Beauty Tips

Beauty Tips Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Beauty Tips, Rangamati, Rangamati.

শখের বয়স থাকতে, Husband Wife একে অপরের সাথে সময় কাটানোটা ভীষণ দরকার ||বছরে একবার হলেও দুজনে অজানা কোথাও ঘুরতে যাওয়া  সপ...
21/07/2025

শখের বয়স থাকতে, Husband Wife একে অপরের সাথে সময় কাটানোটা ভীষণ দরকার ||

বছরে একবার হলেও দুজনে অজানা কোথাও ঘুরতে যাওয়া সপ্তাহে একবার হলেও, দুজনে একসাথে কোনও এক রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া দাওয়া করা অথবা, অচেনা পথের ধারে কোনও এক চায়ের দোকানে বসে, ধোঁয়া ওঠা গরম চায়ে চুমুক দেওয়া ||
কারণ ছাড়াই হাতে হাত রেখে কিছুটা পথ হেঁটে আসা রান্না ঘরে দুজনে একসাথে পছন্দের খাবার বানানো সুখ দুঃখের কথা বলা দুজনে দুজনকে প্রশংসা করা দিনে অন্তত ১০ মিনিট হলেও, একান্তে দুজনে সময় কাটানো ||

এগুলোই যেনো একটা সুন্দর এবং সুস্থ সম্পর্কের, মূল্যবান ঔষধ ||

লোকে হয়তো বলবে আদিখ্যেতা, তাতে কি এলো গেলো??? দিনশেষে নিজেদের ভালো থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ||

আজ একটু অর্থের অভাবে থাকলেও, একদিন হাতে অনেক টাকা থাকবে, অবসর অনেক সময়ও থাকবে থাকবে না উপভোগ করার শক্তি, থাকবে না শখ পূরণের ইচ্ছে, তখন দুজনেই বড্ড ক্লান্ত জীবন সংগ্রামে

হয়তো দুজনের মধ্যে কোনও একজন থাকবে • • • • • আর একজন হয়তো আকাশের তারা 😔

একমাত্র সন্তান সেদিন বড় হবে, ব্যস্ত হবে সে তার নিজের জীবন নিয়ে ||

তখন যদি দুজনেই বর্তমান, তবে বলবে হাতে হাত রেখে, "আমরা অনেক ভালো কিছু সময় কাটিয়েছে জীবনে" ||

আর যদি একজন আগেই চলে যায় • • • • • • • • • তাহলে যে একজন থেকে যাবে, সে যেনো বুকভরে বলতে পারে— “আমি সবটা পেয়েছি, ওর সঙ্গে বেঁচেছি বাঁচার মতন করে" ||

তাই সময় থাকতে, ভালোবাসো, সময় দাও ||
আজকের মুহূর্তগুলোই, একদিন বেঁচে থাকার শেষ শক্তি হয়ে উঠবে ||

✍️স্বপ্নের গল্পকথা Madhumita Bhowmick Sarkar

)ভবিষ্যতের জন্য এখনই ভাবুন – টাকা জমিয়ে নিরাপদ থাকুন! জীবনে হঠাৎ করেই আর্থিক সংকট আসতে পারে। তাই আজই নিজের জীবন ও সন্তা...
19/07/2025

)ভবিষ্যতের জন্য এখনই ভাবুন – টাকা জমিয়ে নিরাপদ থাকুন!

জীবনে হঠাৎ করেই আর্থিক সংকট আসতে পারে। তাই আজই নিজের জীবন ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হওয়া দরকার।

🎉 লোক দেখানো খরচ নয়, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা দরকার!
বিয়ে, জন্মদিন বা সামাজিক অনুষ্ঠান মানেই বিশাল খরচ। অথচ অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার তাদের জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সঞ্চয় খরচ করে ফেলে শুধুমাত্র সন্তানদের বিয়েতে। এতে সাময়িক খুশি হলেও ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকি থেকে যায়।

➡️ সন্তান জন্মের পর ১ লাখ টাকা যদি ফিক্সড ডিপোজিটে রাখেন, তাহলে ২০ বছরে তা একটি ভালো অ্যামাউন্টে পরিণত হবে। ভবিষ্যতে পড়াশোনা, ক্যারিয়ার বা ব্যবসায় তা কাজে আসবে।

🧠 ছোটবেলা থেকেই ফিনান্স শিক্ষা দিন
সন্তানকে শেখান—

Productive vs Non-Productive ইনভেস্টমেন্ট

গ্যাজেট নয়, ধাতু (যেমন সোনা) কেনা ভালো—এর রিসেল ভ্যালু থাকে।

নিজের আয় নিজে কিভাবে বাড়াতে হয়, সেই বুদ্ধি শেখান।

🏠 সম্পদে নয়, liquidity-তে গুরুত্ব দিন
বাড়ির চেয়ে সোনা বা ক্যাশ লিকুইড মানি বেশি কাজে আসে, কারণ বিপদে ঘরের ইট বিক্রি করা যায় না, কিন্তু গহনা বা টাকা দিয়ে আপনি সামাল দিতে পারবেন।

➡️ যতটুকু বাড়ি করলে শান্তিতে থাকা যায়, ততটুকুই বানান। বাকি টাকা MIS (Monthly Income Scheme)-এ রাখুন, যাতে একেবারে দরকারে খেতে হলেও টাকা থাকে।

🎓 ডিগ্রি নয়, দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ
শুধু বইয়ের শিক্ষা নয়, হাতে-কলমে কাজ শেখান।

পেটে বিদ্যা থাকলেই সফলতা আসবে—এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।

কারিগরি জ্ঞান, ছোট ব্যবসা, পার্ট টাইম জব – এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।

👨‍👩‍👧‍👦 সন্তানকে স্বাধীন হতে দিন
স্ট্যাটাসের জন্য সরকারি চাকরির পিছনে না ছোটে—সে যেন নিজের ইচ্ছামতো পথ বেছে নিতে পারে।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, তাই একাধিক ইনকামের পথ তৈরি করতে শেখান।

✅ মোট কথা — টাকা ও সময়ের ব্যবহার শিখুন
একসাথে অনেক দিক সামলাতে হবে।

একটা বিনিয়োগ ব্যর্থ হলেও আরেকটা যেন টিকে থাকে।

জীবনকে বিজনেস মাইন্ডে দেখুন—এটাই বাস্তবতা।

এই লেখাটি শুধু আর্থিক শিক্ষা নয়, আমাদের সমাজের প্রচলিত ভুল ধারনাগুলোকেও প্রশ্ন করে। তাই এখনই একটু ভেবে দেখুন—আপনি কি শুধু সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য নিজেকে ও সন্তানের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলছেন?

"আজকের ছোট সিদ্ধান্তই হতে পারে আগামী দিনের বড় নিরাপত্তা।"
জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য জানতে সুপার ফর্মুলাটি পেতে হোয়াটসআ্যপ চ্যানেলে জয়েন হো

ছুটির দিনে প্রায় প্রতিটা পরিবারেই এরকম দৃশ্যই দেখা যায় এখন!সকাল সকাল উঠে মা রান্না করছে, বাচ্চা ঘুম থেকে উঠে খেলতে চায়, ...
18/07/2025

ছুটির দিনে প্রায় প্রতিটা পরিবারেই এরকম দৃশ্যই দেখা যায় এখন!
সকাল সকাল উঠে মা রান্না করছে, বাচ্চা ঘুম থেকে উঠে খেলতে চায়, তারপর খাওয়ানো, ঘর পরিষ্কার সবকিছু মা'ই করে! বাচ্চাটাও মা ছাড়া কিছু বুঝতে চায়না! মায়ের পিছুপিছু ঘুরতে থাকে!!

আর বাবা? তাদের তো আজ ছুটি, রেস্ট ডে!

কিন্তু এই “রেস্ট” শব্দটা মায়েদের জন্য কেন থাকে না?

মা তো সপ্তাহের সাতদিনই এক কাজ করে যাচ্ছে, একটা ছুটিও পায় না। ছুটির দিনেও তার জন্য যেন সব আগের মতোই,বরং কাজ আরও বেশি। এটা কি কেউ চিন্তা করে?

যদি বাবা একটু সময় দিত, একটু দায়িত্ব নিত,ছুটির দিনে বাচ্চাকে নিয়ে ঘন্টা খানেকের জন্য বেড়িয়ে আসতো তাহলে মায়েরও একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ হতো!!

মা রোবট না, মানুষ।

আর পরিবারের দায়িত্ব শুধু মায়ের না,একসাথে ভাগ করে নেওয়ার জিনিস। সারা সপ্তাহ যেমন বাবারা অফিসে কাজ করে,মা'য়েরাও বাসায় কাজ করে! তাই ছুটির দিনে যেনো দুইজনেরই রেস্ট হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে দুইজনেরই!
ঘরের কাজগুলো ভাগ করে নিলে,কিংবা মোবাইলটা রেখে একটু সন্তানের দায়িত্ব নিলেই মা একটু রেস্ট পায়।

অথচ বাবারা কি নির্বিকার এসব ক্ষেত্রে তাই না?!

অজয় ভারতের এক ছোট গ্রামে জন্মায় ২০১৫ সালে। দেখতে সাধারণ শিশুদের মতোই ছিল, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরে অদ্ভুত ...
17/07/2025

অজয় ভারতের এক ছোট গ্রামে জন্মায় ২০১৫ সালে। দেখতে সাধারণ শিশুদের মতোই ছিল, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরে অদ্ভুত কিছু হতে থাকে। মাত্র ছয় বছর বয়সেই তার চুল পড়ে যায়, চামড়া শুকিয়ে যায়, আর শরীর হয়ে পড়ে এক বৃদ্ধ মানুষের মতো।

চিকিৎসকরা জানান, অজয় এক বিরল রোগে ভুগছে — প্রোর্জেরিয়া। এই রোগে ছোট বয়সেই মানুষের শরীর বুড়িয়ে যায়।

স্কুলে প্রথম দিনেই সবাই তাকে দেখে ভয় পায়। কেউ হেসে ফেলে, কেউ দূরে সরে দাঁড়ায়। কিন্তু অজয় সেসব কানে নেয়নি। সে বলে,
আমি বড় হয়ে বিজ্ঞানী হবো। এই রোগের ওষুধ খুঁজে বের করবো।

অজয়ের বাবা দিনমজুর। সংসার চালানোই কঠিন, তার উপর চিকিৎসা। তবু পরিবার হাল ছাড়ে না। অজয় নিজেই পরে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে, সেখানে নিজের গল্প বলে। মানুষ তাকে ভালোবাসে, তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়।

শেষে ১২ বছর বয়সে অজয় মারা যায়। কিন্তু সে রেখে যায় এক বড় শিক্ষা — জীবন যত ছোট হোক, সাহস আর স্বপ্ন থাকলে তা অন্যদের পথ দেখাতে পারে।

😅মানুষকে বানানো হয়েছিলো মানুষকে         ‌‌  ভালোবাসার জন্য,আর টাকাকে বানানো হয়েছিল       ব্যবহার করার জন্য,অথচ মানুষ, ...
14/07/2025

😅মানুষকে বানানো হয়েছিলো মানুষকে
‌‌ ভালোবাসার জন্য,
আর টাকাকে বানানো হয়েছিল
ব্যবহার করার জন্য,
অথচ মানুষ, টাকাকে ভালোবাসে আর মানুষকে ব্যবহার করে....

ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে আর নিজের থাকেনা, বৌয়ের হয়ে যায়,কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও মেয়ে কোনোদিন পর হয়না। এই কথাটা অনেকে...
27/06/2025

ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে আর নিজের থাকেনা, বৌয়ের হয়ে যায়,
কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও মেয়ে কোনোদিন পর হয়না। এই কথাটা অনেকেই বলেন, কিন্তু একটু ভেবে বলুনতো কথাটা কি ঠিক?

আসলে কী জানেন, আপনি যদি মেয়েকে কিছু দেন তাহলে আপনি মেয়ের কাছ থেকে রিটার্ন কিছু চাননা বা আশা করেননা, মেয়ে সুখে থাকলেই আপনি সুখি, আপনি কখনও এটা তুলনা করেননা
যে আপনার মেয়ে আপনার চেয়ে কত ভালো বা সুখে আছে,
আপনার মেয়ে যদি আপনার চেয়ে ১০ গুন সুখে থাকে, ভালো থাকে আপনি সেটা দেখে ১০ গুন খুশি হন, আপনার মেয়ের জীবনে সমস্যা আসলে সেটাকে নিজের সমস্যা মনে করেন, মেয়ে সুখি না হলে আপনিও দুঃখি হন, সামর্থের বাইরে গিয়েও মেয়েকে, জামাইকে সাহায্য করেন, বিপদে পাশে দাঁড়ান |

অন্যদিকে ছেলের পিছনে যত খরচা করেন আর ভাবেন যে একটা সময় ছেলে এর বিনিময়ে কিছু দেবে, অনেক সময় দাবীও করেন, মনেও করিয়ে দেন যে তোর পিছে এতো খরচা করেছি। ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলেকে পর ভাবতে শুরু করেন। ছেলে বিয়ে করলে বাবা মায়েদের
ছেলের প্রতি একটা এমন মানসিকতা হয় যে মনে মনে ভেবে নেই
যে বিয়ে করেছিস তোর সমস্যা তোর,তোকেই এর সমাধান করতে হবে,
বিয়ে করেছিস তোকে কোন সাহায্য করতে পারবোনা, পারলেও সাহায্য করেনা অন্যদিকে মেয়েকে সাহায্য করার জন্য রেডি থাকে, সামর্থের বাইরে গিয়েও করে।

ছেলে বৌ কতটা সুখে আছে এটা নিজেদের সঙ্গে তুলনা করে, ছেলের বিবাহিত জীবনে সুখ কতজন সহ্য করেতে পারে। ছেলের বিপদে ছেলেকে একা করেন কিন্তু ছেলের বেশি সুখ হলে আবার তার ভাগ চান।

আসলে মেয়ের কাছ থেকে কিছু আশা করেননা, কোন দায়িত্ব আরোপ করেননা, তাই মেয়ে যদি ৫% ও কিছু দেয় আপনি ভাবেন মেয়ে আমাদের কথা অনেক ভাবে আর এদিকে ছেলের উপর ১০০% দায়িত্ব,
অনেক কিছু আশা করেন, এখন ছেলে সেটা দিতে না পারলে অথবা ৭০-৮০ % দায়িত্ব পালন করতে পারলেও যেটুকু পারছেননা সেটুকু ভেবেই ভাবেন যে ছেলে অনেক খারাপ।

মেয়ের পড়াশোনার পর বিয়েতে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হলেও কি মেয়েকে পরে বলে ।তোর জন্য এতো খরচা করেছি, ছেলেকে পড়াশোনার পর ব্যবসা করতে ২ লক্ষ টাকা দিলেও মনে করিয়ে দেয় যে ব্যবসা করতে এতো দিয়েছিলাম, চাকরি পেলেও বলে এতো খরচা করে পড়াশোনা করিয়েছি | তো মেয়ের বিয়েতে যত খরচ করে, শখ আহ্লাদ করে, ছেলের বিয়েতে কি অতটা খরচ শখ আহ্লাদ করে |

মানুষ কখনও পাহাড়ে হোঁচট খায় না, হোঁচট খায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইট পাথরের টুকরাতে। পাহাড়ের মতো বিশাল কিছুর সামনে আমরা সতর্ক ...
14/05/2025

মানুষ কখনও পাহাড়ে হোঁচট খায় না, হোঁচট খায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইট পাথরের টুকরাতে। পাহাড়ের মতো বিশাল কিছুর সামনে আমরা সতর্ক থাকি, প্রস্তুত থাকি। কিন্তু ইট পাথরগুলো আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়, যে কারণে প্রায়ই আমরা ইট পাথরে পা হড়কে পড়ে যাই।

জীবনের মতোই, সম্পর্কের পথও এরকমই। একটি সম্পর্ক – সেটা প্রেম, বন্ধুত্ব, দাম্পত্য কিংবা পারিবারিক যাই হোক না কেন – কখনোই বড় কোনো ইস্যুতে ভেঙে পড়ে না। সম্পর্ক ভাঙে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি, অবহেলা, না বলা কথার ভেতরে জমে থাকা কষ্ট, কিংবা সময়মতো একটুখানি মনোযোগ না দেওয়ার কারণে। এই ছোট ছোট অপ্রাপ্তিগুলো প্রথমে হয়ত তেমন একটা গুরুত্ব পায় না, কিন্তু দিনে দিনে সেগুলো জমতে জমতে পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। একটা সময়ে গিয়ে যখন আর বোঝাপড়ার কোনো রাস্তা খোলা থাকে না, বিচ্ছেদ হয়ে ওঠে একমাত্র সমাধান।

আমরা অনেক সময় ভাবি, “এতো ছোট একটা বিষয়, ও এতটা রাগ করল কেন?” কিন্তু ওই ছোট্ট বিষয়টাই হয়ত তার কাছে বড় ছিল। হয়ত সে প্রতিদিন একটু কথা বলে হালকা হতে চেয়েছিল, হয়ত ও একটুখানি বেশি সময় চেয়েছিল, হয়ত আপনার কোনো একটা বাক্য বা অভিব্যক্তি তার মনে অনেক গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। একটি ক্ষতের জন্য সবসময় বড় অস্ত্র লাগে না, ক্ষত গভীর হয় তখনই যখন অনুভূতির জায়গায় আঘাত লাগে।

তাই একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে বড় কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে ছোট ছোট যত্নের, সামান্য খেয়ালের, একটুখানি বোঝাপড়ার।

সময়মতো একটি মেসেজ, ক্লান্ত দিনে এক কাপ চা, কষ্টে থাকা মানুষটার পাশে নীরব উপস্থিতি, কিংবা কেবল মন দিয়ে তার মনের কথাগুলো শোনা — এই ছোট্ট ছোট্ট কাজগুলোই আজীবনের বন্ধন গড়ে তোলে।

সম্পর্ক মানে একে অপরের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে পারা। তার অনুভূতিকে তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করা। একটুখানি কেয়ার, একটুখানি সম্মান, একটুখানি গুরুত্ব দেওয়া, একটুখানি সহানুভূতি — এগুলোই একটি সম্পর্কের মেরুদণ্ড।

মনে রাখবেন, সম্পর্ক একটি সুন্দর বাগানের মতো। প্রতিদিন সেখানে একটু করে পানি দিতে হয়, আগাছা পরিষ্কার করতে হয়, খেয়াল রাখতে হয় সূর্যের আলো পড়ছে কিনা। অবহেলা করলেই তা শুকিয়ে যায়। তাই সম্পর্কের ছোট ছোট বিষয়গুলোকে অবহেলা নয়, বরং যত্নে আলিঙ্গন করা উচিত। কেননা, জীবনের সবথেকে বড় সুখ লুকিয়ে থাকে ওই ছোট ছোট খুঁটিনাটিতেই!

13/05/2025

তোমার স্ত্রীর খোঁজ নাও।
শুধু এটা জেনে নেওয়া নয় যে তিনি ঠিক আছেন কি না,
বরং সত্যিকারের খোঁজ নাও — ভালো করে দেখো, বুঝো।

আজ তিনি কিছু খেয়েছেন কি?
তিনি একটু বিশ্রাম নিতে পেরেছেন,
নাকি সারাদিন ছোট্ট পায়ের পেছনে ছুটতে ছুটতে আর ছোট ছোট ঝামেলা সামলাতে সামলাতে কেটে গেছে?

তিনি কি একটুখানি নিরবতা পেয়েছেন,
নাকি তার মাথা সারাদিন ভরে ছিল কান্না, ডাকাডাকি আর বিশৃঙ্খলায়?

তার মনের খবর নাও।
তার মন ভারাক্রান্ত কি না দেখো। তিনি হয়তো ক্লান্ত,
তবুও কাউকে বিরক্ত করতে চান না তার অনুভূতিগুলো জানিয়ে।

তার চোখের দিকে তাকাও।
এই চোখগুলো ক্লান্ত কি না — সব কিছু একা সামলাতে সামলাতে।
এই চোখগুলো কি চায় একটু স্নেহ, একটু কৃতজ্ঞতা,
অথবা শুধু একটি সাধারণ “ধন্যবাদ প্রিয়” — এতটুকু?

তোমার স্ত্রীর খোঁজ নাও।
তিনি শুধু তোমার সন্তানের মা নন,
তিনিই সেই নারী যিনি একসময় নিজেও স্বপ্ন দেখতেন তার জীবনের।

আর কখনো কখনো, তিনি শুধু এতটুকুই চান —
কেউ একজন বলুক,
“ভালোবাসা, আমি তোমাকে দেখছি। আমি তোমার জন্য গর্বিত।
আজ আমি কীভাবে তোমার পাশে থাকতে পারি?”
©সংগৃহীত*(লেখক এর নাম জানা থাকলে জানাবেন প্লিজ)

13/05/2025

তাঁর সন্তান মানুষ করার সিক্রেট।

অনেকদিন পর ভদ্রলোকের সাথে দেখা। তাঁকে আমি খুব পছন্দ করতাম। কারণ এত স্বজ্জন লোক খুব কম হয়। আরেকটি কারণ হলো, তাঁর দুছেলেই ছিল সেরা ছাত্র। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে তাঁর বাচ্চাদের কথা শুনতাম।
সময় পেরিয়ে গেছে প্রায় এক যুগ। তিনি অনেক আগেই সত্তর পেরিয়েছেন। কিন্তু শরীরের টানটান ভাব অটুট, বরং চেহারায় এক ধরনের নতুন আভা দেখা যাচ্ছে, যা আগে দেখিনি। এটাসেটা আলাপ করার পর জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা,আপনার ছেলেরা কী করছে?
তিনি বললেন, 'উপরওয়ালার কৃপায় বড়োটি বুয়েট থেকে বের হয়ে এমআইটি থেকে পিএইচডি করেছে। ছোটোটিও বছর খানেক আগে বুয়েট থেকে রেকর্ড মার্ক নিয়ে ফার্স্ট হয়ে সেখানেই জয়েন করেছে। তবে এখন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছে। পড়া শেষে ফিরে আসবে।'
শুনে আমার খুব ভালো লাগল। জিজ্ঞেস করলাম, 'আপনি কেমন আছেন?'
'খুব ভালো, বছরের একটি সময় ওদের সাথে কাটাই, বাকি সময় দেশে আগের কোম্পানিতেই চাকুরি করি। মালিক আমাকে ছাড়েননি।'
কিছুটা লজ্জা ভেঙে বললাম,আচ্ছা, 'এই যে আপনার বাচ্চারা এত ভালো করছে এর সিক্রেট কী?'
তিনি বললেন, 'কোনো সিক্রেট নেই তবে কিছু উপদেশ আছে। আগ্রহী হলে বলতে পারি।'
'অবশ্যই বলুন।'
আচ্ছা, শুনুন তাহলে....,
১. খান বা না খান বাচ্চাদের সেরা শিক্ষকের কাছে পড়াবেন। মনে রাখবেন, টাকা দিয়ে সেরা শিক্ষক পাওয়া যায় না, সেরা শিক্ষক জ্ঞান ও মন যার ভালো তিনি।

২. তাদের শরীর ঠিক রাখার সব ব্যবস্থা নেবেন। সামান্য অসুস্থ হলেও ভালো ডাক্তারের কাছে নেবেন।

৩. সব সময় উপরওয়ালার কাছে সন্তানের শান্তির জন্য প্রার্থনা করবেন। আসলে শান্তির চেয়ে বড় সাফল্য আর নেই।

৪। বাচ্চাদের সামনে ঝগড়া করবেন না। বাবা-মার ঝগড়া হচ্ছে টর্নেডো। তা বাচ্চার ভবিষ্যত উড়িয়ে নিয়ে যায়।

৫। প্রয়োজনে কঠোর হবেন। বাবা-মা দরকারে শক্ত না হলে সন্তানের ভবিষ্যত 'নরম' হয়ে যায়।

৬। তাদের গতিবিধি খেয়াল রাখবেন। আমার ছেলেরা টেম্পু চরে স্কুল/ কলেজে যাওয়ার সময় তারা জানতো না যে, পেছনের টেম্পুতে আমি তাদের ফলো করছি। সব কাজ ফেলে আমি এটা করতাম। কারণ, একটা বয়স পর্যন্ত এভাবে নজর রাখার দরকার আছে।

৬। বাচ্চাদের জন্য একটি উপদেশই যথেষ্ট, তাহলো, 'তুমি মানুষ, পশু নও, তাই তোমাকে মানুষের আচরণ করতে হবে, পশুর নয়।'

৭। স্ত্রীকে ধন্যবাদ দেবেন। কারণ আসলে বাচ্চারা মানুষ হয় মায়ের হাতে, বাবারা তেমন সময় দিতে পারেন না।

একটানা কথা বলে তিনি দম নিলেন। তারপর বললে

মায়ের চোখে ছেলের বউ সবসময় দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মেয়ে।কেন জানেন?কারণ সে নাকি ছেলেটাকে মায়ের দখল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।বউ এ...
10/05/2025

মায়ের চোখে ছেলের বউ সবসময় দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মেয়ে।
কেন জানেন?
কারণ সে নাকি ছেলেটাকে মায়ের দখল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

বউ এলে তো মা-এর ভালোবাসা কমে যায় না।
কিন্তু কিছু মা সেটা বোঝেন না।

এই বুঝতে না পারার কারণেই
পলাশ সাহ-এর মতো ছেলেরা একদিন আত্মহত্যা করে।

এই মা’রা বোঝে না, তাদের ছেলের মরার খবর শোনার চেয়ে
বউয়ের হাতে নিজের সংসার গড়ে তোলা অনেক ভালো

একটা ছেলে আত্মহত্যা করলো।
আর আমরা শুধুই দেখলাম।

কারণ আমরা সবসময় শিখেছি
মায়ের দোষ ধরা যাবে না।

মা যে কথাই বলুক, করুক —
ছেলের জীবন নষ্ট হোক, সংসার ভাঙুক, ছেলে মরে যাক —
তবু কিছু বলা যাবে না।

এই মিথ্যা আবেগ, এই একপেশে সমাজই আজ পলাশ সাহ-এর মতো ছেলেকে আত্মহত্যায় বাধ্য করছে।

মা হোন ভালোবাসার আশ্রয়।
জেদের আগুনের উৎস না।

পলাশ সাহ বাঁচতে চেয়েছিলো।
একটা সুন্দর সংসার করতে চেয়েছিলো।
কিন্তু পারেনি।

কেন?

কারণ একটা বউয়ের সাথে সংসার করতে গেলে
মায়ের অনুমতি লাগে।
মায়ের মুড ভালো থাকতে হয়।
মায়ের ইচ্ছামতো না চললে
বউ খারাপ।

এই চাপ, এই মানসিক অত্যাচার, এই ভয় একদিন ছেলেটাকে মেরে ফেলে।

পলাশ সাহ মরে গেলো।
কিন্তু তার মতো হাজার ছেলের গল্প থেকে যাবে।

সমাজ কবে বুঝবে — সংসার মানে ভালোবাসা। আধিপত্যের লড়ায়।

‘বউ খারাপ’ এই ডায়লগ দিতে দিতে ছেলেকে মেরে ফেললেন মা।
কিছু বলার আছে সমাজের?

পলাশ সাহের মতো কত ছেলে যে আজও মরছে… কেউ দেখে না।

একটা ছেলে বিয়ে করলেই তার জীবন বদলে যায়।
বউ আসে, সংসার আসে।
কিন্তু এই সমাজের কিছু মা — এটা মেনে নিতে পারেন না।
বউ এলে নাকি ছেলেটা বদলে যাবে।
ছেলের সুখের সংসারে নাকি তার জায়গা কমবে।

এই ভুল মানসিকতা থেকেই সংসারে অশান্তি।
বউকে হেয় করা।
ছেলেকে চাপ দেওয়া।
আর একসময় ছেলে সিদ্ধান্ত নেয় — এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাওয়ার।

পলাশ সাহ চলে গেলো।
কিন্তু সমাজ কি শুধরাবে?

মা যদি সত্যি ভালোবাসেন, তবে ছেলের সুখ চাইবেন।
না হলে নিজের অহংকারে সন্তান হারানোর কষ্টটা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

মা, ছেলের সুখ যদি দেখতে না পারো — তবে বিয়ে দাও কেন?

বিয়ে দিলে ছেলেটার নিজের একটা সংসার হবে।
নিজের মতো করে বাঁচবে।
সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করবে বউয়ের সাথে।

কিন্তু কিছু মা এতটা আধিপত্য দেখান,
বউকে সহ্য করতে পারেন না।
ছেলেকে দোষ দেয়।
অশান্তি তৈরি করে।
আর একদিন সেই ছেলে ক্লান্ত হয়ে বেছে নেয় মৃত্যুর পথ।

পলাশ সাহ-ই তার প্রমাণ।

সংসার মানে বোঝাপড়া।
একা মায়ের ভালোবাসা

বাংলাদেশে একটা কথা খুব প্রচলিত, “বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে মা পাওয়া যায় না।”শুনতে যতটা আবেগময়, বাস্তব জীবনে এই ক...
10/05/2025

বাংলাদেশে একটা কথা খুব প্রচলিত, “বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে মা পাওয়া যায় না।”
শুনতে যতটা আবেগময়, বাস্তব জীবনে এই কথাটা অনেক সময় হয় অন্যায় আর বিষাক্ত চাপে পরিণত।

এই কথাটা বুকের মধ্যে নিয়ে চলা অনেক পুরুষ নিজের জীবনের ভারই বইতে পারে না।
একসময় হাঁপিয়ে যায়—
👉 বউকে খুশি রাখতে গিয়ে মাকে কষ্ট দেয়
👉 আবার মাকে খুশি রাখতে গিয়ে স্ত্রীর চোখের জল দেখেও কিছু বলতে পারে না

এভাবেই একটা সময় সে একদম একা হয়ে পড়ে। অনেকেই তো সহ্য করতে না পেরে নিজেকেই শেষ করে দেন। আমি নাজিম উদ্দিন হৃদম আজ কথা বলবো "মা নাকি বউ" এটা নিয়েই।

💔 তিন দিক থেকে চাপ — আর মাঝখানে একজন অসহায় ছেলে

🎭 ১. মা কী ভাবেন?
"আমার ছেলে তো এখন বউয়ের হয়ে গেছে। আগে যেমন ছিল, এখন আর তেমন খেয়াল রাখে না।"
— মা নিজের জায়গা হারিয়ে ফেলেন বলে মনে করেন।

💔 ২. স্ত্রী কী ভাবেন?
"এই সংসারে আমার কথা কেউ শুনে না। সব সময় শাশুড়ির কথাই শুনতে হয়। আমি কি কখনো এই ঘরের আপন হবো না?"
— স্ত্রী ভালোবাসা চায়, নিরাপত্তা চায়, জায়গা চায়।

😓 ৩. ছেলে কী করে?

চুপচাপ থাকে। হয়তো কারো সাথেই মন খুলে কথা বলতে পারে না।
তার দিক থেকে দেখলে—সে দুজনকেই ভালোবাসে। কিন্তু কার পক্ষে দাঁড়াবে?

⚠️ এই টানাপোড়েন যদি চলতেই থাকে, কী হয়?

👉 পরিবারে প্রতিদিন ঝগড়া,
👉 স্ত্রী বিষণ্নতা ও মানসিক অবহেলায় ভোগে,
👉 মা নিজেকে অবহেলিত ভাবেন,
👉 সন্তানদের মনেও ভয় গেঁথে যায় — বাবা চুপ, মা কাঁদে।

এভাবে একটা সংসার ভেঙে পড়ে, ভবিষ্যৎ পর্যন্ত তছনছ হয়ে যায়।

🧨 সবচেয়ে ভয়ংকর পরিণতি?
অনেক পুরুষ এটা সহ্য করতে না পেরে—

👉 মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে
👉 হঠাৎ একদিন বাসা ছেড়ে চলে যায়
👉 কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেয়

পুরুষ যদি ব্যালেন্স না শেখে তাহলেই সেই পরিবার টা খুব তাড়াতাড়ি ধংশ হয়ে যাবার সব থেকে বেশী সম্ভবনা থাকে।

🧠 তাহলে সমাধান কী? ব্যালেন্সটা কীভাবে তৈরি হবে?

🔹 ১. ছেলের (স্বামীর) ভূমিকা — তিনি হচ্ছেন সম্পর্কের 'সেতু'
একজন পুরুষকে বুঝতে হবে—মা ও বউ দুজনই তার জীবনসঙ্গী, কিন্তু ভিন্নভাবে।
👉মা তাকে জন্ম দিয়েছেন, জীবন গড়ে দিয়েছেন।
👉আর বউ তার ভবিষ্যতের পথচলার সঙ্গী।

এখন এই দুই নারীর মাঝখানে উপস্থিত থাকার আর বুদ্ধিমত্তার ভার তার ওপরেই।

✅তাহলে করণীয় কি :

👉আলাদা সময় দিন:
যেমন: মাকে সকালে চায়ের সময়টা দিন, স্ত্রীর সাথে রাতে ২০ মিনিট গল্প করুন।
দুজনকেই মনে হবে, আপনি তার পাশে আছেন।

পলাশ সাহার ভাগ্নী স্টাটাস দিছে পলাশ সাহার মায়ের বিরুদ্ধে। সে সব দায় এই মহীলাকে দিছে। পলাশ সাহা অফিস থেকে এলে বউয়ের কাছে ...
10/05/2025

পলাশ সাহার ভাগ্নী স্টাটাস দিছে পলাশ সাহার মায়ের বিরুদ্ধে। সে সব দায় এই মহীলাকে দিছে। পলাশ সাহা অফিস থেকে এলে বউয়ের কাছে যেতে দিতোনা। নানান বাহানা আর টপিক নিয়ে গল্প করে ছেলেকে অনেক রাত অবধি আটকাই রাখতো। ওদিকে বৌ ছটফট করতো। সারাদিন শেষে বউ কাছে পেতোনা। বৌ এর ও তো গল্প করার ইচ্ছা হতো।
এরপর জামাই বউ কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে মহীলা সহ্য করতে পারতোনা। সেও সাথে যাবার জন্য প্রেশার দিতো, ইমোশনাল ব্লাকমেইল করতো, এরপর বাধ্য হতো পলাশ।

এই সমাজ আজীবন শুধু বৌ দেরই দোষ দিয়ে গেলো অথচ পলাশের বউ এর চোখেমুখেই সরলতা আর মায়া আছে। একটা সুন্দর বিবাহিত জীবন নষ্টের জন্য এমন মা- ই যথেষ্ট।

#পলাশসাহা

Address

Rangamati
Rangamati

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share