Ispita's Mind

Ispita's Mind I know well about myself.

19/02/2026

অন্তবাস সরকার বিদায় নিল

17/11/2025

সকলের জানা বিষয়ে কোন আগ্রহ থাকেনা।

10/11/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

11/08/2025
রাত ১০টা। চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঢাকার দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। ঝাঁকুনির মাঝে ট্রেনটা যেন ঘুমিয়ে পড়েছে,...
06/08/2025

রাত ১০টা। চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঢাকার দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। ঝাঁকুনির মাঝে ট্রেনটা যেন ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু B-5 বগির এক নম্বর স্লিপার কেবিনে তখনও জেগে আছে দুইজন — সজল আর মালিহা।

তাদের সম্পর্কটা ৭ মাসের, কিন্তু আজই প্রথমবার তারা এভাবে একান্তে কিছু সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছে। ট্রেনের এই স্লিপার কেবিন তারা আগেই প্ল্যান করে কনফার্ম করেছিল, যেন কেউ সন্দেহ না করে। বাইরের জগৎ জানে তারা “সহপাঠী”—কিন্তু কেবিনের ভেতরে আজ তাদের পরিচয় একে অপরের প্রেমিক-প্রেমিকা।

মালিহা বিছানায় বসে জানালার দিকে তাকিয়ে ছিল, বাইরে রাতের অন্ধকার, মাঝে মাঝে হেডলাইটে ভেসে উঠছে গাছপালা। পরনে পাতলা সাদা কামিজ, চুল খোলা, ঠোঁটে হালকা লিপগ্লস। চোখে এক ধরণের অস্থিরতা—উত্তেজনা আর ভয়।

সজল দরজাটা ভেতর থেকে লক করে চুপচাপ এসে মালিহার পাশে বসে।
“ভয় পাচ্ছো?”
“ভয় নয়… কিছু একটা হচ্ছে ভেতরে… ঠিক বোঝাতে পারছি না,” মালিহা বলে।

সজল ওর কাঁধে হাত রাখে। মালিহা চোখ বন্ধ করে ফেলে। ট্রেনের ঝাঁকুনিতে দুজনের শরীর টেনে আনে একে অন্যের আরও কাছে।
“আমি আছি। তোকে কিছু হতে দেবো না,” সজল ফিসফিস করে।

হঠাৎ করেই মালিহা সজলের বুকের ওপর মাথা রাখে। তার নিঃশ্বাস দ্রুত।
“আজ আমি নিজেকে আটকে রাখতে চাই না, সজল। তোকে চাই… একান্তভাবে।”

সজল থমকে যায়। তারপর ধীরে ধীরে ওর চিবুকে হাত রেখে মুখ তুলে ধরে। চোখে চোখ পড়ে, এক চুমু রেখে দেয় ওর ঠোঁটে—হালকা, তারপর গভীর।

চুমুর সাথে সাথে ঘরের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। সজল ওর কাঁধে মুখ রাখে, মালিহার গলার কাছটা ঘেমে উঠেছে। সজলের হাত আস্তে করে ওর কোমরের কাছে চলে যায়।

মালিহা এবার নিজেই সজলের হাত ধরে বুকের ওপরে রাখে। বলে, “আমার সবকিছু আজ শুধু তোর জন্য।”

সজল আর অপেক্ষা করে না। ওর ওড়না সরিয়ে নেয়, জামার বোতাম একে একে খুলতে থাকে। মালিহা চোখ বন্ধ করে ফেলে, ঠোঁট কাঁপে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে ওঠে।

সজল তার গলায়, কাঁধে, বুকের উপর চুমু ছড়িয়ে দিতে থাকে। মালিহা ধীরে ধীরে সজলের শার্ট খুলে দেয়, ওর গায়ের উষ্ণতায় নিজেকে মিশিয়ে দেয় একদম।

বিছানায় তারা পাশাপাশি শুয়ে পড়ে, ট্রেনের দুলুনিতে শরীর একে অপরের সাথে ছন্দ মেলে নেয়। কেবিনের ছোট আলোটা নিভে যায়, শুধু জানালা দিয়ে ঢুকছে হালকা চাঁদের আলো।

সজলের হাত মালিহার শরীর ঘুরে ঘুরে খুঁজে নিচ্ছে প্রতিটি অনুভূতির গহীনতম জায়গা। মালিহা কাঁপছে, কিন্তু প্রতিরোধ নেই। বরং গলা চেপে ধরে বলে, “আজ তুই আমাকে যতটা চাস, তার চেয়েও বেশি আমি নিজেকে তোকে দিতে চাই।”

ট্রেন ছুটে চলছে রাতের অন্ধকার চিরে। কেবিনে তাদের ভালোবাসা ছুঁয়ে ফেলেছে তীব্র শরীরী ও মানসিক একতা। শব্দ নেই, কেবল দম বন্ধ করা আবেশ।

ঘণ্টা পার হয়ে যায়। মালিহা বিছানায় এলিয়ে পড়ে। সজল ওর কপালে চুমু দিয়ে বলে, “এই রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে সত্যি রাত হয়ে থাকবে।”

মালিহা চোখ মেলে তাকায়। বলে, “আর এই কেবিন, এই ট্রেন… এটাই তো ছিল আমাদের "প্রথম বাসা"।

।।পাকিস্তানের জাতির পিতাদের আমাদের উপর চাপানো কেনো?।। গত ৫ আগষ্টের পর হঠাৎ গজিয়ে তোলা রেটরিকটি নতুন করে আলোচনায় এনেছেন এ...
30/07/2025

।।পাকিস্তানের জাতির পিতাদের আমাদের উপর চাপানো কেনো?।।
গত ৫ আগষ্টের পর হঠাৎ গজিয়ে তোলা রেটরিকটি নতুন করে আলোচনায় এনেছেন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম। তিনি বাংলাদেশের একাধিক জাতির পিতার কথা বলেছেন, বলেছেন মওলানা ভাসানী না থাকলে শেখ মুজিব তৈরী হতো না।

আসেন প্রথম আলাপে।
১৯৪০ সালে লাহোরে পাকিস্তান প্রস্তাব উত্থাপন করেন অখন্ড বাংলার প্রধানমন্ত্রী একে ফজলুল হক। একেবারে খাঁটি বরিশাইল্লা লোক৷ ১৯১৮ সালে একদিকে মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় সভায় সভাপতিত্ব করছেন আবার কংগ্রেস জাতীয় পরিষদেরও সেক্রেটারী৷ কলকাতার মেয়র, শিক্ষামন্ত্রী হয়ে একেবারে অখন্ড বাংলার প্রধানমন্ত্রী৷ বিশাল ব্যাপার। পাকিস্তান হবার পরও নানা কিছু। পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী, গভর্ণর, এটর্নী জেনারেল ইত্যাদি। মারা গেছেন ১৯৬২ সালে।
স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলন তখনো শুরুই হয়নি।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। পশ্চিমবঙ্গীয় বাঙালী। অভিজাত লোক। সামন্ততান্ত্রিক রাজনীতির বদলে আধুনিক ওয়েস্ট মিনিস্টার ধাঁচের রাজনীতির সুচনা তাঁর হাতে- বলা যায়। মুসলিম লীগের ভেতরে খাজা নাজিমুদ্দীনদের প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির বিরুদ্ধে তাঁর বলয়টি ছিলো তরুনদের কাছে অধিক গ্রহনযোগ্য৷ ১৯৪৬ সালে অখন্ড বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য বাংলা, পাকিস্তানের পক্ষে না থাকলে পাকিস্তান সৃষ্টি হতো না। পাকিস্তান হওয়ার পর, পাকিস্তানের রাজনীতি গুজরাটি, উত্তর ভারতীয় আর পাঞ্জাবীদের হাতে কুক্ষিগত হলে তেমন আর উদ্ভাসিত হতে পারেননি। কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানেই থেকেছেন কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের তরুন জাতীয়তাবাদীরা তাঁকে নেতা মেনেছে। মারা গেছেন ১৯৬৩ সালে। তখনো বাংলাদেশ আন্দোলন দানা বাঁধেনি।

আবুল হাশিম। পশ্চিম বঙ্গীয় অভিজাত মানুষ। বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সেক্রেটারী। পড়ুয়া লোক। মুসলিম লীগের ভেতরের তরুন প্রগতিশীলরা তাঁকে তাত্বিক গুরু মানতেন। শরৎ বসু, সোহরাওয়ার্দীর সাথে শেষ মুহুর্তের যুক্ত বাংলার বিফল চেষ্টায় যুক্ত ছিলেন। পার্টিশনের পর ভারতেই ছিলেন। ১৯৫০ এর পর পূর্ব পাকিস্তানে আসেন। খেলাফতে রব্বানী নামে একটি দল গঠন করলেও আর গুরুত্ব পাননি। আইয়ুব খানের ইসলামী একাডেমির পরিচালক হিসেবে চাকরী করতেন। ঐ অবস্থায় অন্ধ হয়ে যান এবং ১৯৭৪ সালে মারা যান। বাংলাদেশ আন্দোলনে তাঁর কোন ভূমিকা নাই।

যোগেন্দ্র নাথ মন্ডল। দক্ষিন বাংলার নিম্নবর্ণের হিন্দুদের নেতা। আইনজীবি। কলকাতা কর্পোরেশনের সদস্য। ঐ সময়ের জন্য বিশাল ঘটনা। ফজলুল হকের স্নেহধন্য ছিলেন। পরে মি: জিন্নাহর কাছের মানুষ। পাকিস্তানের প্রথম মন্ত্রীসভার আইনমন্ত্রী। জিন্নাহর মৃত্যুর পর আবার কোনঠাসা। ১৯৫০ সালে পদত্যাগ, পরে ভারতে আশ্রয় গ্রহন৷ পাকিস্তান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কিন্তু বাংলাদেশ সৃষ্টির সাথে কোন সম্পর্ক নাই।

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। পূর্ববঙ্গীয় মানুষ হলেও রাজনৈতিক জীবনের উত্থান ভারতের আসামে৷ নিম্ন আসামের দরিদ্র মুসলমানদের অধিকার নিয়ে রাজনীতি। আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি৷ পার্টিশনের পর ভারত থেকে বহিস্কার হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে আসেন। ১৯৪৯ সালে সোহরাওয়ার্দী পন্থী তরুনদের গঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে ন্যাপ গঠন করেন যা চীনপন্থী কমিউনিস্টদের গণসংগঠন হয়ে উঠে। পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ছয়দফাকে সিআইএ এর দলিল বলে প্রত্যাখান করেছিলেন৷
বাকীদের তুলনায় বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তাঁর ভূমিকা বেশী৷ কিন্তু তাঁর নিজের ভূমিকা বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের চেয়ে পাকিস্তান সৃষ্টিতে বেশী।

পাকিস্তান চাইলে জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খানের সাথে এঁদের পাঁচজনকে তাদের জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দিতে পারে। এটাই অধিক ইতিহাসসম্মত। তর্কের খাতিরে যদি বলেন- বাংলাদেশ তো হয়েছে পাকিস্তান হয়েছিল বলেই। বেশ, তাহলে পাকিস্তান হয়েছিল বৃটিশ ভারত হয়েছিল বলে। তার আগে মোগলরা এতো বড় সাম্রাজ্য গড়েছিল তাই বৃটিশরা পেয়ে গিয়েছিল। তারও আগে তুর্ক- আফগান, সেন, পাল, মৌর্য্য। আরো আগে স্রেফ অস্ট্রিক, নিগ্রয়েড। জাতির পিতার বোর্ডে কয়েক হাজার নিয়ে আসেন।

এবার আসি দ্বিতীয় আলাপে। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭- গোপালগঞ্জের তরুন শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতায় মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠনের একজন কর্মী। খাজা বনাম সোহরাওয়ার্দী গ্রুপিংয়ে সোহরাওয়ার্দী গ্রুপে। দৃষ্টিনন্দন, সাহসী এই তরুনকে সোহরাওয়ার্দীও স্নেহ করেন। এই সম্পর্ক ১৯৬৩ সালে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু পর্যন্ত বহাল ছিলো। ভাষা আন্দোলন, সংখ্যা সাম্য নীতি, পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন ইত্যাদি নিয়ে সোহরাওয়ার্দীর সাথে শেখ মুজিবের মতবিরোধ হলেও মুজিব তাঁকে অমান্য করেননি। অপেক্ষা করেছেন সময়ের। সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনভাবে তাঁর একক রাজনীতি করে গেছেন।

অপরদিকে ভাসানী তখন আসাম মুসলিম লীগের সভাপতি। এই সময়ে শেখ মুজিবের সাথে তাঁর দেখাই হয়নি। অর্থ্যাৎ শেখ মুজিব রাজনীতিবিদ হয়ে উঠার সময়ে ভাসানীর সাথে তাঁর কোন যোগাযোগ নেই, প্রভাব তো দূরের কথা। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারী শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠন করে ফেলেছেন।
পরের বছর ২৩ জুন যখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় তখন কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। মওলানা ভাসানী হয়েছেন সভাপতি। আসাম থেকে আসা বর্ষিয়ান মুরব্বী তিনি। বাকী সবাই তরুন। শামসুল হক ছাড়া সবাই কলকাতায় সোহরাওয়ার্দী গ্রুপের ছাত্রনেতা। শামসুল হকও সোহরাওয়ার্দী গ্রুপেরই। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী কেন্দ্রীয় নেতা, কেন্দ্র ছেড়ে তো আসবেন না। অতএব মওলানা সাহেবই সভাপতি।
১৯৪৯ থেকে ১৯৫৭- এই ৮ বছর শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা ভাসানী রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন। ভাসানী আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে ন্যাপ তৈরী করে আলাদা হয়ে গেলে এর পরের দীর্ঘ বছরগুলো ছিলো রাজনৈতিক বিরোধীতার। দুজন দুই আলাদা রাজনীতি করেছেন।
যে ছয়দফা শেখ মুজিবের মাস্টারস্ট্রোক, ছয়দফার ভিত্তিতেই '৭০ এর নির্বাচন, নির্বাচন থেকে স্বাধীকার আন্দোলন এবং পরিনতিতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ- মওলানা ভাসানী সেই ছয়দফার কট্টর বিরোধী।

সুতরাং ভাসানী না থাকলে মুজিব তৈরী হতো না- এমন কথার কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি নাই। অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচায় অকপটে শেখ মুজিব লিখেছেন মওলানার চরিত্র ও রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর মুল্যায়ন। মুজিব হত্যার পর খুনীদের আশীর্বাদ জানিয়ে মওলানাও জানিয়ে গেছেন মুজিব বিষয়ে তাঁর মনোভাব। কেইস এখানেই ক্লোজ।

নাহিদ ইসলামের মতো তরুনরা মিথ্যা বলছেন এমন বলবো না যদিও তাদের মেন্টরদের একজন অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইতোমধ্যেই মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমানিত। তবে এই তরুনরা আরো নিবিড়ভাবে, যুক্তির মানদন্ডে ইতিহাস পাঠ করবেন এই আশা রাখবো। বুড়ো মিথ্যাবাদীদের ফাঁদে যেনো তারা পা না দেন। তাঁদের জন্য শুভ কামনা।

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক...
29/07/2025

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুঁটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুঁটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই। কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন ?
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি
জিতেছিলেন।

❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি
জিতেছিলেন।

❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।

❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।

❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি
টিকেছিলেন।

❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।

❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।

❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।

আর আজ- আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে হতাশা কেন ?

❒ কেন একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে
সেটা মেনে নিতে পারেন না ?
❒ কেন আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন ?
❒ কেন বলেন আমি আর বাঁচতে চাইনা ?
❒ কেন বলেন, আমি হেরে গিয়েছি ?

এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেন হতাশ হয়ে পড়েন ? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন- কি প্রতিভা আছে আপনার ? মনের চাওয়াকে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন নিজে জিতে যাবেন। ❤️

✍©️

কেমন আছ?
10/07/2025

কেমন আছ?

সকালটি সুন্দর হোক
25/06/2025

সকালটি সুন্দর হোক

মনটা ভালো আছে
24/06/2025

মনটা ভালো আছে

Address

Rangamati

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ispita's Mind posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ispita's Mind:

Share