Đoàn Văn Hiệp

Đoàn Văn Hiệp Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Đoàn Văn Hiệp, Xuan Loc.

Alhamdulillah! A review from a customer.
17/04/2022

Alhamdulillah! A review from a customer.

My First Calendar for kids.
16/04/2022

My First Calendar for kids.

Manners of fasting- tk 130Hadiths on building Good Character-tk150Daily manners and supplications - tk 150Daily dua card...
11/04/2022

Manners of fasting- tk 130
Hadiths on building Good Character-tk150
Daily manners and supplications - tk 150
Daily dua cards- tk 100
For details and inside pictures please inbox us.

Available books about Ramadan and Eid-Ramadan activity book - tk 130My Ramadan Book of Good Deeds- tk 100I love- activit...
05/04/2022

Available books about Ramadan and Eid-

Ramadan activity book - tk 130
My Ramadan Book of Good Deeds- tk 100
I love- activity book -tk 90
It's Eid- tk 100

1. Hadith compilation of Daily Manners and Supplications. 2.Ramadan activity book for kids.3.It's Eid! These E-books are...
28/03/2022

1. Hadith compilation of Daily Manners and Supplications.
2.Ramadan activity book for kids.
3.It's Eid!
These E-books are perfect for your kids to learn about daily manners, Ramadan and Eid.

We are just one week away from the blessed month of Ramadan insha'Allah! Time to prepare some activities for your little...
26/03/2022

We are just one week away from the blessed month of Ramadan insha'Allah! Time to prepare some activities for your little one!

Here's our first Ramadan activity PDF book.These hands-on activities ready to keep your kids engaged and learning!This Ramadan Activity Booklet includes a range of activities to support children's learning. The booklet contains lots of great activities to support learning and fine motor skills, including colouring pages, a word search, Ramadan goal setting, daily activities reffering a Quranic Ayat or hadith and an Eid wish list, making Eid card.

Easy to download and print; a great resource to use as a fun activity at the end of the day!

To order please inbox us.

Available!
08/03/2022

Available!

Our memory card game for kids are here. Introduce your child to memory enhancing technique with our memory game.

তিন বছরের বাচ্চার প্যাকেজঃ দাম ২৩০
চার বছরের বাচ্চার প্যাকেজঃ দাম ২৪০
পাঁচ বছরের বাচ্চার প্যাকেজঃ দাম ২৬০

চারটি সেট এভেইলেবল এখনঃ ফুল, ফল, গৃহপালিত পশু এবং পাখি।

আরও জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ ☺🌺

08/03/2022
24/09/2021

প্যারেন্টিং কি? আর প্যারেন্টিং এর তত্ত্ব এবং প্যারেন্টিং স্ট্রাটেজি কি বলে ? অনেক বড়ো বড়ো দেশী বিদেশী এক্সপার্টরা পসিটিভ প্যারেন্টিং দিতে সাজেশান দিচ্ছেন এবং তার অন্যতম সাজেশন শিশুকে "না" বলবেন না, শিশুকে একজন মা বাবা পরিবারে অনেক সমস্যার মধ্যে দিয়ে বড়ো করে থাকেন, এই ঝড়ঝাপটা সামনে তার শিশুকে বড়ো করতে হয় তাই শিশুকে না বলে ইনডাইরেক্ট স্পিচ এ কথা বলার মতো মানসিক অবস্থা খুব কম থাকে। কিন্তু এর অর্থ কি আপনি শিশুকে সারাক্ষন "ওকে" বলবেন নাকি শিশু যা চাইবে তাই করতে দিবেন, শিশু যা করবে তাতে কি সায় দিয়ে যাবেন, কোনো বাউন্ডারিস দিবেন না?

"অল্প বিদ্যা আসলেই খুব ভয়ংকর" সচেতন প্যারেন্টিং শুধু শিশুকে "না" বলা থেকে বিরত থাকা নয়, শিশুকে প্রয়োজন বোধে নাও বলতে হবে এবং তাকে তার অন্যায়কে বোঝার মত সময় দিতে হবে এবং উপলব্ধি করে সে দুঃখিত হচ্ছে কিনা তাও আপনাকে জানতে হবে। একটি উদহারণ, দেখছেন আপনার শিশু বড়ো একটি বিপদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, শিশুর বয়স এবং তার বোধগম্যতা ততটা নয় যে আপনি "না" শব্দ এর স্থানে বললেন "বাবু আমরা এটা না করে চলো এখন ওটা করি" আমি বোঝতে চাচ্ছি পসিটিভ সেনটেন্স বলবেন "না" এর পরিবর্তে কিন্তু তাতে কি শিশুকে বিপদটা থেকে বাঁচাতে পারবেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে "না" নয় শুধু "চিৎকার করে না" বলতে হবে কিন্তু পরবর্তীতে আপনার চিৎকার করার কারণও ব্যাখ্যা করতে হবে, কেনো আপনি চিৎকার করলেন এবং কেন না বললেন।

এক্সপার্টদের এবং অভিভাবকদের বলছি "সচেতন প্যারেন্টিং" সম্পর্কে জানুন ৫ বছর আগেও যদি ট্রেনিং করে থাকেন তাহলে নতুন করে প্যারেন্টিং এর ট্রেনিং সেশন করার সময় হয়েছে, নিজেকে আপডেট না করে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে না জেনে পুরানো মতবাদ আর কত, বলুন? অনুগ্রহ করে ভুলেও ভাববেন না আমি প্যারেন্টিং এর ট্রেনিং দিচ্ছি, এর এডভার্টাইজ দিচ্ছি। না আমি প্যারেন্টিং বা সচেতন প্যারেন্টিং নিয়ে ট্রেনিং দেই না কারন পৃথিবীর জটিলতম কাজ হলো এটি।

এক্সপার্টরা মা বাবাদেরকে নানাভাবে ব্ল্যাম এবং সেইম দিচ্ছেন কারণ তাদের কথা আপনারা শিশুকে মানসিক এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেন এবং পজিটিভ প্যারেন্টিং হলো এর প্রধান সল্যুশন। কিন্তু একটু বিস্তারিত আলোচনা করি, কিছু অভিভাবক "মা বাবা আপনারা নিজেদের মানসিক এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেন" কারনগুলো নিচে দিচ্ছি
--- মা আপনার জন্য এই বাক্যগুলো, প্রেগনেন্ট হবার শুরু থেকে শিশুকে বড়ো করার জন্য কি কি করতে হবে আপনাকে কেউ শিখায়নি সুতারং সব দোষ আপনার কিন্তু আসলে এই কথাটি কতটা সত্য! একটি শিশুর সঠিক বিকাশ করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান, সমাজ, জাতি এবং দেশের নীতি নির্ধারন যেমন প্রয়জন তেমন প্রয়োজন তার কার্যকরী পদঃক্ষেপ। বাংলাদেশে এই বিষয়গুলো থেকে অনেক পিছিয়ে তাই অভিভাবক হিসেবে আপনি মানসিক এবং শারীরিক ভাবে কষ্ট না পেয়ে চেষ্টা করুন কিভাবে আপনি সচেতন মা হয়ে উঠবেন এবং সন্তানের সঠিক পরিচর্চা করে তাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তাতে আপনার শিশু ডেভেলপমেন্টাল ডিলে, অটিস্টিক বা অন্য কোনো নিউরো ডিসর্ডার থাকুন না কেন।

মা আপনার প্রয়োজন আপনার শিশুর সমস্যা আইডেনন্টিফাই করা এবং সেই সমস্যা থেকে তাকে কিভাবে তার ক্যাপাসিটি অনুযায়ী এগিয়ে নিয়ে যাবেন সেই চেষ্টা করা শিশুকে ট্যাগ বা লেভেলিং করা নয়। শিশুর ক্যাপাসিটি অনুযায়ী তাকে পরির্চযা করে একটু একটু করে তাকে সুন্দর একটি জীবনদান করা। আর এই জন্য দরকার তাকে সময় দেওয়া, তার বয়স উপযোগী একটিভিটি করা, যাতে করে শিশুটি ঝিমিয়ে না পরে আবার অতি চঞ্চল না হয় কারণ কোনটি শিশুর ভালো ভবিষৎ দিতে পারবে না।

---বাবা আপনার জন্য এই বাক্যগুলো, স্ত্রী প্রেগনেন্ট ডেফিনেটলি আপনি নন সুতরং আপনি কেনো প্যারেন্টিং সম্পর্কে জানবেন, তাই তো আপনি ভাবছেন? আপনি সন্তান জন্ম দেবার জন্য যা যা করার তাতো করেছেন, এবার আপনার সন্তানের মা সব করবেন তাইতো অনেকে ভাবছেন! অনেক বাবার মধ্যে পরিবর্তন আসি আসি করে এখনও পরিবর্তন আসতে পারছে না কারন অনেক পড়ুয়া এবং আপনার থেকে ভালো রেজাল্ট করা মাও তখন আপনার বেতনের উপর নির্ভরশীল সুতারং আপনি তো দেখবেন সে কিছু করছে না কিন্তু আপনি তো দেখছেন না "আপনার স্ত্রী সংসারের জন্য কি কি ছাড় দিলো" তাই আপনি যখন বাড়িতে থাকবেন আপনি আপনার work sharing করুন যাতে আপনার স্ত্রী নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে পরবর্তী দিনের রুটিনটি ফলো করার জন্য। আর যদি আপনি তার উপরে সব চাপিয়ে দিয়ে দিনশেষে বকাবকি করেন তাহলে বছর শেষে আপনি আপনার ক্ষতি করছেন আর লাভবান হচ্ছে পেশাজীবীরা কারন আপনার স্ত্রীর উপর যে অমানবিক নির্যাতন করেছেন তার প্রভাব পড়েছে আপনার শিশুর উপর এবং এখন আপনার স্ত্রী ডাক্তার হতে ডাক্তার অথবা ফেসবুক গ্রুপে সাজেশন চেয়ে বেড়াচ্ছে। এর ব্যতিক্ৰম উদাহরণ অনেক রয়েছে সুতরং বাবা মা অর্থাৎ স্বামী ও স্ত্রী একটি টীম হয়ে কাজ করতে হবে যদি শিশুর সঠিক বিকাশ অথবা ভালো ভবিষৎ আপনারা কাম্য করে থাকেন।

---- জনসংখ্যার দিকে আমরা বিশ্বে অন্যতম একটি দেশ বাংলাদেশ, সমাজের যারা শিশু বিকাশ নিয়ে ট্রেনিং করেছেন বা পেশাগতভাবে (ডাক্তার অথবা এক্সপার্ট/ এস্পেশালিস্ট ) সরাসরি শিশু ও তার পরিবারের সাথে কাজ করছেন, আপনার সময়ের অনেক মূল্য তাই বলে কি বাবা মাকে সঠিক গাইডলাইন প্রদান করবেন না; যাতে করে তাদের শিশুর পরিচর্যা করতে পারে, শিশুকে ট্যাগ বা লেভেলিং করে দিলে মা বাবা ভয় পাচ্ছেন এবং তাদের আশা হারিয়ে ফেলছেন তাই অনুরোধ রইল লেভেলিং না করে শিশুর সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় কাজ করুন কারন আপনি বয়স্ক হলে যেন এই শিশুটি আপনার ট্রিটমেন্ট অথবা যত্ন নিতে পারে কিন্তু যদি এই সম্ভাবনাকে অংকুরে বিনষ্ট করে দেন তাহলে আপনি ও আপনার অসুস্থতায় সুস্থ্য হবার প্রত্যাশা ছেড়ে দিচ্ছেন।

সর্বোপরি একটি কথা, শিশুকে ট্যাগ বা লেভেলিং না করে, শিশুর সমস্যা জানুন এবং সেই সমস্যা জেনে কাজ করুন।
ভালো থাকবেন।

Collected

27/08/2021

সারাদিন সংসারের কাজের পর সন্ধ্যার দিকে রিজু বসে তার ছয় বছরের ছেলে মাহিনকে পড়াতে। মাথায় থাকে রাতের খাবার তৈরিসহ অন্যান্য কাজের চিন্তা। ওদিকে ২ বছরের মেয়েটার দুষ্টামি তো আছেই। তাই ছেলেকে পড়াতে বসে প্রতিদিনই কথায় কথায় চড়, থাপ্পড়, ধমক চলতেই থাকে। ছোট শিশু, তার উপর এতগুলো পড়া- অঙ্ক, ইংরেজি, বাংলা, ধর্ম কত কি সবতো ঠিকমতো লিখতে পারে না বা পড়তে চায় না। রিজুর এত ধৈর্য নেই যে, মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে ছেলেটাকে পড়াবে। এতে ফল হচ্ছে উল্টো। ইদানীং মাকে প্রচন্ড ভয় পাচ্ছে, পড়ার প্রতি কেমন যেন অনীহা তৈরি হয়েছে মাহিনের।

অনেক মা-বাবাই মনে করে, যে শিশুদের জন্য কিল, থাপ্পড় বা চড় হয়তো তেমন ক্ষতিকর নয়। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের মারধোর বা লাঠি দিয়ে পেটানো শিশু স্বাস্থ্যের এমনকি তার জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। মেরুদন্ডের নিচের দিকে সামান্য থাপ্পড়ের ফলে সমস্ত মেরুদন্ডে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে। প্রাপ্ত বয়সে আমাদের অনেকের পিঠ বা কোমর ব্যথা দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ হচ্ছে বাল্যকালে সেসব চড় থাপ্পড়ের ফল। এ ধরনের শাস্তির ফলে যদি কোন স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হয় তবে শিশুর শরীর আংশিক বা পূর্ণভাবে চলৎশক্তিহীন হয়ে যেতে পারে। হাত পা অথবা বুকের খাঁচার হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনাও বিরল নয়। অনেকক্ষেত্রে গভীর কোন ক্ষত থেকে ক্যান্সারের জন্মও হতে পারে।

চড় থাপ্পড়ের চেয়েও ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের শিকার শিশু শ্রমিকরা। মালিক বা গৃহকর্ত্রীর কিল, ঘুষি, লাথি, সজোরে ধাক্কা, শরীরের কোন একটা অংশ পুড়িয়ে দেয়া, গভীর ক্ষত সৃষ্টি করা, গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাকা দেয়া, নির্জন প্রকোষ্ঠে বা বাথরুমে দিনের পর দিন আটকে রাখার কথাতো সর্বজনবিদিত। ক্রোধের বশবর্তী হয়ে ছোট শিশুদের জোরে ঝাঁকুনি শিশু শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। শারীরিক বৃদ্ধি বিঘ্নিত, বমি, স্নায়ু বৈকল্য, শ্বাসকষ্ট এসব ক্ষতি তো আছেই, সেইসাথে শিশুমনে বড়দের বিরুদ্ধে ক্রোধ ও ঘৃণার জন্ম দেয়। ফলে তাদের মনের যা কিছু সুন্দর ও কমনীয়তা হারিয়ে যায়। কোমল শিশুর মনে জন্ম নেয় সবকিছুর বিরুদ্ধে বিতৃষ্ণা। এগুলো ফুটে ওঠে কিশোর কিশোরী, তরুণ-তরুণীর অস্বাভাবিক আচরণ ও অপরাধ প্রবণতার মধ্যদিয়ে।

ইউনিসেফের এক জরিপে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশের প্রতি ৪ টি শিশুর মাঝে ৩ জন মানসিক ভাবে অত্যাচারিত হয়; প্রতি ৩ জন শিশুর মাঝে ২ জন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়।

শারীরিক শাস্তি হয়তো সাময়িকভাবে শিশুকে কথা শোনাতে বাধ্য করে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটা ফলদায়ক নয়। কারণ প্রকৃতিগতভাবেই যারা শিশুর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে তাদের প্রতি শিশুর ভালোবাসা জন্মায় না। বরং আদর, ভালোবাসা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শিশুর সাথে আমাদের যে সম্পর্ক গড়ে উঠে তা হয় স্থায়ী ও দৃঢ়।

যে সব খারাপ কাজের জন্য মা-বাবা শিশুদের শাররিকভাবে আঘাত করে সেসব কাজের পেছনের কারণগুলোর আগে সমাধান করা উচিত, নয় কি? কম ঘুম, কম খাবার, অপুষ্টি, শারীরিক অসুস্থতা, মুক্ত বাতাস, খেলাধুলা, নিজের জগতে অবাধ বিচরণের সুযোগের অভাবে বাচ্চাদের মধ্যে দেখা দেয় অস্থিরতা, মাত্রাতিরিক্ত দুষ্টুমী, কাজে অমনোযোগিতা, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদি। তাই আগে ভেবে দেখুন, আপনার সন্তানের সমস্যা ঠিক কোথায়?
ব্যস্ত এ নগরজীবনে নিজেদের জীবনের নানা সমস্যা ও জটিলতার জন্য বাবা-মা ছেলেমেয়েদের সময় দিতে পারে না বা সময় দিতে চায়না। অথচ বাচ্চার সামান্য দুষ্টামি বা ত্রুটির জন্য তাকে মারতে হাত কাঁপেনা। ভেবেও দেখেনা তারা বাচ্চাটির দরকার ছিল একটু আদর, নির্যাতন নয়।

চিন্তা করে দেখুন, প্রতিদিন আপনি নিজে ব্যক্তিজীবনে সামাজিকভাবে বা অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবেও কত ধরনের বৈষম্য বা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন। সে সব অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দূরে থাক তার প্রতিবাদও করতে পারছেন না। কারণ তারা আপনার চেয়ে শক্তিশালী। অথচ আপনার ছোট ছেলে বা মেয়েটি অথবা ছাত্রছাত্রী অথবা আপনার বাসায় কাজ করছে সে শিশুর সামান্যতম ত্রুটিতে কত নিষ্ঠুর আচরণ করছেন ওদের সাথে। এ নির্যাতন ও হিংস্রতা শিশুটিকে শেখায়, “জোর যার মুল্লুক তার”। এর ফলে শিশুটির মনে দুর্বলকে আঘাত করার একটি মানসিকতা তৈরি হয় এবং তার চেয়ে কম শক্তিশালী কাউকে দাবিয়ে রাখার একটি প্রবণতা গড়ে উঠে।

সুতরাং শিশুর আচরণে ছোট-বড় যে কোন ধরনের ত্রুটিই দেখা যাক না কেন, তাকে মারধর না করে ঘটনাটির ব্যাখ্যা চাওয়া যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রেও বাবা-মা বা শিক্ষকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটতে পারে। কারণ সব শিশু যে সহজে মুখ খুলবে, আর খুললেও যে সত্য কথাই বলবে তাও ঠিক নয়। এজন্য একেবারে শুরু হতে মা-বাবা বা শিক্ষকের উচিত শিশুর সাথে দৃঢ় মানসিক বন্ধন তৈরি করা। এমন সম্পর্ক যাতে শিশুটি তার সব কথাই নিঃসঙ্কোচে বলতে পারে।

সন্তানের বন্ধু হতে চাইলে তাকে সময় দিতে হবে, জীবনে যতই ব্যস্ততা থাক না কেন, সন্তানকে সুন্দর সময় দেয়ার বিকল্প নেই। তার অভিযোগ বা সমস্যা থাকলে ধৈর্য্য সহকারে সেগুলো শুনতে হবে। কোন আবদার থাকলে তা যদি যৌক্তিক হয় এবং আপনার সাধ্যে কুলায় তবে তা পূরণের চেষ্টা করা উচিত।

মনে করি, আপনার ১০ বছরের ছেলেটি চিড়িয়াখানায় যেতে চাইল যা আপনার সাধ্যের মধ্যে। অথচ তা না করে ছুটির দিনে আপনি নিজেই বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে চলে গেলেন অথবা বিশ্রামের অজুহাতে সন্তানকে নিয়ে বাইরে গেলেন না বা কিছু মজার সময় উপহার দিলেন না। এটা কোনো দায়িত্ববান অভিভাবকের কাজ নয়। অথচ একটু ভাবলেই দেখবেন, যে ছুটির দিনে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে নিয়ে যদি চিড়িয়াখানা, যাদুঘর, শিশুপার্ক বা একটু খোলামেলা জায়গায়, পার্কে, নদীর ধারে বেড়াতে যান তবে শিশুরা কতটা আনন্দময় সময় অতিবাহিত করে। এতে শিশুরা যেমন থাকে হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত তেমনি দৃঢ় হয় পারিবারিক বন্ধন।
আর যদি সন্তানের আব্দার পূরণ সম্ভব না হয় তবে তাকে সেটা বুঝিয়ে বলতে চেষ্টা করুন। সন্তানের সাথে সম্পর্ক তৈরি করুন সত্য দিয়ে, মিথ্যা দিয়ে নয়। সারাক্ষণ গাম্ভীর্য দেখিয়ে কখনওই তাকে দূরে সরিয়ে দেবেন না। সন্তানকে শাসন তো অবশ্যই করতে হবে, তবে তার ক্ষতি করে নয়। শাসনের সাথে সাথে আদর ভালবাসাও দিতে হবে।
বাচ্চারা প্রশংসা পছন্দ করে বেশি। তাই তার ভালো কাজের প্রশংসা করতে ভুলে গেলে চলবেনা। আর বাচ্চারা তো দুষ্টামি করবেই। সে দুষ্টামি যদি ক্ষতিকর না হয় তবে তা দেখেও না দেখার ভান করাটাই শ্রেয়।

Childhood should be carefree, playing in the sun; not living a nightmare in the darkness of the soul.

উম্মে সালমা কলি
টরেন্টো, কানাডা
শিশুদের দিনলিপি 👨‍👩‍👧‍👦

Address

Xuan Loc

Telephone

+8801313631178

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Đoàn Văn Hiệp posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Đoàn Văn Hiệp:

Share