30/12/2024
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন, পরিবেশ আইন, বিস্ফোরক আইন ও বায়ু দূষণ আইন বাস্তবায়ন করে নব বর্ষ বরন সহ বিভিন্ন উৎসবের নামে আতশবাজি পটকা ও ফানুশের ভয়ঙ্কর ব্যবহার থেকে বেরিয়ে স্থায়ী বন্ধ করা উচিত। তাই থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি পটকা ও ফানুশ নির্মূলে ব্যার্থ হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের বিপর্যয়।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে নতুন বর্ষবরণের নামে ঢাকা সহ সারা দেশে আতশবাজি ও পটকার বিস্ফোরণ এবং ফানুশ উড়ানোর কারনে প্রতি বছর নতুন বছরের আগমন মুহূর্ত মুহুর্মুহু প্রচন্ড শব্দে ভীত-সন্ত্রস্ত সাধারণ মানুষ সহ পশু পাখি।
শব্দ দূষণ আইন , বায়ু দূষণ আইন ও বিস্ফোরক আইন যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি পটকা ও ফানুশ ব্যবহার নিষিদ্ধ করার উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্বেও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চোঁখে পড়ার মত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।
আকাশ সংস্কৃতির চোয়ায় থার্টি ফার্স্ট নাইট সহ নানা আনন্দ আয়োজনে আতশবাজির মত এই বর্বরতার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ, পশুপাখি, পোষা প্রাণীরা। প্রকৃতির নানা স্তরের প্রাণকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাব হুমকির মুখে ফেলে দেয় এই পটকাবাজির বিকট শব্দ। পাখি সহ ছোট ছোট প্রাণীরা হার্ট এটাক করে মারা যায়। পাখির ডিম নষ্ট হয়। পথের কুকুর- বিড়াল আতঙ্কে ছুটাছুটি করে। অনেক অসুস্থ মানুষ প্রচন্ড যন্ত্রণা ভোগ করেন। উমায়ের ও ইউসুফের মত শিশুদের মৃত্যুর কারণও এই আতশবাজি। গতবছর ফানুসের কারণে কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরে যায়। মেট্রোরেলের তারে ঝুলে থাকে জ্বলন্ত ফানুস। তাই এই ক্ষতিকর আনন্দ মাধ্যম বর্জন করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে। আতশবাজি আমদানি, প্রস্তুতকরণ ইত্যাদি উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারকে অনুরোধ করছি।