Azmeher Fashion

Azmeher Fashion As Salamu Alaikum
Best wishes and congratulations from Azmeher Fashion. Azmeher Fashion is a reliabl

আসসালামু আলাইকুম।   গ্লিটারি জরি দিয়ে কাজ করা জামা, সফট কটন ওড়নার সুন্দর এই থ্রি পিস টি  পাচ্ছেন একদম ফ্রেন্ডলি  বাজেটের...
05/03/2022

আসসালামু আলাইকুম।

গ্লিটারি জরি দিয়ে কাজ করা জামা, সফট কটন ওড়নার সুন্দর এই থ্রি পিস টি পাচ্ছেন একদম ফ্রেন্ডলি বাজেটের মধ্যে 🥰🥰
মূল্য ৬৮০ টাকা মাত্র।❤️❤️

আসসালামু আলাইকুম। New collection of Azmeher Fashion. মেটারিয়ালঃ🌻কামিজ- প্রিমিয়াম কটন 🌻ওড়না- ডিজিটাল প্রিন্টেড ১০০% কটন🌻স...
04/03/2022

আসসালামু আলাইকুম।
New collection of Azmeher Fashion.

মেটারিয়ালঃ
🌻কামিজ- প্রিমিয়াম কটন
🌻ওড়না- ডিজিটাল প্রিন্টেড ১০০% কটন
🌻সালোয়ার-১০০% কটন

🌺প্রাইজ- ৳৭০০

ক্যাশ অন ডেলিভারি

অর্ডার করতে পেইজে ইনবক্স করুন।

মাত্র ৬৫০  টাকার এমব্রয়ডারড ও ডিজিটাল প্রিন্ট এর অসাধারণ কটন ফেব্রিক্স কালেকশন।প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ। অর্ডার ...
04/03/2022

মাত্র ৬৫০ টাকার এমব্রয়ডারড ও ডিজিটাল প্রিন্ট এর অসাধারণ কটন ফেব্রিক্স কালেকশন।

প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ।

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতুহ্, কেমন আছেন সবাই। আজ আপনাদের সামনে জুম্মার ফজিলত সম্পর্কে কিছু হাদিস...
04/03/2022

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতুহ্, কেমন আছেন সবাই। আজ আপনাদের সামনে জুম্মার ফজিলত সম্পর্কে কিছু হাদিস তুলে ধরলাম ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাচ্ছি ।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করল, অতঃপর জুম্মা পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুম্মা ও (আগামী) জুম্মার মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ করে দেয়া হল। আর যে ব্যক্তি (খুতবাহ চলাকালীন সময়ে) কাঁকর স্পর্শ করল, সে অনর্থক কর্ম করল।” (অর্থাৎ, সে জুম্মার সওয়াব বরবাদ করে দিল)। মুসলিম ৫৮৭, আবূ দাউদ ১০৫০, ইবনু মাজাহ ১০১০

জুমু’আর ‍দিনের মর্যাদাঃ
হযরত আবু লুবাবা ইবনে আবদুল মুনযির (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, জুমু’আর দিন সকল দিনের সরদার। আল্লাহর নিকট সকল ‍দিনের চেয়ে মর্যাদাবান। কোরবানীর দিন ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে বেশী মর্যাদাবান।

আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অত:পর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)

আসুন আমরা জুম্মার দিনে আগে ভাগে মসজিদে যাই, আমি আপনি যদি একটু আগে ভাগে মসজিদে যাই তবে এর জন্য অনেক ফজিলত রয়েছে। হাদিসে আছে জুম্মার দিনে আগে ভাগে মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়।

যে ব্যাক্তি আদব রক্ষা করে জুম’আর সালাত আদায় করে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার জন্য পুরো এক বছরের রোজা পালন এবং রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়ার সমান সওয়াব লিখা হয়।

আউস বিন আউস আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
“জুমা’আর দিন যে ব্যাক্তি গোসল করায় (অর্থাৎ সহবাস করে, ফলে স্ত্রী ফরজ গোসল করে এবং) নিজেও ফরজ গোসল করে, পূর্বাহ্ণে মসজিদে আগমন করে এবং নিজেও প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করে, পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোন কিছুতে আরোহণ করে নয়), ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কোন কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে না; সে ব্যাক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব।” (মুসনাদে আহমাদঃ ৬৯৫৪, ১৬২১৮)

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
"জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়ঃ
(১) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।

(২) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।

(৩) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।" আবু দাউদঃ ১১১৩
মুসলিম ভাইরা মসজিদে আসেন । আশা করি আপনি তৃতীয় প্রকার লোক হবেন ।

যে সকল মসলমান জুম’আর নামাজ অত্যন্ত আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে আদায় করে, সেই সকল আদায়কারীদের জন্য দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময় গুনাহের কাফফারা স্বরূপ।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
“পাঁচ বেলা সালাত আদায়, এক জুম’আ থেকে পরবর্তী জুম’আ, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া সকল (সগীরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, এই শর্তে যে, বান্দা কবীরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।” মুসলিমঃ ২৩৩

জুমু’আর দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যঃ
১, এই দিনে আদম (আ:)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।

২, এই দিনে আল্লাহ্ তা’আলা আদম (আ:)-কে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন।

৩, এই দিনে আদম (আ:) মৃত্যুবরণ করেছেন।

৪, এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যে সময়ে হারাম ছাড়া যে কোন জিনিস প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা প্রদান করেন।

৫, এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই আসমান, যমীন ও আল্লাহর সকল নৈকট্যশীল ফেরেশতা জুমু’আর দিনকে ভয় করে। (ইবনে মাজাহ্, মুসনাদে আহমদ)

জুম্মা দিনের আমল সম্পর্কিত কতিপয় হাদিসঃ
১। গোসল করা (*বুখারি ৮৫০/৮৫১,*মুসলিম ১৮২৫,*তিরমিযী ৪৯২, *নাসাই ১৩৮০)
২। সুগন্ধি/ তেল ব্যবহার করা (*বুখারি ৮৩৬/৮৩৯,*মুসলিম ১৮৩৭)
৩। জুমু’আর সালাতে শীঘ্র উপস্থিত হওয়া (*বুখারি ৮৮২,*মুসলিম ১৮৪১,*তিরমিযী ৪৯৯)
৪। পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাওয়া (*বুখারি ৮৬১/৮৬২,তিরমিজি ৪৯৬)
৫। ২ রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ এর নামাজ পড়া (*মুসলিম ১৮৯৭,*তিরমিযী ৫১০)
৬। মনোযোগ সহকারে খুত্‍বা শোনা (*বুখারি ৮৮৭,*মুসলিম ১৮৪২,১৮৬৫,*তিরমিযী ৫১২)
৭। দু’আ ক্ববুলের মুহুর্ত অন্বেষণ (*বুখারি ৮৮৮,*মুসলিম ১৮৪৭,*তিরমিযী ৪৮৯,*আবু দাউদ ১০৪৮)
৮। সূরাহ কাহফ তিলাওয়াত (হাকিম ২/৩৯৯,বায়হাকি ৩/২৪৯)
৯। নবীর (ﷺ) এর ওপর বেশি বেশি দরূদ পড়া (*ইবন মাজাহ ১০৮৫,*আবু দাউদ ১০৪৭)
জুম’আর নামাজের ফযীলত ও তা আদায়কারীদের জন্য ঘোষিত পুরষ্কারঃ

১। কুরবানী করার সমান সওয়াব অর্জিত হয়ঃ দিনে আগে ভাগে মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এক হাদীসে রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ

“যে ব্যাক্তি জু’আর দিন ফরজ গোসলের মত গোসল করে প্রথম দিকে মসজিদে হাজির হয়, সে যেন একটি উট কুরবানী করল, দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করল, তৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য, তখন ফেরেশতারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যায়।” (বুখারীঃ ৮৮১, ইফা ৮৩৭, আধুনিক ৮৩০)

২। মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে ফেরেশতারা অগ্রগামীদের নাম তালিকাভুক্ত করেনঃ
জুম’আর সালাতে কারা অগ্রগামী, ফেরেশতারা এর তালিকা তৈরি করে থাকেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

“জুম’আর দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতা এসে হাজির হয়। সেখানে দাঁড়িয়ে তারা সর্বাগ্রে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকে। প্রথম ভাগে যারা মসজিদে ঢুকেন তাদের জন্য উট, দ্বিতীয়বারে যারা আসেন তাদের জন্য গরু, তৃতীয়বারে যারা আসেন তাদের জন্য ছাগল, চতুর্থবারে যারা আসেন তাদের জন্য মুরগী, ও সর্বশেষ পঞ্চমবারে যারা আগমন করেন তাদের জন্য ডিম কুরবানী বা দান করার সমান সওাব্ব লিখে থাকেন। আর যখন ইমাম খুৎবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠে পড়েন ফেরেশতারা তাদের এ খাতা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যান।” (বুখারী ৯২৯, ইফা ৮৮২, আধুনিক ৮৭৬)

৩। দশ দিনের গুনাহ মাফ হয়ঃ
জুম’আর দিনের আদব যারা রক্ষা করে তাদের দশ দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

‘যে ব্যাক্তি ভালভাবে পবিত্র হল অতঃপর মসজিদে এলো, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শুনতে চুপচাপ বসে রইল, তার জন্য দুই জুম’আর মধ্যবর্তী এ সাত দিনের সাথে আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। পক্ষান্তরে খুৎবার সময় যে ব্যক্তি পাথর, নুড়িকণা বা অন্য কিছু নাড়াচাড়া করল সে যেন অনর্থক কাজ করল।’ (মুসলিমঃ ৮৫৭)

৪। জুম’আর আদব রক্ষাকারীর দশ দিনের গুনাহ মুছে যায়ঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

“জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়। (ক) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না। (খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না। (গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” (আবু দাউদঃ ১১১৩)

৫। প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের সারারাত তাহাজ্জুদ পড়ার সওয়াব অর্জিত হয়ঃ
যে ব্যাক্তি আদব রক্ষা করে জুম’আর সালাত আদায় করে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার জন্য পুরো এক বছরের রোজা পালন এবং রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়ার সওয়াব লিখা হয়।

আউস বিন আউস আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

“জুমা’আর দিন যে ব্যাক্তি গোসল করায় (অর্থাৎ সহবাস করে, ফলে স্ত্রী ফরজ গোসল করে এবং) নিজেও ফরজ গোসল করে, পূর্বাহ্ণে মসজিদে আগমন করে এবং নিজেও প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করে, পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোন কিছুতে আরোহণ করে নয়), ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কোন কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে না; সে ব্যাক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব।” (মুসনাদে আহমাদঃ ৬৯৫৪, ১৬২১৮)

৬। দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের কাফফারাঃ
জুম’আর সালাত জুম’আ আদায়কারীদের জন্য দুই জুম’আর মধ্যবর্তী গুনাহের কাফফারা স্বরূপ। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

“পাঁচ বেলা সালাত আদায়, এক জুম’আ থেকে পরবর্তী জুম’আ, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া সকল (সগীরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, এই শর্তে যে, বান্দা কবীরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।” (মুসলিমঃ ২৩৩)

জুমু’আর দিনে কিছু করণীয় কাজ নিচে দেয়া হলোঃ
১, ফজরের আগে গোসল করা।
২, ফজরের ফরজ নামাজ়ে সূরা সাজদা [সিজদা] ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।
৩, উত্তম পোষাক পরিধান করা।
৪, সুগন্ধি লাগানো।
৫, প্রথম ওয়াক্তে মসজিদে যাওয়া।
৬, সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
৭, মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকা’আত সুন্নত আদায় করা।
৮, ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
৯, মনযোগ দিয়ে খুৎবাহ শোনা। খুৎবাহ চলাকালীন সময়ে কোন ধরনের কোন কথা না বলা; এমনকি কাউকে কথা বলতে দেখলে তাকে কথা বলতে বারণ করাও কথা বলার শামিল।
১০, দুই খুৎবাহর মাঝের সময়ে দু’আ করা।
১১, অন্য সময়ে দু’আ করা। কারণ এদিন দু’আ কবুল হয়।
১৩, রসূলের উপর সারাদিন বেশী বেশী দরূদ পাঠানো।

ভালো লাগলে মন্তব্য করবেন খুশি হব। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলামিক নিয়মে জীবন যাপন করার তওফিক দান করুন। আমীন।

মিছিলের প্ল্যাকাডে উত্তাল বর্ণমালাদু’হাত বাড়িয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নডানা।প্রত্যাশা দিন পেরিয়ে আসবে নতুন দিনস্লোগানে তাই ঝা...
02/03/2022

মিছিলের প্ল্যাকাডে উত্তাল বর্ণমালা
দু’হাত বাড়িয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নডানা।
প্রত্যাশা দিন পেরিয়ে আসবে নতুন দিন
স্লোগানে তাই ঝাঁঝালো কাব্যঋণ।

একটি মানচিত্রের জন্য
একটি পতাকার জন্য
মা-মাতৃভূমির জন্য
নতুন আলোর ভোরের জন্য,
ছাত্র-জনতা-মজুর, কিশোর-বৃদ্ধ
নারী-পুরুষ-বৃহন্নলা, ধর্ম-বর্ণ-আদিবাসী
সবার শত বছরের অপেক্ষা।

স্লোগানে স্লোগানে কম্পিত চারপাশ
বুকে সবার হৃৎপিণ্ডের ধকধকানি।
নেতা এসে দাঁড়ালেন জনসম্মুখে
আবৃত্তি করলেন জনতার কাঙ্ক্ষিত কবিতাখানি!

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

আজমেহের ফ্যাশন এ পাওয়া যাচ্ছে রিজনেবল প্রাইজ এ🥰🥰
01/03/2022

আজমেহের ফ্যাশন এ পাওয়া যাচ্ছে রিজনেবল প্রাইজ এ🥰🥰

13/06/2021
12/06/2021

ইবাদতের শক্তি অর্জনের মাস জিলকদ:

রজব ও শাবান মাসে নফল রোজা পালন, রমজান মাসজুড়ে রোজা ও রাতে তারাবি আদায় শাওয়ালে ৬ রোজা রাখার পর জিলহজ মাসে পুনরায় ইবাদতের প্রস্তুতিতে নিজেকে প্রাণবন্ত করার মাস হলো জিলকদ। এ মাসের শক্তি সঞ্চার করে জিলহজ মাসের প্রথম ৯টি রোজা এবং মহররমের ১০টি নফল রোজা ও ইবাদতে অতিবাহিত করবে মুমিন।

জিলকদ মাসের আমল:

জিলকদ মাসের বিশ্রামের পাশাপাশি কিছু আমল করা যেতে পারে আর তাহলো-

> এ মাসের ১, ১০, ২০, ২৯ ও ৩০ তারিখ রোজা পালন করা।
> ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামের বিজের রোজা পালন করা।
> সোম ও বৃহস্পতিবারের সাপ্তাহিক সুন্নাত রোজা পালন করা।
> বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত ও সালাতুত তাসবিহ নামাজ আদায় করা।
> সম্ভব হলে ওমরা পালন করা।
> হজের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
> কোরবানির প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

ইসলামে ইতিহাসে জিলকদ মাসের স্মরণীয় ঘটনা ও ফজিলত:

> এটি যেকোনো যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধের মাস।
> ১ জিলকদ হুদায়বিয়ার সন্ধি সংঘটিত হয়।
> এ মাসেই বাইয়াতে রেদওয়ান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
> ৮ জিলকদ মুসলমানদের জন্য জীবনে একবার হজ পালনকে ফরজ করা হয়েছে।
> ২৫ জিলকদ হজরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম ও হজরত ঈসা আলাইহিস সালামের জন্ম।
> ২৫ জিলকদ পবিত্র কাবা শরিফ পৃথিবীতে প্রথম ভিত্তি স্থাপিত হয় বলে জানা যায়।
> ৭ম হিজরির জিলকদ মাসে প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম ওমরা পালন করেছিলেন।
> এ মাসেই প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবনের সব ওমরাহ পালন করেন।

অতএব, সব মুসলিম উম্মাহকে এ জিলকদ মাসটিও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অতিবাহিত করা উচিত।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জিলকদ মাসে ইবাদতের শক্তি অর্জনের তাওফিক ও করোনাসহ বিভিন্ন রোগ-বালাই থেকে মুক্তি দান করুন। আমিন

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আসসালামু আলাইকুম। পাকিস্তানি রেপ্লিকা কালেকশন। খুবই সুন্দর ডিজাইনেবল ড্রেস। এমব্রয়ডারি ও ডিজিটাল প্রিন্টেড।
08/06/2021

আসসালামু আলাইকুম।

পাকিস্তানি রেপ্লিকা কালেকশন। খুবই সুন্দর ডিজাইনেবল ড্রেস।
এমব্রয়ডারি ও ডিজিটাল প্রিন্টেড।

08/06/2021

ধৈর্য সাফল্যের চাবিকাঠি।।।।

08/06/2021

সবাইকে অপমানের জবাব
চড় মেরে দেওয়া যায় না,
মাঝে মাঝে যোগ্য জবাব
কাজের মাধ্যমেও দিতে হয়..

Address

Modina Para, East Arichpur
Tongi
1110

Telephone

+8801735314112

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azmeher Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Azmeher Fashion:

Share

Category