ALFA KNIT WEAR

ALFA KNIT WEAR garments knit all item making & finishing. T-shirt,Polo T-shirt, Ladies item, Tops,Laggingss,Kids item

12/04/2025

All around her, people remarked how very different she had become.
Gone was the meek and soft spoken girl, and in her place stood a strong, defiant woman.
Everyone was astounded at how much she’d changed, saying she wasn’t the same person she used to be.
She’d smile as she heard the whispers about her from the people that didn’t know what to make of her now.
She’d always known that people feared change and the things they didn’t understand..
And no one seemed to get why she chose to evolve like she had.
They’d scoff and say she was weak and trying to be like everyone else.
They’d rationalize and come up with countless reasons why she wasn’t the same woman she used to be..
But what none of them understood was that she hadn’t chosen to change like they called
it..
But her evolution was something completely different..more beautiful, more original.
Surely, she was a totally different person to everyone she once knew..but not for the reasons they thought..
She had done what so many of them had thought was impossible:
She was finally becoming the person that she was meant to be all along.
She’d fought, grown and evolved into a stronger, wiser and happier woman whose confidence shined to everyone around her.
She’d fallen, she’d struggled and she’d failed along the way..
But that wasn’t how her story was ever going to end.
No, those struggles didn’t define her, they forged her new path to greater heights and a stronger heart.
She didn’t need anyone’s approval or acceptance of the road she traveled, because she knew that she was exactly where she was meant to be.
It was her life to live and her dreams to chase.
She put away the claws that helped her climb out of the failures and found what she’d searched her whole life for:
Her wings.
It was her time to become everything she’d ever wanted.
She rose up and chose to fly high, breathe free and always seek the sunlight..
That’s who she was and where she was headed...for bigger, better things.
She smiled.
She had finally come home..
And knew anything was possible..
Because she believed-
In herself, her strength and her ability to do anything she set out to accomplish.
No, she was more than just different or original..
She was one of a kind…
And she is me.

ALFA KNIT WEAR

হজরত সালেহ (আ.)-এর অলৌকিক ঘটনা হজরত সালেহ (আ.) ছিলেন হজরত নুহ (আ.)-এর ছেলে সামের বংশধর। তার সম্প্রদায়ের নাম ছিল সামুদ। স...
12/04/2025

হজরত সালেহ (আ.)-এর অলৌকিক ঘটনা

হজরত সালেহ (আ.) ছিলেন হজরত নুহ (আ.)-এর ছেলে সামের বংশধর। তার সম্প্রদায়ের নাম ছিল সামুদ। সামের অধস্তন বংশধরে একজন প্রতাপশালী লোক ছিল সামুদ। সেই বীরপুরুষের নামেই এই গোত্রের নামকরণ হয়। এই গোত্রের বসবাস ছিল সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে হিজর নামক স্থানে; সেই স্থানটি এখন ‘মাদায়েনে সালেহ’ নামে পরিচিত। সামুদ ছিল শক্তিশালী ও বীরের জাতি। প্রস্তর খোদাই ও স্থাপত্যবিদ্যায় তাদের বিশেষ পারদর্শিতা ছিল। পর্বত খোদাই করে তারা বাসস্থান নির্মাণ করত। মাদায়েনে সালেহ অঞ্চলে এখনও সেই আমলের স্থাপত্যের নিদর্শনাবলি ও সামুদি শিলালিপি বিদ্যমান রয়েছে।

সামুদ জাতিও প্রথমে আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে এক সময় আল্লাহ ও পরকালকে ভুলে যায় এবং মূর্তিপূজা শুরু করে এবং শিরকে লিপ্ত হয়। আল্লাহ তায়ালা স্বীয় চিরন্তন বিধান অনুযায়ী তাদের হেদায়েতের জন্য হজরত সালেহ (আ.)-কে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন। হজরত সালেহ (আ.) ছিলেন সম্ভ্রান্ত, বিচক্ষণ, প্রজ্ঞাময়, জ্ঞানী ও পণ্ডিত ব্যক্তি। যতদিন তিনি অহিপ্রাপ্ত হননি এবং মূর্তিপূজা পরিত্যাগ করে আল্লাহর একত্ববাদের দিকে আহ্বান করেননি গোত্রের লোকজন ততদিন তাকে সমীহ ও মান্য করত। নবুয়ত লাভের পর তিনি তাদেরকে মূর্তিপূজা পরিত্যাগ করে এক আল্লাহর ইবাদত করতে আহ্বান করেন। তিনি বললেন, ‘হে আমার জাতি! আল্লাহর ইবাদত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো উপাস্য নেই। তিনিই জমিন হতে তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে তোমাদের বসতি দান করেছেন। অতএব তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, অতঃপর তাঁরই দিকে ফিরে চলো। আমার পালনকর্তা নিকটেই আছেন। কবুল করে থাকেন, সন্দেহ নেই।’ (সুরা হুদ : ৬১)

সালেহ (আ.) ছিলেন বিশুদ্ধভাষী এবং উচ্চকণ্ঠের বাগ্মী। বড় বড় সমাবেশে তিনি দাওয়াতের কাজ করতেন। যুক্তির নিরিখে দরদি কণ্ঠে আল্লাহর বাণীসমূহ শোনাতেন। মূর্তিপূজার কঠিন পরিণতির কথা বলতেন। আখেরাতের কথা শোনাতেন। জান্নাতের নেয়ামতরাজির কথা বলে তাদের উদ্বুদ্ধ করতেন। জাহান্নামের ভীতি প্রদর্শন করতেন। কিন্তু গোত্রের লোকজন যেই মাত্র তার মুখে মূর্তিপূজার অসারতার বাণী শুনল, সঙ্গে সঙ্গে হজরত সালেহের প্রজ্ঞা ও পাণ্ডিত্য অস্বীকার করে বলল, ‘হে সালেহ! ইতঃপূর্বে তোমার কাছে আমাদের বড় আশা ছিল। আমাদের বাপ-দাদা যা পূজা করত তুমি কি আমাদেরকে তার পূজা করতে নিষেধ করো? কিন্তু যার প্রতি তুমি আমাদের আহ্বান করছ আমাদের তাতে এমন সন্দেহ রয়েছে যে, মন মোটেই সায় দিচ্ছে না।’ (সুরা হুদ : ৬২)। হজরত সালেহ (আ.) তাদেরকে বিভিন্নভাবে উপমা ও দৃষ্টান্ত বলে বলে বোঝাতে থাকলেন। বললেন, দুনিয়া চিরস্থায়ী বাসস্থান নয়। এখানকার ভোগবিলাস ক্ষণিকের মাত্র। সুতরাং তোমরা পরকালের চিন্তা করো।

কিন্তু সামুদ জাতির অধিকাংশ লোক হজরত সালেহ (আ.)-কে অস্বীকার করল। তবে যুক্তিতর্কে কোনোভাবেই যখন তারা হজরত সালেহ (আ.)-কে সত্যের দাওয়াত থেকে নিবৃত করতে পারল না তখন সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল- তার কাছে অলৌকিক কোনো দাবি পেশ কববে। এক দিন তারা সবাই একত্রিত হয়ে হজরত সালেহকে বলল, আপনি যদি সত্যি আল্লাহর নবী হন তবে আমাদেরকে কাতেবা পাহাড়ের ভেতর থেকে দশ মাসের গর্ভবতী সবল ও স্বাস্থ্যবতী উষ্ট্রী বের করে দেখান। হজরত সালেহ (আ.) তাদের থেকে প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার নিলেন, যদি আমি তোমাদের দাবি পূরণ করতে পারি তা হলে তোমরা আমার প্রতি ও আমার দাওয়াতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে কি না? সবাই এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করলেন। সেই পাহাড় ফেটে ভেতর থেকে তাদের দাবির অনুরূপ একটি গর্ভবতী উষ্ট্রী বের হয়ে এলো।

এই অলৌকিক উষ্ট্রী দেখে উপস্থিত অনেকেই হজরত সালেহ (আ.)-এর ওপর ঈমান নিয়ে আসে। কিন্তু এমন প্রকাশ্য মুজেজা প্রত্যক্ষ করেও কিছু হতভাগা ঈমান আনল না। হজরত সালেহ (আ.) তাদের সতর্ক করে বললেন, ‘আল্লাহর এই উষ্ট্রীটি তোমাদের জন্য আল্লাহর নিদর্শন। অতএব তাকে আল্লাহর জমিনে বিচরণ করতে দাও এবং তাকে মন্দভাবে স্পর্শও করো না। নতুবা অতিসত্বর তোমাদেরকে আজাব পাকড়াও করবে।’ (সুরা হুদ : ৬৪)। কিন্তু গোত্রের কিছু দুষ্কৃতকারী লোক এই অলৌকিক প্রাণীটি হত্যা করে ফেলে। হত্যা করেই তারা ক্ষান্ত হলো না, হজরত সালেহ (আ.)-এর কাছে এসে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে বলল, তুমি সত্যিকারের রাসুল হলে তোমার প্রতিশ্রুত আজাব আনো দেখি! আমরা তো উষ্ট্রীটি হত্যা করেছি। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের ওপর শাস্তি নেমে আসে।

আল্লাহ তায়ালা সেই অবস্থার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘অতঃপর তারা উষ্ট্রীকে হত্যা করল এবং স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। তারা বলল, হে সালেহ! নিয়ে এসো যা দ্বারা আমাদের ভয় দেখাতে, তুমি যদি রাসুল হয়ে থাকো। অতঃপর পাকড়াও করল তাদেরকে ভূমিকম্প। ফলে সকালবেলায় নিজ নিজ গৃহে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।’ (সুরা আরাফ : ৭৭-৭৮)। অন্য আয়াতে আছে, তাদের ওপর প্রচণ্ড ও বিকট শব্দবোমা নিক্ষিপ্ত হয়েছিল। সামুদ সম্প্রদায়ের ওপর একই সঙ্গে ভূমিকম্প ও বিকট গর্জন এসেছিল এবং তারা এই দুটি শাস্তিতে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালা বহু নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাদের মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষদের হেদায়েত ও পথপ্রদর্শন করেছেন। যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলগণকে অস্বীকার করেছিল তাদের ভয়াবহ ও রোমহর্ষক পরিণতি হয়েছে। সেসব পরিণতির কিয়দংশ পরবর্তীদের শিক্ষার জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ রেখে দিয়েছেন। যেমন- ডেড সি, ফেরাউনের লাশ এবং হজরত সালেহ (আ.)-এর সম্প্রদায়ের বিধ্বস্ত বাড়িঘর। মানুষ যেন এসব নিদর্শন দেখে দাম্ভিকতা পরিত্যাগ করে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাঁর প্রতি সেজদাবনত হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের শিক্ষা অর্জনের তৌফিক দান করুন। আমিন।

ALFA KNIT WEAR

12/04/2025

- পরিস্থিতি যেমনই হোক বন্ধুর ওয়াদা বিপদে পড়লে
পাশে থাকবে!🤣🤣

কিচ্ছু বদলায়নি, দেখো।ঐ যে আকাশের রং, বাতাসের গন্ধ, শহরের অলি-গলি, রাস্তাঘাট কোনোকিছুই বদলায়নি। শুধু বদলে গেছে সময়, অনুভূ...
12/04/2025

কিচ্ছু বদলায়নি, দেখো।
ঐ যে আকাশের রং, বাতাসের গন্ধ, শহরের অলি-গলি, রাস্তাঘাট কোনোকিছুই বদলায়নি। শুধু বদলে গেছে সময়, অনুভূতি আর সম্পর্ক!

যে সময় ফুরিয়ে গেছে, তা কি চাইলেই আর ফিরে পাবো কভু? মানুষ কি আর মানুষ আঁকড়ে বাঁচে? মানুষ বেঁচে থাকে স্মৃতি আঁকড়ে!

কোনোকিছুই বদলায়নি, দেখো।
শুধু বদলে গেছে মন। অবহেলা–অনাদরে বদলে গেছে অনুভূতি। তোমাকে ভালোবেসে বদলে গেছে নিত্যদিনের আচরণ! তোমার অভাবে পৃথিবীতে নেমে গেছে দুর্ভিক্ষ! চারদিকে কত জনসমাগম, অথচ কি নিদারুণ নিঃসঙ্গ একা আমি।

শুধু বদলে গেছে অভিমানের ভাষা!
এখন আর অভিমান করতেও ভালো লাগে না। অভিমান মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে মনের এক কোণে! অবসরে কেটে যায় তোমায় দেয়া সময়গুলো কথা ভেবে। কথারা বুকের হিমঘরে বন্ধ থাকে, বের হয় না। বুকটা ভীষণ ভারী লাগে, অসহ্য যন্ত্রণা হয়!

পৃথিবীর কিছুই বদলায়নি, শুধু বদলে গেছে ঠোঁট, গভীর আলিঙ্গনে জড়িয়ে থাকা বুক–মাথা। বদলে গেছে হাসি–কান্না, আনন্দ–সুখ! অবশেষে তুমিও....

শুধু বদলে গেছে চিরচেনা ডাক নাম!
আমাদের সম্পর্ক, আমাদের অধিকার। অবহেলায় বদলে গেছে তোমাকে কাছে চাওয়ার আকুতি। মানুষ কি আর এমনিতেই বদলায়? মানুষ বদলায় অবহেলায়, অনাদরে, বিশ্বাসঘাতকতায়! মানুষ হারায় অনাদরে, অযত্নে আর ভালোবেসে তার বিনিময়ে ভালোবাসা না পেয়ে!

~অগোছালো লেখিকা

ALFA KNIT WEAR

দ্বিতীয়টাকে পেয়ে প্রথমটাকে অবহেলা করবেন না। মনে রাখবেন, একসময় সেইই ছিল আপনাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন!🩷
12/04/2025

দ্বিতীয়টাকে পেয়ে প্রথমটাকে অবহেলা করবেন না। মনে রাখবেন, একসময় সেইই ছিল আপনাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন!🩷

আমগো ঘরের বেড সিট এই ব্যাডায় পাইলো কেমনে এডাই তো বুঝতেছি না। জামা তো বানাইছেই সাথে আবার জু'তাও বানাইছে!🙂
12/04/2025

আমগো ঘরের বেড সিট এই ব্যাডায় পাইলো কেমনে এডাই তো বুঝতেছি না।
জামা তো বানাইছেই সাথে আবার জু'তাও বানাইছে!🙂

আল্লাহর কাছে চাইতে হয় বেশি কিছু। যেমন— প্রতারণার হাত থেকে বেঁচে থাকা। বা নিজে প্রতারক না হওয়া থেকে। বেশি চাইতে হয় যেন গী...
11/04/2025

আল্লাহর কাছে চাইতে হয় বেশি কিছু। যেমন— প্রতারণার হাত থেকে বেঁচে থাকা। বা নিজে প্রতারক না হওয়া থেকে। বেশি চাইতে হয় যেন গীবত না করি। আরও বেশি চাইতে হয় যেন ঋণে জর্জরিত না হয়।

রিযিক চাইতে হয়, তারচেয়ে বেশি চাইতে হয় রিযিকের বরকত। প্রেম চাইতে হয়, মানুষের জন্য কল্যাণকর কর্ম। আরও বেশি চাইতে হয় সোনার সংসার। আরো বেশি চাইতে হয় ঘর আলো করা মানুষ।

জীবন চাইতে হয়। চাইতে হয় ইনসাফ। চাইতে হয় মানুষের প্রতি মনুষ্যত্ব, বিবেক। কাজ চাইতে হয় বিবেকসমেত।

হালাল রুজির চেয়ে বড় কোনো চাওয়া নেই। ইবাদত চাইতে হয়। তার চেয়ে বেশি চাইতে হয় তাক্বওয়া।

আল্লাহর কাছে বেশিকিছু চান। নিজের চেয়েও বেশি কিছু চান প্রিয়জনদের জন্য। আরও বেশিকিছু চান মায়ের জন্য, বাবার জন্য। প্রতিবেশির হক পালনের তীব্র ইচ্ছে চান।

আল্লাহ সামান্য কিছু নয়, তওবা কবুল হওয়ার মতো বেশি কিছু দেওয়ার জন্য বসে আছেন।

কবুল তওবা চান। এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারেন বেহেশতী মৃত্যু!

দোয়া-কে মনে হয় যেন ধারালো এক অস্ত্র যার বদৌলতে অন্য অনেকের জীবনের পথে লেগে থাকা চোরকাঁটা, আপতিত বিপদ নিমিষেই সরে যায়।

মানুষের সৌন্দর্য তো সেখানেই যখন সে অন্যের জন্য কল্যাণকর হয়ে ওঠে। যখন সে কেবল নিজের দিকে না তাকিয়ে অন্য অনেকের কল্যাণের জন্য দোয়া করে। আর এই দোয়া করা মানুষগুলোর ক্বলব হলো সুগন্ধি ফুলের ন্যায়। এই হৃদয়গুলো সমৃদ্ধ।

আপনি নিজেকে হিংসা, ঘৃণা আর হতাশা হতে মুক্ত করতে চান -প্রাণভরে দোয়া করুন। দেখবেন আপনার জীবনীশক্তির যেন পুনঃনবায়ন হলো। আসুন প্রচুর দোয়া করি-কারো উপর রাগ হলে, কাউকে ঘৃণা করলে, কারো প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করলেও।

আপনার দোয়া হোক আপনার সর্বোচ্চ ইনভেস্টমেন্ট।

~অগোছালো লেখিকা

11/04/2025

তাকে এড়িয়ে চলতে পারি না, তাকে কাছে টানতে পারি না। তাকে হারিয়ে ফেলাটা মেনে নিতে পারি না! আবার তাকে ফিরে পাওয়ার আশাটাও করতে পারি না।

তার খারাপ থাকার খবর শুনলেই অনুশোচনায় ভুগতে হয়। তার জন্য ভালো থাকার প্রার্থনা করতে গেলেই হাতটা একদম শূন্য মনে হয়।

তাকে উপেক্ষা করতে চাই, সে অপেক্ষা হয়ে থেকে যায়। মস্তিষ্ক থেকে যখনই তাকে পুরোপুরি মুছে ফেলতে চাই সে মস্তিষ্কে আরো বড় জায়গা দখল করে বসবাস শুরু কয়ে দেয়।

তাকে যতবার ছেড়ে পালাতে চাই তার ছায়া ততবার আমার সাথে সাথেই চলে আসে। আমি চললে সেও চলে, আমি থামলে সেও থেমে যায়।

তাকে তীব্র ঘৃণা করতে গিয়ে থমকে দাড়িয়েছি। তাকে অভি'শাপ দিতে গিয়ে উচ্চারণ করার মত সব ভাষা হারিয়েছি।

তার প্রতি আক্ষেপ জমাতে গিয়ে আরো বেশি ভালোবাসা জন্মিয়েছি। তাকে ভুলে যেতে গিয়ে আরো ভয়ংকর ভাবে তার মোহে ডুব দিয়েছি।

আমি তারে যতবার উপেক্ষা করতে চেয়েছি, ঠিক ততবার সে আমার অপেক্ষা হয়ে থেকে গেছে।🖤

~অগোছালো লেখিকা

ALFA KNIT WEAR

11/04/2025
তুমি যদি বিশ্বের সেরা হও, কিন্তু দেশের জন্য কিছু না করতে পারো—তাহলে তোমার জন্ম বৃথা। 🌍যাও বিদেশে…দক্ষতা অর্জন কর বিশ্বের...
11/04/2025

তুমি যদি বিশ্বের সেরা হও, কিন্তু দেশের জন্য কিছু না করতে পারো—তাহলে তোমার জন্ম বৃথা। 🌍
যাও বিদেশে…
দক্ষতা অর্জন কর বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
কিন্তু ফিরে এসো বিজয়ের বেশে, মায়ের কোলে।
তবেই তো বদলে যাবে আমার বাংলাদেশ।
তবেই গড়ে উঠবে এমন এক দেশ,
যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজেকে গর্ব করে বলবে — “আমি বাংলাদেশি।”
আমাদের অনুপ্রেরণা হচ্ছেন সেইসব গর্বিত সন্তানরা,
যারা বিদেশের মাটিতে সেরা হয়েছেন,
আর মায়ের জন্য রেখে যাচ্ছেন কিছু না কিছু অবদান।
🎓💼⚽ চলো দেখি তাঁদের কথা, যারা বাংলাদেশকে পৌঁছে দিচ্ছেন বিশ্বমঞ্চে:
🧬 ড. ইউনুস, নোবেল বিজয়ী (Bangladesh/Global) Muhammad Yunus
Grameen Bank-এর মাধ্যমে বিশ্বে মাইক্রোক্রেডিট ধারণার জনক।
বাংলাদেশি হয়ে সারা বিশ্বের দরিদ্র মানুষকে দেখিয়েছেন আশার আলো।
🌟 জাহিদ সুবর – প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার, Google (USA) Zaheed Sabur
গুগলের মূল প্রযুক্তি কাঠামোতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন এই বাংলাদেশি প্রতিভাবান।
বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্টে তার অবদান অনন্য।
🌍 আশিক চৌধুরী – বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ ও বর্তমান চেয়ারম্যান, BIDA (Bangladesh) Ashik Chowdhury
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর ফিরে এসেছেন দেশের জন্য।
এখন তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন—বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছেন।
💼 রাহাত আহমেদ – কো-ফাউন্ডার ও CEO, Anchorless Bangladesh (USA/Bangladesh)
নিউইয়র্কভিত্তিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম—যারা বাংলাদেশের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে বদলে দিচ্ছেন অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ।
📱 তানভীর হক – প্রোডাক্ট ম্যানেজার, Snapchat (USA)
Snapchat-এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ডেভেলপমেন্টে কাজ করেছেন, একজন উদীয়মান টেক লিডার।
⚽ হামজা চৌধুরী – ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলার (UK) Hamza Choudhury
Leicester City ও England U21 দলের হয়ে খেলা প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার—বাংলাদেশি পরিচয়কে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন।
🏏 রোয়ান হোসেন – স্পোর্টস অ্যানালিস্ট, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দল (Australia)
খেলোয়াড় নন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় ক্রিকেট দলের পারফর্ম্যান্স বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
💳 রুমি আলী – সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর, JP Morgan (USA)
বিশ্বখ্যাত ব্যাংক JP Morgan ও IFC-তে কাজ করেছেন উচ্চপদে, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন আন্তর্জাতিক আর্থিক জগতে।
🧠 শামিম আহমেদ – প্রতিষ্ঠাতা, Zunaid Consulting (UK)
প্রযুক্তি ও কনসালটিং সেবায় ইউরোপের সফল বাংলাদেশিদের একজন।
📚 সালমান খান – প্রতিষ্ঠাতা, Khan Academy (USA) Khan Academy
MIT ও Harvard-এর এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষক বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংজ্ঞাই পাল্টে দিয়েছেন।
আজ Khan Academy-তে লাখো শিক্ষার্থী ফ্রি পড়ছে—বাংলাদেশও বাদ নেই।
🔐 ড. রাগিব হাসান – অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, University of Alabama (USA)
Cybersecurity গবেষণায় আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তথ্য নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করছেন নিরলসভাবে।
🎯 তোমার অবস্থান যেমনই হোক… যদি তুমি তোমার সর্বোচ্চটা দাও দেশের জন্য — তবেই আমার বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা।
তুমি হতে পারো পরবর্তী হামজা, সালমান, রাহাত বা জাহিদ সুবর।
শুধু স্বপ্ন দেখো, চেষ্টা করো…
আর দেশের কথা মনে রেখো।
বাংলাদেশ তোমার দিকে চেয়ে আছে…
🔁 এই পোস্টটি শেয়ার করো, যদি তুমি বাংলাদেশকে ভালোবাসো।

ALFA KNIT WEAR

Address

Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALFA KNIT WEAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share