*র্শ সে জীবনে এই প্রথমবার পেলো।

কংকার ঘুম ভেঙে যাওয়ার ভয়ে হিমু ওর হাতটা ছেড়ে নিচ্ছে না। চুপচাপ ওর পাশে বসে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। রুমে জিরো লাইট দেওয়া আছে। খোলা জানালা দিয়ে এক ফালি চাঁদের আলো ওর মুখের উপর এসে পরেছে। ওকে দেখতে ঠিক পূর্ণিমার চাঁদের মতোই লাগছে। হিমু ওর দিকে তাকিয়ে চোখের পলক ফেলতে পারছেনা।
কতক্ষন এভাবে তাকিয়ে ছিলো সে জানেনা। কংকা এমনিতেই অনেক সুন্দরী। অসম্ভব সুন্দরী। কিন্তু হিমুর কাছে আজ তাকে পরিপূর্ণ সুন্দর লাগছে। কি কারনে লাগছে সে সেটা নিজেও জানেনা।
মধ্যরাতে কংকার ঘুম ভাঙলো। সে ঘুম থেকে উঠেই হিমু কে দেখে কিছুটা হবাক হলো। তারপর খেয়াল করলো সে হিমুর একটা হাত চেপে ধরে আছে। সাথে সাথে হাতটা ছেড়ে দিয়ে বলল-
"মা এসেছে?"
হিমু থতমত হয়ে গেলো। একটুপর বলল-
"না আসেনি। তুমি রাতে না খেয়েই ঘুমিয়ে পরেছিলে, আমায় বললেই তো খাবার প্লেটে তুলে দিতাম। আমি তো জানি না তুমি কখন খাও কখন ঘুমাও। খাবার নিয়ে এসে দেখি তুমি ঘুমিয়ে পড়েছো।"

কংকা রুমে লাইট দিয়ে হিমুর পাশে এসে বসলো। তারপর হিমুর দিকে তাকিয়ে বলল-
"কালকে তুমি আমায় মা*র কাছে নিয়ে যেতে পারবে?"
হিমু কি উত্তর দেবে তাই ভাবছে। একটু পর বলল-
"তোমার চুল গুলো এখনো ভেজাই আছে। আমি কি মুছে দিবো?"
কংকা কোন উত্তর দিলোনা। একটুপর হিমু কংকার আঁচল দিয়ে চুল গুলো মুছে দিতে লাগলো।
"কি হলো উত্তর দাও?"
হিমু ওর কাছে যেনো বাধা পড়ে গেছে। ও কষ্ট পায় এমন সত্য বলতেও সে এখন নারাজ। তাই ধীর গলায় বলল-
"হুম নিয়

পর্ব১:"আমার ব্লা*উজের হুক টা খু*লে দাও তো"! কংকা গোসল শেষে ভেজা কা*পড় পড়া অবস্থায়, হিমুর কাছে গিয়ে কথাটা বলল। হিমু সোফায়...
19/05/2025

পর্ব১:
"আমার ব্লা*উজের হুক টা খু*লে দাও তো"! কংকা গোসল শেষে ভেজা কা*পড় পড়া অবস্থায়, হিমুর কাছে গিয়ে কথাটা বলল। হিমু সোফায় বসে ল্যাপটপে কাজ করছিলো। কংকার দিকে মাথা উঁচু করে এক পলক তাকাতেই লজ্জায় চোখ টা নামিয়ে নিলো। কারন ভে*জা কা*পড়ে ওর শ*রীরের সব কিছু বোঝা যাচ্ছিল।
"এইভাবে কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবো? দাও না খু*লে?"
উপায় না দেখে হিমু অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে হু*ক খু*লে দেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু পুর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় সে কিছুতেই পেরে উঠলো না।
"কি হলো এতোক্ষণ লাগে বুঝি?"
কংকার তাড়া খেয়ে হিমু বাধ্য হয়ে ওর পি*ঠের দিকে তাকিয়েই হু*ক টা খু*লে দিলো।
"হয়ে গেছে। তুমি এখন ড্রেস চেইন্জ করতে পারো।" কথাটা বলেই হিমু চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। আর মনে মনে ভাবলো কংকা হয়তো এখন বাথরুমে গিয়ে ড্রেসটা চেঞ্জ করবে। কিন্তু না। সে হিমুর সামনেই ব্লা*উজ টা খু*লতে লাগলো।
কংকার এমন অস্বাভাবিক আচরনে হিমু লজ্জায় দ্রুত রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। বের হয়ে দরজাটা বাহির থেকে লক করে দিলো। তারপর সে মনে মনে কাজের মেয়েকে একশো একটা গা*লি দিতে লাগলো। কারন সে থাকলে আজ হিমুকে এসব করতে হতোনা। লজ্জায় হিমু ম*রে যেতে লাগলো।

কংকা হিমুর আশ্রিতা বোন। খুব ছোটবেলাই কংকার বাবা মা মা*রা যায়। তারপর সে তার দাদা দাদীর কাছে মানুষ হতে থাকে। এক সময় তার দাদা দাদীও মারা যায়। বলা বাহুল্য তার অনেক আত্মীয় স্বজন থাকা সত্ত্বেও কেউ তার দায়িত্ব নিতে রাজী হয়নি। অগ্যতা কিছূদিন সে গ্রাম সম্পর্কে এক দাদীর কাছে থাকে। কংকা হিমুর নানুর বাড়ির এলাকার। এরপর ভাগ্যগুনে হঠাৎ একদিন হিমুর মা'র সাথে তার দেখা হয়ে যায়। হিমুর কোন ভাই বোন ছিলোনা। তাই হিমুর মা কংকার সব কাহিনী শুনে ওকে একেবারে নিয়ে নেয়।

ঐসব ছাড়াও হিমুর মায়ের কংকাকে পছন্দ হওয়ার আরো একটা কারন আছে। কংকা অনেক শান্ত শিষ্ট একটি মেয়ে। আর কিছুটা কম বুদ্ধির অধিকারিণী। ওকে যখন হিমুর মা আশ্রিতা হিসেবে নেয় তখন ওর বয়স ছিলো মাত্র তেরো-চৌদ্দ বছর।

এখন ওর বয়স সতেরো। তবে ওর বুদ্ধি বয়সের সাথে না বেড়ে দিনে দিনে আরো কমে যাচ্ছে। এই কারনে হিমুর মা ওকে একটু বেশিই যত্ন-আত্তি করেন, খেয়াল রাখেন, ভালোবাসেন। সব সময় চোখে চোখে রাখেন। হিমুর থেকে কোন অংশেই ওকে কম ভালোবাসেন না। শুধু তাই নয়। হিমুর বাবার অঢেল সম্পত্তির অর্ধেক তার নামেই উইল করে দিয়েছেন।

হিমু যখন মাস্টার্স করার জন্য লন্ডন যায়, তখন হিমুর মা কংকা কে আশ্রিতা হিসেবে নেন। সেই কারনে হ
সেই কারনে হিমু কংকাকে দেখে যেতে পারে নি। তবে হিমুর সাথে ওর মা যতোবার ফোনে কথা বলতেন ততোবার ই কংকার কথা বলতেন। হিমুও বুঝে গিয়েছিলো উনি কংকাকে নিজের মেয়ের যায়গা টায় দিয়ে দিয়েছেন।

অবশেষে হিমু মাস্টার্স শেষ করে বাসায় ফিরলো। কংকার সাথে তার দেখা মিলল। হিমু তাকে বোন হিসেবে মেনেও নিলো। তবে সামান্য একটা সমস্যা বেধে গেলো। কংকা ঠিকমতো রুম থেকে বের হতোনা। ওর সাথে মিশতো না। কথা বলতো না। হিমু লন্ডন থেকে আসা অবধি এই পনেরো দিনে একবারো সে ভালোমতো হিমুর সাথে কথা বলেনি। যায জন্য সম্পর্ক টা ভাই বোনের মতো না হয়ে সামান্য শিথিল হয়ে গেছে। মূলত এইটাই সমস্যা।
গতকাল হিমুর মায়ের বান্ধবীর মেয়ের বিয়ে ছিলো। ওখানে কংকাকে নিয়ে গিলে তাকে নানা রকম প্রবলেম ফেইস করতে হতো। এই কারনে উনি কংকাকে হিমুর কাছে রেখে গেছেন। তাতে হিমুর কোনই প্রবলেম বা আপত্তি নেই।
কিন্তু সমস্যা করেছে কাজের মেয়েটা। তার মা চলে যাওয়ার পরে সেও ছুটি নিয়ে বাসায় চলে গেছে। শহুরের এই বাসায় হিমুর মা-বাবা, কাজের মেয়ে আর সে থাকে। তার গ্রামের বাসায় সব আত্মীয় স্বজনে ভর্তি।

দরজা ধাক্কার শব্দ শুনে হিমু দরজাটা খুলে দিলো। কংকা ওর দিকে কিছুটা রাগান্বিত চোখে চেয়ে আছে। হয়তো কিছু বলতে চাচ্ছে মনে মনে কিন্তু পারছেনা। কারন ওর বৈশিষ্ট্যই চুপচাপ থাকা। হিমু ওর দিকে একবার তাকাতেই আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো। শাড়ি ঠিক মতো পড়তে পারেনি। প্রায় জায়গায় বের হয়ে আছে।

হিমুর মায়ের শাড়ি খুব পছন্দ। তাই কংকাকে সবসময় শাড়ি পড়িয়েই রাখে। হিমু এই কয়দিনে কয়েকবার কংকাকে দেখেছে। তখন সে ঠিকই সাজানো গোছানো অবস্থায় ছিলো। কিন্তু এখন "আঁচল ধরতে শাড়ি খু*লে যাচ্ছে" অবস্থা হয়ে গেছে। সে যে তার মায়ের সাজানো গোছানো একটা যান্ত্রিক পুতুলের মতো সেটা হিমুর বুঝতে দেরী হলো না। আর ওর মায়ের বেশি ভালোবাসা, আদর যত্ন পেয়ে পেয়ে যে সে দিনে দিনে আরো বোকা হয়ে যাচ্ছে সেটাও খুব সহজেই অনুমান করতে পারলো।

পর্ব২:আরে বাবা দুপুরে খেয়ে যেও,,''না আন্টি আপনার আর ক**ষ্ট করতে হবে না,,'বলেই হা*ল্কা হাসলো,,যাক সিরিয়াস লোকটা মাঝে মাঝে...
19/05/2025

পর্ব২:
আরে বাবা দুপুরে খেয়ে যেও,,'

'না আন্টি আপনার আর ক**ষ্ট করতে হবে না,,'

বলেই হা*ল্কা হাসলো,,যাক সিরিয়াস লোকটা মাঝে মাঝে হাসেও,,আব্বু ভাইয়ার উদ্দেশ্য বলল,,

'চলো নিহান একসাথেই যাওয়া যাক,,নিলয়কেও দেখে নিব অফিসে কতদিন ধরে বন্ধুটাকে দেখি না,,'

'জি আংকেল চলুন,,'

বলেই তারা বেরিয়ে পরলো,,আব্বু আর নিলয় আংকেল ছোট বেলার ফ্রে*ন্ড বলতে গেলে বেস্টফ্রেন্ড,,একিই অফিসে তারা পার্টনারস,,আংকেল কিছুদিনের জন্য আন্টিকে আর নিয়াকে নিয়ে আন্টির মার বাড়ি গিয়েছিল,,নিহান ভাইয়ারা এক ভাই এক বোন,,তাকে রেখে গিয়েছিল সে কোথাও যাওয়া বেশি পছন্দ করে না,, আজ তারা এসে পরেছে তাই আমাদের বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছে,,আবার জানিনা কবে দেখতে পাবো ভাইয়াকে,,এইকয়দিনে ভাইয়াকে দেখা যেন আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে,,গালে হাত দিয়ে মন খারাপ করে টেবিলে বসে আছি,,হঠাৎ কোথাথেকে রু**হি এসে আমার গাল থেকে হাত সরিয়ে দিল হাত তালি দিয়ে খিলখিল করে হাসছে,,

হাত সরানোতে মেজাজ গরম হয়ে গিয়েছিল,,পরেই পিচ্চিটার হাসি দেখে সব রাগ চলে গেল,,রুহিকে কোলে নিলাম গাল দুটো টেনে বললাম,,

'এমন করলে কেন তুমি?'

পিচ্চিটা কানে হাত দিয়ে বলল,,

'সরি মাম্মাম,,আর এমন হবে না,,'

আমি গালে একটা চু**মু দিয়ে বললাম,,

'আরে আমার বাচ্চাটা কত পেকেছে সরিও বলতে পারে,,'

পিচ্চিটা মাথা ঝাকিয়ে বলল,,

'হুম,,'
আমি রুহিকে কোলে নিয়ে উঠলাম,,রান্নাঘরে আম্মুর কাছে গেলাম,,আপু আর আম্মু কথা বলছে আর রান্না করছে,,আমি মাঝদিয়ে গিয়ে বললাম,,

'আপু তোর মেয়ে এত পাকুনি কেন রে?কত পাকা পাকা কথা বলে,,'

'হুম আন্টি যেমন ভাগ্নি তো তেমন হবেই,,'

আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম,,

'আমি পাকুনি না আপু হুহ,,এই পিচ্চি তুমি এত পাকনি কেন?'

পিচ্চিটা হা**ল্কা চি**ল্লি**য়ে বলল,,

'মাম্মাম আমাকে পিচ্চি বলবে না,, তুমি পিচ্চি,,'

বলেই আমার কোল থেকে নেমে দৌড় দিল,,আমি আম্মু আর আপু হেসে দিলাম পিচ্চিটার কথায়,,আমি আপুর সাথে টুকটাক কথা বলে উপরে গেলাম,,এই কয়দিন নিহান ভাইয়া যেই রুমে ছিল সেই রুমে গেলাম ভাইয়াকে খুব মিস করছি এখন,,এই রুমে এখনও তার ঘ্রা**ন লেগে আছে,,,বারান্দায় গেলাম খোলা বারান্দায় আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি,,,

রাতে,,আব্বু অফিস থেকে আসলো আমরা সবাই খাবার খেয়ে শুয়ে পরলাম,,

সকালে,,

কেউ আমার পা ধরে টানতে লাগলো,,ঘুমের ঘোরে প্রথমে ঠিকভাবে টের না পেলেও যখন পা টানাটা ক্রমশই বেরেই যাচ্ছে "ভুত" বলে লাফ দিয়ে উঠলাম,,উঠে বসে যেই চিল্লান দিব অমনি নিয়াকে দেখে থেকে গেলাম,,নিয়া পেটে হাত দিয়ে হেসেই চলছে,,কি বে%য়া**দ**প মেয়েরে বাবা এভাবেই কেউ ভয় দেখায়,,আমি উঠে নিয়ার সামনে গিয়ে কোমরে হাত দিয়ে দারালাম,,

'বেয়াদপ মেয়ে এরকম কেউ করে?যদি এখনি হা***র্ট অ্যাটাক করে মারা যেতাম তাহলে কি হতো?'

'তাহলে আর কি হতো পৃথিবী থেকে একটা শ***য়***তা***ন কমতো,,'
বলে আরো জোরে জোরে হাস্তে লাগলো,,ওর হাসির কিছুক্ষন রা***গী**ভাবে তাকিয়ে থেকে আমিও হেসে দিলাম,,মেয়েটা এমনি সবাইকে হাসায়,,আমি ওকে জরিয়ে ধরলাম,,

'কিরে কখন এলি?'

'এইতো এখনি,আর শুনি তুই নাকি ঘুম,,'

'হুম,, আন্টি এসেছে?'

'হুম আম্মু এসেছে চল নিচে,,'

'তুই যা আমি ফ্রেশ হয়ে আসি,,'

নিয়া নিচে চলে গেল আমি ফ্রেশ হতে গেলাম,,ফ্রেশ হয়ে এসে নিচে গেলাম,,আন্টিকে দেখে সালাম করলাম,,আন্টি আমাকে খুব আদর করে আমাকে তার মেয়ের মতোই দেখে,,আন্টি আমার গাল দুটো টেনে দিয়ে বলল,,

'বাচ্চাটাকে কত্ত মিস করেছি যে আমি!!!'

আমি বললাম,,

'আন্টি আমি বাচ্চানা,, বাচ্চা তো রুহি,,'

রুহিকে দেখিয়ে,,আন্টি আবার বলল,,

'নিয়া আমার জন্য যেমন তুই ও তেমন,,আমি তোকে বাচ্চাই বলল,,'

'আচ্ছা!!'

এখন কি আর করার আন্টি যখন বলবে না তো আর করা যায় না,,

সারাদিন অনেক মজা করে কাটলো আন্টি আর নিয়ার সাথে,,,নিয়া আর আমি একিই ক্লাসে পরি,,ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে,,কয়দিন পর আমাদের ফাইনাল এক্সাম,,

রাত 10টা,,

আমরা সবাই সোফায় বসে গল্প করছিলাম,,তখন দরজায় কেউ এলো,,আপু গিয়েদরজা খুলল,,নিহান ভাইয়া এসেছে,,নিহান ভাইয়া সোফার সামনে এসে দারালো আন্টির সাথে কথা বলছে,,আমি তো নিহান ভাইয়াকে দেখে এক পলকে তাকিয়েই আছি,,,কালো শার্ট হাতা কনুই পর্যন্ত গোটানো,,বুকের সামনে দুইটা বোতাম খোলা,,কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে আছে,,খুব টায়ার্ড দেখাচ্ছে,,খুব আবেদনময়ী দেখাচ্ছে,,আমি ঘার কাত করে পলকহীন ভাবে তার দিকে তাকিয়েই আছি,,

নিয়ার ধাক্কায় আমার হুশ ফিরে,,

'আমার ভাইকে এভাবে দেখিস না নজর লাগবে,,'

আমি ল******জ্জা পেয়ে গেলাম,,হায় আল্লাহ কি বেশরমভাবে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম,,ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে যা বলল আমি একদম ল*****জ্জা****য় লাল হয়ে গেছি,,,ল*******জ্জা সরম নাই এই ছেলে নাকি?আলাহই জানে,,

চলবে,,,,,,,,

পর্ব১:রাত 2টার দিকে চুপি চুপি বিছানা থেকে উঠে বাহিরে গেলাম,, উদ্দেশ্য নিহান ভাইয়াকে এক দৃষ্টি দেখা,,আস্তে আস্তে করে নিহা...
19/05/2025

পর্ব১:
রাত 2টার দিকে চুপি চুপি বিছানা থেকে উঠে বাহিরে গেলাম,, উদ্দেশ্য নিহান ভাইয়াকে এক দৃষ্টি দেখা,,আস্তে আস্তে করে নিহান ভাইয়ার রুমের সামনে দারালাম,,আস্তে করে দরজাটা খুললাম ভাগ্যিস আজ খোলা পেয়েছি না হয় দুইদিন ধরে আসি শুধু বন্ধই পাই,,দরজাটা খুলে ধীরে ধীরে পা ফেলে এগুচ্ছি,,রুমে ডিম লাইটের আলোতে সবিই বুঝা যাচ্ছে,,নিহান ভাইয়ার সামনে গিয়ে দারালাম,,

ধ্যাত শা**********লা*********** ঘুম,,হঠাৎ মনে পরলো এতরাতে তো মানুষ ঘুমাবেই,, আমার মতো তো আর যেগে থাকবে না?নিহান ভাইয়া উলটো হয়ে শুয়ে আছে বেটার এই একটা বাজে স্বভাব উলটো হয়ে শুয়া আন্টি কত করে বলেছে এভাবে ঘুমাস না কিন্তু কে শুনে কার কথা,,আমি ভাইয়ার সাইডে বসলাম,,ঘুমন্ত অবস্থায় কতই না মায়াবী লাগছে,,কিন্তু কে বলবে আসলে সে এক নাম্বারের জল্লাদ,,রাগ থাকে তার নাকের ডগায়,,কালো কুচকুচে চুলগুলো কপালের উপর পরে আছে মন চাইছে ফু দিতে কিন্তু যদি উঠে যায়?তাহলে কপালে শনি আছে তাই আইডিয়া কে***ন্সা**ল করে দিলাম,,হা***ল্কা লাল সেডের বাতিতে ভাইয়ার মুখটাও লাল;; লাল দেখাচ্ছে কত্ত কিউট লাগছে পুরোই স্টোবেরি,,মন চায় কুটুস করে খেয়ে ফেলি,,যেই না ভাইয়ার মুখের দিকে হাতটা বাড়াতে যাবো অমনি ভাইয়া নড়েচড়ে উঠলো,,

আমার হাত ঠিক ভাইয়ার মুখের উপরেই ফ্রিজড হয়ে গেল,,ভাইয়ার নড়া বন্ধ হলে আস্তে করে হাতটা সরিয়ে নিয়ে দিলাম দৌড় হায় হায় আমি দৌড় দিতে পারছিনা কেন?ভাইয়া কি ধরে ফেলল আমাকে?চোখ খিচে বন্ধ করে ভয়ে ভয়ে পিছে ফিরলাম কোন সারাশব্দ না পেয়ে এক চোখ খুললাম,,সেকি ভাইয়া দেখি ঘুম,,,ভাইয়ার হাতের মুঠোয় আমার ওড়না,,আমি ছারাতে চাইছি কিন্তু ছারছে না,,দিলাম এক টান,,ওড়না হাতে নিয়েই আস্তে আস্তে পা ফেলে নিজের রুমে আসলাম,,নিজের রুমে এসে দরজা লাগিয়ে শুয়ে পরলাম,,আল্লাহ কতবড় বাচা বেচেছি,,

ক*ড়া*ভা*বে দরজা ধাক্কানোতে ঘুম ভেং*গে গেল,,বি***র***ক্ত**মাখা মুখ নিয়ে চোখ খুললাম,,আবার দরজা পেটাচ্ছে উ***ফ***ফ কে ম****র***লো?উঠে দরজা খুললাম দেখলাম আপু রেগে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,আমি হাই তুলতে তুলতে বললাম,,

'কিরে কে মরেছে?এমনভাবে দরজা পেটাচ্ছিস কেন?'

আপু আমার হাতে একটা চ*ড় মে*রে বলল,,

'আমি কতদিন পরে এসেছি আর তুই ঘুমাচ্ছিস?'

'তাহলে তুই এত সকাল সকাল এলি কেন?বিকেলে আসতি?'(ইয়ারকি মেরে বললাম)

আপু আমার মুখ ফুলিয়ে নিচে চলে গেল,,যাক বাবা আপু নারাজ হয়ে গেল?আমি তারাতারি করে ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম,,দেখলাম আপু নিহান ভাইয় আম্মু আব্বু সবাই বসে বসে নাস্তা করছে,,আমাকে দেখে আম্মু বলল,,

'কিরে রাহা তুই রিমাকে এইসব কি বলেছিস?'

এইরে কাম সেরেছে আপু আম্মুর কাছে বলে দিল?আমি আম্মুর গলা ধরে বললাম,,

'আরে আম্মু আপুকে তো মজা করে বলেছি,,এই আপু তুই এত সিরিয়াস থাকিস কেন?'

আপু খেতে খেতে একটা ভেং*চি কাটলো,,আমি নিহান ভাইয়ার সাথের চেয়ারে বসলাম,,নিহান ভাইয়া খাবারে ধ্যায়ান দিয়ে এক ধ্যানে খাচ্ছে,,ছেলেটা যে এত্ত সিরিয়াস থাকে কিভাবে সব সময় আল্লাহই জানে,,আমিও খাওয়া শুরু করলাম,,হঠাৎ নিহান ভাইয়া বলে উঠলো,,

'আন্টি কাল কি আমার ঘরে কেউ গিয়েছিলে?সকালে উঠার সময় হাতে মুতি পেলাম,,সম্ভবত কারো ওড়নার,,'

কথাটা শে**ষ হতেই আমার কাশি শুরু হয়ে গেল,,বুকে হাত দিয়ে কাশতে লাগলাম,,আপু তারাতারি আমাকে পানি দিল,,আমি কোনমতে পানি খেয়ে নিলাম,,

'এখন ঠিক আছিস?'(আপু)
'হুম,,'

আম্মু কিছু বলতে যাবে ওমনি নিহান ভাইয়ার ফোনে ফোন আসলো,,নিহান ভাইয়া টেবিল থেকে উঠে পরলো,,যাক বাবা বেচেছি না হলে আম্মু কি না কি বলতো আল্লাহই জানে,,কতক্ষন পর ভাইয়া এসে বলল,,

'আচ্ছা আংকেল আন্টি আমি তাহলে চলি,,আম্মু আব্বু এসে গেছে,,'

আম্মু বলল,,

পর্ব২:আম্মু কিছু বলতে যাবে ওমনি নিহান ভাইয়ার ফোনে ফোন আসলো,,নিহান ভাইয়া টেবিল থেকে উঠে পরলো,,যাক বাবা বেচেছি না হলে আম্ম...
19/05/2025

পর্ব২:

আম্মু কিছু বলতে যাবে ওমনি নিহান ভাইয়ার ফোনে ফোন আসলো,,নিহান ভাইয়া টেবিল থেকে উঠে পরলো,,যাক বাবা বেচেছি না হলে আম্মু কি না কি বলতো আল্লাহই জানে,,কতক্ষন পর ভাইয়া এসে বলল,,

'আচ্ছা আংকেল আন্টি আমি তাহলে চলি,,আম্মু আব্বু এসে গেছে,,'

আম্মু বলল,,

'আরে বাবা দুপুরে খেয়ে যেও,,'

'না আন্টি আপনার আর কষ্ট করতে হবে না,,'

বলেই হাল্কা হাসলো,,যাক সিরিয়াস লোকটা মাঝে মাঝে হাসেও,,আব্বু ভাইয়ার উদ্দেশ্য বলল,,

'চলো নিহান একসাথেই যাওয়া যাক,,নিলয়কেও দেখে নিব অফিসে কতদিন ধরে বন্ধুটাকে দেখি না,,'

'জি আংকেল চলুন,,'

বলেই তারা বেরিয়ে পরলো,,আব্বু আর নিলয় আংকেল ছোট বেলার ফ্রেন্ড বলতে গেলে বেস্টফ্রেন্ড,,একিই অফিসে তারা পার্টনারস,,আংকেল কিছুদিনের জন্য আন্টিকে আর নিয়াকে নিয়ে আন্টির মার বাড়ি গিয়েছিল,,নিহান ভাইয়ারা এক ভাই এক বোন,,তাকে রেখে গিয়েছিল সে কোথাও যাওয়া বেশি পছন্দ করে না,, আজ তারা এসে পরেছে তাই আমাদের বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছে,,আবার জানিনা কবে দেখতে পাবো ভাইয়াকে,,এইকয়দিনে ভাইয়াকে দেখা যেন আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে,,গালে হাত দিয়ে মন খারাপ করে টেবিলে বসে আছি,,হঠাৎ কোথাথেকে রুহি এসে আমার গাল থেকে হাত সরিয়ে দিল হাত তালি দিয়ে খিলখিল করে হাসছে,,

হাত সরানোতে মেজাজ গরম হয়ে গিয়েছিল,,পরেই পিচ্চিটার হাসি দেখে সব রাগ চলে গেল,,রুহিকে কোলে নিলাম গাল দুটো টেনে বললাম,,

'এমন করলে কেন তুমি?'

পিচ্চিটা কানে হাত দিয়ে বলল,,

'সরি মাম্মাম,,আর এমন হবে না,,'

আমি গালে একটা চুমু দিয়ে বললাম,,
আরে আমার বাচ্চাটা কত পেকেছে সরিও বলতে পারে,,'

পিচ্চিটা মাথা ঝাকিয়ে বলল,,

'হুম,,'

আমি রুহিকে কোলে নিয়ে উঠলাম,,রান্নাঘরে আম্মুর কাছে গেলাম,,আপু আর আম্মু কথা বলছে আর রান্না করছে,,আমি মাঝদিয়ে গিয়ে বললাম,,

'আপু তোর মেয়ে এত পাকুনি কেন রে?কত পাকা পাকা কথা বলে,,'

'হুম আন্টি যেমন ভাগ্নি তো তেমন হবেই,,'

আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম,,

'আমি পাকুনি না আপু হুহ,,এই পিচ্চি তুমি এত পাকনি কেন?'

পিচ্চিটা হাল্কা চিল্লিয়ে বলল,,

'মাম্মাম আমাকে পিচ্চি বলবে না,, তুমি পিচ্চি,,'

বলেই আমার কোল থেকে নেমে দৌড় দিল,,আমি আম্মু আর আপু হেসে দিলাম পিচ্চিটার কথায়,,আমি আপুর সাথে টুকটাক কথা বলে উপরে গেলাম,,এই কয়দিন নিহান ভাইয়া যেই রুমে ছিল সেই রুমে গেলাম ভাইয়াকে খুব মিস করছি এখন,,এই রুমে এখনও তার ঘ্রান লেগে আছে,,,বারান্দায় গেলাম খোলা বারান্দায় আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি,,,
রাতে,,আব্বু অফিস থেকে আসলো আমরা সবাই খাবার খেয়ে শুয়ে পরলাম,,

সকালে,,

কেউ আমার পা ধরে টানতে লাগলো,,ঘুমের ঘোরে প্রথমে ঠিকভাবে টের না পেলেও যখন পা টানাটা ক্রমশই বেরেই যাচ্ছে "ভুত" বলে লাফ দিয়ে উঠলাম,,উঠে বসে যেই চিল্লান দিব অমনি নিয়াকে দেখে থেকে গেলাম,,নিয়া পেটে হাত দিয়ে হেসেই চলছে,,কি বেয়াদপ মেয়েরে বাবা এভাবেই কেউ ভয় দেখায়,,আমি উঠে নিয়ার সামনে গিয়ে কোমরে হাত দিয়ে দারালাম,,

'বেয়াদপ মেয়ে এরকম কেউ করে?যদি এখনি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যেতাম তাহলে কি হতো?'

'তাহলে আর কি হতো পৃথিবী থেকে একটা শয়তান কমতো,,'

বলে আরো জোরে জোরে হাস্তে লাগলো,,ওর হাসির কিছুক্ষন রাগীভাবে তাকিয়ে থেকে আমিও হেসে দিলাম,,মেয়েটা এমনি সবাইকে হাসায়,,আমি ওকে জরিয়ে ধরলাম,,

'কিরে কখন এলি?'

'এইতো এখনি,আর শুনি তুই নাকি ঘুম,,'

'হুম,, আন্টি এসেছে?'

'হুম আম্মু এসেছে চল নিচে,,'

'তুই যা আমি ফ্রেশ হয়ে আসি,,'
নিয়া নিচে চলে গেল আমি ফ্রেশ হতে গেলাম,,ফ্রেশ হয়ে এসে নিচে গেলাম,,আন্টিকে দেখে সালাম করলাম,,আন্টি আমাকে খুব আদর করে আমাকে তার মেয়ের মতোই দেখে,,আন্টি আমার গাল দুটো টেনে দিয়ে বলল,,

'বাচ্চাটাকে কত্ত মিস করেছি যে আমি!!!'

আমি বললাম,,

'আন্টি আমি বাচ্চানা,, বাচ্চা তো রুহি,,'

রুহিকে দেখিয়ে,,আন্টি আবার বলল,,

'নিয়া আমার জন্য যেমন তুই ও তেমন,,আমি তোকে বাচ্চাই বলল,,'

'আচ্ছা!!'

এখন কি আর করার আন্টি যখন বলবে না তো আর করা যায় না,,

সারাদিন অনেক মজা করে কাটলো আন্টি আর নিয়ার সাথে,,,নিয়া আর আমি একিই ক্লাসে পরি,,ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে,,কয়দিন পর আমাদের ফাইনাল এক্সাম,,

রাত 10টা,,

আমরা সবাই সোফায় বসে গল্প করছিলাম,,তখন দরজায় কেউ এলো,,আপু গিয়ে দরজা খুলল,,নিহান ভাইয়া এসেছে,,নিহান ভাইয়া সোফার সামনে এসে দারালো আন্টির সাথে কথা বলছে,,আমি তো নিহান ভাইয়াকে দেখে এক পলকে তাকিয়েই আছি,,,কালো শার্ট হাতা কনুই পর্যন্ত গোটানো,,বুকের সামনে দুইটা বোতাম খোলা,,কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে আছে,,খুব টায়ার্ড দেখাচ্ছে,,খুব আবেদনময়ী দেখাচ্ছে,,আমি ঘার কাত করে পলকহীন ভাবে তার দিকে তাকিয়েই আছি,,

নিয়ার ধাক্কায় আমার হুশ ফিরে,,

'আমার ভাইকে এভাবে দেখিস না নজর লাগবে,,'

আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম,,হায় আল্লাহ কি বেশরমভাবে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম,,ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে যা বলল আমি একদম লজ্জায় লাল হয়ে গেছি,,,লজ্জা সরম নাই এই ছেলে নাকি?আলাহই জানে,,

চলবে,,,,,,,,

পর্ব১:রাত 2টার দিকে চুপি চুপি বিছানা থেকে উঠে বাহিরে গেলাম,, উদ্দেশ্য নিহান ভাইয়াকে এক দৃষ্টি দেখা,,আস্তে আস্তে করে নিহা...
19/05/2025

পর্ব১:
রাত 2টার দিকে চুপি চুপি বিছানা থেকে উঠে বাহিরে গেলাম,, উদ্দেশ্য নিহান ভাইয়াকে এক দৃষ্টি দেখা,,আস্তে আস্তে করে নিহান ভাইয়ার রুমের সামনে দারালাম,,আস্তে করে দরজাটা খুললাম ভাগ্যিস আজ খোলা পেয়েছি না হয় দুইদিন ধরে আসি শুধু বন্ধই পাই,,দরজাটা খুলে ধীরে ধীরে পা ফেলে এগুচ্ছি,,রুমে ডিম লাইটের আলোতে সবিই বুঝা যাচ্ছে,,নিহান ভাইয়ার সামনে গিয়ে দারালাম,,

ধ্যাত শা*লা* ঘুম,,হঠাৎ মনে পরলো এতরাতে তো মানুষ ঘুমাবেই,, আমার মতো তো আর যেগে থাকবে না?নিহান ভাইয়া উলটো হয়ে শুয়ে আছে বেটার এই একটা বাজে স্বভাব উলটো হয়ে শুয়া আন্টি কত করে বলেছে এভাবে ঘুমাস না কিন্তু কে শুনে কার কথা,,আমি ভাইয়ার সাইডে বসলাম,,ঘুমন্ত অবস্থায় কতই না মায়াবী লাগছে,,কিন্তু কে বলবে আসলে সে এক নাম্বারের জল্লাদ,,রাগ থাকে তার নাকের ডগায়,,কালো কুচকুচে চুলগুলো কপালের উপর পরে আছে মন চাইছে ফু দিতে কিন্তু যদি উঠে যায়?তাহলে কপালে শনি আছে তাই আইডিয়া কেন্সাল করে দিলাম,,হাল্কা লাল সেডের বাতিতে ভাইয়ার মুখটাও লাল লাল দেখাচ্ছে কত্ত কিউট লাগছে পুরোই স্টোবেরি,,মন চায় কুটুস করে খেয়ে ফেলি,,যেই না ভাইয়ার মুখের দিকে হাতটা বাড়াতে যাবো অমনি ভাইয়া নড়েচড়ে উঠলো,,

আমার হাত ঠিক ভাইয়ার মুখের উপরেই ফ্রিজড হয়ে গেল,,ভাইয়ার নড়া বন্ধ হলে আস্তে করে হাতটা সরিয়ে নিয়ে দিলাম দৌড় হায় হায় আমি দৌড় দিতে পারছিনা কেন?ভাইয়া কি ধরে ফেলল আমাকে?চোখ খিচে বন্ধ করে ভয়ে ভয়ে পিছে ফিরলাম কোন সারাশব্দ না পেয়ে এক চোখ খুললাম,,সেকি ভাইয়া দেখি ঘুম,,,ভাইয়ার হাতের মুঠোয় আমার ওড়না,,আমি ছারাতে চাইছি কিন্তু ছারছে না,,দিলাম এক টান,,ওড়না হাতে নিয়েই আস্তে আস্তে পা ফেলে নিজের রুমে আসলাম,,নিজের রুমে এসে দরজা লাগিয়ে শুয়ে পরলাম,,আল্লাহ কতবড় বাচা বেচেছি,,

কড়াভাবে দরজা ধাক্কানোতে ঘুম ভেংগে গেল,,বিরক্তমাখা মুখ নিয়ে চোখ খুললাম,,আবার দরজা পেটাচ্ছে উফফ কে মরলো?উঠে দরজা খুললাম দেখলাম আপু রেগে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,আমি হাই তুলতে তুলতে বললাম,,

'কিরে কে মরেছে?এমনভাবে দরজা পেটাচ্ছিস কেন?'

আপু আমার হাতে একটা চ*ড় মে*রে বলল,,

'আমি কতদিন পরে এসেছি আর তুই ঘুমাচ্ছিস?'

'তাহলে তুই এত সকাল সকাল এলি কেন?বিকেলে আসতি?'(ইয়ারকি মেরে বললাম)

আপু আমার মুখ ফুলিয়ে নিচে চলে গেল,,যাক বাবা আপু নারাজ হয়ে গেল?আমি তারাতারি করে ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম,,দেখলাম আপু নিহান ভাইয়া আম্মু আব্বু সবাই বসে বসে নাস্তা করছে,,আমাকে দেখে
কিরে রাহা তুই রিমাকে এইসব কি বলেছিস?'

এইরে কাম সেরেছে আপু আম্মুর কাছে বলে দিল?আমি আম্মুর গলা ধরে বললাম,,

'আরে আম্মু আপুকে তো মজা করে বলেছি,,এই আপু তুই এত সিরিয়াস থাকিস কেন?'

আপু খেতে খেতে একটা ভেংচি কাটলো,,আমি নিহান ভাইয়ার সাথের চেয়ারে বসলাম,,নিহান ভাইয়া খাবারে ধ্যায়ান দিয়ে এক ধ্যানে খাচ্ছে,,ছেলেটা যে এত্ত সিরিয়াস থাকে কিভাবে সব সময় আল্লাহই জানে,,আমিও খাওয়া শুরু করলাম,,হঠাৎ নিহান ভাইয়া বলে উঠলো,,

'আন্টি কাল কি আমার ঘরে কেউ গিয়েছিলে?সকালে উঠার সময় হাতে মুতি পেলাম,,সম্ভবত কারো ওড়নার,,'

কথাটা শেষ হতেই আমার কাশি শুরু হয়ে গেল,,বুকে হাত দিয়ে কাশতে লাগলাম,,আপু তারাতারি আমাকে পানি দিল,,আমি কোনমতে পানি খেয়ে নিলাম,,

'এখন ঠিক আছিস?'(আপু)
'হুম,,'

পর্ব3:সোফায় বসা লোকটি খুশি হয়ে ভাবছিল যে আরমান এই মেয়েদের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। আরমান সেই মেয়েদের চারদিক থেকে দেখেছি...
19/05/2025

পর্ব3:
সোফায় বসা লোকটি খুশি হয়ে ভাবছিল যে আরমান এই মেয়েদের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। আরমান সেই মেয়েদের চারদিক থেকে দেখেছিল। কিন্তু বাস্তবে তার চোখ ছিল কেবল মায়ার দিকে, প্রতিটি মেয়ে তাদের স্টাইল, কাতিলআনা হাসি, এবং আবেদনময়ী শরীর দিয়ে আরমানকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছিল। তাকে ছুঁয়ে তাকে প্ররোচিত করছিল। কিন্তু আরমানের ওখান কার কোনো মেয়ের প্রতিই আগ্রহ ছিল না।

সে শুধু মায়ার দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে ছিল। ওকে দেখেই মনে হচ্ছে অন্য মেয়েদের থেকে একদম আলাদা। খুব স্বাভাবিক ভাবে একজায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল। এখনো পর্যন্ত একবারো চোখ তুলে তাকায়নি। যেন সে তার প্রতি মোটেই আগ্রহ দেখাচ্ছে না, মায়া আরমানকে গু*রুত্ব দিচ্ছে না, তার দিকেও তাকাচ্ছে না, এই বিষয়টা আরমানকে আরো রাগিয়ে দিচ্ছিল।

আরমান মায়ার সামনে গিয়ে ওর হাত ধরে লাইন থেকে টেনে নেয়। এবং তার অন্য হাত দিয়ে মায়ার কোমর শক্ত করে ধরে রাখে। মায়া আরমানের বুকের উপড় হুমরি খেয়ে পড়ে এবং শক্ত করে আরমানের শার্ট আঁকড়ে ধরে। কিন্তু তখনও আরমানের দিকে তাকাচ্ছিল না, আরমান মুখে বাঁকা হাসি নিয়ে বলে, "আমি শুধু একে চাই...।"

আরমানের উত্তর শুনে লোকটা খুশি হয়ে যায়, কিন্তু অন্য সব মেয়েরা হতবাক হয়ে যায়, এই সাধারণ মেয়েটির মধ্যে এমন কী ছিল যে আরমান তার জন্য সেই সব সে*ক্সি হ*ট মেয়েদের উপেক্ষা করল।

আরমানের শেষ পর্যন্ত কাউকে পছন্দ হয়েছে দেখে লোকটি খুব খুশি হয়ে যায়। ওনি বলেন, "অবশ্যই মিস্টার আরমান, আপনার পছন্দের দাম আছে বলতে হবে। ও সাধারণ হলেও সব মেয়েদের থেকে সুন্দরী। ও এইমাত্র যোগ দিয়েছে এই কাজে, আপনি যে মেয়েটির গায়ে হাত দিয়েছেন, এই মেয়েটি আপনার সেবায় উপস্থিত থাকবে, ও আজ রাতে আপনাকে বিনোদন দেবে।"

আরামান খুব মনোযোগ দিয়ে মায়ার দিকে তাকায়, এক বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে এই প্রথম সে মায়াকে এত কাছ থেকে সামনাসামনি দেখেছে, নইলে বিয়ের পর সে, না মায়াকে তার বাড়িতে থাকতে দিয়েছে আর না কখনো তার সামনে আসার অধিকার দিয়েছে।

বিয়ের পরও মায়া তার বাবার বাড়িতে থাকত, আরমান এবং মায়ার পরিবার ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ তাদের বিয়ের কথা জানত না। আরমান মায়াকে খুব ঘৃ*ণা করত। সে কখনো মায়ার মুখও দেখেতে চাইনি নিজে থেকে, মায়া বিয়ের পর 1 বছর তার বাবার বাড়িতে থাকে এবং একদিন আরমান তার বাড়িতে ডিভোর্সের কাগজও পাঠায়। কখন তাদের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল এবং কখন শেষ হয়েছিল, কেউ সে সম্পর্কে কোনও খবর পায়নি।

আরমান তাদের সবাইকে রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়, কারণ তার এখন আর কাউকে সহ্য হচ্ছিল না। তার চোখ তখনও নিচু হয়ে থাকা মায়ার মুখের দিকে, সে চোখের পাপড়ি তুলেও আরমানের দিকে তাকাচ্ছে না।

আরমান ইশারা করার সাথে সাথে লোকটি, সব মেয়ে এবং গার্ডগুলোকে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।

ওরা সবাই চলে যেতেই আরমানের অভিব্যক্তি আরও কঠোর হয়ে উঠল। আরমান মায়ার কোমরটা আরো একটু শক্ত করে ধরল যাতে মায়ার ব্যাথা করতে শুরু হল,

আরমান:- "তাহলে এই ব্যবসা কবে থেকে শুরু করলে?"

আরমানের কথাগুলো খুবই কড়া ছিল যা মায়ার হৃদয়কে ব্যথিত করছিল। এই বিয়ে তাদের দুজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও মায়া আরমানকে অনেক পছন্দ করতে শুরু করেছিল।

যে মুহুর্তে সে আরমানকে প্রথমবার দেখেছিল, তার হৃদয় আরমানের উপর পড়েছিল। আরমান বিয়েতে খুশি ছিল না। কিন্তু মায়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে আজ না হলে কাল সে আরমানের হৃদয়ে ঠিকই জায়গা করে নেবে। কিন্তু আরমান তাকে এই সুযোগ কখনো দেয়নি। মায়া বিয়ে টা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আরমানের কাছ থেকে সে যা পেয়েছে তা ছিল শুধুই অবজ্ঞা আর অবহেলা।

হঠাৎ একদিন যখন ডিভোর্স পেপার তার বাড়িতে আসে, তখন মায়ার সব আশা ও স্বপ্ন ভে*ঙ্গে যায়। ও খুব খারাপ ভাবে ভে*ঙ্গে পড়ে। আরমান তাকে ডিভোর্স পেপার সহ কিছু টাকা পাঠিয়েছিল ভরণপোষণ হিসাবে। যা মায়া স্পষ্টতই নিতে অস্বীকার করেছিল এবং ডিভোর্স পেপারে সই করেছিল। এবং সেই টাকা ফেরত পাঠিয়েছিল।

বিবাহ বিচ্ছেদের পর দুজনেই আর কখনো একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু মায়া স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে তাদের এমন ভাবে দেখা হবে। মায়া সাহস সঞ্চয় করে আরমানের চোখের দিকে তাকিয়ে খুব ঠাণ্ডা গলায় বলল, "দারিদ্র্যের মধ্যে দিয়ে বাঁচার কোনো ইচ্ছে নেই, আমার কিছু শখ আছে যা পূরণ করার জন্য আমার টাকার প্রয়োজন। এখন আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে, আমাকে কোথাও না কোথাও থেকে তো আমার শখ পূরণের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমার অনেক টাকার দরকার।"

মায়ার কথা শুনে আরমানের গম্ভীর মুখটা আরো গম্ভীর হয়ে যাই। গম্ভীর গলাতেই বলে ওঠে আরমান, "ওহ, তাহলে আমার প্রাক্তন স্ত্রীরও শখ আছে বুঝি? টাকার জন্য শরীর বিক্রি করার জন্য এই বাজারে নেমেছো? বাহ, শখ মানুষকে কত কি কিনা করতে শিখাই। আমি তোমায় ডিভোর্স দিয়ে একদম ভালো করেছি, তোমার মতো মেয়েদের দিয়ে শুধু শরীরের আ*গুন নিভানো যাই, বউ করে সংসার করা যাই না। তোমার মতো মেয়ের কোনো যোগ্যতাই নেই আমার বউ হওয়ার।"

আরমান দাঁত কিড়মিড় করে কথা গুলো বলল। কেন জানে না, কিন্তু হঠাৎ করেই খুব রাগ লাগছে তার।

যদিও আরমানের কথাগুলো মায়াকে অনেক কষ্ট দিচ্ছিল। কিন্তু সে তার সমস্যাগুলো আরমানকে দেখাতে চায়না। আর কেনই বা সে দেখাবে, যে ব্যক্তি বিয়ের আগেও চিন্তাও করেনি, ডিভোর্স দেওয়ার আগেও ভাবেনি, তার মুখের দিকেও তাকায়নি, তার ফিলিংস নিয়েও ভাবেনি, তাকে কেন তার সমস্যা গুলো দেখাবে?

মায়া মুখে একটা প্রলোভনসঙ্কুল হাসি দিয়ে আরমানের গলায় হাত রেখে বলল,"যদি এমনই হয় তাহলে চলুন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণ করব আর আপনি আমার ইচ্ছা পূরণ করবে। যাই হোক, গত কয়েকদিন ধরে আমার ইনকাম টা একটু ধীরগতিতে চলছে, আপনার মতো কোনো ধনী লোক পায়নি না, তার জন্য। আজ যখন আপনার মতো ধনী কাউকে পেয়েছি তখন আমি কোনো কমতি রাখতে চাই না। আপনি যেমন চাইবেন আপনাকে আমি তেমন সার্ভিস দেবো। আর আমাকে বিশ্বাস করুন, আমি আপনাকে একটুও অভিযোগ করার সুযোগ দেব না, আজ পর্যন্ত আমি আমার গ্রাহকদের কাউকে খুশি না করে যেতে দেইনি।

পর্ব২:আরমানের এমন উদাসীন উত্তর শুনে, সমস্ত মেয়েরা একেবারে আঁতকে ওঠে, আরমান শাহরিয়ার সত্যিই একজন পাথর-হৃদয় ব্যক্তি। যে...
19/05/2025

পর্ব২:
আরমানের এমন উদাসীন উত্তর শুনে, সমস্ত মেয়েরা একেবারে আঁতকে ওঠে, আরমান শাহরিয়ার সত্যিই একজন পাথর-হৃদয় ব্যক্তি। যে তিনি যা চান তা পেতে যে কোনও প্রান্তে যেতে পারেন। কিন্তু এত সহজে তার চোখে কোন কিছুই ভালো লাগেনা, তিনি খুব নির্বাচনী ব্যক্তি এবং তার পছন্দগুলিও খুব বিরল।

আরমানের কথা শুনে পাশে বসা লোকটি তৎক্ষণাৎ বলল, "আরে, তুমি চিন্তা করো না, আমরা আমাদের ক্লাবের সবচেয়ে তাজা, এবং অস্পর্শিত মেয়ে তোমার সামনে তুলে ধরছি।"

এই বলে লোকটি ঐ সব মেয়েগুলোকে ওখান থেকে চলে যাওয়ার ইশারা দেয়। সেই সব মেয়েরা হতাশা আর মুখে বি*ষাদ নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়, তখন লোকটি তার এক গার্ডকে বলে, "যে সব নতুন মেয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেছে তাদের ৫ মিনিটের মধ্যে হাজির করো।”

ওই গার্ড মাথা নেড়ে সাথে সাথে সেখান থেকে চলে যায

একটা ঘরে অনেক মেয়ে রেডি হচ্ছিল, তখন ওখানে একজন গার্ড এসে বলে, "আরে, চলো, এবার তোমাদের পালা, আজ তোমরা যার সামনে যাচ্ছ সে এই শহরের একজন বড় ব্যবসায়ী, তাকে মুগ্ধ করলেই জীবন সেট হয়ে যাবে, তার নাম আরমান শাহরিয়ার, তবে মনে রাখবে তাকে মুগ্ধ করা এত সহজ নয়।"

আরমান শাহরিয়ার নামটা শুনে সব মেয়েদের চোখ জ্বলে উঠল, কিন্তু ওখানে থাকা একটা মেয়ের চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেল। সেই মেয়েটা বাকি সব মেয়েগুলোর থেকে এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে, মেয়েটা অবাক হয়ে গেল, এই নামটা সে কখনো আশা
কিছুক্ষণ পর…. কিছু নতুন মেয়ে রুমে প্রবেশ করে, সেই নতুন মেয়েদের মধ্যে আরমানের চোখ পড়তেই তার চোখ যায় একটা বিশেষ মেয়ের দিকে।

লাল রঙের গাউন পরা একটি খুব সুন্দরী মেয়ে সেই মেয়েদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিল। তার মুখে শূন্য অভিব্যক্তি। মেয়েটিকে দেখে আরমান ভ্রু কুঁচকে নেয়, ওই মেয়েটি আর কেউ নয়। মায়া আক্তার।

মায়া হলো আরমান এর প্রাক্তন স্ত্রী। দুনিয়ার কেউ এ বিষয়ে জানে না, নির্দিষ্ট কিছু মানুষ ছাড়া। আরমান মায়াকে ডিভোর্স দিয়েছিল কারণ মায়ার সাথে তার বিয়ে হয়েছিল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে।

আরমান মায়াকে ওখানে দেখে বেশ অবাক হয়ে যায়। আরমানের সামনে বসা লোকটি আরমানের উদ্দেশ্যে বলে, " এরা আমাদের ক্লাবের একদম তাজা তাজা মা*ল। এরা আজকেই জয়েন করেছে এই কাজে। এটা ওদের সৌভাগ্য যে আপনার মতো একজন অসাধারণ ব্যক্তির দ্বারা তারা তাদের ক্যারিয়ার শুরু করতে চলেছে।"

এই কথার কোনো উত্তর আরমান দেয় না। কারণ তার চোখ তো এক জায়গাতেই আটকে আছে। সব মেয়েরা এসে আরমানের সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ায়, মায়া মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। আরমানের দিকে সে একবারও তাকায়নি। আরমান উঠে দাঁড়ায়, ওয়াইনের গ্লাস টেবিলে রেখে সেই মেয়েদের কাছে যায়।

পর্ব ১:আমি তোমাকে কিনছি, পুরো এক মাসের জন্য, আজ থেকে পুরো একমাস তুমি শুধু আমার বিছানায় থাকবে, এই এক মাসে তোমাকে শুধু আম...
19/05/2025

পর্ব ১:
আমি তোমাকে কিনছি, পুরো এক মাসের জন্য, আজ থেকে পুরো একমাস তুমি শুধু আমার বিছানায় থাকবে, এই এক মাসে তোমাকে শুধু আমাকে খুশি করতে হবে, এই সময়ের মধ্যে অন্য কারো দিকে তাকাতেও পারবে না তুমি।" আরমান শাহরিয়ার, মায়ার কানের কাছে এসে খুব লোভনীয় কণ্ঠে কথা গুলো বললেন, যার কারণে মায়ার লোমকূপ দাঁড়িয়ে গেল।

কিছুক্ষণ আগে...

একটা বড় ঘরে একটা সিঙ্গেল সোফায় একজন হ্যান্ডসাম ব্যাক্তি বসে আছে, আর তার সামনে অনেক গুলো মেয়ে একটা লাইন করে দাঁড়িয়ে আছে, সব মেয়েই একে অপরের থেকে অনেক বেশি সুন্দরী, তাদের মুখে লেগে আছে খুব লোভনীয় হাসি।

এখানে তাদেরকে চোখের সামনে বসে থাকা একজন বিশেষ ব্যাক্তির সামনে হাজির করা হয়েছে, তিনি দেখতে খুবই সুদর্শন এবং শহরের একজন বড় ব্যবসায়ী।

পুরো শহরে এই লোকটির অনেক মর্যাদা আছে, তার নাম আরমান শাহরিয়ার, 28 বছরের একজন খুব সুদর্শন যুবক, তার চেহারা এবং তার পেশীবহুল শরীর এমন ছিল যে সে যে কোনও মেয়েকে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করবে। কিন্তু আরমান শাহরিয়ার প্রেম শব্দটি পছন্দ করেন না। সে তার জীবনের প্রতিটি সম্পর্ককে কেবল নিজের মতলবের জন্য বানিয়েছে।

আর ভালবাসা?? ভালবাসা কি, কেমন তার অনুভূতি সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না,
আরমান শুধু মনে করে যে, আবেগ, অনুভূতি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে অসহায় করে তোলে।
তাই তার কাছে অনুভূতি, আবেগ এসবের কোনো মূল্য ছিল না, যদি কোনো কিছুর মূল্য থাকে তাহলে তা হলো সম্পদ, খ্যাতি, মর্যাদা এবং তার নিজস্ব মনোভাব।

আরমান শাহরিয়ার তার ঠান্ডা চোখে দূর থেকে মেয়েদের স্ক্যান করছিল, আর পাশে বসে তার নতুন ব্যবসায়িক অংশীদার আরমানকে বলছে, "এরা আমাদের ক্লাবের কিছু সুন্দরী নৃ*ত্যশিল্পী, আপনি আজ রাতে বিনোদনের জন্য তাদের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে পারেন। আমাদের নতুন ব্যবসায়িক চুক্তির জন্য এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ছোট উপহার।"

লোকটির ঠোঁটে ছিল নি*র্লজ্জ হাসি, আরমান শাহরিয়ার হাতে ওয়াইনের গ্লাস ধরে ওই সব মেয়ের দিকে তাকায়, সব মেয়েই খুব ভালোভাবে তৈরি হয়ে এসেছিল, যখনই তারা জানতে পারল যে তারা মিস্টার আরমান শাহরিয়ারের‌ সামনে হাজির হতে চলেছে, প্রত্যেক মেয়ের চোখেই একটা আলাদা উত্তেজনা আর নার্ভাসনেস ছিল, প্রতিটি মেয়েই চাই সে জেনো শুধু তাকে নিতে চায়।

এই সমস্ত মেয়েরা আরমান শাহরিয়ার এর জন্য পা*গ*ল ছিল, সবাই শুধু মনে মনে দোওয়া করছিল যে, আরমান শাহএর জন্য পা*গ*ল ছিল, সবাই শুধু মনে মনে দোওয়া করছিল যে, আরমান শাহরিয়ার যেনো তাকে লক্ষ্য করে। প্রতিটি মেয়ে তার মুখে একটি প্রলোভনসঙ্কুল হাসি দিয়ে আরমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছিল।

আরমান সবার দিকে তাকায় কিন্তু তার মুখে কোন বিশেষ ভাব নেই। যেন এইসব মেয়ের প্রতি তার কোনো আগ্রহ নেই। সে তার ওয়াইনের গ্লাস থেকে একটা চুমুক নিয়ে বলে, "ননসেন্স, সবই ফালতু, যদি নতুন কিছু থাকে তাহলে দেখাও, এইরকম পুরানো এবং ইউস করা জিনিসগুলিতে আমার কোন আগ্রহ নেই।

Address

Kalukhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মজার গল্পো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share