19/02/2026
একটা মেয়ে যখন বিয়ে করে,
সে শুধু স্বামী পায় না—
সে একটা অচেনা পরিবার পায়।
সে চেষ্টা করে মানিয়ে নিতে।
ভোরে উঠে কাজ করে।
হাসিমুখে সবার খোঁজ নেয়।
নিজের কষ্ট লুকিয়ে রাখে।
কিন্তু…
যদি প্রতিদিন তার আত্মসম্মান ভাঙা হয়?
যদি তাকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়—
“তুই বাইরের মানুষ”,
“এই ঘরে তোর কোনো অধিকার নেই”?
তখন সে কী করবে?
📖 আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
“তোমরা তাদের সাথে সুন্দরভাবে বসবাস করো।”
— (সূরা নিসা)
এই আয়াত শুধু স্বামীকে না,
পুরো পরিবারকে শিক্ষা দেয়।
কারণ সংসার টিকে থাকে সম্মানে,
অপমানে না।
আল্লাহ আরও বলেন:
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ
“স্ত্রীদের জন্যও ন্যায়সংগত অধিকার রয়েছে।”
— (সূরা বাকারা)
অর্থাৎ—
স্ত্রী শুধু দায়িত্বের বোঝা না,
তারও অধিকার আছে।
আর যদি পরিবেশ এমন হয়
যেখানে প্রতিদিন তার হৃদয় রক্তাক্ত হয়—
তাহলে মনে রাখুন,
أَسْكِنُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ سَكَنْتُمْ مِنْ وُجْدِكُمْ وَلَا تُضَارُّوهُنَّ
“তোমরা তাদেরকে বাসস্থান দাও এবং কষ্ট দিও না।”
— (সূরা তালাক)
স্ত্রী আলাদা থাকতে চায় মানেই সে অবাধ্য না।
হয়তো সে শুধু একটু নিরাপদ জায়গা চায়।
একটু সম্মান চায়।
একটু মানুষ হিসেবে গণ্য হতে চায়।
মনে রাখুন—
শ্বশুর-শাশুড়ীর খেদমত সওয়াব,
কিন্তু ফরজ না।
ফরজ হলো স্বামীর হক আদায়।
আর স্বামীর দায়িত্ব—
স্ত্রীকে অপমান থেকে রক্ষা করা।
একটা মেয়ে তার বাবার বাড়ি ছেড়ে আসে বিশ্বাস নিয়ে।
যদি সেই বিশ্বাস ভেঙে যায়,
সে খেদমত থেকে পালায় না—
সে কষ্ট থেকে বাঁচতে চায়।
সংসার যুদ্ধের ময়দান না।
সংসার আশ্রয়ের জায়গা।
যে ঘরে সম্মান থাকে,
সেই ঘরেই বরকত নামে।
আর যে ঘরে অপমান থাকে,
সেই ঘরে ভালোবাসা শুকিয়ে যায়।
স্ত্রীকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাববেন না।
সে আপনার পরিবারের বিরুদ্ধে না—
সে শুধু আপনার পাশে থাকতে চায়।
----
("ভালো লাগলে শেয়ার করুন প্লিজ।")
পেইজটি ফলো করে পাশে থাকবেন।