Right Zone Showroom

Right Zone Showroom Right Zone হচ্ছে আপনাদের বিশ্বস্ত শোরুম

29/03/2024

আপনাদের পছন্দের প্রোডাক্ট নিতে আজই চলে আসুন আমাদের Righte zone শোরুমে।
আমাদের ঠিকানা : শপ নং ১২,হাজী সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ।

এছাড়া আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে থাকি।
অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার পছন্দের পন্যের স্ক্রিনশট দিয়ে whatsapp করুন অথবা কল দিন এই নাম্বারে 01815480808.

07/03/2024

আপনাদের পছন্দের প্রোডাক্ট নিতে আজই চলে আসুন আমাদের Righte zone শোরুমে।
আমাদের ঠিকানা : শপ নং ১২,হাজী সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ।

এছাড়া আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে থাকি।
অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার পছন্দের পন্যের স্ক্রিনশট দিয়ে whatsapp করুন অথবা কল দিন এই নাম্বারে 01815480808

26/02/2024

এবার নিয়ে আসলাম বিভিন্ন ধরনের স্টাইলের আধুনিক ডিজাইনের অরজিনাল চামড়ার বেল্ট ।
এটি পরিধানে আপনার ব্যক্তিত্বকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলবে ।
অরিজিনাল চামড়ার বেল্ট হওয়ার কারণে দুই তিন বছরে এই বেল্ট নষ্ট হবে না ।আপনাদের পছন্দের প্রোডাক্ট নিতে আজই চলে আসুন আমাদের Righte zone শোরুমে।
আমাদের ঠিকানা : শপ নং ১২,হাজী সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ।

এছাড়া আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে থাকি।
অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার পছন্দের পন্যের স্ক্রিনশট দিয়ে whatsapp করুন অথবা কল দিন এই নাম্বারে 01815480808

22/02/2024

আপনাদের পছন্দের প্রোডাক্ট নিতে আজই চলে আসুন আমাদের Righte zone শোরুমে।
আমাদের ঠিকানা : শপ নং ১২,হাজী সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ।

এছাড়া আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে থাকি।
অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার পছন্দের পন্যের স্ক্রিনশট দিয়ে whatsapp করুন অথবা কল দিন এই নাম্বারে 01815480808

15/02/2024

* ভালো পণ্যের মাধ্যমে ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল  লক্ষ্য। তাই আমাদের সব থেকে ভালো কালেকশন গুলোই নিয়ে আসি আপনাদের...
04/02/2024

* ভালো পণ্যের মাধ্যমে ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই
আমাদের সব থেকে ভালো কালেকশন গুলোই নিয়ে আসি আপনাদের জন্য। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি প্রতারিত হওয়া মানে আমরা প্রতারিত হওয়া।

*প্রতিটি ঘড়ি ১ বছর ওয়ারেন্টি।

* মুন্সিগঞ্জ জেলায় ৫০টাকা এবং ঢাকা জেলায় ৭০ টাকা , এছাড়া সারা বাংলাদেশে ১২০ টাকা হোম ডেলিভারি চার্জ ।

*পণ্য অর্ডার করতে Call অথবা WhatsApp করুন এই নাম্বারে 01815480808

আপনারা চাইলে আমাদের Right Zone শো-রুমে চলে আসতে পারেন।
Right Zone Showroom এর র্বতমান ঠিকানা হচ্ছে , শপ নং ১২, হাজি সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান ,মুন্সিগঞ্জ।

12/07/2023

Right Zone Showroom এর স্থান পরির্বতন হয়েছে। আমাদের Showroom এর র্বতমান ঠিকানা হচ্ছে , শপ নং ১২, হাজি সুলতান মার্কেট, ইছাপুরা, সিরাজদিখান ,মুন্সিগঞ্জ।

বিদ্যুৎ আসার আগে গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলের মানুষ ঘরের বাইরে গাছতলা কিংবা বারান্দায় ঘুমাত, সঙ্গে থাকত হাতপাখা। পরবর্তীতে ব্রি...
03/07/2023

বিদ্যুৎ আসার আগে গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলের মানুষ ঘরের বাইরে গাছতলা কিংবা বারান্দায় ঘুমাত, সঙ্গে থাকত হাতপাখা। পরবর্তীতে ব্রিটিশদের দেখাদেখি স্বচ্ছল ও অভিজাত বাড়িতেও পাংখা বা টানা পাখা ব্যবহৃত হতে থাকে।

*****বারান্দায় শুয়ে পাখা টানছেন তিন পাঙ্খাওয়ালা।
ছবি: রয়াল সোসাইটি ফর এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স, লন্ডন/ ব্রিজম্যান ইমেজেস******

টানাপাখাকে কেন্দ্র করে ১৭ শতকে পাঙ্খাওয়ালা নামের নতুন এক পেশাজীবী শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। পাখাগুলো যারা টানতেন, তাদের পাঙ্খাপুলার বা পাঙ্খাওয়ালা বলা হতো।

ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থায় বৃটিশরা ভারতীয়দের সঙ্গে কীরূপ আচরণ করত, তা পাঙ্খাওয়ালাদের সঙ্গে তাদের ব্যবহার থেকেই অনুধাবন করা সম্ভব। ভারতবর্ষে শাসন করা সত্ত্বেও বৃটিশরা এদেশের সাধারণ মানুষকে কখনোই তাদের কাছে ঘেষতে দেয়নি। কিন্তু পাঙ্খাওয়ালাদের কাজ তো দূর থেকে সম্ভব নয়। তাদের দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই অবিরাম পাখা টানার কাজ করতে হতো। আর তাই যে ঘরে ইংরেজ সাহেব-বিবিরা অবসর যাপন করতেন সেখানে তাদের উপস্থিতি কাম্য ছিল না। অধিকাংশ সময় বারান্দা কিংবা বাইরের ঘরেই তাদের ঠাঁই মিলত।

তাছাড়া বিশাল এক জনগোষ্ঠীকে পদানত করে শাসন করা যে সহজ কাজ নয় তা ব্রিটিশরা ভালোমতোই জানত। আর তাই গুপ্তচরদের থেকেও তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছিল। ইতিহাসবিদ অরুণিমা দত্তের মতে, সময়ের সঙ্গে পাঙ্খাওয়ালা নিয়োগে এক নতুন প্রবণতা দেখা দেয়। বধির, বয়স্ক কিংবা শ্রবণ শক্তি কম, এমন ব্যক্তিদের পাঙ্খাওয়ালা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়।

ঘরের বাইরে ছাড়াও অনেকসময় ঘরের ভেতরে এক কোণায় পাঙ্খাওয়ালার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ ছিল।

পাঙ্খাওয়ালাদের গায়ে ইংরেজরা প্রায়ই হাত তুলত। তাদের দিকে জুতা ছুড়ে মারা কিংবা গালিগালাজ করাও ছিল সাধারণ বিষয়। নিয়মিত নির্যাতনের বাইরেও ইংরেজদের বিরুদ্ধে তাদের হত্যার অভিযোগও মিলে। দ্য ডন পত্রিকার কলামিস্ট রাফিয়া জাকারিয়া লিখেছেন, একজন পাঙ্খাওয়ালাকে হত্যার শাস্তি হিসেবে ব্রিটিশ আমলে একজন শ্বেতাঙ্গকে মাত্র ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের ওপর প্রকৃত অর্থেই যে দাসপ্রথা চাপিয়েছিল, ইতিহাসে তার স্বাক্ষ্য বহন করছে পাঙ্খাওয়ালারা। ব্রিটিশ সাহেব, বিবি ও তাদের সন্তানদের কাছে একজন সাধারণ ভারতীয় ভৃত্যের জীবনের মূল্য মাত্র ১০০ রুপির বেশি ছিল না।

শ্বেতাঙ্গরা এই পাঙ্খাওয়ালাদের কীভাবে দেখতেন তার উদাহরণ মিলে 'দ্য কমপ্লিট ইন্ডিয়ান হাউজকিপার এন্ড কুক' বইয়ে। বইটিতে ফ্লোরা অ্যানি স্টিল ও গ্রেস গার্ডিনার লিখেছেন, পাঙ্খাওয়ালারা ছিল অলস। পাখার বিষয়ে দুই লেখকের মতামত হলো, মশা তাড়াতে কিংবা ছাদে ঘুমালে এগুলো তেমন কাজে লাগে না। তবে খাবার সময় এটা ছিল জরুরি। তাদের ভাষায়, কুলির হাতে পাখার দড়ি থাকলেই যেন তাদের চোখে রাজ্যের ঘুম এসে ভর করত।

পাঙ্খাওয়ালার কাজ কঠিন না হলেও পরিশ্রমসাধ্য ছিল। কিন্তু ইংরেজ মনিবদের কাছে যে তার কদর ছিল না, তা তাদের বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়। বাতাস করতে করতে ভুলে ঘুমিয়ে পড়লেই শাস্তি ছিল নিশ্চিত।

সমাজের নিম্নশ্রেণির মানুষরাই পেটের দায়ে পাখাওয়ালার কাজ নিতেন। এই কাজের জন্য তারা খুব বেশি অর্থ পেতেন না। তা সত্ত্বেও কিন্তু সেসময় পাখাওয়ালাদের পেশা অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল।

হিসাবের খাতা অনুযায়ী, ১৮ শতকে সারাদিন পাখা টানার জন্য পাখাওয়ালারা তিন আনা করে মাইনে পেত। রাতে কাজ করলেও একইহারে বেতন থাকত। পাখা টানা ছাড়াও তাদের বাড়ি ও দপ্তরের বিভিন্ন ফুটফরমায়েশ খাটতে হতো।

একসময় ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে টানা পাখা। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলেও অনেক প্ল্যান্ট মালিকদের বাড়িতে টানা পাখার প্রচলন শুরু হয়। সেখানেও দরিদ্র শ্রেণির পাঙ্খাপুলারদের অভাব ছিল না।

তবে বিদ্যুৎ আসার সঙ্গেই কমতে থাকে টানা পাখার ব্যবহার। ১৯ শতকের শেষ দিকে উপমহাদেশে বিদ্যুৎ আসে। ১৮৭৯ সালে কলকাতায় প্রথম বিজলিবাতি জ্বালানো হয়। ১৮৯৯ সালে চালু হয় বৈদ্যুতিক পাখা। ফলে সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যেতে থাকে টানা পাখা। বিংশ শতাব্দীতে এসে পাঙ্খাওয়ালা পেশাটিও বিলুপ্ত হয়। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে তাদের মুক্তি ঘটলেও ইতিহাসে চিরকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক বর্বরতার স্বাক্ষ্য বহন করবে এই পাঙ্খাওয়ালারা।

এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল। ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে গ্রীষ্মকাল তাড়াতাড়ি আসে। এই অঞ্চলে এপ্রিল ও মে মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে। এরপর বর্ষা আসলেই কমতে থাকে তাপমাত্রা। পূর্ব ভারতীয় ও উপকূলীয় অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়বৃষ্টিতে গরম পড়ে দেরিতে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বৃষ্টি কমার সাথে বাড়তে থাকে তাপ। সমুদ্র থেকে আসা আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমে দমবন্ধ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

ঘরের সিলিং থেকে বড় কাঠের ফ্রেমে পাখার কাপড় আটকানো থাকত। পাখার নিচের অংশে থাকত মসলিনের ঝালর। সিলিং থেকে ঝুলানো পাখাগুলো লম্বায় ৮ থেকে ১২ ফিট এমনকি অনেকসময় ২০ থেকে ৩০ ফিটও হতো। সিলিংয়ের ৩-৪টি হুক থেকে বাহারি দড়ির সঙ্গে পাখার কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া হতো। সময়ের সঙ্গে এই পাখায় নানা পরিবর্তন আসে। কাপড়ের পরিবর্তে শীতলপাটির ব্যবহারও দেখা গেছে।

পাখার সঙ্গে যুক্ত অন্য একটি দড়ি দেওয়ালে গাঁথা পিতলের চাকার ওপর দিয়ে গর্তের মধ্যে দিয়ে ঘরের বাইরে পৌঁছাত। সেখানে বাইরে থাকা পাঙ্খাওয়ালার হাতে থাকত দড়ির শেষ প্রান্ত। মেঝের ওপর পা মুড়ে বা বসে বসে তারা বিশেষ ছন্দে পাখা টানত। সাহেবদের ইচ্ছানুযায়ী কখনো ধীরে বা কখনো দ্রুত দড়ি টেনে বাতাস করা হতো।

১৮৯৫ সালে জিএফ অ্যাটকিন্সনের লেখা 'কারি এন্ড রাইস' বই অনুযায়ী এই দিকটিকে বলা হতো বম্বে সাইড। আর অন্য যেদিকে পাখার ঝাপটায় হাওয়া কম, সেদিকটি বেঙ্গল সাইড নামে পরিচিত ছিল।

১৯০৮ সালে প্রকাশিত 'ইকোস ফ্রম ওল্ড কলকাতা' বইয়ে এইচ ই বাস্টিড লিখেছেন, ১৭৮৪ থেকে ১৭৯০ সালের মধ্যে কলকাতায় টানা পাখার আবির্ভাব ঘটে। ১৭৮৩-৮৪ সালে সোফিয়া গোল্ডবর্ন নামের ইউরোপীয় নারীর চিঠিতে ভারতীয় পাখার উল্লেখ পাওয়া যায় বলে তিনি জানান। গোল্ডবর্ন তালপাতার হাতপাখা এবং টানা পাখা এই দু'ধরনের পাখার কথা লিখেছিলেন। টানা পাখাগুলো সাহেব ও অভিজাতদের বাড়ির ঘরের সিলিং থেকে ঝুলত।

তবে বাস্টিড জানান, পর্তুগিজদের আগেও ভারতের মানুষ টানা পাখার সঙ্গে পরিচিত ছিল। তবে সেটি উত্তর ভারতে। মোগল আমলে টানা পাখার প্রচলন ছিল। সম্রাট শাহজাহানের ছেলে যুবরাজ দারা শুখোর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন ফরাসি পরিব্রাজক ও চিকিৎসক ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ে। তিনি পরবর্তীকালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের দরবারের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। বার্নিয়ের 'ট্রাভেলস ইন দ্য মোগল এম্পায়ার' বইয়ে এক মোগল অমাত্যের অন্দরমহলে টানা পাখা দেখার বর্ণনা পাওয়া যায়।

১৭৭৪ সালে স্থাপিত ক্যালকাটা সুপ্রিম কোর্টের বেঙ্গল ইনভেন্টরি অনুসারে, ১৭৮৩ সালের ৩ জুন মৃত্যুবরণ করা রিচার্ড বেরারের সম্পত্তির তালিকায় 'কাপড়ের পাখা'র উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে সে সময়ও টানা পাখার ব্যবহার ছিল সীমিত।

তথ্যসুত্রঃঃঃঃঃ ফ্যানিং দ্য ফরেনারস, রাফিয়া জাকারিয়া , পাংখা: দ্য হ্যান্ড অপারেটেড সিলিং ফ্যানস অব কলোনিয়াল ইন্ডিয়া, কৌশিক পাটোয়ারি , ইরাবতীর ইতিহাস: টানা পাঙ্খার গল্প, দামু মুখোপাধ্যায়

* ভালো পণ্যের মাধ্যমে ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মুল লক্ষ্য। তাই আমাদের সব থেকে ভালো কালেকশন গুলোই নিয়ে আসি আপনাদের ...
06/03/2023

* ভালো পণ্যের মাধ্যমে ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মুল লক্ষ্য। তাই
আমাদের সব থেকে ভালো কালেকশন গুলোই নিয়ে আসি আপনাদের জন্য। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি প্রতারিত হওয়া মানে আমরা প্রতারিত হওয়া।

*প্রতিটি ঘড়ি ১ বছর ওয়ারেন্টি।

* মুন্সিগঞ্জ জেলায় ৫০টাকা এবং ঢাকা জেলায় ৭০ টাকা , এছাড়া সারা বাংলাদেশে ১২০ টাকা হোম ডেলিভারি চার্জ ।

*পণ্য অর্ডার করতে Call অথবা WhatsApp করুন এই নাম্বারে 01815480808

আপনারা চাইলে আমাদের Right Zone শো-রুমে চলে আসতে পারেন।

আমাদের ঠিকানা
Right Zone
শপ নং # ১৩৫ , ব্লক # সি
জেড এইচ সিকদার শপিং কমপ্লেক্স ২
সিরাজদিখান বাজার, সিরাজদিখান,মুন্সিগঞ্জ।

03/03/2023

Address

Icchapura
Munshiganj
1542

Telephone

+8801885567522

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Right Zone Showroom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Right Zone Showroom:

Share