VIN FF

VIN FF Asslamu alaikum
Mummy's & Daddy's❤️
Welcome to our
" Toddler parents & Baby's world"
& Me
AfiF'S MamMa❤️

আপনার সোনামণীর জন্য নিয়ে এলাম সবচেয়ে মজার ও কিউট ওয়াটার বোটল!এটি শুধু ওয়াটার বোটল নয় একইসাথে মিনি বাস খেলনাও বটে!!বিয়ার ...
18/01/2026

আপনার সোনামণীর জন্য নিয়ে এলাম সবচেয়ে মজার ও কিউট ওয়াটার বোটল!এটি শুধু ওয়াটার বোটল নয় একইসাথে মিনি বাস খেলনাও বটে!!
বিয়ার বাস ওয়াটার বোটল এ আপনার সন্তান আনন্দের সাথে জল পান করবে এবং হাইড্রেটেট থাকবে 😍

💧লিক প্রুফ: উল্টে গেলেও জল পড়ার ভয় নেই, নিশ্চিন্তে ব্যাগে রাখা যায়!
সহজে জল পান করার জন্য রয়েছে স্ট্র( straw)
কাঁধে ঝুলিয়ে নেওয়া যায় রয়েছে সুন্দর( বহনযোগ্য স্ট্র্যাপ)

💧সেফ ম্যাটারিয়াল:শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ BPA মুক্ত প্লাস্টিক!

আর তাই আপনার বাচ্চার জন্য এই
কিউট বিয়ার ওয়াটার বোটলটি পেতে ঝটপট ইনবক্স করুন

আমরাই দিচ্ছি সবচেয়ে কম প্রাইজে ১০০% অরিজিনাল
কিউট ওয়াটার বোটল

পাচ্ছেন মাএ ৫২০ টাকায়😊

তাই দেরি না করে ঝটপট অর্ডার করে ফেলুন😍
সারা বাংলাদেশে মাএ ৮০টাকা ডেলিভারি র্চাজ ধামাকা অফার😍😍

10/10/2025
10/10/2025

একটা ছোট ফল প্রতিদিন
শিশুর ইমিউনো সিস্টেমের বড় বিনিয়োগ
🍎🍌🥭🍓🥑🍠

সাইকোলজিস্টরা বলেন,যেসব মা ২৪ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে বাচ্চার দেখাশোনা করেন—তাদের মানসিক চাপ অনেক বেশি  হয়, এমনকি কর্মজীবী মায়ে...
07/08/2025

সাইকোলজিস্টরা বলেন,
যেসব মা ২৪ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে বাচ্চার দেখাশোনা করেন—তাদের মানসিক চাপ অনেক বেশি হয়,
এমনকি কর্মজীবী মায়েদের চেয়েও।
সেটা হয়তো কেউ দেখে না, বোঝেও না।

আমাদের সমাজ আজো মা-বান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি।
একজন মেয়ে যখন নিজের ক্যারিয়ার, বন্ধু, স্বাধীনতা সব পেছনে ফেলে
শুধু সন্তানের জন্য নিজেকে উজাড় করে দেয়,
তখন তাঁকে বলা হয়—
"এটাই তো তোমার দায়িত্ব"।

কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না—
এই দায়িত্ব পালনের পথে তুমি কেমন আছো?

একজন মা যদি শারীরিকভাবে অসুস্থ হন,
যদি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন,
তাহলে কি তিনি সন্তানের জন্য সুস্থ পরিবেশ তৈরি করতে পারবেন?

আমি পারিনি বলতে চাই না,
তবে আমি **অসুস্থ থেকেও, ভীষণ মানসিক চাপের মধ্যেও আমার সন্তান— একা হাতে বড় করছি।**আলহামদুলিল্লাহ

দিনগুলো সহজ ছিল না, আজও না।
অনেক রাত নির্ঘুম গেছে,
অনেক সময় শরীর জ্বরাক্রান্ত, মাথায় ঝড়, আর তবুও রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।
কারণ আমি মা।
কারণ কেউ ছিল না বলার—
**“তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আমি বাচ্চাকে দেখছি।”**

তবু আমি লড়ে যাচ্ছি।
কারণ আমার সন্তান—আমার অস্তিত্বের মূল।

একটা ক্লান্ত মা, অসুস্থ মা, একা মা—
সবসময় শক্ত থাকতে পারে না।
শুধু একটা কথাই বারবার মনে হয়—
**যদি সমাজটা একটু বোঝে, যদি একটু সহযোগিতা করতো, তাহলে হয়তো এত কষ্ট হতো না।**
একা হাতে বাচ্চা সংসার সামলানো মায়েদের

মা হতে গিয়ে আমরা নিজের অস্তিত্বটাকেও কেটে ফেলি,
তবু আমরা মূল্যায়ন পাই না—
এই সত্যটা তীব্র বেদনার।

পৃথিবীর সকল মায়েরা ভালো থাকুক

আফিফ'স মাম্মা

বাচ্চাদের দুপুরে ঘুম খুবই জরুরি🥱🥱কারণ এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে!!1. মস্তিষ্কের বিকাশে স...
05/08/2025

বাচ্চাদের দুপুরে ঘুম খুবই জরুরি🥱🥱
কারণ এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে!!

1. মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক – দুপুরে ঘুম স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা উন্নত করে।

2. শরীর বৃদ্ধি পায় – এই সময় গ্রোথ হরমোন নিঃসরণ হয়, যা শরীরের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

3. মুড ভালো থাকে – পর্যাপ্ত ঘুম মন ভালো রাখে, খিটখিটে ভাব কমে যায়।

4. মনোযোগ ও আচরণ উন্নত হয় – ঘুমানো শিশুরা বেশি মনোযোগী ও শান্ত স্বভাবের হয়।

5. রাতের ঘুম ভালো হয় – নিয়মিত দুপুরে ঘুম রাতের ঘুমের রুটিন ঠিক রাখতে সাহায্য করবে

১-২ বছর বয়সে ১–২ ঘণ্টা
৩-৫ বছর বয়সে ১ ঘণ্টা

👉 “সুস্থ-সবল মস্তিষ্ক গঠনে বাচ্চার দুপুরের ঘুম একান্ত প্রয়োজনীয়।”

আফিফ'স মাম্মা ❤️

📌মর্গে রাখা মানিকধনআমার কলিজার টুকরো স্কুল শেষ করে বাসায় ফিরবে। প্রতিদিন তার বাবাই স্কুলে দিয়ে যায় এবং ছুটির পর স্কুল থে...
23/07/2025

📌মর্গে রাখা মানিকধন

আমার কলিজার টুকরো স্কুল শেষ করে বাসায় ফিরবে। প্রতিদিন তার বাবাই স্কুলে দিয়ে যায় এবং ছুটির পর স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসে। ৪ সদস্যের সুখের ফ্যামিলি, আমার শ্বশুর, স্বামী আর আমার কলিজার টুকরো মানিকধন কাব্য আহসান। মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে ক্লাস ফাইভে পড়ে সে। প্রতিদিনকার মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলাম। অন্যান্য দিন থেকে আজকের দিনটি কেমন জানি বেশি সুন্দর লাগছিলো। মৃদু বাতাস, কোলাহল মুক্ত পরিবেশ,মনে হচ্ছে আজকে স্পেশাল কোন দিন। কাব্যেকে নিয়ে ছাদে গেলাম, কবুতরকে নিজ হাতে খাবার ছিটানো তার ভালো লাগা গুলোর মধ্যে একটি। এরই মাঝে বেশ কিছুক্ষণ রাইটিং ফ্যাক্টিস করল সে। শেষমেশ নাস্তা করে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্য তার বাবার সাথে বের হয়ে গেলো। কি যে উৎফুল্ল আমার ছেলেটা," মাম্মাহ আসি" বলে পাপ্পাহ দিয়ে জড়িয়ে ধরল, আমিও হাসিখুশি ভাবে বিদায় দিলাম। তার বাবা তার দাদু বেশ যত্নবান কাব্যের প্রতি, বেশ কয়েকটি পান্তুয়া পিঠা টিফিন বক্সে দিয়ে দিলাম। পান্তুয়া পিঠা সে ভীষণ রকম পছন্দ করে। যতক্ষণ কাব্য স্কুলে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মনটা চটপট করে,চিন্তিত থাকে মন, কতশত দোয়া দরুদ করি, খোদার কাছে আমানত দিয়ে রাখি যাতে আমার কলিজার টুকরো কাব্য আমার কোলে সহীহ্ ছালামতে ফিরে আসে। অন্যান্য দিন থেকে আজ কেনো জানি কাব্যের কথা বেশি বেশি মনে পড়তেছে। আমি কাব্যের বাবাকে কল দিলাম,তিনি আমায় বললো এতো দুশ্চিন্তা করিও না স্কুল ছুটি হলে আমি তাকে নিয়ে আসবো।🥹
আমি দুপুরের খাবার রেডি করে রেখেছি আমার কাব্যর সাথে এক টেবিলে বসে খাবো। ইলিশ ও পুঁইশাকের ঝোল আমার বাচ্চাটার ভীষণ রকম পছন্দের, তার কথা ভেবে আমরা তেমন একটা ঝাল খাইনা। স্কুল ছুটির আর বেশি সময় নাই, এই মিনিট দশেকের মতো বাকি আর, কাব্যের বাবার সাথে কথা হলো উনি কাব্যকে আনতে ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছেন পথে আছে।
হঠাৎ আমার শ্বশুর টিভির সামনে থেকে আমায় ডাকতেছে উৎকন্ঠিত গলায়। আমি কাছে আসতেই বললো আমার দাদুভাই কোথায়! আমি টিভির স্কিনে চোখ রেখে হতবিহ্বল হয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্যে স্ট্যাচু হয়ে গেলাম তারপর কলিজা ফাটা চিৎকার করে উঠলাম আমার কাব্যরে..রে... কিছু না ভেবেই স্কুলের উদ্দেশ্য বের হয়ে গেলাম।
ছোট বেলায় একবার আগুনে তার হাত পুড়ে যায় দুষ্টামি করতে গিয়ে। আগুনে পোড়া দাগটি এখনো তার বাম হাতের কব্জির উপরে আছে। তখন থেকেই কাব্য আগুনকে ভীষণ রকমের ভয় পায়। পানিকে আগে ভয় পেতো কিন্তু এখন আর পায় না কারণ তার দাদু তাকে সাঁতার কিভাবে কাটতে হয় তা শিখিয়েছেন গ্রামের বাড়ির পুকুর থেকে।

সময় গড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু পথ যেন শেষই হচ্ছে না, আজ মনে হচ্ছে কাব্যের স্কুলটি পৃথিবীর অন্যে কোন প্রান্তে অবস্থিত। ফোন বেজেই যাচ্ছে কিন্তু আমার সেইদিকে কোন খেয়াল নেই, কারণ আমার কলিজা পুড়েই যাচ্ছে কাব্যেকে জড়িয়ে ধরার জন্যে। স্কুলে পৌঁছে আমার কাব্য, আমার মানিকধন,আমার কলিজার টুকরো কোথায় রে আমার............! ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও কেনো জানি নানা কথা আমার মুখ দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে, সাথে নয়নের কোনায় নোনাজল ভিড় করেছে। স্কুল ভবনের নিচতলায় আগুনের কুন্ডুলি, ধোঁয়ার চেয়ে গেছে চারপাশ। আমার মতো অনেকেই আসছে তাদের বাচ্চাদের খোঁজে। অনেক মানুষ, হৈচৈ, আহাজারি দীর্ঘশ্বাস, একের পর এক বাচ্চাকে উদ্ধার করে আনতেছে। কারো অর্ধেক পুড়ে যাওয়া,কারো সম্পূর্ণ, কেউ সম্পূর্ণ পুড়ে কাবাব হয়ে গেছে। কাব্যের বাবা আমাদের কাব্য কোথায়? পেয়েছো তাকে? কাব্যের বাবা আমার কথার কোন উত্তর না দিয়ে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে। হঠাৎ করে পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে আসলো, আমি জ্ঞান হারালাম!

মিনিট পাঁচ পরে একজন উদ্ধার কর্মী পুড়ে যাওয়া একটা বাচ্চাকে কোলে করে নিয়ে আসতেছে ক্লাস রুমের ভিতর থেকে। বাচ্চাটার ইউনিফর্ম,চুল, হাত_পা অর্থাৎ আপদমস্তক আগুনে জ্বলছে গেছে। মুখ দেখে আইডেন্টিফাই করা জো নাই....এম্বুলেন্সে উঠানো হলো বাচ্চাটিকে। সবাই ভীড় জমিয়েছে এম্বুলেন্সের কাছে, একটা বাচ্চা উদ্ধার করে আনে তো সবাই ভীড় জমায় তাদের নিজ নিজ বাচ্চার খোঁজে। তাড়াহুড়ো করে আমি আর কাব্যের বাবা এম্বুলেন্সের দিকে এগিয়ে গেলাম। কাব্যের বাবা, "এইতো আমাদের কাব্যে।ওরে কাব্যে রে.... আল্লাহ আমার সাথে এমন করলা কেন রে...বলে আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লাম। এরই ফাঁকে উদ্ধার কর্মী বললো শেষ বাচ্চাটার কাঁধে একটা ব্যাগ ছিলো এই হলো সেই ব্যাগ বলে ব্যাগটি এম্বুলেন্সের পিছনে মাটিতে রাখল। কাব্যের বাবা এবার সিউর হলো যে এটাই আমাদের কাব্য, আমি বার বার হুশ হারাচ্ছি,জড়িয়ে ধরতে গেলাম কিন্তু কেউ আমার মানিকধন কে একটু খানি জড়িয়ে ধরতেও দিলো না। আমার কলিজায় শূন্যতা অনুভবের মাঝেই আমি জ্ঞান হারালাম।
জ্ঞান ফিরে দেখি আমি হাসপাতালে, আমার মানিকধন কোথায়? হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে গিয়ে দেখি কাব্যের পাশে তার বাবা বসে আছে আর চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় পানি পড়তেছে। কাব্যের রক্তের গ্রুপ এ নেগেটিভ, ডাক্তার যখন বললো রক্ত লাগবে তখন কাব্যের বাবাই রক্ত দিলো কারণ কাব্যের বাবারও রক্তের গ্রুপ এ নেগেটিভ। রক্তের জন্যে হাহাকার, অনেকেই রক্ত পাচ্ছিলো না বাচ্চাদের দেওয়ার জন্যে, নেগেটিভ রক্তের সংকট দেখা দিলো হাসপাতালে।কাব্যের পুরো বডি তে বেন্ডিজ,চোখ বুজে আছে,অক্সিজেন দেওয়া নাকে_মুখে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করলাম, দেখতেছি সবাই কান্নাকাটি করতেছে,এরই মাঝে খবর পেয়ে কাব্যের গ্রামের আত্মীয়স্বজন সবাই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। কিছুক্ষণের ভিতর কয়েকজন নার্স এসে কাব্যেকে কোথায় জানি নিয়ে যাচ্ছে। আমি বললাম কোথায় নেন আমার কাব্যকে? ,আমি কোথায় নিতে দিবো না,মেরে ফেলবেননা তো! কোথায়ও নেওয়ার দরকার নাই, আমার কাব্যের কিছুই হয় নাই! সে ঠিক হয়ে যাবে। ডাক্তার সাহেব আমার কাব্যেকে ঠিক করে দেন আমি তাকে বাসায় নিয়ে যাবো। নার্সরা কিছু না বলেই, কাব্যকে উপর তলায় আইসিউ রুমে নিয়ে গেলো। আমি অসহায় দৃষ্টিতে কাব্যের দিকে তাকিয়ে ছিলাম তখন,একদম বোবা হয়ে, পাথর হয়ে গেলাম।

আমি কাব্যের বারো আনা পুড়ে যাওয়া ব্যাগটা খুললাম, বই খাতাগুলো অর্ধেক অর্ধেক পুড়ে গেছে_ব্যাগের ভিতর টিফিন বক্সে এখনো ১টি পিঠা অবশিষ্ট আছে। 😔
আইসিউতে ঢুকতে দিলো... একদম সুনসান নিরবতা সবদিকে,শুধু একটা মেসিনের টিপ_টপ শব্দ কানে ভেসে আসতেছে। আমার মানিকধন ঘুমাচ্ছে,.. অনেকগুলো পাইপ তার মুখে নাকে,বুকে! কতশত কথা মনে ভাসতেছে, বিয়ের ৬বছর পর কত ডাক্তার,কবিরাজ, মুন্সি এবং আল্লাহর দয়াতে আমরা তাকে পেয়েছি। আমাদের বাচ্চা হচ্ছিলো না, অনেক সাধনার পর আমরা তাকে পেয়েছি। তার বাবা তাকে পেয়ে যেন সাত রাজার ধন পেয়েছে। সেই আমার কলিজার টুকরো কে চুপিসারে কতশতবার ডাকতেছি কিন্তু কোন সাড়াশব্দ নাই। আমি অনেক কাকুতি মিনতি করছি আমার কাব্যের পাশে সারারাত বসে থাকার জন্যে। কিন্তু অনুমতি দিলো না..... একসময় অধিক কান্নায় ভেঙ্গে পড়লাম। চোখ জলশূন্য.....

এম্বুলেন্সের শব্দ বেজেই চলছে কদমতলী গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে একটা নির্মল ফুলকে দাফন করতে হবে। আজ কাব্যে পেল একেবারে ছুটি __যেখানে নেই আর সকাল, নেই স্কুল, নেই মা’য়ের কোলে ফিরে আসা।🥹

আহারে আর সহ্য করতে পারতেছি না
ইয়া মাবুদ আপনার আমানত আমাদের কলিজা
আপনার আমানত আপনি আপনার কাছে নিয়ে নিবেন আমাদের সহ্য করার তওফিক দিন মাবুদ
আমরা মায়েরা যে ওদের জন্যই বাঁচি সেই কলিজার ধন ঝলসে গেলো মা কিভাবে বইবে এই যন্ত্রণা 😭😭

23/07/2025

ইন্না লিল্লাহ, মাইলস্টোনে ছাত্র শহীদ মিরসাদ,তার শহীদের শোকে তার মা ইন্তেকাল করেছেন 😭😭

রাগী পাউডার (Ragi Powder) বা ফিংগার মিলেট পাউডার এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। 🍼 রাগী পাউডার শিশুদের জন্য অত্যন্ত পুষ্...
23/07/2025

রাগী পাউডার (Ragi Powder) বা ফিংগার মিলেট পাউডার এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে।
🍼 রাগী পাউডার শিশুদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর ও নিরাপদ।

1. ✅ হাড় ও দাঁত মজবুত করে – এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।

2. ✅ রক্তশূন্যতা দূর করে – আয়রন সমৃদ্ধ, হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।

3. ✅ হজমে সহায়ক – ফাইবার থাকার কারণে বাচ্চাদের হজম ভালো হয়।

4. ✅ ওজন বাড়ায় স্বাস্থ্যকরভাবে – দুর্বল বা ওজন কম এমন শিশুদের জন্য আদর্শ।

5. ✅ মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে – অ্যামাইনো অ্যাসিড ও প্রোটিন সমৃদ্ধ।

6. ✅ ত্বক ও চুল ভালো রাখে – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস বাচ্চাদের ত্বক ও চুলে উপকার আনে।

7. ✅ সহজপাচ্য ও অ্যালার্জি-ফ্রি – ৬ মাস বয়স থেকে দেওয়া যায় (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)।

সকাল বা সন্ধ্যার নাস্তায় বাচ্চাকে দিতে পারেন
রাগীর প্যানকেক

রেসিপি কমেন্টস সেকশন

#বেবিমিলপ্রেপ
#আফিফ

আফিফ'স মাম্মা

পুরুষরা যেই জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি যত্নে থাকে, সেই জায়গাটাকেই আগে ধ্বংস করে। আর সেটা হচ্ছে তার নিজের স্ত্রীর মন।একটা ত...
23/07/2025

পুরুষরা যেই জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি যত্নে থাকে,
সেই জায়গাটাকেই আগে ধ্বংস করে।
আর সেটা হচ্ছে তার নিজের স্ত্রীর মন।
একটা তীব্র, তীক্ষ্ণ সত্য।

যে সত্যটা অজস্র সংসারের গোপন কান্না। সমাজ যেটা দেখে না, শুনে না, কিন্তু প্রতিদিন একটা একটা করে ভেঙে যায় অগণিত নারীর ভেতরটা।

সংসার চালানো আর মন বোঝা এক জিনিস না।

সংসার চালানো মানে শুধু বাজার করা, বিল দেয়া নয়।
একটা মেয়ের ভেতরের ক্লান্তি, অব্যক্ত কথা, মনের খাঁজে জমে থাকা হতাশাগুলো বুঝে ফেলা — সেটাই প্রকৃত যত্ন।

যুগ বদলেছে, মানুষ বদলেছে, চাওয়া-পাওয়াগুলোও বদলেছে।

একটা স্ত্রীকে শুধুই দায়িত্ব পালনের মেশিন মনে করলে, তার মন একদিন ধ্বংস হবেই।
শুধু বেঁচে থাকলেই তো বেঁচে থাকা হয় না।

স্ত্রীর মনটা হচ্ছে শিশুর মতো
একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবেসে জীবন দেয়, তখন সে শুধু সংসার করতে চায় না — সে চায় পাশে থেকে বোঝা হোক, তার দুর্বলতাগুলো আলিঙ্গন করা হোক, আর তার কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়া হোক।

কিন্তু কষ্টের কথা বললেই যদি তাকে বলা হয় “তুমি ড্রামা করো”, “তুমি অতিসেন্সিটিভ”, “তুমি বোঝো না”— তখন ধীরে ধীরে সে নিঃশব্দ হয়ে যায়।🥲

কি করা উচিত?

• শুনুন, বোঝার চেষ্টা করুন: স্ত্রী কাঁদছে মানে সে শুধু কাঁদছে না, তার একটা মন আছে যা হয়তো বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।

• তুলনা বন্ধ করুন: নিজের মা, বোন, বা অন্য কারো সাথে স্ত্রীকে তুলনা করা মানে তাকে অপমান করা।

• সময় দিন: ফোনের স্ক্রিনে চোখ রেখে নয়, তার চোখের ভাষা পড়ার চেষ্টা করুন।

• স্বীকৃতি দিন: ছোট ছোট কৃতজ্ঞতাগুলো বলুন — “তুমি যা করো, তা আমি দেখি”, “তোমার জন্যই আমার দিনটা সহজ হয়”।

সবচেয়ে মজবুত সম্পর্কগুলো ধ্বংস হয়
‘নিরব অবহেলা’ দিয়ে।

পুরুষেরা সত্যিই যত্ন করে, কিন্তু সেই যত্ন যদি বোঝার অভাবে আঘাত হয়ে যায়, তবে স্ত্রী নামের নারীর মনটা সবচেয়ে বড় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

কিন্তু একজন স্বামী যদি একটিবার স্ত্রীর চোখে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে — সে বুঝবে, কতটা মনোযোগ আর মমতা চেয়েছিল সেই মনটা, যেটাকে সে নিজের ভাবত।

ভালো থাকুক পৃথিবীর এই অটুট বন্ধন

আফিফ'স মাম্মা

১১ টা বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান!!  শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার ...
23/07/2025

১১ টা বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান!! শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত হাসপাতালগুলোতে দৌড়েছেন। শত চেষ্টার পর অবশেষে টেস্টটিউবের মাধ্যমে রাবেয়ার গর্ভে আসে সন্তান। সেই আনন্দে আত্মহারা হাসান।

সন্তানের সুস্থ ডেলিভারির জন্যে স্ত্রীকে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পৃথিবীর সব খ্যাতিমান ডাক্তারদের তত্বাবধানে রাখেন রাবেয়াকে। শুধুমাত্র একটি সন্তানের জন্য কতো চেষ্টা তাদের! কতো রকমের চেষ্টা!

হঠাৎ একদিন রাবেয়ার গর্ভের শিশুর হার্টবিট বেড়ে যায় এবং জরুরি সিজারের প্রয়োজন হয়। রাত ১১টার দিকে আকষ্মিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় রাবেয়ার, প্রায় অজ্ঞান হয়ে যান। ডাক্তাররা সিজারের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন, কারণ শিশুর হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।

হাসান কাতারে কর্মরত, টেলিফোনে জানতে পারেন অবস্থার গুরুতরতা—সে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন, রাবেয়ার জীবনের নিরাপত্তায় গভীর উদ্বেগ কাজ করে। এমন সময় হাসান শুনছেন, অজ্ঞানপ্রায় গর্ভবতী রাবেয়া চিৎকার করে বলছেন, “প্লিজ, বাঁচাও আমার বাচ্চাটিকে…”।

অবশেষে ১১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটে তাদের। হাসান-রাবেয়া দেখতে পান এক নবজাত কন্যার মুখ। নাম রাখেন— রোজাবেল।

কিন্তু ভাগ্যের লিখন ক'জনই বা পাল্টাতে পারে? পৃথিবীর সকল হাসপাতাল জয় করে জন্ম নেওয়া রোজাবেল হার মানল মাইলস্টোন কলেজের কাছে। তখন সে মেহরিন ম্যামের ক্লাস করছিল মনোযোগ দিয়ে। হঠাৎ বিকট শব্দে থমকে গেলো পৃথিবী। বিমান এসে আছড়ে পড়লো স্কুলের উপর।

না, রোজাবেল নেই। হাসান-রাবেয়ার একমাত্র সন্তান পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন হাসান—কোলের ভিতর রোজাবেলের পোড়া দেহ।।

💙💔

Address

Mymensingh
2200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when VIN FF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share