Smart Fashion

Smart Fashion Facebook Ads Manager
আপনার বিজনেস গ্রো করার জন্য টার্গেটেড Ads সার্ভিস 🚀
💰 Sales | Messages | Page Growth
📩 ইনবক্স করুন

03/05/2026

স্বামীর কবরের মাটি তখনো ঠিকমতো শুকায়নি, তখনই ছেলেমেয়েরা জাহানারা বেগমের হাতে একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে বলল, “আম্মা, এটাই এখন আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।” কিন্তু সেই খামের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল জাহানারা বেগমের এক নতুন রাজত্ব।
​৭২ বছর বয়সী জাহানারা বেগম যখন খামটা হাতে নিলেন, তখন তার সন্তানদের মুখে এক অদ্ভুত তৃপ্তির হাসি—ঠিক যেন কোনো বৈষয়িক যু*দ্ধে জিতে আসা বিজয়ীর হাসি।
​দীর্ঘ আটটা বছর জাহানারা বেগম নিজের হাতে স্বামী আলতাফ চৌধুরীকে আগলে রেখেছেন। ওষুধ, খাবার, ওজু করানো, নির্ঘুম রাত, ব্যথার আর্তনাদ, ডাক্তারের বিল আর সংসারের খরচ—সব সামলেছেন একা। অন্যেরা যখন সেবা করতে ক্লান্ত হয়ে সটকে পড়ত, জাহানারা তখনো হার মানেননি। অন্যেরা যখন অজুহাত দিত, জাহানারা বেগম তখন মাঝরাত পর্যন্ত জায়নামাজে বসে দোয়া করতেন আর দিনের বেলা সেলাইয়ের কাজ করে ওষুধের টাকা জোগাতেন।
​আলতাফ চৌধুরী একসময় নামকরা ব্যবসায়ী ছিলেন। তার জমিজমা, ভাড়াবাড়ি আর ব্যাংক ব্যালেন্সের অভাব ছিল না। কিন্তু পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বিছানায় পড়ে যাওয়ার পর থেকেই সন্তানদের নজর তার শরীরের চেয়ে সম্পত্তির ওপর বেশি পড়তে থাকে।
​কুলখানির পর যখন উকিল সাহেব উত্তরাধিকারের উইল পড়া শুরু করলেন, ঘরজুড়ে এক অস্বস্তিকর নীরবতা নেমে এল। বড় মেয়ে ফারহানা সাদা সালোয়ার কামিজ পরে খুব সাবধানে শোকের অভিনয় করছিল। ছেলে আরিফ বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছিল। আর পুত্রবধূ শায়লার মুখে শোকের চেয়ে বেশি ফুটে উঠছিল অস্থিরতা।
​আলতাফ চৌধুরী তার মেয়ে ফারহানার নামে ঢাকার বনানীর দুটো ভাড়াবাড়ি লিখে দিয়েছেন।
ছেলে আরিফ পেল তিনটে গাড়ি, সাভারের সব জমি আর মোটা অংকের নগদ টাকা।
বাকি সব সঞ্চয় আর গয়নাগাটিও তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলো।
​আর জাহানারার জন্য?
তার জন্য বরাদ্দ হলো শুধু একটা ছোট্ট ভাঁজ করা খাম।
কোনো চাবি নেই।
কোনো দলিল নেই।
কোনো ব্যাখ্যা নেই।
​কাউকে কিছু না জিজ্ঞেস করেই ফারহানা তার মায়ের হাত থেকে খামটা ছিনিয়ে নিয়ে সবার সামনে খুলে ফেলল, যেন কোনো মূল্যহীন রসিকতা দেখছে। ভেতরে ছিল শুধু একটা বিমানের টিকিট।
​গন্তব্য: সিলেট।
যাত্রা: তিন দিন পর।
​শায়লার মিটিমিটি হাসিটা সবার আগে ফুটে উঠল। সে হালকা গলায় বলল, “সিলেট খুব শান্তির জায়গা আম্মা। মাজার জিয়ারত করে আর চা-বাগান দেখে আপনার সময় ভালো কাটবে।”
আরিফ নির্বিকার গলায় যোগ করল, “এই বয়সে ওইসব নির্জন জায়গাই ভালো। আমরা সব ব্যবস্থা করে দিয়েছি, ওখানে গিয়ে ইবাদত-বন্দেগি করবেন।”
ফারহানা শীতল গলায় বলল, “ওখানকার আবহাওয়া চমৎকার। এখানে একা একা এই বড় বাড়িতে থেকে কী করবেন?”
​জাহানারা বেগম সন্তানদের দিকে তাকালেন। সেই মুহূর্তে তার শোক দাফন হওয়ার চেয়েও বেশি ভারী মনে হচ্ছিল। তিনি প্রথমবার স্পষ্ট বুঝতে পারলেন, তার সন্তানরা তাদের বাবার মৃ**ত্যুতে ভেঙে পড়েনি—বরং তারা হাফ ছেড়ে বেঁচেছে। যেন বড় কোনো আপদ বিদায় হয়েছে। আট বছর ধরে জাহানারা খেটে খেটে নিজের শরীর শেষ করে ফেলেছেন, কিন্তু এই তিনজনের কাউকেই কোনোদিন এক গ্লাস পানি নিয়েও তার পাশে দাঁড়াতে দেখেননি তিনি।
​তার মনে পড়ল আলতাফ চৌধুরীর সেই শেষ রাতের কথা, যখন তিনি ফিসফিস করে বলেছিলেন:
“জাহানারা, যা সামনে দেখছ তা দিয়েই সবকিছুর বিচার করো না। সবচেয়ে মূল্যবান আমানতগুলো মাঝে মাঝে খুব সাধারণ মোড়কেই আসে।”
​তখন তিনি ভেবেছিলেন অসুস্থ মানুষের আবোলতাবোল কথা। কিন্তু এখন সেই কথাগুলো কানে অন্যরকমভাবে বাজছে।
​সেদিন রাতে জাহানারা একা বসে ছিলেন। ঘরভর্তি মানুষ, অথচ তার জন্য সব ফাঁকা। ছেলেমেয়েরা আলমারি খুলছে, স্বর্ণের ওজন দিচ্ছে, আর দলিলের হিসাব মেলাচ্ছে। কেউ একবারও জিজ্ঞেস করল না মা কিছু খেয়েছেন কি না। অনেক রাতে তিনি স্বামীর পুরনো ডেস্কের ড্রয়ারটা খুললেন। ভেতরে একটা পুরনো সাদা-কালো ছবি পেলেন যা তিনি আগে কখনো দেখেননি।
​ছবিতে তরুণ আলতাফ চৌধুরী একজন অচেনা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। পেছনে পাহাড়ের সারি আর কুয়াশা। আলতাফ চৌধুরীর মুখে এমন তৃপ্তির হাসি জাহানারা গত কয়েক যুগেও দেখেননি।
​ছবির উল্টো পাশে লেখা ছিল:
“আলতাফ ও আরশাদ। সিলেট, ১৯৭৮।”
​জাহানারা নামটার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। পঁতাল্লিশ বছরের দাম্পত্য জীবনে আলতাফ চৌধুরী কোনোদিন এই আরশাদের নাম নেননি। কে এই আরশাদ? আর কেনই বা সিলেট?
​তিন দিন পর জাহানারা বেগম একটা ছোট্ট ব্যাগ গুছিয়ে নিলেন। কয়েকটা সুতির সাদা কাপড়, তসবিহ, জায়নামাজ আর সামান্য কিছু জমানো টাকা। ছেলেমেয়েরা তাকে আটকানোর বিন্দুমাত্র চেষ্টা করল না। ফারহানা শুধু বলল পৌঁছে যেন একটা ফোন দেন। আরিফ বিদায় বেলায় মায়ের দোয়া নেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করল না।
​সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথেই চেনা মাটির ঘ্রাণ তাকে জড়িয়ে ধরল। পরনে সাদা পোশাক, চোখে বার্ধক্যের ক্লান্তি নিয়ে তিনি সেই পুরনো ছবিটা হাতে নিয়ে ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে রইলেন। বুকে একরাশ অনিশ্চয়তা।
​ভিড়ের মধ্য থেকে একজন মার্জিত চেহারার মধ্যবয়স্ক মানুষ তার দিকে এগিয়ে এলেন—পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি আর টুপি, চোখে এক গভীর আভিজাত্য।
​“আপনিই কি বেগম জাহানারা চৌধুরী?” তিনি আদবের সাথে জিজ্ঞেস করলেন।
জাহানারা মাথা নাড়লেন।
“আমার নাম ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান। আমি একজন আইনজীবী। আমি দীর্ঘ আট বছর ধরে আপনার এই আগমনের অপেক্ষায় আছি।”
​জাহানারার বুকটা ধক করে উঠল।
গাড়ি শহরের পথ ছেড়ে চা-বাগানের নির্জন রাস্তার দিকে চলতে শুরু করল। লুৎফুর রহমান সাহেব খুব মেপে মেপে কথা বলছিলেন। তিনি জানালেন, আলতাফ চৌধুরী অসুস্থ হওয়ার অনেক আগে থেকেই সব পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন। তিনি এও বললেন যে, সন্তানরা সেটুকুই পেয়েছে যা তাদের দেওয়াটা জরুরি ছিল। আর জাহানারা বেগম খুব শিগগিরই এমন কিছু পেতে যাচ্ছেন যা আলতাফ চৌধুরী দুনিয়ার কারো কাছে প্রকাশ করেননি।
​গাড়িটা যখন একটা বিশাল চা-বাগানের বাংলোর সামনে গিয়ে থামল এবং আইনজীবী তার দিকে ফিরে তাকালেন, তিনি শুধু একটা প্রশ্ন করলেন:
“আলতাফ চৌধুরী কি কখনো আপনাকে ‘আরশাদ মুস্তফা’ নামটা বলেছিলেন?”
​জাহানারা বেগমের হাত থেকে ছবিটা প্রায় পড়েই যাচ্ছিল।
কারণ, তার হাতে থাকা ছবির পেছনে ঠিক ওই নামটাই লেখা ছিল...

চলবে....

আপন মানুষ
পর্ব ০১
লেখক The Story Haven

খুব শীঘ্রই দ্বিতীয় পর্ব পোস্ট করা হবে সবাই পেজটি ফলো করে ছোট একটা কমেন্ট করবেন প্লিজ তাহলে দ্বিতীয় পর্ব পোস্ট করার সাথে সাথে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।

11/04/2026

আমার স্বামীর ছোট ভাই আমাদের বাসায় থাকতে এসেছিল এই বলে যে সে কাজ খুঁজছে।
“কাজ খোঁজা” করতে করতে তিন বছর কেটে গেল—কিন্তু কোনো কাজের দেখা নেই।

এই তিন বছরে সে আমাদের ঘরেই খেয়েছে, থেকেছে, নিজের কাপড় ধুয়েছে—সবই যেন তার অধিকার। কিন্তু সবচেয়ে কষ্টের বিষয়টা ছিল অন্য জায়গায়।

আমার বাবার রেখে যাওয়া টাকায় কেনা গাড়িটা… সেটার চাবি ধীরে ধীরে তার হাতেই চলে গেল।
সে গাড়ি নিয়ে বের হতো, বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়াত, আর মাঝরাতে ফিরে আসত—গাড়িতে এক ফোঁটা তেলও থাকত না।

সব কিছু আমি চুপচাপ সহ্য করতাম।
শুধু একটা কারণে—“সংসারটা ভেঙে না যাক”।

আর আমার স্বামীও প্রতিদিন আমার হাত ধরে বলত,
“সহ্য করো না, ও তো তোমার ভাইয়ের মতোই।”

আমি বিশ্বাস করতাম… বা হয়তো নিজেকে বিশ্বাস করাতে চাইতাম।

কিন্তু গত মঙ্গলবার… সবকিছু বদলে গেল।

হঠাৎ আমার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। প্রেসার একেবারে নেমে গেছে—তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিতে হবে।

আমি স্বামীকে ফোন করলাম, কিন্তু সে ধরল না।

তাড়াহুড়ো করে আমি ড্রয়িংরুমে গেলাম, যেখানে তার ভাই ঘুমাচ্ছিল। নিচে গাড়িটাও পার্ক করা ছিল। আমি প্রায় কাঁদতে কাঁদতে বললাম—
“মোহাম্মদ, প্লিজ! তাড়াতাড়ি ওঠো, আমার মা খুব অসুস্থ। গাড়িটা নিয়ে চল, হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে!”

সে হাই তুলে মোবাইলের দিকে তাকাল, সময় দেখল, তারপর একেবারে ঠান্ডা গলায় বলল—
“ঠিক আছে… কিন্তু এই ট্রিপের ভাড়া ৫০০ টাকা লাগবে। আর ফেরার সময় গাড়িতে ফুল ট্যাংক তেল দিয়ে দেবে।”

আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম।

মনে হচ্ছিল, আমি ভুল শুনেছি। হয়তো সে মজা করছে।
আমি কাঁপা গলায় বললাম—
“৫০০ টাকা? এই গাড়ি তো আমার! আমিই কিনেছি! গত মাসে তোমার জন্যই তো মেরামত করিয়েছি!”

সে নির্লিপ্তভাবে চটি পরে উঠে দাঁড়িয়ে বলল—
“গাড়িটা এখন আমার হাতেই থাকে। আমার সময়, আমার কষ্ট—সব কিছুর দাম আছে। না চাইলে, উবার ডাকো।”

সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আমি কিছু না বলে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম।
উবার ডেকে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।

পুরো পথটা… আমার চোখের পানি থামেনি।
শুধু ক্লান্তি নয়—অপমান, কষ্ট, অসহায়তা… সব একসাথে।

রাতে যখন আমার স্বামী বাসায় ফিরল, আমি সব খুলে বললাম।
আমি ভেবেছিলাম—সে রেগে যাবে, ভাইকে বকবে, অন্তত আমাকে একটু সান্ত্বনা দেবে।

কিন্তু সে সোফায় বসে একদম ঠান্ডা গলায় বলল—
“এত রাগারাগি করার কী আছে? ও একটু বেশি হিসেব করেছে, ঠিক আছে… কিন্তু ও তো কষ্ট করে গাড়ি চালাবে। তুমি কি ভেবেছো, আমার ভাই তোমার জন্য ফ্রি ড্রাইভার?”

সেই মুহূর্তে… আমি বুঝে গেলাম—
এই ঘরটা আর আমার না।
এই মানুষগুলোও আমার কেউ না।

আমি আর একটা কথাও বলিনি।

চুপচাপ নিজের কাগজপত্র গুছিয়ে নিলাম।
পরদিন সকালেই প্রথমে গেলাম রেজিস্ট্রি অফিসে… তারপর সরাসরি থানায়।

আমি আগে থেকেই তার ভাইকে গাড়ি চালানোর জন্য একটা অনুমতিপত্র (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি) করে দিয়েছিলাম—যাতে সে আইনগতভাবে চালাতে পারে।

মাত্র দশ মিনিটে… আমি সেই অনুমতি বাতিল করে দিলাম।

তারপর থানায় গিয়ে অভিযোগ করলাম—
“আমার গাড়ি একজন অপরিচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে ব্যবহার করছে।”

সব কাগজপত্র জমা দিলাম।

ফিরে আসার পথে স্বামীর একটা মেসেজ এল—
“মোহাম্মদ গাড়ি নিয়ে বের হবে, দ্বিতীয় চাবিটা কোথায়?”

আমি হালকা করে হাসলাম… কিন্তু সেই হাসির ভেতরে ছিল তীব্র কষ্ট।

মনে মনে বললাম—
“চাবিটা এখন সরকারের কাছে আছে।”

বাড়ির নিচে এসে দেখি—
পুলিশের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।
মোহাম্মদ চিৎকার করছে, আর পুলিশ তাকে লাইসেন্স দেখাতে বলছে।

তার হাতে যে অনুমতিপত্র ছিল… সেটা এখন শুধু একটা মূল্যহীন কাগজ।

আর আমার স্বামীর চোখে যে নিস্তব্ধতা দেখেছিলাম…
সেটা কোনো ঝগড়ার চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল।

---

চলবে… 😎

Handiyan 4 colour gliter eyeshade. Best pigment. ব্যাবহার করার জন্য কোন রকম গ্লু এর প্রয়োজন পরে না।
13/07/2022

Handiyan 4 colour gliter eyeshade.
Best pigment.
ব্যাবহার করার জন্য কোন রকম গ্লু এর প্রয়োজন পরে না।

💅Cairuo nailpolish💅 প্রতিটি কালার অনেক বেশি সুন্দর। ড্রেস এর সাথে ম্যাচ করে এখনি নিয়ে নাও।❤অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন অথব...
01/05/2022

💅Cairuo nailpolish💅
প্রতিটি কালার অনেক বেশি সুন্দর। ড্রেস এর সাথে ম্যাচ করে এখনি নিয়ে নাও।❤

অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন অথবা আমাদের শোরুম থেকে এসে ও নিতে পারেন ঠিকানাঃ বেইলি টাওয়ার এর ২য় তলা সপ নাম্বার ৩১,চাসাড়া, নারায়ণগঞ্জ. সপের নামঃ শপিং মেলা. 01889112215.

🇰🇷Korean🇰🇷Suns creamAvailable in showroom address: Baily tower lavel #2 shop no: 31,chasara,Narayanganj. 01889112215
01/05/2022

🇰🇷Korean🇰🇷
Suns cream
Available in showroom
address: Baily tower lavel #2 shop no: 31,chasara,Narayanganj. 01889112215

🌀BLUE DIAMOND SUPER WHITENING GLASS SKIN GEL🌀এটা একটা Glass skin gel কার্যকারিতাঃ১: স্কিনকে গ্লাস স্কিন করবে।২: ত্বককে ন...
28/04/2022

🌀BLUE DIAMOND SUPER WHITENING GLASS SKIN GEL🌀

এটা একটা Glass skin gel
কার্যকারিতাঃ
১: স্কিনকে গ্লাস স্কিন করবে।
২: ত্বককে ন্যাচারালভাবে ফর্সা করবে।
৩: ত্বককের কালচে ভাব দূর করবে।
৪: ত্বককে মসৃণ করবে।
৫: ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করবে।
৬: পাতলা ত্বককে মোটা করতে সাহায্য করবে।
৭: ত্বকের সতেজ কোষ গঠন করে হেলদি করবে।
৮: বয়সের ছাপ এবং বলিরেখা দূর করে।
৯: পোর মিনিমাইজ করে।
১০: প্রাকৃতিকভাবে রোদে পোড়া দাগ দুর করবে।
১১: ত্বককে ভিতর থেকে পরিষ্কার করে তার জন্য ব্রণ
হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে ।
১২: ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
১৩: ত্বক নরম এবং গ্লোয়িং করবে 😍

অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন অথবা আমাদের শোরুম থেকে এসে ও নিতে পারেন ঠিকানাঃ বেইলি টাওয়ার এর ২য় তলা সপ নাম্বার ৩১, চাসাড়া, নারায়ণগঞ্জ। সপ এর নামঃ (শপিং মেলা) মোবাইল নাম্বারঃ ০১৮৮৯১১২২১৫.

𝐇𝐚𝐢𝐫 𝐟𝐚𝐥𝐥 𝐬𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐜𝐨𝐦𝐛𝐨চুল পড়ে যাওয়া বর্তমানে সব আপুদের একটা কমন সমস্যা।(যেমনঃচুল পড়া,চুল বড় না হওয়া,পাতলা চুল,চুল রুক্...
27/04/2022

𝐇𝐚𝐢𝐫 𝐟𝐚𝐥𝐥 𝐬𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐜𝐨𝐦𝐛𝐨

চুল পড়ে যাওয়া বর্তমানে সব আপুদের একটা কমন সমস্যা।(যেমনঃচুল পড়া,চুল বড় না হওয়া,পাতলা চুল,চুল রুক্ষ, খুশকি, চুল নিস্তেজ হওয়া ইত্যাদি) সমাধান এর জন্য 𝐇𝐚𝐢𝐫 𝐟𝐚𝐥𝐥 𝐬𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐜𝐨𝐦𝐛𝐨 এর কোন বিকল্প নেই।

#চুলের গোড়া শক্ত করে।
#এই কম্বোটি ক্ষতিগ্রস্থ চুলকে পুনরুদ্ধার করবে | #চুল ঘন করতে সাহায্য করে|
#চুল সিল্ক ও শাইনিং করে|
#চুলের আগা ফাটা বন্ধ হয়ে যাবে,নিয়মিত ব্যবহারে খুশকি দূর করে সহজে।এই কম্বোটি ব্যবহারে ২-৩ মাসে আপনার চুল হবে আরও ঘন ও শক্ত।

কম্বোটিতে যা যা থাকচ্ছে:

🌸𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐬𝐡𝐚𝐦𝐩𝐨𝐨 (𝐓𝐡𝐚𝐢𝐥𝐚𝐧𝐝-𝟑𝟎𝟎𝐦𝐥)-𝟏𝐭𝐢
🌸𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐭𝐨𝐧𝐢𝐜 (𝐓𝐡𝐚𝐢𝐥𝐚𝐧𝐝-𝟏𝟐𝟎𝐠)-𝟏𝐭𝐢
🌸𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 (𝐓𝐡𝐚𝐢𝐥𝐚𝐧𝐝-𝟏𝟎 𝐦𝐥)-𝟏𝐭𝐢
🌸𝐒𝐮𝐩𝐞𝐫 𝐥𝐨𝐧𝐠 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐜𝐚𝐩𝐬𝐮𝐥𝐞 (𝐓𝐡𝐚𝐢𝐥𝐚𝐧𝐝-𝟓𝟎 𝐩𝐢𝐞𝐜𝐞)-𝟏𝐭𝐢

𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐬𝐡𝐚𝐦𝐩𝐨𝐨 ব্যবহারঃ
* শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন।
* এরপর পুরো চুল ভালোভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে।
* একটি বাটিতে শ্যাম্পুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে এর ঘনত্ব কমিয়ে নিতে হবে যেন তা চুলের গোড়ায় সহজে পৌঁছাতে পারে।
* ১৫ মিনিট আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে মাথার ত্বক মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন হবে, যা চুলের গোড়া মজবুত করবে। তা ছাড়া এভাবে চুলের ময়লাও উঠে আসবে।
* ম্যাসাজের সময় মাঝে মাঝে হাতে অল্প করে পানি দিয়ে চুলে ফেনা করতে হবে।
* এবার চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন।

*এরপর দ্বিতীয় দফায় শ্যাম্পু করতে হবে। এবার আর ম্যাসাজ নয়। কারণ, ম্যাসাজের ফলে চুলের গোড়া থেকে সিবাম নামের একধরনের তেল নির্গত হয়, এটি থাকলে আর শ্যাম্পু করে লাভ কী? তাই চুল শ্যাম্পু করতে হয় দুইবার।

𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 ব্যবহারঃ
শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে নিতে হবে। তারপর হাতের তালুতে অল্প পরিমাণে সিরাম নিয়ে তা আলতোভাবে ভেজা চুলের উপরিভাগে লাগিয়ে দিবেন। চুলের গোড়ায় লাগানোর দরকার নেই। এখন চুল শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। পরে এটি আর ধুয়ে ফেলারও প্রয়োজন নেই।

𝐋𝐞𝐠𝐚𝐧𝐨 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐭𝐨𝐧𝐢𝐜 ব্যবহারঃ
রতিদিন রাতে চুল ভাগ করে, মাথার ত্বকে হেয়ার টনিক স্প্রে করবেন এবং আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করবেন l
পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলবেন অথবা যেকোনো সময় স্প্রে করলে ৬-৭ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলবেন l

𝐒𝐮𝐩𝐞𝐫 𝐥𝐨𝐧𝐠 𝐡𝐚𝐢𝐫 𝐜𝐚𝐩𝐬𝐮𝐥𝐞 ব্যবহারঃ
১-২টা ক্যাপসুল কেটে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করে লাগাতে হবে।যেদিন ক্যাপসুল ব্যবহার করবেন পরের দিন অবশ্যই শ্যাম্পু করতে হবে। দ্রুত এবং ভালো রেজাল্ট সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করতে হবে।

📩অডার করতে আপনার নাম,ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর আমাদের পেজে ইনবক্স করুন।অথবা আমাদের শোরুম এ চলে আসুন।
শোরুম এড্রেস নারায়ণগঞ্জ চাসাড়া শহীদ মিনারের সাথে বেইলি টাওয়ার এর ২ তলা, ৩১ নং শপ।শপিং মেলা।

আমাদের পেজের যে কোনো প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা স্কিনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের পেজে ইনবক্সে মেসেজ দিন আথবা হেল্পলাইনে কল করুন।

☎️হেল্পলাইন নম্বর : 01889112215

Imagic  Chalice 36 Color Eyeshadow Palette💗 Elegant packaging in special double-door opening design💗 Featuring 36 colors...
26/04/2022

Imagic Chalice 36 Color Eyeshadow Palette

💗 Elegant packaging in special double-door opening design
💗 Featuring 36 colors and 2 finishes: matte and shimmer.
💗 Soft and smooth texture, vivid colors will easy to satisfy your demand for various eye makeup.

🏵Camadu Water light🏵🌹54 colour eyeshadow palete🌹  so much pigmented .  100% original
26/04/2022

🏵Camadu Water light🏵
🌹54 colour eyeshadow palete🌹 so much pigmented . 100% original

💕💕💕SNAIL TRUECICA MIRACLE REPAIR STARTER KIT.💕💕💕💕💕💕🐌Made in KOREA🐌Snail trucica Cleanser🐌Snail trucica Toner🐌Snail truci...
25/04/2022

💕💕💕SNAIL TRUECICA MIRACLE REPAIR STARTER KIT.💕💕💕💕💕💕

🐌Made in KOREA
🐌Snail trucica Cleanser
🐌Snail trucica Toner
🐌Snail trucica Serum
🐌Snail trucica Cream

🐌শামুকের খোলসে যদি দাগ পড়ে বা ফাটল ধরে তখন তার আশ্চর্য ক্ষমতা আছে তা ঠিক করার। শামুকের সেই উপাদান দিয়ে তৈরী Snail Truecica Repair set (4 step solution)। এটি যে কোন ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।।
কার্যকরীতাঃ
🐌ব্রণের গর্ত দূর করবে।
🐌ত্বক পরিষ্কার রাখবে।
🐌ত্বকের pores এর সমস্যা দূর করবে।
🐌Redness & Dryness দূর করবে।
🐌ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করবে।
🐌ব্রণ ও রেসের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
🐌বয়সের ছাপ দূর করবে।
🐌ত্বককে করবে ফর্সা, কোমল, মসৃণ ও লাবণ্যময়।

Address

Narayanganj
Narayanganj

Telephone

+8801889112215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smart Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share