27/05/2026
নামাজে সুরা ফাতিহা পড়ার সময় বান্দা যখন প্রতিটি আয়াত পাঠ করে, তখন আল্লাহ তায়ালা নিজ দায়িত্বে তার উত্তর দেন এবং বান্দার প্রশংসার জবাব দেন। এটি হাদিসে কুদসি দ্বারা প্রমাণিত একটি অত্যন্ত বরকতময় মুহূর্ত।নামাজে সুরা ফাতিহা তেলাওয়াত ও আল্লাহর উত্তরের সুন্দর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
প্রথম আয়াত: বান্দা যখন বলে, “আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন” (সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের পালনকর্তা আল্লাহর জন্য)।আল্লাহর উত্তর: আল্লাহ তখন বলেন, “আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল।”
দ্বিতীয় আয়াত: বান্দা যখন বলে, “আর-রহমানির রহিম” (যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু)।আল্লাহর উত্তর: আল্লাহ তখন বলেন, “আমার বান্দা আমার গুণগান করল।”
তৃতীয় আয়াত: বান্দা যখন বলে, “মালিকি ইয়াওমিদ্দিন” (যিনি বিচারদিনের মালিক)।আল্লাহর উত্তর: আল্লাহ তখন বলেন, “আমার বান্দা আমার মহিমা বা কর্তৃত্ব স্বীকার করল।”
চতুর্থ আয়াত: বান্দা যখন বলে, “ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতা’ইন” (আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি)।আল্লাহর উত্তর: আল্লাহ তখন বলেন, “এটি আমার এবং আমার বান্দার মাঝখানের বিষয়। আর আমার বান্দা যা চেয়েছে, সে তা পেয়ে যাবে।
পঞ্চম থেকে সপ্তম আয়াত: বান্দা যখন বলে, “ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম... গায়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ-দালিন” (আমাদের সরল পথ দেখান... তাদের পথ নয়, যাদের ওপর আপনার গজব পড়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে)।আল্লাহর উত্তর: আল্লাহ তখন বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ আমার বান্দার জন্য। আর আমার বান্দা যা যা প্রার্থনা করেছে, আমি তা তাকে দিলাম।”হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, বান্দা যখন সুরা ফাতিহা শেষ করে "আমিন" বলে, তখন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তা কবুল করা হয়। সুনান আবূ দাউদ-এর হাদিসে এই অপূর্ব কথোপকথনটি উল্লেখ করা হয়েছে।