Happy shopping

Happy shopping Stay home stay safe

ভাইরে ভাই! সিনেমাটিক এন্ট্রি তো একেই বলে! 😎কোরিয়ায় বসেছে বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন। দুনিয়ার তাবড় তাবড় সব নেতা, কূটনীতিক আ...
15/05/2026

ভাইরে ভাই! সিনেমাটিক এন্ট্রি তো একেই বলে! 😎

কোরিয়ায় বসেছে বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন। দুনিয়ার তাবড় তাবড় সব নেতা, কূটনীতিক আর আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের ভিড় সেখানে। আর সেই মঞ্চেই বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে আসিফ মাহমুদকে দেখে খোদ জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক পর্যন্ত নিজের এক্সাইটমেন্ট লুকাতে পারলেন না! 🔥

ব্যাপারটা একটু গভীরভাবে ভাবুন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকে দেখে যখন UN-এর হাই-লেভেল ব্যক্তিরা এতটা পজিটিভ রেসপন্স দেন, তখন বুঝতে হবে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের রাজনীতি এখন গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

এনসিপি যে সত্যিকারের একজন স্ট্রং এবং প্রমিজিং লিডার পেয়েছে, সেটা এখন শুধু দেশের মানুষ না, আন্তর্জাতিক ফোরামও বুঝতে শুরু করেছে।

রাজনীতিতে টিকে থাকা এক জিনিস, আর মাথা উঁচু করে বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান জানান দেওয়া আরেক জিনিস। আর এই দুই জায়গাতেই আসিফ মাহমুদ এখন হয়ে উঠছেন এক অনন্য নাম।

#আসিফ

13/05/2026

🤣 মুসলমানদের মা*র*তে এসে আনন্দ ফুর্তি করতে গিয়ে এক মালু জা*হা*ন্নামে চলে গেছে.. আলহামদুলিল্লাহ!!

লোকটির পা ভেঙে গিয়েছে বলে ফেসবুকে এই ছবি পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন । আপনারা সবাই দোয়া করবেন প্লিজ 🥺😛
10/05/2026

লোকটির পা ভেঙে গিয়েছে বলে ফেসবুকে এই ছবি পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন । আপনারা সবাই দোয়া করবেন প্লিজ 🥺😛

আহা ভালোবাসা! পরনের ড্রেস দেখে বুঝতে পেরেছেন কিছু? হয়তো না।  তুমুল প্রেম চাচাতো বোনের সঙ্গে। চারটা বছর ধরে। এরপর সিদ্ধান...
05/05/2026

আহা ভালোবাসা! পরনের ড্রেস দেখে বুঝতে পেরেছেন কিছু? হয়তো না। তুমুল প্রেম চাচাতো বোনের সঙ্গে। চারটা বছর ধরে। এরপর সিদ্ধান্ত নিলেন দুজন বিয়ে করার। কিন্তু ছবির এই লোকের চাচি অর্থাৎ মেয়ের মা মানেনি। ভদ্রলোক তখন টগবগে যুবক। প্রবল জেদ। এক পর্যায়ে মেনে নিল মেয়ের মা তাদের জেদ দেখে। মেয়েকে তুলে দিল এই যুবকের হাতে। কিন্তু চালচুলো নেই যুবকের। তবে প্রেমের শক্তি আর মনের জোর তাদের এগিয়ে নিতে থাকলো সংসার জীবনের পথে। ঘর আলো করে এলো ছেলে ও এক মেয়ে। নানান হিসাব নিকাশ আর সংগ্রাম করতে করতে তাদের ছেলে মেয়ে বড় হতে থাকলো। কিন্তু লোকটার ভালোবাসার মানুষটা, তার প্রিয়তমা স্ত্রী ক্যান.সারে ভুগে মা.রা গেল এক অবেলায়।
এরপর কেটে গেল ২০টা বছর। আর বিয়ে করেননি এই ভদ্রলোক। কাজ করেছেন দোকানের কর্মচারীর। কখনো এর ওর ফরমায়েশ খেটেছেন।

বললেন, ছেলেটা আমাকে খুব সম্মান করে। নিজের ছেলে বলে বলছি না। খেয়ে না খেয়ে মানুষ করেছি। মাস্টার্স পাস করিয়েছি। সে চেষ্টায় আছে একটা চাকরির। আল্লাহর রহমতে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি । জামাইটাও ভালো।
আজ থেকে কয়েক বছর আগে এই ভদ্রলোক চাকরি নিয়েছেন মিরপুর ১ এর এক ফুডকোর্টে। সেখানে টুল নিয়ে বসে থাকেন গেটে। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা। বেতন দশ হাজার।

বললাম, এই বেতনে কীভাবে চলেন! আকাশ দেখিয়ে দিলেন। বললেন, আল্লাহ আছে না? উনিই পার করে দেন। এখনতো তেমন টেনশন নেই। ছেলেকে এতদূর আনছি।
বললেন, সেই চাচি অর্থাৎ আমার শাশুড়ি আমাকে এক সময় মেনে না নিলেও এখন আমাকে খুব স্নেহ করেন। আমার রান্না বান্না করে দেন। তার মহব্বতের কারণে আজও টিকে আছি ছেলে মেয়ে নিয়ে। আমার নিজের জমি জমা কিচ্ছু নাই। আমার শ্বাশুড়ি তিন শতাংশ জমি আমার স্ত্রীর নামে দিয়েছিলেন। ওটা এখন আমার ছেলে ও মেয়েকে দেব। কিছুতো দিতে পারিনি নিজে।

কী হলো চাচা কাঁদছেন নাকি! বললেন, না না। কাঁদি না। তবে আপনার চাচি মানে আমার স্ত্রীর কথা খুব মনে পড়ে বাবা।

জানেন, দুইজন কতদিন না খেয়ে থেকেছি। যখন আপনার চাচিরে বিয়ে করি তখন আমি ক্লাস টেনের ছাত্র। কত মানুষ কত কথা বলতো। কিন্তু সে আমাকে কখনো কোনোদিন ভুল বুঝেনি। কত অভাবে থাকছি। আল্লাহ তার দয়ায় দিনগুলো পার করে দিছেন। কিন্তু দেখন আজ আমার স্ত্রী নেই। যে আমাকে ছাড়া থাকতে পারতো না সে কিনা সবকিছু ছেড়েই চলে গেল। কী হতো অসুখ নিয়েই নাহয় বেঁচে থাকতো। আমিতো একলা হতাম না।

তা বিয়ে করেননি কেন আর? বললেন, না না। আমার ছেলে মেয়ে দুটার কোনো অসুবিধা হোক তা চাইনি। আর তাছাড়া আমার বুকে স্ত্রীর মায়া আজো লেগে আছে। সেখানে অন্য কাউকে জায়গা দেয়া সম্ভব না কোনোদিন।

বললাম, চাচা আপনার হতাশ লাগে? মন খারাপ লাগে?
এবার আর চোখের পানি যেন ধরে রাখতে পারলেন না।
বললেন, হতাশ হইনা আমি। একভাবে না একভাবে জীবন কেটে যাচ্ছেই। আর আছিই বা দুনিয়ায় কতদিন! হ্যাঁ আমার অনেক টানাটানি হয় চলতে কিন্তু এসব আমার কাছে কিছু না। এর চেয়ে কত কঠিন দিন কাটাইছি আমি আর আপনার চাচি।
আমার খালি মন খারাপ লাগে আপনার চাচির জন্য।

আচ্ছা যখন খারাপ লাগে তখন কী করেন!
বললেন, তখন আর বসে থাকতে পারি না টুলে। জোরে জোরে এদিক ওদিক হাঁটি। আর মনকে বুঝ দেই। একদিন দেখা হবে, একদিন দেখা হবে। এমন করে করে মনটা একটু ভালো হলে তখন আবার কাজে মন দেই।
এভাবেই চলে যাচ্ছে বছরের পর বছর ইউনুস নামের এই লোকটার।
চলে আসার সময় বললাম, থাকেন চাচা যাই। দোয়া করি ভালো থাকেন। বললেন, আপনার চাচির জন্যও দোয়া কইরেন একটু বাবা। সেও যেন ওই দুনিয়ায় খুব ভালো থাকে। আমাদের যেন আবার দেখা হয়।

আহা প্রেম, আহা ভালোবাসা! প্রিয়তমার কথা ভেবে কাটিয়ে দিচ্ছেন বাকি জীবন। এর পাশাপাশি বাবা হয়ে মানুষ করেছেন ছেলে, মেয়েকে। তিনি একজন প্রিয়তম, তিনি একজন বাবা, একজন দায়িত্ববান মানুষ।
বললেন, জীবনে সুখ দুঃখ আসবেই। সব স্মৃতি ভুলতে নাই। এইটাও একটা শক্তি ভাতিজা। আমি এই শক্তি নিয়েই থাকি। আর কিছু চাই না।

ঢাকার নবাবগঞ্জের এই মানুষটার বয়সে পেকেছে চুল, পায়ে পুরনো স্যান্ডেল। জরাজীর্ণ জীবন। কিন্তু বুকের ভেতর তার স্ত্রীর জন্য মায়া আজও নতুন, টাটকা। হয়তো তিনিও গেয়ে ওঠেন কখনো কখনো- তুমি একবার দেখা দাও দরদি, যদি মনে চায়...

প্রধানমন্ত্রীর "হাজব্যান্ড" স্ট্যান্ডার্ড কি বাংলাদেশের পুরুষ সমাজের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে যাচ্ছে? 👽
02/05/2026

প্রধানমন্ত্রীর "হাজব্যান্ড" স্ট্যান্ডার্ড কি বাংলাদেশের পুরুষ সমাজের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে যাচ্ছে? 👽

মুরগী রান্না করার জন্য ভিজিয়েছিলাম,,, ভিজানোর পর দেখি মুরগীর ময়লা,,, মানে মুরগী কেটে যখন ফ্রিজে রাখছি আসলে তখন মুরগী রাখ...
01/05/2026

মুরগী রান্না করার জন্য ভিজিয়েছিলাম,,, ভিজানোর পর দেখি মুরগীর ময়লা,,, মানে মুরগী কেটে যখন ফ্রিজে রাখছি আসলে তখন মুরগী রাখি নাই 🥹🥹মুরগী ফেলে দিয়ে মুরগীর ময়লা যত্ন করে রেখে দিছি 🫰🫰

26/04/2026

এক সৌদি নারীকে ভালোবেসেছিলাম।। আমি সামান্য তাদের বাগানের কর্মচারী হয়ে।। ঘটনা টা শুরু ২০০২ সালের।। আমি তখন বাগানের ভিসায় সৌদিতে গিয়েছি।। ১ম এ তাদের বড় বাগানে ছিলাম ২ বছর। এরপর তাদের ঘরের পাশেই ছোট্ট বাগানে আমাকে নিয়ে আসে।।
থাকা খাওয়া মালিকের ছিলো। বাগানে কাজ করার পাশাপাশি আমি তাদের ঘরে ও কাজ করতাম।। আমার মালিক খুবই ভালো মানুষ ছিলো আমাকে মোহাম্মদ বলে ডাকতো। আমি তাদের বাবা মা ডাকতাম।। তাদের এক মেয়ে ও ২ ছেলে।।
উনার ছেলেরা স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে দেশের বাহিরে থাকতো কাজের সুবাদে। মাঝে মাঝে এসে কয়েকদিন থেকে যেতো।।
উনার মেয়ে লন্ডনে থাকতো স্বামীর সাথে ।।
উনাদের আত্মীয় স্বজনরা আসতো ঘরে।। উনারা যেতো এভাবেই বয়স্ক দম্পতির জীবন অতিবাহিত হতে লাগলো। একদিন আমাকে আমার মালিক মা বললেন তুই বাঙালি রান্না করে খাওয়া আমাকে।।
তো আমি বললাম কি খাবেন। উনি বললও তোর যা ইচ্ছে রান্না করে খাওয়া। উনারা আবার ঝাল খেতে পারতো না। তখন আমি বাকালাতে(দোকান) গিয়ে সেমাই নিয়ে আসি এবং উনাদের রান্না করে খাওয়াই। খুবই পছন্দ করে উনারা ।
এরপর মাঝে মাঝে আমাকে বলতো সেমাই রান্না করে খাওয়াতে। আমি আবার রান্না করতে জানতাম তখন আমি তাদের সেমাই পায়েস এটা সেটা রান্না করে খাওয়াতাম।
এর মধ্যে আমার মালিক বাবা আমাকে গাড়ি চালানো শিখতে বললও।
আমি তখন উনার সহায়তায় গাড়ি চালানো শিখলাম। এবং উনি আমাকে লাইসেন্স বানিয়ে দিলাম। উনারা আমাকে খুবই বিশ্বাস করতো। আমি কখনও উনাদের বিশ্বাস ভাঙিনি।।
উনারা কখনও আমাকে তাদের গো*লামের বা দাসের নজরে দেখে নি। সন্তান এর মত স্নেহ করতো।
এভাবে উনাদের বাড়িতে আরো ২ বছর কাটলো আমি ছুটিতে দেশে আসলাম।
দেশে আসার সময় উনারা আমাকে অনেক কিছু দিলেন। এবং উনাদের ব্যবহারিক অনেক নতুন নতুন জিনিস যা উনারা ব্যবহার করেন না তা আমাকে দিয়ে দিলেন বললেন দেশে গরীবদের দিয়ে দিস।।
দেশে আমি এসে ২ মাস থাকলাম।
আমার মালিক ফোন করে বললও চলে আয় তোকে ছাড়া এদিকে কাজের সমস্যা হচ্ছে এবং গুছানো বেশ কষ্ট সাধ্য হয়ে গিয়েছে। আমি ও চলে গেলাম। আমার ও তেমন ভালো লাগছিলো না এখানে।।
আমার দেশে মা আর ২ ভাই ছিলো।। বাবা ছোটবেলায় মারা গিয়েছে।। মায়ের ও বয়স হয়েছে।।
আমি দেশে টাকা পাঠাতাম যখন যা লাগতো। বড় ভাইকে ব্যবসা ধরিয়ে দিয়েছি। ছোট্ট ভাইকে পড়ালেখার সমস্ত খরচ বহন করতাম।।
আমি ছুটি শেষে সৌদিতে যাওয়ার পর দেখি ঘরে উনাদের মেয়ে এসেছে।। আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো। আমি শুধু সালাম দিলাম উনি সালাম নিলেন আর কথা বললেন না।।
হালকা করে একটু দেখেছি দেখে উনাকে অনেক অসুস্থ মনে হলো।।
আমি দেশ থেকে উনাদের জন্য বিভিন্ন করম পিঠা এবং আমাদের দেশীয় ফলমূল খাবার এবং আমার মালিক মায়ের জন্য শাড়ী নিয়ে গিয়েছিলাম।।
কিন্তুু আমার মালিক মা শাড়ী কিভাবে পড়ে জানতেন না। আমি ব্লাউজ বা পেটিকোট নিয়ে ও যাই নি।।
তখন উনার সামনে আমি নিজে শাড়ী পড়ে উনাকে দেখালাম। উনি হাসতে হাসতে শেষ।
উনি বললেন দাড়া একদিন আমি পড়বো।।
তো একদিন রাতে দেখলাম উনি কোনো ভাবে পেঁচিয়ে শাড়ী পড়ে আমাকে ডাকলেন। তখন আমার মালিক বাবা ও সাথে ছিলেন উনার। উনি হাসতে হাসতে শেষ।।

উনাদের রান্না গুলো খুব একটা খেতে পারতাম না। মাঝে মাঝে আমি নিজের রান্না নিজে করতাম। তখন উনারা ওখান থেকে হালকা করে খেতেন। উনাদের ভালো লাগতো বাঙালি খাবার।।

এর মধ্যে উনাদের মেয়েকে নিয়ে আমি এখানে সেখানে যেতাম।। আত্মীয় দের বাড়িতে কিংবা কখনও মার্কেটে।।
উনি কখনও প্রয়োজন ছাড়া কথা বলতেন না আমার সাথে।।

এর মধ্যে একদিন শুনি উনার স্বামীর সাথে উনার ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে।
উনার স্বামীর আরো ২ টি বউ ছিলো। উনি বড় ছিলেন উনার ঘরে সন্তান না হওয়ার কারণে উনার স্বামী আবার বিয়ে করেন এবং সেখানে বউদের সন্তান হয়। উনাকে অবহেলা করত শুরু করলেন এবং উনার মনে হলো এ সম্পর্কে আর ভালোবাসা বিদ্যামান নেই ।। ডাক্তার বলেছে উনার থেকে আর সন্তান হবে না। দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার করার পর উনি ডিভোর্স নিয়ে নেন।।
এটা নিয়ে উনি প্রায় সময়ই কাঁদতেন এবং উনি উনার স্বামীকে ভালোবাসতেন এবং খুব জঘন্য ভাবে ঘৃণা করতেন।।
২০০৬ সাল উনারা বড় হজ্ব করবেন। ঘরের সবাই। উনাদের কেয়ার করার জন্য আমাকে ও উনারা সাথে নিবে বড় হজ্বে। সমস্ত খরচ আমার মালিক বাবা মা বহন করলেন। তখন তো খুবই গরম ছিলো এবং এতটা উন্নত ছিলো না।
উনাদের সাথে আমি বড় হজ্ব করলাম। উনাদের যতটুকু পেরেছি আমি আমার সাধ্য মত কেয়ার করেছি।।
বড় হজ্ব থেকে আসার পর থেকে উনি আমার সাথে কিছু টা ভালো ব্যবহার করতেন। আগে খারাপ ব্যবহার করতেন না কিন্তুু উনি আমাকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। বাবা মাকে মানা করতেন আমাকে এভাবে বেশি মূল্যায়ন না করতে।। উনি আবার উনার বাবা মায়ের কলিজার টুকরো ছিলো।
উনাকে উনার বাবা মা সবাই বলে ছিলো আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে। কিন্তুু উনি করেন নাই।।
উনার ইচ্ছে নেই এমন বললও।
এর মধ্যে দেশ থেকে খবর আসলো আমার মায়ের খুবই শরীর খারাপ অসুস্থ।।
আমি আমার মুনিব দের জানালাম তারা আমাকে টিকেট করে দিলো দেশে যাওয়ার জন্য।।
আমি দেশে আসার ১০ দিন পর আমার মা মারা গিয়েছে।।
২ মাস থেকে আমি আবার সৌদিতে ফিরে গিয়েছি৷।
আমাকে আমার মালিক মা বললও আমি তোর মা তুই চিন্তা করিস না।।
আমি সবসময় উনাদের সাথে সাথে সন্তান এর মত থাকতাম আমার মনে ও হারামি ছিলো না।
আমি আমার মায়ের ও বাবার অনেক সেবা করতাম৷
আমি উনাদের মাথা পযন্ত আঁচড়িয়ে দিতাম।।

এর মধ্যে উনাদের মেয়ের সাথে আমার সখ্যতা গড়ে উঠে।
আমি শার্ট এবং প্যানট পড়তাম উনি বলতেন এসব না পড়ে যেন উনাদের দেশীয় জামা পড়ি। আমাকে কয়েকটি জুব্বা জামা ও কিনে দিলেন উনি। আমি ওসবই পড়তাম।।
একদিন আমাকে উনি বললেন বিয়ে করবি আমাকে। আমার কোনোদিন সন্তান হবে না।
সবসময় উনি বিষন্ন থাকতেন।। আমি ভয় পেয়ে গেলাম উনাকে অনুরোধ করে বললাম আমি আপনাকে সবসময় বড় আপার নজরে দেখেছি।। আমাকে দয়া করে এমন বলবেন না।বাকী জীবন আমি আপনাদের সাথে কাটাতে চাই অনুরোধ। এসব বাবা মা শুনলে আমাকে ভুল বুঝবে বের করে দিবে। আমার খুব কষ্ট হবে উনাদের জন্য।।
উনি চুপ করে রইলো।। তারপর একদিন উনি আমাকে ডেকে বললেন তুই মেহেদী পড়াতে জানিস।
আমি বললাম আমি ছেলে মানুষ কিভাবে মেহেদী পড়াবো আমি এসব জানি না কখনও করি নাই।।
উনি বললও যেভাবে ইচ্ছে পড়া। উনার মা ও এসেছেন। বললেন আমাকে ও পড়িয়ে দে।
আমি তখন চেষ্টা করলাম এবং উনারা মা মেয়ে হাসতে হাসতে শেষ তখন আবার ঘরে আবার বাবা ও আসলেন উনি ও হাসতে হাসতে শেষ।
এবার উনি বললেন দে তোর হাত দে আমি হালকা লাগিয়ে দি। আমি বললাম না না আমি ছেলে মানুষ এসব আমি দিব না৷
উনি জোর করে উনার নামের ১ম অক্ষর আমার হাতে লিখে দিলেন।
উনার বাবা মা খেয়াল করে নি। আমি তাড়াতাড়ি মুছে ফেললাম।
এবং রাতের দিকে উনার বাবার পায়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে সব বললাম৷
এবং বললাম বাবা আমি মিথ্যা অপবাদ নিয়ে এদেশ থেকে যেতে চাই না দয়া করে আপনি আমাকে সম্মানে দেশে পাঠিয়ে দিন।
তখন উনি বললেন আমি তোকে বিশ্বাস করি।।
উনি উনার মেয়ে কে বিষয় টা নিয়ে বললেন এবং শাসন করলেন।
আমি এমনি শুনেছি।।
পরে কি হলো উনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় আমি জানি না।।
কয়েকদিন উনি আমার সাথে কথা টথা বললেন না। এবং আমার মালিক মা আমায় বললও যা হয়েছে ভুলে যা।।
কিছু মনে করিস না৷।
একদিন সনধ্যার পর আমায় উনি বললেন একটু এক আত্নীয় এর ঘরে দিয়ে আসতে। উনার বাবার সাথে আমি তখন কাজ করছিলাম। আমি বাবাকে বললাম বাবা আমি যেতে চাই না।।
বাবা বললেন যা কিছু হবে না ওসব মাথা থেকে ফেলে দে।
আমি বাবার কথা রাখতে উনার সাথে গেলাম।।
গিয়ে দেখি ওই আত্মীয় এর বাসায় কয়েকজন।
উনি আমাকে গাড়ি পাকিং করে ভিতরে আসতে বললেন আমি বললাম যাব না।।
তখন উনার আত্মীয় রা জোর করে নিয়ে গেলেন। যাদের আমি আগে থেকেই চিনি। যিনি আমার মালিক মায়ের আপন বোন এবং ফাতিমার কয়েকজন বান্ধবী।।
তখন ভিতরে গিয়ে দেখি ওরা আমাকে সবাই বললও এখন তোমাকে ফাতিমাকে বিয়ে করতে হবে।।
আমি জানি না ফাতিমা সবাইকে কিভাবে মানালো বা বুঝালো।
উনার আপন খালা ছিলেন এবং উনার খুব কাজের কয়েকজন বান্ধবী ছিলেন আর কেউ না।।
আমি বললাম না আমি বাবা মায়ের সাথে বেইনসাফি করতে পারবো না।
তখন বললাম জীবন থাকতে বিয়ে করবো না আমি।।
আমি সেদিন গাড়ি রেখে একাই চলে এসেছি অন্য একটা গাড়িতে করে।
এসে বাবা মাকে সব বললাম এবং বললাম দূরের বাগানে পাঠিয়ে দিন আপনার উঠের পালের দেখাশোনা ও করবো৷। বাবা মা বললও ঠিক আছে।
রাতের দিকে উনি চলে আসলেন। আসার পর উনাকে অনেক বকাঝকা করলেন।
এবং রাতে উনি সুই-সাইডের চেষ্টা করেছেন।
উনি যথেষ্ট শিক্ষিত সুন্দরী ছিলেন আমার মত সামান্য দাসকে কেন বিয়ে করতে চাইছেন তা মাথায় আসলো না আমার।।
গলায় ফাঁ*সি দিয়েছেন উনার মা দেখে ফেলাতে সেই যাএায় তিনি বেঁচে ফিরেন।।
উনার বাবা মা উনার শুধু বড় ভাইকে জানালেন।
ফাতিমা বললেন আমি শুধু ভালোবাসা চাই আর কিছু না।
পরে আর কি করার উনার বাবা মা আমাকে বললেন তুমি রাজি কিনা। তখন আমি বললাম আপনারা যা বলবেন তা।।
২০০৯ সালের ১৭ জানুয়ারি রাত ৯ টায় আমার আর ফাতিমার বিবাহ হয়।
আমি বাংলাদেশী টাকায় নগদ ৪ লাখ টাকার দেনমোহরে ফাতিমাকে বিবাহ করি এবং ৩ লাখ টাকা গয়না উপহার দি।
যা এত বছরের প্রবাস জীবনে আমার জমানো অর্থ ।।
বয়সে ফাতিমা আমার চেয়ে ৭ বছরের বড় ছিলো। কিন্তুু বিশ্বাস করুন আমি ফাতিমার চোখে আমার জন্য সম্মান মায়া ভালোবাসা দেখেছি আমি তাদের দাস হয়ে ও।।
সে এক অদ্ভুত ভালোবাসা আমার আর ফাতিমার।।

বিয়ের পর ৩ দিন পর আমি আর ফাতেমা ওমরাহ তে গিয়েছি। আমরা জেদ্দা শহরে থাকতাম।
কাবা বেশি দূর ছিলো আমাদের থেকে।।
আমি ওর হাতে হাত রাখতে ১ম ১ম ভয় পেতাম চোখে চোখ রাখতে ভয় পেতাম৷ দ্বিধা বোধ কাজ করতো।।
কিন্তুু ফাতিমা সেই দ্বিধা কাটিয়ে দেয়।।
ও আমার থেকে কথা নিয়েছে কখনও বেইমানি যেন না করি সাথে ও কথা দিয়েছে ও কখনও আমার সাথে বেইমানি করবে না।।
১ম ১ম বিবাহ টা সবার কাছে প্রকাশ করে নি। শুধু হাতেগোণা কয়েকজন আত্মীয় স্বজনরা জানতো।।
আমরা সারারাত গল্প করতাম হাতে হাত রেখে হাঁটতাম।।
আমি ভালোবেসে আমার ফাতিমাকে বাঙালি বধু সাজিয়ে দি।
কি যে অপরুপ সুন্দর লেগেছে আমার ফাতিমাকে।।

একদিন আমার বাবা আমায় বললেন তোমাকে একটা জেদ্দাতে দোকান নিয়ে দি তুমি ব্যবসা করো। আমার মেয়ের জামাই তোমার নিজের সম্মান রয়েছে সাথে আমার ও সম্মান রয়েছে।।
তখন বললাম ঠিক আছে তবে ব্যবসা করে আমি সমস্ত টাকা পরিশোধ করে দিবো।।
আলহামদুলিল্লাহ জেদ্দাতে দোকান দেওয়ার পর ২০১১ এর মধ্যে আমাকে এত বরকত দেয় বলার মতো না।।
খুব চেষ্টা করতাম ফাতিমাকে একটা বাড়ি কিনে দিতে।।
২০১২ সালে মক্কাতে দোকান দি।।
আমাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি৷
এর মধ্যে ২০১৫ তে আমার ফাতিমা আর আমার সন্তান হয়৷

আমার ফাতিমা যেন বিশ্বাস করতে পারে না।।
আল্লাহ তাকে এত বড় উপহার দিয়েছে।। সে রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করে।।
২০১৭ তে আমি ফাতিমাকে একটা বাড়ি কিনে দি।।
পরিবার বলতে শুধু আমার ফাতিমা আর আমার জেহের।।
ফাতিমাকে বলতাম তোমাকে এত ভালোবাসতে ইচ্ছে হয় কেন।। তোমাকে ভালোবাসার স্বাদ কেন আমার মিটে না।
আমার ফাতিমা শুধু হাসতো।।
ফাতিমার পরিবারের সবাই আমাদের মেনে নেয়। ২০১৭ তে আমার শাশুড়ী মা আল্লাহ কাছে চলে যান। খুব ভেঙে পড়েছিলাম। কারণ উনি আমার মা ছিলেন। আমার জন্য খুব দোয়া করে গিয়েছেন তিনি।।
২০১৯ এ আমার আর ফাতিমার আরেকটা সন্তান হয়।।
আমার জীবনে আমার রব সব দান করেন।।
ফাতিমা সন্তানদের পেয়ে যেন আকাশের চাঁদ পান।
আমার শশুর তখন আমাদের সাথে থাকা শুরু করলেন।
এর মধ্যে করোনা আসে।।
কভিড এর টাইমে আমার ফাতেমা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে।।
ওর করোনা ধরা পড়ে। এত সচেতন থাকার পরে ও কিভাবে করোনা হয় আল্লাহ জানেন।।
আমাকে হাসপাতালে থাকতে দেয় হচ্ছিলো না কিন্তুু আমি পাগল হয়ে গিয়েছি ফাতিমার জন্য হাসপাতালের বাহিরে অপেক্ষা করতাম।
এর মধ্যে একদিন মাঝরাতে আমার ফাতিমা করোনাতে আক্রান্ত হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছে।
সেই শোক আমি আজও ভুলতে পারি নাই। পাগলের মতো কেঁদে ছি।
আমি আমার দুনিয়া সুখ আনন্দ সব হারিয়ে ফেলেছি।
সব মানে সব। আমার জীবনে আর কিছুই নেই।
আমার ফাতিমা ছিলো একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী, আমার দুনিয়া।।
আমি রাতে এখনও ঘুমাতে পারি না। ওর কবরে গিয়ে কুরআন তেলওয়াত করে আসি।।
ওর সন্তান রা ওর এত প্রিয় ছিলো সন্তানদের ছাড়া ও আজ বহুবছর আল্লাহ কাছে।।
আমি আমার শশুর সন্তানদের নিয়ে থাকি।।

আমার শশুর এর ও বয়স হয়েছে।। উনার ছেলেরা নিতে চেয়েছে কিন্তুু উনি যান নাই ফাতিমার সন্তান দের ছেড়ে।। উনারা ও আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসেন এবং আদর করেন।।
আমি বেঁচে আছি ফাতিমাকে ছাড়া ফাতিমার সন্তান দের নিয়ে।।
বেঁচে থাকতে হবে ফাতিমার সন্তান দের জন্য।।
একটা মুহুর্তের জন্য ও ওকে ভুলতে আমি পারি নি।
সন্তানদের জন্য বেঁচে আছি।।
আমার জীবন সময় সব থমকে গিয়েছে শুধু আমার ফাতিমার জন্য।
ইনশাআল্লাহ জান্নাতে একসাথে থাকবো আমরা।
আমি সারাদুনিয়াকে বলতে চাই শুনছো দুনিয়া আমি শুধু ফাতিমার স্বামী।।।

পেইজে একটু ফলো দিও যদি আমার লেখা পড়তে চাও।।।

গোলাম আর মুনিবের সংসার
নুসরাত হক

ফেনীতে এক অটোচালক একটা মেয়েকে দেখিয়ে মা**র*বেট করছে এই ভিডিও আপনারা অনেকেই দেখেছেন। লোকটাকে পুলিশে এরেস্ট করছে।পুলিশের গ...
26/04/2026

ফেনীতে এক অটোচালক একটা মেয়েকে দেখিয়ে মা**র*বেট করছে এই ভিডিও আপনারা অনেকেই দেখেছেন। লোকটাকে পুলিশে এরেস্ট করছে।

পুলিশের গাড়িতে বসে সে বলতেছে "ধ*র্ষন হইলে তখন কিছু করেন না, এইসব ছোটো খাটো বিষয় নিয়ে আপনারা এমন কেন করেন? মামলা টামলা কোনো বিষয় না!

এই ভিডিওটা আমি অন্তত চারবার দেখছি। দেখে না আমি লিটেরলি ট্রমা খেয়ে গেছি। লোকটা কী কনফিডেন্ট!!
চোখে মুখে কোনো অপরাধের ছাপ তো নেই ই বরং কি পরিমাণে এগ্রেসিভ! সে জানে মামলা কোনো বিষয় না! সে কনফিডেন্ট তার আসলে কিছুই হবে না। সে জানে সে ধ*র্ষন করলেও কিছুই হইতো না!

মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি ও জানে, ওরে থানা থেকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে আনার জন্য অনেকে ওয়েট করতেছে।

এই কনফিডেন্স ও কোথা থেকে পায়, এই প্রশ্ন অবান্তর। আপনিও জানেন-আমিও জানি!

এই যে একটা দেশ, এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ মনে প্রাণে নারীদের ঘৃণা করে। ঘৃণা করে মানে এই না যে এরা নারীদের থেকে প্রিভিলেজ নিতেও ঘৃণা করে! যেই মায়ের পেটে জন্ম নিছে সেই মাকে ঘৃণা করে, স্ত্রীর তো দামই নাই। ঘৃণা না করলে তো একটা নারীকে অসম্মান করা সহজ হত না।

আর কিছু ইতর যারা ইসলাম সম্পর্কে জানেই না তারা আলেম মুফতির কথাকে ডিঙিয়ে ফতোয়া দেয় প্রসবকালীন মৃত্যু হলে নারী শহীদ হবে, সো শহীদ হয়ে যাও। মরো। এরা ফতোয়া দেয় নারী হয়ে থাকবে ঘরের রাণী, অথচ দেশের বেশিরভাগ নারী ম্যালনিউট্রিশানে ভোগে কেননা এই ঘরের রাণীর কপালে ?প্রপার খাওয়াটাও জোটে না। ইসলাম নারীকে কীভাবে রাখতে বলেছে সে বোধটুকুও তাদের নেই।

আমি মন থেকে এদের অভিশাপ দিই। আল্লাহ যেন এদের শাস্তি দুনিয়ার উপরে দেখায়ে দেয় আমাদের। এরা-যারা এদের প্রটেক্ট করতেছে- যারা এদের ডিফেন্ড করতেছে-আর প্রশাসনে বসেও যারা এদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে পারছে না, আল্লাহ যেন প্রত্যেকরে হিসাবটা বরাবর করে দেয়।

আর আমাদের ছেলে-মেয়েদের যেন আমরা এমনভাবে তৈরি করতে পারি যেন এদের কোমর ভেঙ্গে দিতে পারে লাত্থি দিয়ে!©

নিষেধাজ্ঞা দিতে দিতে কাকু দেখবে সে ছাড়া এখন আর কেউ নাই😅
25/04/2026

নিষেধাজ্ঞা দিতে দিতে কাকু দেখবে সে ছাড়া এখন আর কেউ নাই😅

স্ত্রীর সাথে পরিবারের জন্য ঝগড়া করার আগে মাথায় রাখবেন যে ভাই বোনদের সম্পর্ক কেমন এইটা বলি? আমাদের চাচা, মামা, খালা, ফুফু...
24/04/2026

স্ত্রীর সাথে পরিবারের জন্য ঝগড়া করার আগে মাথায় রাখবেন যে ভাই বোনদের সম্পর্ক কেমন এইটা বলি? আমাদের চাচা, মামা, খালা, ফুফুররা যেভাবে আত্মীয় হয়ে গিয়েছে আমাদের মা বাবাদের, যাদের ওকেসনে ,কেউ মারা গেলে এবং কারোর বিয়েতে শুধু দেখা হয় ঠিক তেমন। কিন্তু একটা বয়সে এরা কিন্তু পিঠাপিঠি ছিল। ভাই বোনের সম্পর্ক দুনিয়ার অন্যতম ক্ষণস্থায়ী সম্পর্ক গুলির মধ্যে একটি। যতদিন সবাই অবিবাহিত থাকবে আত্মার বাধন থাকবে। যেদিন সবাই বিয়ে করে ফেলবে ভাই বোনের প্রতি মায়া ট্রান্সফার হয়ে যাবে নিজের পরিবারের প্রতি, সন্তানের প্রতি। সকল সম্পর্কের এক্সপায়ারিটি ডেইট থাকে।

নারীরা আবার এইদিক থেকে বাস্তবিক। তারা আগে থেকেই তাদের স্বামীদের বুঝাতে চায় যে নিজের পরিবারের দিকে বেশি নজর দিতে। কিছু পুরুষের এই ঘোর কাটে না। তারা স্ত্রীর সাথে দিন রাত ঝগড়া করে ঠিক ততোদিন যতদিন ভাই এবং বোনেরা সুবিধা নেওয়ার পর তাকে ছুড়ে না মারছে। এইসব নিয়ে ঝগড়া করা স্ত্রী সেদিন আর স্বামীকে কথা শুনে না। সে জানে তার স্বামীটা দরকারের থেকে বেশি উদার। বেশি উদার মানুষের সাথে কি হয়। তখন আর বলে না যে, আমি আগে বলছিলাম না?

অনেকে আছে নিজের সন্তানের থেকে ভাগ্নে, ভাতিজা এদের জন্য বেশি উদার। অনেকে আছে নিজের পরিবারের থেকে ভাই বোনদের প্রতি বেশি উদার। সব সময় মনে রাখবেন একবার বিয়ে করে ফেললে আগে নিজের পরিবারকে গুরুত্ব দিতে হয় বেশি। পরে আত্মীয় স্বজন। কিন্তু এইসবের কারণে নারী ভিলেন তকমাটা বেশি পায়। মনে রাখবেন আপন মানুষদের বেলায় আপনি যা ধরতে না পারবেন সেইটা তৃতীয় পক্ষ ধরে ফেলে। যেমন, ঘসেটি বেগম কেমন এইটা দুনিয়ার সবাই ধরতে পারলেও সিরাজ উদ্দৌলা কোনদিন ধরতে পারতো না। কারণ, সেই নারী ছিল তার আপন খালা। সিরাজ বুঝলেও মানতে চাইতো না।

যাই হোক সব সময় স্ত্রী এবং সন্তানদের বেশি গুরুত্ব দিতে হয়। নিজের পরিবার আগে। পরে বাকিরা। কে কি বললো বা ভাবলো এইটা ভাবতে নেই। মনে রাখবেন আপনি মারা গেলে স্ত্রী এবং সন্তান যতটুকু কাঁদবে তা দুনিয়ার আর কেউ কাঁদবে না। এরায় বছরে কয়েকবার কবরে যাবে। বাকিরা তাও যাবে না। বিয়ে হয়ে গেলে মনে রাখবেন মা,বাবা এবং স্ত্রী ও সন্তান এরা হলো সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। ভাই,বোন, ভাগ্নে, ভাতিযা, বোন জামাই, ভাবি, ভাইয়ের বউ বাকিরা হলো তখন আপনার গেস্ট। অপসনাল।

Address

Barishal
8200

Telephone

+8801977433051

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Happy shopping posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share