25/07/2025
ইসলামের দৃষ্টিতে, ব্যবসায় ক্রেতার উচিত সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে সাহায্য করা। ক্রেতাকে বিক্রেতার সাথে ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত আচরণ করতে হবে এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে অবগত হয়ে ক্রয় করতে হবে। ক্রেতার দায়িত্ব হল বিক্রেতাকে হয়রানি না করা এবং পণ্যের ন্যায্য মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকা।
ইসলামে ক্রেতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচে উল্লেখ করা হলো:
# # # সততা ও ন্যায়পরায়ণতা:
ক্রেতাকে অবশ্যই সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে ব্যবসা করতে হবে। পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ক্রয় করা উচিত এবং মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত দাবি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
# # # বিক্রেতার সাথে উত্তম আচরণ:
ক্রেতার উচিত বিক্রেতার সাথে ভালো ব্যবহার করা এবং তাদের সাথে সম্মানজনক আচরণ করা।
পণ্যের দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে অবগত হওয়া:
ক্রেতার দায়িত্ব হল পণ্য কেনার আগে এর গুণাগুণ যাচাই করা এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেয়া।
# # # ন্যায্য মূল্য দেওয়া:
ক্রেতাকে পণ্যের ন্যায্য মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং বিক্রেতার সাথে দর কষাকষির ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখতে হবে।
# # # অতিরিক্ত সুবিধা না চাওয়া:
ক্রেতার উচিত নয় বিক্রেতার কাছ থেকে কোনো অনৈতিক সুবিধা দাবি করা বা তাদের দুর্বলতার সুযোগ নেয়া।
# # # ধোঁকা ও প্রতারণা পরিহার করা:
ক্রেতার উচিত নয় বিক্রেতাকে ধোঁকা দেওয়া বা প্রতারণা করার চেষ্টা করা।
# # # অযথা হয়রানি না করা:
পণ্যের মান বা দাম নিয়ে অযথা বিক্রেতাকে হয়রানি করা উচিত নয়।
# # # ওয়াদা রক্ষা করা:
ক্রেতাকে ক্রয় করার সময় যে ওয়াদা করেছে তা রক্ষা করতে হবে।
# # # পরস্পর সহযোগিতা:
ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই একে অপরের প্রতি সহযোগী মনোভাব রাখা উচিত।
মোটকথা, ক্রেতার আচরণে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও উত্তম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
পরিচালক
লিজেন্ড ফ্যাশন।