The Faery

The Faery Women's Clothing Store

🌸 ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়,এ যেন প্রকৃতির নীরব হাসি।একটু সুবাস, একটু রঙ,আর মন ভালো করে দেওয়ার এক অপূর্ব ক্ষমতা। 🌿✨জীবনেও ফুল...
23/05/2026

🌸 ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়,
এ যেন প্রকৃতির নীরব হাসি।
একটু সুবাস, একটু রঙ,
আর মন ভালো করে দেওয়ার এক অপূর্ব ক্ষমতা। 🌿✨
জীবনেও ফুলের মতো হোন—
নিজে সুন্দর থাকুন, চারপাশও সুন্দর করুন। 🌺💖

02/05/2026

৩ দিনে কি আল্লাহর সাহায্য আসা সম্ভব? এক অলৌকিক আমল ও পরিবর্তনের গল্প!

​মানুষের যখন সব পথ বন্ধ হয়ে যায়, ঋণের বোঝা আর দুশ্চিন্তায় যখন রাতে ঘুম আসে না—তখন আমরা ভুলে যাই আমাদের একজন মহান রব আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি পরীক্ষিত আমলের কথা শেয়ার করছি, যা ইনশাআল্লাহ আপনার অস্থির মনে শান্তি আর জীবনে বরকত ফিরিয়ে আনবে।

​🤲 ৩ দিনের বিশেষ আমল (নিয়ম ও ফজিলত)

​আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে প্রতিদিন এই তিনটি জিকির অন্তত ২১ বার করে পাঠ করুন:

​১. আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতার জিকির
​জিকির: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
​উচ্চারণ: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম।
​অর্থ: মহান ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও কোনো ক্ষমতা নেই।
​ফজিলত: এটি জান্নাতের অন্যতম গুপ্তধন। নবীজি (সা.) বলেছেন, এটি ৯৯টি রোগের ওষুধ, যার মধ্যে ক্ষুদ্রতম হলো 'দুশ্চিন্তা'।

​২. রিজিকে বরকত ও গুনাহ মাফের জিকির
​জিকির: أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
​উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ, ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রহীম।
​অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, নিশ্চয়ই আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
​ফজিলত: যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তাকে অভাবনীয় উৎস থেকে রিজিক দান করেন এবং সব সংকট থেকে মুক্তির পথ করে দেন। (আবু দাউদ: ১৫১৮)

​৩. দোয়া কবুলের চাবিকাঠি (দরুদ শরীফ)
​জিকির: اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّমْ عَلَى نَبِيِّনَا مُحَمَّدٍ
​উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
​অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
​ফজিলত: দরুদ পাঠ করলে আল্লাহ ১০টি রহমত নাজিল করেন এবং দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরুদ পড়লে সেই দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।

​📚 হাদিসের রেফারেন্স ও অনুপ্রেরণা:

​বিপদ মুক্তির চাবিকাঠি: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তাকে প্রতিটি সংকট থেকে উত্তরণের পথ করে দেবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেবেন যা সে কল্পনাও করেনি।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং: ১৫১৮)

​শক্তি ও ভরসা: "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেছেন, এটি ৯৯টি রোগের ওষুধ, যার মধ্যে ক্ষুদ্রতম হলো দুশ্চিন্তা। (তাবারানি)

​দোয়া কবুলের শর্ত: মনে রাখবেন, আল্লাহর সাহায্য সবসময় অলৌকিক কোনো চমক হয়ে আসে না; কখনো তা আসে নতুন কোনো সুযোগ বা নতুন কোনো সাহসের মাধ্যমে।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিক রাখবেন এবং হালাল উপার্জনের চেষ্টা করবেন।

​⚡ কিছু জরুরি পরামর্শ:
​পবিত্রতা: ওজু অবস্থায় কিবলামুখী হয়ে বসে আমলটি করা সবচেয়ে ভালো।
​একাগ্রতা: জিকির করার সময় শব্দের অর্থের দিকে খেয়াল রাখুন এবং মনে মনে বিশ্বাস রাখুন যে আল্লাহ অবশ্যই আপনার জন্য উত্তম ফয়সালা করবেন।
​সময়: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে (যেমন: ফজরের পর বা এশার পর) আমলটি করলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

সাওয়াবের নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কোনো এক হতাশ ব্যক্তি খুঁজে পাবে নতুন আশার আলো। 🌿

25/03/2026

💢হারিয়ে যাওয়া ২২টি মর্যাদাপূর্ণ সুন্নত!!
নবীজির সুন্নত আঁকড়ে ধরা এবং তাকে অনুসরণের মধ্যেই মানুষের সফলতা। এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর। যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হতে পার।’ (আলে ইমরান: ১৩২)

‘সুন্নত হলো- আকিদা, মধ্যমপন্থা, কথা ও কর্মগত দিক দিয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) ও তাঁর সাহাবিগণ যার ওপরে ছিলেন’ (মাজমু ফতোয়া: ৫/১১১)

দুঃখজনক হলেও সত্য- বর্তমান যুগে প্রিয়নবী (স.)-এর অনেক সুন্নতের ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহ বেখবর। অথচ জীবনের সকল ক্ষেত্রে নবীজির সুন্নতের ওপর আমল করা জান্নাতিদের গুণ ও বৈশিষ্ট্য। রাসুলে কারিম (স.) বলেন, ‘যে আমার সুন্নতকে ভালোবাসে, সে অবশ্যই আমাকে ভালোবাসে; আর যে আমাকে ভালোবাসে সে জান্নাতে আমার সঙ্গেই থাকবে। (মেশকাত: ১৭৫, কিতাবুল ঈমান; তিরমিজি: ২৬৭৮)

আর যারা হারিয়ে যাওয়া সুন্নতকে জিন্দা করবে (নিজে আমল করবে ও অন্যদের উৎসাহিত করবে) তারা নবীজির সঙ্গে জান্নাতে থাকবেন। আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে আমার কোনো সুন্নত জিন্দা করল সে যেন আমাকে জিন্দা করল। আর যে আমাকে জিন্দা করল সে আমার সাথে জান্নাতে যাবে।’ (তিরমিজি: ২খ.-৯৬ পৃ.)

নবীজি (স.) আরও ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের পরে এমন একটা কঠিন সময় আসছে, যখন কোনো সুন্নাতকে দৃঢ়ভাবে ধারণকারী ব্যক্তি তোমাদের মধ্যকার ৫০ জন শহীদের সমান নেকী পাবে।’ (তাবারানি কাবির: ১০২৪০; সহিহুল জামে: ২২৩৪)

প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে—এমন ২২টি মর্যাদাপূর্ণ সুন্নত নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো, যেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করলে হাদিস অনুযায়ী অনেক কল্যাণ ও ফজিলত লাভ করা যাবে।

🔸১. আইয়ামে বিজের রোজা রাখা:
ইবনু মিলহান আল-কায়সি (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) আইয়ামে বিজ অর্থাৎ চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সওম পালনে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, এগুলো সারাবছর সওম রাখার সমতুল্য। (সুনানে আবু দাউদ: ২৪৪৯ তাহকিককৃত)

🔸২. জুমাবারে বেশি বেশি দরুদ পড়া:
আওস ইবনু আওস (রা.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন। এদিন আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, এদিনই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল, এদিন শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেওয়া হবে এবং এদিনই বিকট শব্দ করা হবে। কাজেই এদিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। আওস ইবনু আওস (রা.) বলেন, লোকজন প্রশ্ন করল- হে আল্লাহর রাসুল! কী করে আমাদের দরুদ আপনার নিকট পেশ করা হবে? আপনি তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। বর্ণনাকারী আওস ইবনু আওস (রা.) বলেন, লোকেরা বুঝাতে চাচ্ছিল আপনার শরীর তো জরাজীর্ণ হয়ে মিশে যাবে। রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ মাটির জন্য নবী-রসূলগণের দেহকে হারাম করে দিয়েছেন। (আবু দাউদ: ১০৪৭ তাহকিককৃত)

🔸৩. সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় বাচ্চাদের বাইরে যেতে না দেওয়া:
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (স.) বলেন, ‘যখন রাতের আঁধার নেমে আসবে অথবা বলেছেন, যখন সন্ধ্যা হয়ে যাবে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে আটকে রাখবে। কেননা এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে। আর যখন রাতের কিছু অংশ অতিক্রান্ত হবে তখন তাদেরকে ছেড়ে দিতে পার। তোমরা ঘরের দরজা বন্ধ করবে এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করবে। কেননা শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। (সহিহ বুখারি: ৩৩০৪)

🔸৪. অজু করে ঘুমানো:
বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যখন তুমি বিছানায় যাবে, তখন তুমি অজু করবে—নামাজের সময় যেমন করো। অতঃপর ডান পাশে ফিরে শয্যাগ্রহণ করবে।...’ (সহিহ বুখারি: ৬৩১১)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের দেহগুলোকে পবিত্র রাখবে, আল্লাহ তোমাদের পবিত্র করুন। যদি কোনো বান্দা অজু অবস্থায় ঘুমায় তাহলে তার পোশাকের মধ্যে একজন ফেরেশতা শুয়ে থাকেন। রাতে যখনই এ ব্যক্তি নড়াচড়া করে তখনই এ ফেরেশতা বলেন, হে আল্লাহ আপনি এ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে অজু অবস্থায় ঘুমিয়েছে।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৩/৩২৮; আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১/৩১৭)

🔸৫. আল্লাহর জন্য ভালোবাসা:
কাউকে পছন্দ করলে তাকে বলা যে আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। আনাস ইবনে মালিক (রা.) সূত্রে বর্ণিত, এক লোক নবী (স.)-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অন্য এক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। লোকটি বললো- হে আল্লাহর রাসূল! আমি অবশ্যই এ ব্যক্তিকে ভালোবাসি। নবী (স.) তাকে বললেন- তুমি কি তাকে তোমার ভালোবাসার কথা জানিয়েছ? সে বলল, না। তিনি (স.) বললেন- তুমি তাকে জানিয়ে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সে ওই ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল- আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। সে বললো, আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। সে বলল, যাঁর উদ্দেশ্যে আপনি আমাকে ভালোবাসেন তিনিও আপনাকে ভালোবাসেন। (আবু দাউদ: ৫১২৫, তাহকিককৃত)

🔸৬. উপরে ও নিচে যাওয়ার সময় জিকির:
উঁচু স্থানে উঠতে আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ স্বরূপ ‘আল্লাহু আকবর’ এবং নিচে নামতে ‘সুবাহানাল্লাহ’ বলা সুন্নত। জাবির (রা.) বলেন-‘আমরা যখন উপরের দিকে উঠতাম, ‘আল্লাহু আকবার’ ও যখন নিচের দিকে নামতাম তখন ‘সুব্হানাল্লাহ’ বলতাম।’ (বুখারি: ২৯৯৩) অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইবনে ওমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী (স.) ও তাঁর সেনাবাহিনী যখন উঁচু জায়গায় চড়তেন তখন আল্লাহু আকবর বলতেন। আর যখন নিচু জায়গায় নামতেন তখন সুবহানাল্লাহ’ বলতেন। (আবু দাউদ: ২৫৯৯)
দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে, বর্তমানে এই সুন্নতটি আমাদের মাঝ থেকে প্রায় বিদায় নিয়েছে। তাই এটিকে পুনর্জীবিত করা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ।

🔸৭. ফজরের পরে না ঘুমানো:
নবী (স.) বলেন, হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে ভোরের বরকত দান করুন।’ (আবু দাউদ: ২৬০৬) সালফরা ফজরের পর ঘুমানোকে মাকরুহ মনে করেতেন। উরওয়া ইবনু জুবাইর (রহ.) বলেন, জুবাইর (রা.) তাঁর সন্তানদেরকে ভোরবেলা ঘুমানোর ব্যাপারে নিষেধ করতেন। উরওয়া (রহ.) বলেন, ‘আমি যখন কারো সম্পর্কে শুনি, সে ভোরবেলা ঘুমায় তখন তার প্রতি আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলি।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা: ৫/২২২) আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর এক সন্তানকে ভোরবেলা ঘুমাতে দেখে বলেছিলেন- ‘ওঠো, তুমি কি এমন সময়ে ঘুমিয়ে আছ, যখন রিজিক বণ্টন করা হচ্ছে?’ (জাদুল মাআদ: ৪/২৪১)

🔸৮. বাচ্চাদের সালাম দেওয়া:
শিশু হলেও তাকে সালাম দেওয়া সুন্নত এবং তা বিনয়ীর একটি নিদর্শন। আমাদের মহানবী (স.) পথে চলাকালে ছোট শিশুদেরকে সালাম দিতেন। (সহিহ বুখারি: ৬২৪৭, তাওহিদ পাবলিকেশন)

🔸৯. বাসা থেকে বের হওয়ার সময় দুই রাকাত নফল নামাজ:
মহানবী (স.) বলেন, ‘যখন তুমি তোমার ঘর থেকে বের হওয়ার সংকল্প করবে, তখন দুই রাকআত নামাজ পড়; তোমাকে বাহির পথের সকল মন্দ থেকে রক্ষা করবে। আবার যখন তুমি তোমার ঘরে প্রবেশ করবে তখনও দুই রাকআত নামায পড়; তোমাকে প্রবেশ পথের সকল মন্দ থেকে রক্ষা করবে।’ (বাজজার, বায়হাকি, শুআবুল ঈমান, জামে: ৫০৫)

🔸১০.সালাতুত দোহা বা চাশতের নামাজ পড়া:
সালাতুত দোহা বা চাশতের নামাজ মোস্তাহাব নফল। চাশতের নামাজের রয়েছে বিরাট মাহাত্ম্য ও সওয়াব। হযরত আবু জার (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন, ‘প্রত্যত সকালে তোমাদের প্রত্যেক অস্থি-গ্রন্থির ওপর (তরফ থেকে) দাতব্য সদকাহ রয়েছে; সুতরাং প্রত্যেক তাসবিহ হলো সদকাহ, প্রত্যেক তাহমিদ (আলহামদু লিল্লাহ পাঠ) সদকা, প্রত্যেক তাহলির (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ) সদকা, প্রত্যেক তাকবির (আল্লাহু আকবর পাঠ) সদকা, সৎকাজের আদেশকরণ সদকা এবং মন্দ কাজ হতে নিষেধকরণও সদকা। আর এসব থেকে যথেষ্ট হবে চাশতের দুই রাকআত নামাজ।’ (মুসলিম: ৭২০)

🔸১১. মেসওয়াক করা:
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মেসওয়াক মুখের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায়। (নাসায়ি: ১/৫০), আহমদ: ৬/৪৭, ৬২)

🔸১২. তাহিয়্যাতুল অজু আদায় করা:
নবী (স.) বলেছেন, ‘যে মুসলিম সুন্দরভাবে অজু করে তারপর দাঁড়িয়ে দেহ ও মনকে পুরোপুরি আল্লাহর প্রতি নিবদ্ধ রেখে দু’রাকাআত সালাত আদায় করে সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে। (সহিহ মুসলিম: ৪৪১, হাদিস একাডেমি)

🔸১৩. মহররম মাসে নফল রোজা রাখা:
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, রমজানের পর সবচেয়ে উত্তম রোজা হচ্ছে- আল্লাহর মাস ‘মহররম’ এর রোজা। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩ আন্তর্জাতিক)

🔸১৪. রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো:
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিদ্রা দিয়েছি, তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছি আবরণস্বরূপ আর দিনকে বানিয়েছি তোমাদের কাজের জন্য।’ (সুরা নাবা: ৯-১১) প্রিয়নবী (স.) এশার পূর্বে ঘুমানো এবং পরে গল্পগুজব করা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি: ৫৯৯)

🔸১৫. অসিয়ত লিখে যাওয়া:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের ওপর ফরজ করা হয়েছে যে, যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হবে, যদি সে কোনো সম্পদ রেখে যায়, তবে তা অসিয়ত করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮০
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তির উচিত নয় যে, তার অসিয়তযোগ্য কিছু রয়েছে আর সে দু’রাত কাটাবে অথচ তার কাছে তার অসিয়ত লিখিত থাকবে না।’ (সহিহ বুখারি, আসাইয়া, হাদিস: ২৫৮৭)

🔸১৬. অবসরে ইস্তেগফার পাঠ করা:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর কাছে তুমি ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা নিসা: ১০৬) হাদিস শরিফে নবী (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর শপথ! আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে ৭০ বারেরও বেশি ইস্তিগফার (ক্ষমাপ্রার্থনা) ও তাওবাহ করে থাকি।’ (সহিহ বুখারি: ৬৩০৭)

🔸১৭. সদকা করা:
মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, এবং সদকা (জাকাত বা দান খায়রাত) গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেয়, যেভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়। এমনিভাবে গভীর রাতে ব্যক্তির কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জু্দ) গুনাহসমূহকে মিটিয়ে দেয়।’ (মুসনাদ আহমদ: ২২০১৬) রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমারা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ (নিজেকে রক্ষা কর) যদিও তা খেজুরের টুকরা দ্বারাও হয় (সামান্য বস্তু সদকা করতে পারলেও তা কর)’ (সহিহ বুখারি: ১৪১৭; সহিহ মুসলিম: ১০১৬)

🔸১৮ তাওবার নামাজ পড়া:
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি গুনাহ করার পর উত্তমরূপে অজু করে দু’রাকআত নামাজ পড়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। (ইবনে মাজাহ: ১৩৯৫)

🔸১৯. শুকরিয়ার সেজদা:
মহানবী (স.) কোন আনন্দদায়ক সংবাদ শুনলে অথবা শুভ সংবাদ পেলে আল্লাহ তাআলাকে শুকরিয়া জানানোর জন্য সেজদায় পতিত হতেন। (আবু দাউদ, তিরমিজি, মেশকাত: ১৪৯৪)

🔸২০. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া:
আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ঈমানের শাখা ৭০টিরও কিছু বেশি। অথবা ৬০টির কিছু বেশি। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে (আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই) এ কথা স্বীকার করা, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি বিশেষ শাখা। (সহিহ মুসলিম: ৫৯, হাদিস একাডেমি)

🔸২১. পানি পান করার সময় পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলা:
আবু কাতাদা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (স.) বলেন, তোমাদের কেউ যখন পান করে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। আর যখন শৌচাগারে যায় তখন তার পুরুষাঙ্গ যেন ডান হাত দিয়ে স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য না করে। (সহিহ বুখারি: ১৫৩, তাওহিদ পাবলিকেশন)

🔸২২. আঙুল চেটে খাওয়া:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন খাবার খায়, তখন সে যেন তার আঙুলসমূহ মুছে না ফেলে, যতক্ষণ না সে তা চেটে খায় অথবা কাউকে দিয়ে চাটিয়ে নেয়।’ (বুখারি: ৫১৪০; মুসলিম: ৫৪১৫] তাছাড়া জাবির (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) আঙুল ও খাওয়ার পাত্র চেটে খাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি বলেন- ‘তোমাদের জানা নেই, তোমাদের কোন খাবারের মধ্যে বরকত রয়েছে।’ (মুসলিম: ৫৪২০)

✨আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রিয়নবীর সুন্নাহর ওপর আমল করার এবং হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহগুলো জিন্দা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

🔺ইসলামের ইতিহাসে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নারী ছিলেন রুফাইদা আল আসলামিয়া, যিনি ৬২০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম মুসলিম নারী সার্...
09/03/2026

🔺ইসলামের ইতিহাসে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নারী ছিলেন রুফাইদা আল আসলামিয়া, যিনি ৬২০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম মুসলিম নারী সার্জন হিসেবে পরিচিত এবং ছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সঙ্গিনী। আমরা সবাই ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের নাম শুনেছি, কিন্তু আমরা রুফাইদা আল আসলামিয়া সম্পর্কে কি কিছু জানি? তাঁর নামের অর্থ “উজ্জ্বল নক্ষত্র” এবং সত্যিই তিনি সেই নামের মতো উজ্জ্বল এবং অনুপ্রেরণামূলক ভূমিকা পালন করেছেন।

রুফাইদা মদিনার বানী আসলাম গোত্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতা একজন চিকিৎসক ছিলেন, যেখান থেকে তিনি চিকিৎসা কলা শিখেছিলেন। তিনি সামাজিক কাজে বিশেষভাবে সক্রিয় ছিলেন, দারুণ সংগঠক ছিলেন এবং সহানুভূতিশীল প্রকৃতির অধিকারী ছিলেন। নবী মুহাম্মদ (সা.) যখন মদিনায় আগমন করলেন, তখন রুফাইদা তাঁদের স্বাগত জানানোর প্রথম ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।

রুফাইদা তার ক্লিনিকাল দক্ষতা ব্যবহার করে অন্যান্য নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন, যার মধ্যে নবী মুহাম্মদের সঙ্গিনীরাও ছিলেন। তিনি মদিনায় প্রথম স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। মাঠে গিয়ে তিনি অসুস্থ এবং আহতদের সেবা করতেন এবং বদর, উহুদ, খন্দক ও খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি তাঁর তাঁবুকে ব্যবহার করে আহত সৈন্যদের চিকিৎসা করতেন, এটি এক অর্থে প্রথম ফিল্ড হাসপাতাল হিসেবে বিবেচিত ছিল ।
ইসলামী যুগে আরবিয়ায় নারীদের নার্সিং এবং সার্জারির উন্নয়ন নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধার সম্মুখীন হয়েছিল। সেই সময়ের বিষয়ে খুব অল্প প্রমাণ পাওয়া যায়।

তবুও মুসলিমরা রোগকে শুধু ঈশ্বরের শাস্তি হিসেবে দেখতেন না। তারা দৈহিক পরিশোধন, দৈনন্দিন নামাজ এবং সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বজায় রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন।
যুদ্ধের পর বিভিন্ন হাসপাতাল নির্মিত হলেও নারী নার্সদের কাজ প্রাথমিক ধরনের ছিল, যেমন রোগীদের খাবার দেওয়া বা ওষুধ দেওয়া। ধর্মীয় এবং সামাজিক নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো লিঙ্গভিত্তিক আলাদা করা হতো। কিন্তু রুফাইদা আল আসলামিয়া তাঁর দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রথম মোবাইল কেয়ার ইউনিট চালু করেছিলেন।

নার্সরা বিভিন্ন স্থানে তাঁবু গেঁথে রোগীদের চিকিৎসা করতেন।
খাইবার যুদ্ধে, নবী মুহাম্মদ (সা.) তাকে তাঁর নার্স দলের সঙ্গে কাজ করার অনুমতি দেন। তাদের সেবা এতটাই প্রশংসনীয় ছিল যে, নবী (সা.) তাদের পুরস্কৃত করেন যুদ্ধের শিকারের সমান ভাগে। আল-খন্দক যুদ্ধে তিনি সৈন্য সাদ ইবন মুআযের বাহু থেকে তীর সরিয়ে দেন।

বর্তমানে প্রতি বছর বাহরাইনের বিশ্ববিদ্যালয়ে রুফাইদা আল আসলামিয়া পুরস্কার দেওয়া হয় সেই শিক্ষার্থীকে যিনি রোগীদের যত্ন প্রদানে শ্রেষ্ঠত্ব দেখান। পাকিস্তানের করাচিতে আগা খান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনও তার নামে নামকরণ করা হয়েছে।

রুফাইদা আল আসলামিয়া ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের চেয়ে প্রায় ১২০০ বছর আগে এসেছিলেন। তাঁর সময়ে তিনি অত্যন্ত পরিচিত এবং সম্মানিত ছিলেন, কিন্তু আজ ইতিহাসের পাতায় অনেকটাই মুছে গেছে তার নাম। রুফাইদা আল আসলামিয়া আমাদের ইতিহাসে নারীদের সাহস, চিকিৎসা দক্ষতা এবং সেবা মনোভাবের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছেন।

Stay Curious SIS
Samina Ahmed

দুররাহ বিনতে আবু লাহাব (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চাচাতো বোন। তার বাবা ছিলেন কুখ্যাত আবু লাহাব এবং মা ছিলেন 'হাম্ম...
24/02/2026

দুররাহ বিনতে আবু লাহাব (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চাচাতো বোন। তার বাবা ছিলেন কুখ্যাত আবু লাহাব এবং মা ছিলেন 'হাম্মালাতাল হাতাব' খ্যাত উম্মে জামিল। যাদের সম্পর্কে আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা লাহাব নাজিল করে তাদের জাহান্নামী ঘোষণা করেছেন।

কিন্তু আল্লাহর কি অপরূপ মহিমা! এমন কট্টর কাফের পরিবারে থেকেও দুররাহ (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা ১৪০০ বছর পরও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি, 'রাদিয়াল্লাহু আনহা' (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন)।

দুররাহ (রা.) তার পরিবার, পরিবেশ এবং কুফরির অন্ধকার ছেড়ে ইসলামের পথে আসেন। তিনি ছিলেন সেই সাহসী নারীদের একজন, যিনি তার পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।

জাহেলি যুগে তার বিয়ে হয়েছিল হারিস বিন আমিরের সাথে, যে বদরের যুদ্ধে মুশরিক অবস্থায় মারা যায়। ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহ তাকে এক উত্তম স্বামী দান করেন। তিনি হলেন বিখ্যাত সাহাবি দাহিয়াতুল কালবি (রা.), যিনি ছিলেন অত্যন্ত সুদর্শন এবং যার আকৃতিতে মাঝে মাঝে জিবরাঈল (আ.) ওহি নিয়ে আসতেন।

একদিন মদিনার বনু রুজাইক গোত্রের কিছু নারী তাকে খোঁটা দিয়ে বলল:

"তুমি তো সেই আবু লাহাবের মেয়ে, যার সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, 'আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হোক'। তোমার হিজরত বা ইসলাম গ্রহণ তোমাকে কীভাবে বাঁচাবে?"

দুররাহ (রা.) খুব কষ্ট পেলেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে নবীজি ﷺ এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেন। নবীজি তাকে বসতে বললেন।

জোহরের নামাজের পর নবীজি মিম্বরে বসে খুতবায় বললেন,

"লোকদের কী হলো যে তারা আমাকে আমার বংশের দোহাই দিয়ে কষ্ট দেয়? সাবধান! যে আমার আত্মীয়-স্বজনকে কষ্ট দিল, সে আমাকেই কষ্ট দিল। আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে আল্লাহকে কষ্ট দিল।"

নবীজি আরও একটি ঐতিহাসিক নীতি ঘোষণা করলেন:
"কোনো জীবিত ব্যক্তিকে তার মৃত আত্মীয়ের (পাপের) কারণে কষ্ট দেওয়া যাবে না।"

তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.)-এর সাথে খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং তার কাছ থেকে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করতেন। হযরত উমর (রা.)-এর খিলাফতকালে ২০ হিজরিতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

(সূত্র: আল-ইসাবাহ ফি তাময়িযিস সাহাবাহ - ইবনে হাজার আসকালানি রহ.)

Nur Islam

নতুন খনন করে একটি পুকুর।চারপাশে শুধু মাটি আর সুনসান নীরবতা। সেই পুকুরের সাথে কোনো নদীর সংযোগ নেই, কেউ এখনো মাছ ছাড়েনি,তব...
25/01/2026

নতুন খনন করে একটি পুকুর।

চারপাশে শুধু মাটি আর সুনসান নীরবতা।
সেই পুকুরের সাথে কোনো নদীর সংযোগ নেই,
কেউ এখনো মাছ ছাড়েনি,
তবু কয়েক মাস পর হঠাৎ দেখা যায়, জলের ভেতর ক্ষুদ্র ছায়া নড়ে ওঠে। ছোট ছোট মাছ।

প্রশ্নটা তখন খুব সাধারণ, আবার খুব গভীর,
এই মাছ গুলো এখানে এলো কীভাবে?

এই প্রশ্নটাই বহু বছর আমার মতন একজন সাধারণ মানুষকে যেমন ভাবিয়েছে তেমনি ভাবিয়েছে জীববিজ্ঞানীদের। কারণ প্রকৃতি সাধারণত যুক্তির বাইরে কিছু করে না। তার প্রতিটা বিস্ময়ের পেছনে থাকে নিখুঁত নিয়ম।

২০১৯ সালে PNAS–এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখান, এই রহস্যের এক নীরব বাহক আছে, পাখি।

পাখি যখন এক জলাশয় থেকে আরেক জলাশয়ে উড়ে যায়, তখন তারা শুধু উড়েই যায় না, তারা বহন করে অদৃশ্য সম্ভাবনাও। কিছু মাছের ডিম এতটাই ক্ষুদ্র ও সহনশীল যে, পাখির পাকস্থলীর অম্ল, হজমকারী এনজাইম আর অন্ত্রের চাপের মধ্য দিয়েও টিকে যেতে পারে। আবার অনেক সময় ডিম লেগে থাকে পাখির পা, পালক বা ঠোঁটে।

পাখি উড়ে যায়। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পেরিয়ে যায়।
তারপর বসে পড়ে একেবারে নতুন, নিঃসঙ্গ কোনো জলাশয়ের ধারে।
কিংবা আপনার আমার বাড়ির পাশের কোন পরিত‍্যক্ত জলাশয়ে।

সেখানেই, পাখির অজান্তে পড়ে যায় ডিম।

জল পেলে শুরু হয় পরিবর্তন। ডিম ভেঙে জন্ম নেয় নতুন জীবন।
কোনো শব্দ নেই, কোনো দর্শক নেই, শুধু সময় আর পানি।

এভাবেই একদিন শূন্যতা ভরে যায় নড়াচড়ায়।

এই গল্পটা শুধু মাছের আগমনের নয়।
এটা আমাদের শেখায়, জীবন কখনও আলাদা হয়ে চলে না। এক প্রজাতির অস্তিত্ব আরেক প্রজাতির হাত ধরে এগোয়। পাখি জানে না সে ভবিষ্যৎ বহন করছে। মাছ জানে না সে একদিন এই পুকুরে জন্মাবে।
তাই প্রতিটি প্রজাতির প্রাণীকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত এবং তাদের যত্ন নেওয়া উচিত।

প্রকৃতি জানে তার নকশা জটিল, নীরব আর বিস্ময়ে ভরা।

আর সেই কারণেই, দূরের কোনো পাহাড়ি হ্রদে বা আপনার বাড়ির পেছনের নতুন পুকুরে হঠাৎ মাছ দেখা গেলে, সেটা কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, ওটা প্রকৃতির ধৈর্যের ফল, আর জীবনের অবিরাম যাত্রা।
copied

নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন!🌸
09/01/2026

নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন!🌸

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবর...
08/01/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"

আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

_সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)

প্রতিদিনের রান্নায় যে লবঙ্গ আপনি শুধু সুগন্ধ আর স্বাদের জন্য ব্যবহার করেন, সেটিই নীরবে কাজ করে যাচ্ছে আপনার শরীরের ভেতরে...
07/01/2026

প্রতিদিনের রান্নায় যে লবঙ্গ আপনি শুধু সুগন্ধ আর স্বাদের জন্য ব্যবহার করেন, সেটিই নীরবে কাজ করে যাচ্ছে আপনার শরীরের ভেতরে। চোখে না পড়লেও এই ক্ষুদ্র মসলার ভেতরে লুকিয়ে আছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক ওষুধের গুণ। প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে আধুনিক গবেষণা সবখানেই লবঙ্গের নাম উঠে আসে রোগ প্রতিরোধ, হজম শক্তি বৃদ্ধি ও শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখার উপাদান হিসেবে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিয়মিত ও পরিমিত ব্যবহারে এই ছোট লবঙ্গই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার বড় ভরসা।
*** লবঙ্গের সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান ইউজেনল এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ভেতরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। এই স্ট্রেস দীর্ঘদিন জমতে থাকলে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে লবঙ্গ গ্রহণ করলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
*** হজম সমস্যায় ভুগলে লবঙ্গ হতে পারে সহজ সমাধান। এটি হজম এনজাইমের নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় খাবারের পর এক বা দুইটি লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়া বা রান্নায় ব্যবহার করলে স্বস্তি মিলতে পারে।
*** লবঙ্গের প্রদাহ-নাশক গুণ আর্থ্রাইটিস কিংবা সাধারণ জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও কার্যকর। নারকেল তেলে লবঙ্গ ভিজিয়ে ব্যথার জায়গায় হালকা মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও ভাইরাস-বিরোধী বৈশিষ্ট্য শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী করে।
*** মুখ ও দাঁতের যত্নে লবঙ্গের ভূমিকা বহুদিনের পরীক্ষিত। দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সংক্রমণ কিংবা মুখের দুর্গন্ধ কমাতে এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
*** রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও লবঙ্গ আশাব্যঞ্জক ফল দেখিয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
*** এছাড়া প্রাথমিক ও প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে, লবঙ্গের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে সক্ষম। যদিও মানবদেহে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবু সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
লবঙ্গের স্বাদ ও গুণাগুণ বজায় রাখতে এটি এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করা উচিত।
*** সব মিলিয়ে লবঙ্গ শুধু রান্নার উপাদান নয়, এটি হজম শক্তি বাড়ায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে, প্রদাহ কমায় এবং সম্ভাব্যভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমিতভাবে লবঙ্গ যুক্ত করলে শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ রাখা সম্ভব।

কিভাবে বুঝবেন আপনার মাঝে অহংকার আছে কি না?১. অন্যের ভুল খুব সহজে চোখে পড়ে, কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করতে কষ্ট হয়যদি দেখো...
06/01/2026

কিভাবে বুঝবেন আপনার মাঝে অহংকার আছে কি না?
১. অন্যের ভুল খুব সহজে চোখে পড়ে, কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করতে কষ্ট হয়
যদি দেখো—অন্য মানুষের সামান্য ভুলেও তোমার রাগ হয়, তুমি সেটা নিয়ে আলোচনা করো, সমালোচনা করো; কিন্তু তোমার নিজের ভুল হলে তুমি সেটাকে যুক্তি দিয়ে ঢেকে ফেলো, অজুহাত দাঁড় করাও—তাহলে বুঝতে হবে অহংকার ভেতরে কাজ করছে। কারণ অহংকারী মানুষ নিজের ভুল মানতে ভয় পায়; ভুল মানে তার ‘বড়ত্ব’ নষ্ট হওয়া।

২. উপদেশ শুনলে বিরক্ত লাগে, মনে হয় “আমি তো সব জানি”
যখন কেউ ভালো উদ্দেশ্যে কিছু বললেও তোমার মনে হয়
—“ও আমাকে শেখাতে এসেছে?”, “আমার থেকে বেশি জানে নাকি?”—তখন এটা অহংকারের লক্ষণ। জ্ঞানী মানুষ উপদেশকে সুযোগ হিসেবে নেয়, আর অহংকারী মানুষ উপদেশকে অপমান মনে করে।

৩. সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে নিজেকে বড় ভাবতে ইচ্ছে করে
যদি দেখো—দরিদ্র, কম শিক্ষিত বা কম পদমর্যাদার মানুষের সাথে কথা বলার সময় তুমি ভেতরে ভেতরে নিজেকে তাদের চেয়ে উঁচু ভাবছো, তাদের কথা গুরুত্ব দিচ্ছো না—তাহলে এটা স্পষ্ট অহংকার। আল্লাহর কাছে মর্যাদা সম্পদ বা পদে নয়, বরং বিনয়ে।

৪. নিজের প্রশংসা শুনতে ভালো লাগে, কিন্তু সমালোচনা সহ্য হয় না
অহংকারী মানুষ প্রশংসা পেলে আনন্দে ভরে যায়, কিন্তু সামান্য সমালোচনাতেও রেগে যায় বা প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে। কারণ তার অহংকার তার আত্মসম্মানকে খুব ভঙ্গুর করে তোলে—সে চায় সবাই শুধু তার ভালো দিকটাই দেখুক।

৫. ভুল হলেও ক্ষমা চাইতে কষ্ট হয়
যদি তুমি জানো তুমি ভুল করেছ, তবুও “আমি দুঃখিত” বা “ভুল হয়েছে” বলতে তোমার গলায় আটকে যায়—তাহলে এটা অহংকারের বড় লক্ষণ। অহংকার মানুষকে মাথা নত করতে দেয় না, যদিও সত্য তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে।

৬. অন্যের সফলতায় খুশি না হয়ে ভেতরে অস্বস্তি হয়
যখন কারো উন্নতি, সাফল্য বা সম্মান দেখলে তুমি অভিনন্দন জানাও, কিন্তু ভেতরে ভেতরে মন খারাপ হয়—তখন বুঝতে হবে অহংকার কাজ করছে। কারণ অহংকারী মানুষ চায় সে-ই সবার উপরে থাকুক; অন্যের এগিয়ে যাওয়া তার কাছে হুমকি মনে হয়।

৭. নিজের আমল, জ্ঞান বা চরিত্র নিয়ে গোপনে গর্ব কাজ করে
যদি মনে মনে ভাবো—“আমি অনেক ভালো মানুষ”, “আমি অন্যদের চেয়ে বেশি দ্বীনদার”, “আমার মতো মানুষ কম”—তাহলে এটা অহংকার। প্রকৃত নেককার মানুষ নিজের ভালো আমল নিয়েই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়, গর্ব করে না।

৮. তর্কে জিততেই হবে—সত্য নয়, জয়টাই মুখ্য হয়ে যায়
অহংকারী মানুষ তর্কে ভুল প্রমাণিত হলেও হার মানতে চায় না। সে চায়—যেভাবেই হোক, শেষ কথা তারই হবে। সত্য গ্রহণের চেয়ে নিজের ইগো রক্ষা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

৯. অন্যের সম্মান দিলে নিজের মর্যাদা কমে যাবে—এমন ভাবনা আসে
যদি কাউকে সম্মান দিতে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে বা ছোট করে কথা বলতে তোমার ভেতরে দ্বিধা কাজ করে—কারণ মনে হয় এতে তুমি ছোট হয়ে যাবে—তাহলে এটা অহংকার। অথচ বাস্তবে সম্মান দেওয়া মানুষকে ছোট করে না, বরং বড় করে।

১০. আল্লাহর সামনে বিনয় থাকলেও মানুষের সামনে বিনয় থাকে না
অনেকে আল্লাহর কাছে কাঁদে, দোয়া করে—কিন্তু মানুষের সামনে নম্র হতে পারে না। যদি তুমি মানুষের সামনে কঠোর, উদ্ধত, অহংকারী হও—তাহলে বুঝতে হবে তোমার বিনয় এখনো পূর্ণ হয়নি। কারণ প্রকৃত বিনয় মানুষ ও স্রষ্টা—দুজনের সাথেই প্রকাশ পায়।

শেষ কথা
অহংকার এমন একটি গুনাহ, যা মানুষকে ধীরে ধীরে অন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—অহংকারী মানুষ অনেক সময় নিজেকে অহংকারীই মনে করে না। তাই নিজেকে বারবার প্রশ্ন করা, নিজের ভুল খোঁজা এবং আল্লাহর কাছে বিনয় চাওয়া—এটাই অহংকার থেকে বাঁচার প্রথম পথ।

Address

ফুলতলা গোহাইল রোড
Bogra

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Faery posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Faery:

Share