30/12/2025
শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ: গনতন্ত্র নয়, আল্লাহর সার্বভৌমত্বই সমাধান!
আজকের পৃথিবীতে রাজনৈতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণা হলো, গনতন্ত্র বা ডেমোক্রেসি। যা নাকি মানুষকে স্বাধীনতা এবং সমানাধিকার প্রদান করে। বলা হয়, জনগণ তাদের নেতা নির্বাচন করে, সরকারের নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ করে এবং এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসে। কিন্তু বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, শুধুমাত্র গনতন্ত্রের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিশ্বের অনেক দেশে গনতন্ত্র থাকলেও অভ্যন্তরীণ সংঘাত, দারিদ্র্য, সামাজিক অস্থিরতা এবং ন্যায়বিচারের অভাব এখনও বিদ্যমান।
কারণ হলো— মানবজাতির প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতা। মানুষ প্রায়ই স্বার্থপর, দুর্নীতিপ্রবণ এবং ভুলের দিকে ঝোঁক রাখে। সুতরাং, শুধু মানুষের তৈরি বিধান ও আইন দিয়ে পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়৷ গনতন্ত্র নিজেই সীমিত; এটি কেবল মানুষের ইচ্ছা ও মতামতের প্রতিফলন। মানুষের ইচ্ছা যদি আল্লাহর আদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তবে সেই ইচ্ছাই হতে পারে বিভ্রান্তি, সংঘাত এবং অবিচারের উৎস।
আসল শান্তি আসে আল্লাহর হুকুমতের (শরিয়াহ) মাধ্যমে। আল্লাহর বিধান মানব জীবনের প্রতিটি দিককে নিয়ন্ত্রণ করে — রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং নৈতিক দিক।
যখন একটি সমাজ আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে পরিচালিত হয়, তখন মানুষ সঠিক নীতি, ন্যায়, সমতা এবং দায়িত্বের মধ্যে জীবন পরিচালনা করতে শেখে। এতে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং সামাজিক সংঘাত কমে আসে।
ইসলামের ইতিহাস প্রমাণ করে যে, যখন সমাজ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে, তখন স্থায়ী শান্তি, ন্যায় এবং সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগে মুসলিম সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ছিল, কারণ সব সিদ্ধান্ত আল্লাহর বিধানের আলোকে নেওয়া হতো। মানুষের স্বার্থ কখনও সর্বোচ্চ নয়, বরং আল্লাহর হুকুমই সর্বোচ্চ।
বর্তমানে "হেযবুত তওহীদ" নামক একটি আদর্শিক ইসলামী সংগঠন এই মানব জীবনের সর্ব ক্ষেত্রে আল্লাহর হুকুমত প্রতিষ্টার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে, যার দ্বারা পুনরায় মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্টা সম্ভব।
সংক্ষেপে বলা যায়, গনতন্ত্র শুধু একটি যন্ত্র বা পদ্ধতি, যা মানুষ ব্যবহারে পারে, কিন্তু শান্তি আনতে পারে না। শান্তি তখনই সম্ভব যখন সমাজে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়িত হয় এবং মানুষের জীবন আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে পরিচালিত হয়। তাই, আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ব্যতীত শান্তি কল্পনাও করা যায় না। যা হেযবুত তওহিদ বলতে চাচ্ছে।
সুতরাং, হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে কোনো অপবাদে কান না দিয়ে আগে হেযবুত তওহীদের বক্তব্য শুনুন তারা কী বলে এবং তারপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।