Md Saiful Islam Saif

Md Saiful Islam Saif Welcome!!!!!!!!!!!!!!!

03/06/2019
06/05/2018

যে অপরাধ করার কারণে একটা মেয়েকে আমরা বেশ্যা বলি সেই একি অপরাধের কারণে একটা ছেলেকে আমরা বিশেষ কোন নামে ডাকি না।

বেশ্যাকে সাথে নিয়ে সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে না। লোকে মন্দ বলবে। এদের কাছে যেতে হবে রাতের অন্ধকারে। অন্ধকারে পাপ পূর্ণ সবই এক। পার্থক্য শুধু আলোতে।

আলো ফুটলে সামাজিক আচার আচরণ মেন্টেইন করতে হয়। আইরন করা জামা গায়ে দিয়ে বক্তিতা দিয়ে হয়। বক্তিতার সারমর্ম থাকে যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে।

মেয়েরা নষ্ট হলে তার নাম হয় বেশ্যা; বেশ্যাকে যে নষ্ট করে তার নাম হয় বাদশা :-(

চট্টলার গণ মানুষের নেতা, চসিকের প্রথম তিনবারের নির্বাচিত মেয়র, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি চট্টলবীর আলহাজ্ব এ.বি.এম...
03/02/2018

চট্টলার গণ মানুষের নেতা, চসিকের প্রথম তিনবারের নির্বাচিত মেয়র, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি চট্টলবীর আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জননেতা মো: নাসিম।আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রিয় নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ভাই।

06/03/2016

সাকিব প্রসঙ্গ :
আমরা যারা সাকিব কে আজ এত গালি দিচ্ছি, তাও আমাদের লেভেল ভেঙে রাস্তার ফকিন্নীর পোলাপাইনের মত " মাদারচোদ, বাল, খানকির পোলা, কুত্তার বাচ্চা, বেজাত, অজাত, মাদারচোদ, রাজাকার, ঘুষখোর, এবং সাকিবের মাকে অজস্র গালি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছি, একবার ভাবুন আপনার মা আপনাকে কি জন্ম দিসে? কোন বাল আপনি আপনার এতটুক জীবনে ফালাইসেন? দেশটাকে কতটুক দিয়েছেন আজ পর্যন্ত? শুনুন আপনাদের মত বাল আরো সাত জনম ঘুরে আসলেও সাকিবের মত হতে পারবেন নাহ! হওয়াতো দূরে থাক সাকিবের বালের সমান হতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে!! সাকিব খারাপ খেলসে এইটা আমিও বলি, আর তাই বলে কি এইভাবে গালি দিবেন একজন খেলোয়াড় কে? এইটা সত্যকারের ক্রিকেট প্রেমী দের স্বভাব নাহ!! নিজের লেভেল বজায় রেখে কথা বলাই ভালো! আমাদের সমস্যা আমরা বেশি আশা করে ফেলি! টি-২০ এর ১নং দলকে হারানো কি এতই সোজা? তাই বলে ১১ নং টিম হয়ে? অনেক বেশি বুঝি আমরা :( -_-

মুশফিক সাকিবকে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছে, অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা সাকিবের চোখ বেয়ে পানি পরছেই তো পরছেই,নাসির নামের দূরন্ত ...
02/03/2016

মুশফিক সাকিবকে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছে, অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা সাকিবের চোখ বেয়ে পানি পরছেই তো পরছেই,নাসির নামের দূরন্ত ছেলেটাও জার্সি দিয়ে চোখের কান্না মুঝছে।এক ম্যাচও না খেলা এনামুল ছেলেটারও চোখ বেয়ে পানি পরছে।তামিম ছেলেটারও মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না।দূরে দাড়িয়ে থাকা মাশরাফি ভাই তো রীতিমত নির্বাকই হয়ে গেছেন। দেখে মনে হচ্ছে, এক পা বাড়ানোরও শক্তি পাচ্ছেন না... গ্যালারিতে স্কুলপড়ুয়া ছোট্ট ছেলেটিও কাঁদছে, তার সাথে খেলা দেখতে আসা তার আম্মুটিও কাদছে। বৃদ্ধ চাচাটাও মাথা নিচের দিকে দিয়ে চুপচাপ দাড়িয়ে আছেন। টিভির শো- রুমের সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে খেলা দেখতে থাকা রিক্সা চালকটিও একভাবে দাড়িয়ে থেকে চুপচাপ কাঁদছে। বাসার সবার চোখে পানি দেখে,খেলা না বুঝা..বাসার কাজের বুয়াটিরও চোখ দিয়ে অবিরত পানি পরছে। _ আপনি যদি এশিয়া কাপের এই ম্যাচটি দেখে থাকেন,তবে হাজারও চেষ্টা করে এই দৃশ্যগুলো ভুলতে পারবেন না। আপনি হয়ত অনেক চেষ্টা করেছেন এই দৃশ্যগুলো ভুলে যেতে,কিন্তু পেরেছেন কি?
আমি পারিনি ...... মনে হলো আজকেই ফাইনাল খেলে কাপ নিলাম।পাকিস্তানিদের বদ করে ।

29/08/2015

একটি বিয়ে: আমাদের সামাজিক অসভ্যতা!কষ্ট করে সবাই পড়ার চেষ্টা করবেন।

সামাজিকতারও নাকি ভাষা আছে। ভাষার ব্যবহার ব্যক্তি থেকে শুরু করে পরিবার, সমাজের পরিচায়ক হয়ে ওঠে। চিন্তা-চেতনা, মূল্যবোধে অবক্ষয় ঘটলে সামাজিকতার ভাষাতেও অবনতি ঘটে। মানুষের চিন্তা-চেতনা, ভাব, মূল্যবোধের প্রকাশ ঘটে আচার-আচরণ, রুচি-অভ্যাসের মধ্য দিয়ে।
আচার-আচরণও এক ধরনের ভাষা। আচরণ যেমন ব্যক্তির ভাষা, তেমনি আচার হলো সমাজের। ফলে ভাষার ব্যবহারই অনেক সময় সমাজের মানদণ্ড হয়ে দাঁড়ায়!
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সামাজিক ‘যোগাযোগ মাধ্যম’ একটি অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে। প্রায় সব সমাজের মানুষই অনুষঙ্গটিকে ব্যাপকভাবে গ্রহণও করেছে। নিঃসন্দেহে বিষয়টি সময়োপযোগী, ইতিবাচক। কিন্তু সমাজবদ্ধ সবকিছুই যে সামাজিক হবে তা কিন্তু না। সমাজবদ্ধ মানুষই নানা কারণে নানা উপায়ে অসামাজিক!
ইদানিং রুচি-অভ্যাস, আচার-আচরণ, চিন্তা, মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে অসামাজিকতার মাত্রা বেড়েছে বা বেড়ে চলেছে। এই বেড়ে চলার কারণ হয়তো অনেক! ব্যাখ্যা বিশ্লষণ করে একে রোধ করা অসম্ভব কিছু না। সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক বিশেষ করে রাজনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ ব্যক্তির ভেতরে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে ঠাঁই করে নিচ্ছে। ফলে ব্যক্তির ভাষায়, আচরণে, অভিব্যক্তিতে, প্রকাশে সে কখন অসামাজিক হয়ে উঠে টের পাচ্ছে না, আবার অনেকেই তা সচেতনভাবেও করছে। ঘটনার জন্ম দিলে তবেই তা আলোচনায় আসে। আইনের মানদণ্ডে তা অপরাধ বলে প্রমাণ হয়।
এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও একটি বিয়ে। সে বিষয়ে পরে আসছি। তার আগে সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার অবতারণা করতে চাই। সেটা আমাদের সবারই জানা।
কিছুদিন আগে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে জাতীয় লজ্জার মতো একটি ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার নাসির হোসেনের পোস্ট করা ভাই-বোনের একটি ছবিতে কুরুচিপূর্ণ এমন সব মন্তব্য করা হয় যা আমাদের জাতীয় লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষোভ প্রকাশ করে নাসির, মাশরাফি নিজেদের ফ্যানপেজও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এরপর নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠে। নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠবে এটাই স্বাভাবিক, এটাই সামাজিকতা।
সমাজে এই সামাজিকতা যেমন বিদ্যমান, তেমনি আছেন আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ভাষার মন্তব্যকারীরা। তাই ঘটনার পরিসংখ্যান দিয়ে সামাজিকতা বা অসামাজিকতা নির্ণয় করাটা কোনোভাবেই ঠিক হবে না। কারণ শ্রেণিবিভক্ত সমাজে নানা আঙ্গিকে, নানা রূপে এসব অসামাজিকতা ছড়িয়ে আছে, লুকিয়ে আছে।
এবার বিয়েটির প্রসঙ্গে আসি। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেছেন অভিনয়শিল্পী সুমাইয়া শিমু। বর নজরুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা রিলিফ ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত। ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশানের একটি হোটেলে শিমুর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়েটা পারিবারিকভাবে হয়েছে তা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন শিমু নিজেই।
শিল্পী সুমাইয়া শিমু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এমএসএস করেছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামাটিকস বিভাগ থেকে পিএইচডি করছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের মেসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএস করেছেন বর নজরুল ইসলাম। মেধা-যোগ্যতায় কে কার চাইতে বেশি বা কম তা বলা কঠিন। হলেই বা কি? দুজনকেই অভিনন্দন, শুভেচ্ছা।
অভিনয়শিল্পী হওয়ায় তারকা হিসেবে শিমুকে আমরা কমবেশি সবাই চিনি, অনেকে হয়তো জানেনও। এখন নজরুল ইসলামকেও আমরা চিনি শিমুর বর হিসেবে। গতকালই (শুক্রবার) ফেসবুকে শিমু-নজরুলের বিয়ের সুন্দর একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে। আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের কেউ কেউ সে ছবিতে মন্তব্য বা লাইক দেওয়ায় ছবিটি আমার পেজেও আসে। তারকা হওয়ায় শিমুর বিয়ের ছবিটি পরিবার-পরিজন, ভক্ত-অনুরাগী, বন্ধুরা ছড়িয়ে দেবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু না, খেয়াল করে দেখলাম ছবিটি শেয়ার হচ্ছে অন্য একটি কারণেও। কারণটি খুবই জঘণ্য, নিন্দনীয়, লজ্জার এমনকি অপরাধমূলকও!
শুভেচ্ছা বা অভিনন্দন জানানো তো দূরের কথা, সরাসরি বর্ণবাদি এবং চরম পুরুষতান্ত্রিক আক্রমণ করা হয়েছে নতুন দম্পতিকে। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় বর নজরুল ইসলাম এবং শিমুকে অপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে মন্তব্য করা হয়েছে। মন্তব্যের ধরন দেখে মনে হয়েছে, মন্তব্যকারীদের কেউ কেউ শিমুর বন্ধুও হয়ে থাকবেন! নিন্দা-প্রতিবাদের মুখে যদিও অনেকে মন্তব্য মুছে ফেলেছেন এরই মধ্যে।
এসব মন্তব্যকারীদের দৃষ্টিভঙ্গী হলো, শিমু সুন্দর এ কারণে সে যোগ্যতাসম্পন্ন। শিমু লাস্যময়ী, ভোগ্য। অনেকে মন্তব্য করেছেন, টাকা দেখে বিয়ে করেছেন শিমু, তাই তাকে টাকাও অফার করেছেন অনেকে। আর গায়ের রঙ কালো হওয়ায় বর নজরুল ইসলাম কুৎসিত, অযোগ্য, খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি। টাকাওয়ালা হওয়ার কারণে শিমুর মতো মেয়েকে সে বিয়ে করতে পেরেছে। এসব মন্তব্যের কোনোটাই লিখে প্রকাশ করার মতো না।
ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ!...। একবিংশ শতাব্দিতে এসে এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গী লজ্জার, অপমানের। এসব মন্তব্য নারী হিসেবে তো বটেই, মানুষ হিসেবেও শিমুকে অপমান করা হয়েছে চরমভাবে। শিমুর বরের বেলায়ও তাই। অন্যদিকে এসব মন্তব্য ঘৃণ্য বর্ণবাদি দৃষ্টিভঙ্গী চেতনার যেমন প্রকাশ ঘটেছে, তেমনি প্রকাশ ঘটেছে চরম পুরুষতান্ত্রিক লাম্পট্যের।
যারা সচেতন বা অসচেতনভাবে এই দৃষ্টিভঙ্গী লালন করেন তাদের প্রতি নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো ছাড়া কোনো উপায় নেই। এসব মন্তব্য দেখে চুপ করে থাকা বা নির্লিপ্ত থাকাটাও এক ধরনের অশ্লীলতা।
কি দেখে, কি কারণে নজরুল ইসলামকে বিয়ে করেছেন শিমু সেটা নিতান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। বাড়িয়ে বললে, তার পরিবারের বিষয়। যে কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার অধিকার শিমু বা নজরুলের যেমন আছে তেমনি আছে অশ্লীল মন্তব্যকারীদেরও।
এবার ফিরে আসি আগের কথায়। এমন একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাষাকে আশ্রয় করে যে অসভ্যতা ফুটে উঠেছে, তা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। একে রোধ করার দায়িত্ব ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, প্রশাসন, রাষ্ট্রের।
সামাজিকতা-অসামাজিকতা দু’টোই সহাবস্থান করছে সমাজবদ্ধ ব্যক্তি, চক্র, গোষ্ঠীর মাঝে। ভাল-মন্দ, সামাজিকতা-অসামাজিকতার দ্বন্দ্ব চিরন্তন। নিরন্তর দ্বন্দ্বের ফলেই এগিয়ে যায় সমাজ-সভ্যতা। এই এগিয়ে যাওয়াটা এমনি এমনি ঘটে না। সমষ্টিক সচেতন প্রয়াসে এগিয়ে নিতে হয়। আর সেটা একমাত্র সমাজবদ্ধ মানুষের পক্ষেই সম্ভব। জীব জগতের অন্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য এখানেই।
সেই সচেতন প্রয়াসে এমন জঘন্য দৃষ্টিভঙ্গী, চিন্তা, কর্মকাণ্ডকে অসামাজিক বলে এড়িয়ে গেলে চলবে না। অসামাজিক শব্দটার মাঝে এক ধরনের প্রশ্রয় আছে! এগুলো সামাজিক অসভ্যতা। একে নির্মূল সম্ভব কিনা জানি না, তবে প্রতিরোধ করা ছাড়া উপায় নেই।
সবশেষে লজ্জা, দুঃখ প্রকাশ করে বলতে চাই, ছদ্মবেশী এসব অসভ্য বন্ধু-স্বজন কেবল আপনার- আমার নয়, আমাদের সবার লজ্জার কারণ। আপনাদের (শিমু-নজরুল) দাম্পত্য জীবন সুখের হোক। শুভকামনা রইলো..

সূএঃ বাংলা নিউজ

স্মৃতির পাতায় থেকে যাবে সব সময়।
24/08/2015

স্মৃতির পাতায় থেকে যাবে সব সময়।

07/03/2015

সকল নারীদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা ।‘পরিবর্তনই নারীর ক্ষমতায়ন’সকল নারী জাতির প্রতি রইল ভালবাসা ও শ্রদ্ধা। নারী দিবস সফল হোক।

07/03/2015

তুমি খুব শান্ত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছ – ভুল
মানুষটিকে তুমি ভুলে যেতে চাও।
মানুষটিকে ভুলে থাকা তোমার জন্য খুব কষ্টদায়ক;
তবু তোমাকে ভুলতে হবে। তুমি ভুলে থাকার
চেষ্টা করছো; এর ফলে আরও
বেশি করে মনে পড়ছে।
তোমার মন তোমার কথা শুনবে না। ‘মন’
শ্রোতা হিসেবে ভাল তবে ছাত্র হিসেবে না।
আমি তাকে মনে করতে চাই না তবু ;
খেতে বসলে রুটি ছেড়ার সময়, ব্রাশে টুথপেস্ট
লাগানোর মত নিত্তান্ত কাজ করার সময় তার
কথা মনে এলে আমার কী করার আছে ?
কোন কিছু যখন হুট করে মনে পড়ে তখন সেটাকে ‘
মনে না পড়ার’ অপশনে রাখার কোন নিয়ম নেই ;
তবে একটা পক্রিয়া আছে।
হুট করে কারো কথা মনে পড়ে গেলে আমাদের
হাতে দুটি অপশন থাকে। একটি হল
যে জিনিসটি তোমার মনে পড়ছে তুমি সেই
চিন্তাটাকে কন্টিনিউ করে যাবে। অন্যটি হল
সাথে সাথে জোর করে অন্য কিছু নিয়ে ভাবা।
স্বাভাবিক ভাবে ব্যাপারটিকে হাস্যকর
মনে হলেও এটি আসলে কাজ দেয়।
একটু ব্যাখ্যা করি...
তুমি তাকে ভুলে যেতে চাও ; রয়েল হাটের
সামনে দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ
তাকে মনে পড়ে গেল। তার সাথে এক সময় প্রচুর
আসা হত। সেখানে ২৫০ এমএলএর পেপসির গল্প
আছে। তুমি যদি এই চিন্তাটাকে প্রশ্রয় দাও
তাহলে আরও অনেক কিছু মনে পড়বে...
মনে পড়বে এখানে একদিন তোমার জন্মদিনের
কেক কাটা হয়েছিল। ফেরার সময় বৃষ্টি ছিল;
তাকে ছাতার নিচে রেখে তুমি ভিজেছিলে।
দুজন মানুষ একসাথে হাঁটছে ;একজন
ভিজছে অন্যজন ভেজা হাতটি ধরে হাঁটছে...
এই পর্যায় এসে তোমার ভেতরে এক ধরনের
দীর্ঘশ্বাস জন্ম নিবে। রিকশা ঠিক
করছিলে তুমি ; জানা ছিল না পাশের
মানুষটি জীবন ঠিক বসে আছে।
বুকের বাম দিকে ব্যাথা করবে; শার্টের বোতাম
খুলে দিলে একটু বাতাস লাগবে। সেই
বাতাসে চামড়া ঠাণ্ডা হয় ; স্মৃতিরা ঠাণ্ডা হয়
না। ট্রাকের টায়ার চলে গেলে এইরকম
ব্যাথা হয় নাকি ? কে জানে ?
আবেগকে অস্বীকার করতে বলছি না; আমি শুধু
বলছি প্রশ্রয় দিবে না। একদম না। রয়েল হাটের
সামনে দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ তার
কথা মনে এলে পাশের মানুষটির
সাথে রাজনৈতিক আলাপ কর। পরীক্ষা বিষয়ক
কথা বল।
এতে লাভ কী ? ঠিকই তো আবার মনে পড়বে ??
পড়ুক... যতবার মনে পড়বে ততবার এইকাজ করবে।
একশবার... দুইশ বার... দশ হাজার বার... ? একসময়
দেখবে আর মনে পড়ছে না।
মনে পড়লেও কোন দীর্ঘশ্বাস থাকবে না।
দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস। আমি মানুষের
যে কোন টাইপ দীর্ঘশ্বাসকেই খুব ভয় পাই।
মনে পড়া আর ভুলে যাওয়া এক কথা না।
যেদিন তার কথা মনে পড়ার পর কোন দীর্ঘশ্বাস
জন্ম নিবে না ; সেদিন বুঝবে ভুল
মানুষটিকে তুমি সত্যি সত্যি ভুলে গেছো.. !!
আমাদের জীবনের সব থেকে বড় ট্র্যাজেডি হল
- প্রাসঙ্গিক বিষয় গুলো একদিন অপ্রাসঙ্গিক
হয়ে যায়... অপ্রাসঙ্গিক গুলো হয় প্রাসঙ্গিক।

(Colleted)

””’””আমি বাংলাই গান গায়,আমি বাংলার গান গায়”””””””””””””আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলাই খুজে পাই”””””””””””আমি বাংলায় দেখ...
20/02/2015

””’””আমি বাংলাই গান গায়,আমি বাংলার গান গায়”””””””””
””””আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলাই খুজে পাই”””””””
””””আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন,আমি বাংলায় বাধি সুর”””””
””””আমি এই বাংলার মায়া ভরা পথে হেটেছি এতটা দুর”””
”””বাংলা আমার জীবনানন্দ, বাংলা প্রানের সুর”””
””আমি একবার দেখি,বার বার দেথি,দেখি বাংলার মুখ””””
আ….আ…..আ…..আ…………
”””’আমি বাংলায় ভালোবাসি,আমি বাংলাকে ভালোবাসি”””
”””আমি তাঁরই হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি”””
””””আমি যা কিছু মহান বরন করেছি বিনম্র শ্রদ্ধায়”””
”””মেশে তেরো নদী সাত, সাগরের জল গংগায় পদ্মায়””
”””বাংলা আমার তৃষ্নার জল ,দৃপ্ত শেষ চুমুক”””
”” ””আমি একবার দেখি,বার বার দেথি,দেখি বাংলার মুখ””””
”””’””আমি বাংলাই গান গায়,আমি বাংলার গান গায়”””””””””
””””আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলাই খুজে পাই”””””””
””””আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন,আমি বাংলায় বাধি সুর”””””
””””আমি এই বাংলার মায়া ভরা পথে হেটেছি এতটা দুর”””
”””বাংলা আমার জীবনানন্দ, বাংলা প্রানের সুর”””
””আমি একবার দেখি,বার বার দেথি,দেখি বাংলার মুখ””””

17/02/2015

বুঝিনি এত টুকু তোমাকে
হারিয়েছিলাম
স্বপ্নের ঘোরে,
কতটা পথ ঘুরে এসেছি
তুমি বন্ধু আমার
ছিলে পাশে,
মেঘের পরে আলোর ভিড়ে
তুমিই প্রথম চেয়েছিলে,
বুঝিনি আমি তোমাকে দেখে
রেখেছ যে কত
মায়াতে....
বুঝতে দাও নি কেন
আমাকে
সাজিয়েছ যা হৃদয়ে,
ছায়া হয়ে ছিলে পাশে
বল কি করে যাব তোমায়
রেখে,
মেঘের পরে আলোর ভিড়ে
তুমিই প্রথম চেয়েছিলে,
বুঝিনি আমি তোমাকে দেখে
রেখেছ যে কত
মায়াতে......

21/01/2015

পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল অংকের
নাম"জীবন"।
যে সূত্রেই প্রয়োগ
করা হোক না কেন,ফলাফল কিন্তু মৃত্যুই
আসবে।।

Address

Sharjah

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Saiful Islam Saif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share